বৈজ্ঞানিক সত‍্যকে তুচ্ছ করে চিতা ফেরানো শুধুই রাজনৈতিক দেখনদারি

Cheetah in India: একদল সংরক্ষণ-বিশারদের মতে কুনো-পালপুরের বাস্তুতন্ত্র চিতার বাসযোগ্য নয়।

shreejata
৫ মিনিট
বৈজ্ঞানিক সত‍্যকে তুচ্ছ করে চিতা ফেরানো শুধুই রাজনৈতিক দেখনদারি

গেঁয়ো যোগী যে আদতেই ভিখ পায় না, ভারতে অবশিষ্ট হাতে গোনা কয়েকটি এশিয়াটিক সিংহ-র দিকে আজ তাকালেই বোঝা যাচ্ছে। যে এশিয়াটিক সিংহ-র বিস্তার এককালে মধ্যপ্রাচ্য থেকে উত্তর ভারতজুড়ে ছিল, তারা আজ কয়েকশো বর্গমাইলের মধ্যে গুজরাতের গির অভয়ারণ্যে সীমাবদ্ধ। সংখ্যায় ৬০০-র এধার-ওধার। সহজভাবে বললে, এশিয়াটিক সিংহের শিয়রে সংক্রান্তি। কোনও প্রাণী বছরের পর বছর গোষ্ঠীবদ্ধভাবে সংকীর্ণ জায়গায় আটকা পড়লে, তাদের জিন-পুল ক্রমে বৈচিত্র হারায়, যার ফলে নানারকম রোগ, দুর্যোগের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা হারায়। ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, যে বিপদের সম্মুখে গিরের সিংহরা দাঁড়িয়ে রয়েছে আজ বহু বছর। ১৯৯০-এ ঠিক হয়, তাদের কয়েকজনকে মধ্যপ্রদেশের কুনো-পালপুর অভয়ারণ্যে নিয়ে যাওয়া হবে। এশিয়াটিক সিংহ প্রজাতির জেনেটিক সুস্থতা বাড়িয়ে তাকে সংরক্ষণ করার এটাই একমাত্র উপায়। মনে রাখতে হবে, আমরা এমন এক বিগ ক্যাট প্রজাতির কথা বলছি, যার মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রাণী পড়ে রয়েছে একমাত্র এই ভারতে, এবং যাদের সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। বিজ্ঞান তাই বলছে, যদিও আজকের ভারতে বিজ্ঞানের আগে গুরুত্ব পায় রাজনীতি।

গুজরাত বৈজ্ঞানিক মতামতকে ডাউন প্লে করে এই প্রস্তাব থেকে পিছিয়ে গিয়েছিল, কারণ ভারতে তারাই সিংহ-পর্যটনের একমাত্র নিদর্শন হয়ে থাকতে চায়। প্রাধান্য পেল রাজ্যের গর্ব এবং পর্যটন থেকে উঠে আসা আয়ের ওপর একচেটিয়া অধিকার। এই বিতর্কের সমাধান করার সেভাবে প্রচেষ্টা করল না কোনও দল, না রাজনৈতিক, না সংরক্ষণকর্মী। মনোযোগ ঘুরিয়ে দেওয়া হলো চিতা ফিরিয়ে আনা প্রকল্পে।

এশিয়াটিক চিতা ভারতে ৭০ বছর হলো বিলুপ্ত। মূলত রাজারাজড়াদের বিনোদনমূলক শিকার আর ব্রিটিশ-নির্দেশিত অবাধ নিধন চিতাকে এই দেশে নিশ্চিহ্ন করে, যদিও বনভূমি সাফ করে উন্নয়নের উত্তরোত্তর বৃদ্ধি স্বভাবলাজুক চিতাদের আরও সহজে বিলুপ্তির দিকে নিয়ে যায়। সংখ্যায় কমে আসছে দেখে উনিশ শতকের শুরু থেকেই আফ্রিকা থেকে চিতা আনানোর গল্প শোনা যায়, তাতেও তাদের বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি, কারণ সঠিক বাস্তুতন্ত্রর অবনতি। শিকার বাদে, চিতা বিলুপ্তির যে সমস্ত কারণ এক শতক আগে ভারতে ছিল, তার সবক'টি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছে, বরং তার অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি ঘটেছে। এই একই কারণের ফলে দেশের অধিকাংশ ছোট-বড় প্রজাতির বন্যপ্রাণ বিলুপ্তির পথে। সেদিকে তাকাব না, আমরা নতুন প্রজাতি আনব।

