বাজেট ২০২৫: কৃষকের স্বপ্ন কেন এবারও অধরাই থেকে গেল?

Budget 2025: আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে কৃষি ও কৃষকের জন্য সরকার অনেক কিছু করতে চাইছে। কিন্তু কৃষকের সমস্যা অনেক গভীরে। যার সমাধানের কোনও দিশা এই বাজেটে নেই।

Debasis Mithiya
৫ মিনিট
বাজেট ২০২৫: কৃষকের স্বপ্ন কেন এবারও অধরাই থেকে গেল?

গতানুগতিক নিয