একদল সংরক্ষণ-বিশারদের মতে কুনো-পালপুরের বাস্তুতন্ত্র চিতার বাসযোগ্য নয়। সেখানে যে ঘাসজমি অঞ্চল রয়েছে, তা চিতার স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্রের চেয়ে বহুলাংশে কম। যে তৃণভোজী প্রাণীসংখ্যা, তা আফ্রিকান চিতার খাদ্য সংকুলানে ব্যর্থ হবে। ফলে চিতারা আশপাশের গ্রাম-শহরাঞ্চলে ঢুকবে, গবাদি পশু গৃহপালিত পশু জাতীয় সহজ শিকারের লোভে। এতে মানুষ-বন্যপ্রাণের চিরাচরিত যে বিরোধ, তা নতুন করে দেখা দেবে কুনো-পালপুর এলাকায়। ভারতের এমনিতেই অন্যান্য অঞ্চলে (মুম্বইতে লেপার্ড, উত্তর ভারতে লালমুখো বাঁদর, দক্ষিণ ভারতে হাতি) বন্যপ্রাণ ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিরোধ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বন-সংরক্ষণ কর্মীরা। সেখানে জেনে-বুঝে নতুন জায়গায় একই বিরোধের দিকে হেঁটে যাওয়া কি খুব প্রয়োজন!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আফ্রিকার চিতা ধরে রাখা যাবে ভারতের অরণ‍্যে?

Cheetah in India: ভারতে আফ্রিকার চিতা আনার সমস‍্যাগুলি কী কী?

তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক, কুনো-পালপুরে চিতারা সানন্দে প্রতিস্থাপিত হলো। তারপর? একটা সময়ের পর তারা এই ঘাসজমি ছেড়ে অন্যান্য ঘাসজমি খুঁজতে বেরোবে। এ তাদের প্রবৃত্তি। কিন্তু অন্যান্য ঘাসজমির সঙ্গে কোনও সংযোগ না থাকায় তাদের দশাও হবে গিরের সিংহদের মতো। তখন? এর উত্তরে অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার এক স্বনামধন্য চিতা-বিশেষজ্ঞ বলেছেন, আমরা হাতে করে একে একে চিতা নিয়ে যাব অন্যান্য ঘাসজমিতে! এই নাকি আধুনিক সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ। ভারতীয় অর্থনীতির নিরিখে এই সমাধান বিশেষভাবে চিন্তাজনক, কারণ এই প্রক্রিয়ায় একেকবারে খরচ হবে লাখ লাখ ডলার। সেসব বাদেও এ ভারি হাস্যকর পরামর্শ। বন্যপ্রাণ সুস্থ, স্বাভাবিক নিয়মে বেঁচে থাকার জন্য যে প্রাকৃতিক পরিবেশ দরকার তা আমরা ধ্বংস করেছি, করে চলেছি। এদিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রকৃতির অনুকরণ করে প্রমাণ করার চেষ্টা করব, সব ঠিক আছে? এ কেবল ইগোসেন্ট্রিক গা-জোয়ারি নয়, খানিক দূরদর্শিতার অভাব।

এসবের মধ্যে যাঁদের নিয়ে গুটিকয় মানুষ ছাড়া কেউ কথাই বলছেন না, তাঁরা এই কুনো-পালপুরের আশেপাশের গ্রামের মানুষ, যাঁদের উৎখাত করা হয়েছে ভিটেজমি থেকে। ৫০০০-এর ওপর মানুষকে সরিয়ে অন্য জায়গায় পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে, শোনা যাচ্ছে, আরও প্রায় ১৭০টি গ্রাম খালি করা হবে। এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আজ বহু বছর হলো, কিন্তু আজ অবধি এই মানুষগুলির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। খুড়োর কলের মতো সামনে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে, অভয়ারণ্য হলে পর্যটনের টাকায় কর্মসংস্থানের অভাব হবে না। তাঁরা প্রথমে ঘর ছাড়লেন সিংহ আসবে ভেবে, এখন জানছে, আসলে থাকতে হবে চিতার এলাকায়। সেখানে নাকি তাঁরা কাজ পাবেন। কিন্তু সিংহ বা চিতা, কারও সঙ্গেই সহাবস্থানে এঁদের প্রস্তুতি বা অভিজ্ঞতা নেই। পৃথিবীর যে-কোনও অঞ্চলে যেসব মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম জঙ্গলের বুকে সফলভাবে বেঁচেছে, তারা সেই বাঁচার কৌশল রপ্ত করেছে বংশানুক্রমিক জ্ঞানে। এর কোনও বিকল্প নেই। বাইরে থেকে মানুষ এসে বই পড়িয়ে সেই শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে পারে না। পারলেও, তার কোনও প্রয়াস কুনো-পালপুরের আশপাশে দেখা যায়নি। আঞ্চলিক মানুষকে এই চিতা প্রকল্পে কোনওভাবে জড়ানো হয়নি। তাঁরা এই সিদ্ধান্তের অংশীদার নয়, পরবর্তী জীবনে কীসের মুখে পড়বে সে বিষয়ে কেউ তাঁদের তৈরি করছে না। ভবিষ্যতে, চিতা যদি এই মানুষগুলির এলাকায় ঢুকে গরু-ছাগল নিয়ে টানাটানি করে, আর মানুষ যদি চিতা মারতে আরেকবার নতুন করে অস্ত্র তুলে নেয়, দোষ হবে কোন তরফের?

এসব গেল বৈজ্ঞানিক তথ্য, যার গ্রহণযোগ্যতা নতুন ভারতে ক্রমে কমে আসছে, আমরা জানি। এর উল্টো পিঠে একদল বিশেষজ্ঞ বলছেন, চিতা এলে আমাদের বিলুপ্তপ্রায় প্রাকৃতিক ঘাসজমি বাঁচবে। তা, সেই ঘাসজমিতে এখনই অনেক প্রাণী-প্রজাতি থাকে, যারা নিজেরাই বিলুপ্তির পথে। তাদের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি না কেন?

দিচ্ছি না, কারণ চিতা এলে ভারতের পেশি ফুলবে। বুকের ছাতি ছত্রিশ ইঞ্চি ছাপিয়ে যাবে। নানা বিশেষজ্ঞর ব্যক্তিগত স্বপ্ন পূরণ হবে, সংরক্ষণের রাজনীতি বেঁচেবর্তে থাকবে, সঙ্গে বাঁচবে জাতীয় রাজনীতি। চিতা আনার কথা শুরু করেছিল এক রাজনৈতিক দল, আজ করে দেখাচ্ছে অন্য দল, সেই দলের রমরমা বাড়বে। সে বলবে ভারতের যে গৌরব হারিয়ে গিয়েছিল, তা ফিরিয়ে এনে ভারতকে আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনের বসিয়ে দিল কে? যদিও ভারতে যে চিতা পাওয়া যেত, সেই এশিয়াটিক প্রজাতি ফিরিয়ে আনা হচ্ছে না। এশিয়াটিক চিতার শেষ তিরিশটি ইরানে রয়েছে, যাদের ভবিষ্যৎ ততোধিক অন্ধকার, কারণ দেশের ৬ জন চিতা-বিশেষজ্ঞ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হাজতে।

বিজ্ঞানের সমস্তরকম সাবধানবাণীকে একপ্রকার ঝেঁটিয়ে বিদায় করে রাজনৈতিক তকমাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে আজকের ভারতে। এটাই বাস্তব। প্রসঙ্গ চিতা ফেরানো হোক বা মূর্তি স্থাপন। জাতীয় গৌরবের মোড়কে জনগণের মধ্যে আপাত উত্তেজনা উসকে, জাত্যাভিমানের ফাঁপা চেতনা বাড়িয়ে, মূল সমস্যাগুলি থেকে চোখ ফিরিয়ে শিশুর হাতে নতুন খেলনা তুলে দেওয়ার কৌশল করা হছে, যা দেশের বর্তমান শাসক দল মুনশিয়ানার সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রেই করে থাকেন। সেই নতুন খেলনা কতখানি টেকসই বা কতটুকু তার প্রাসঙ্গিকতা- সেসব নিয়ে আলোচনা করা দেশের বিরুদ্ধে কথা বলা। আজ ভারতে বিশ্বের আট প্রজাতির বিগ ক্যাটের মধ্যে চিতা আনার দৌলতে ৬টি বিদ্যমান। এর নেপথ্যে যে সত্য জ্বলজ্বল করছে, তা হলো এর মধ্যে একটি (এশিয়াটিক সিংহ) অচিরেই হারিয়ে যাবে, এবং ভারতের মাটিতে আফ্রিকান চিতার ভবিষ্যৎ নিয়ে যে প্রভূত দ্বন্দ্ব, তার নিরসন না করেই আজ ছয়ের পিঠে আট পাওয়ার নেশায় মাতছি। দু'দিন পর দেশের মাটিতে দুই প্রজাতির বিগ ক্যাট বিলুপ্তির দায় নিতে এগিয়ে আসবে তো এরা? বন্যপ্রাণী জোগাড় করা আর যাই হোক, বিনাকা টুথপেস্টের সঙ্গে বিনামূল্যে পাওয়া প্লাস্টিকের হাতি-ঘোড়া জমিয়ে পরদিন স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের কাছে আস্ফালন নয়।

তথ‍্য সূত্র:

ন‍্যাশনাল জিওগ্রাফিক, দ‍্য কনজারভেশন, দ‍্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, দ‍্য হিন্দু, দ‍্য সোয়াডল

লিখেছেন
shreejata
shreejata
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।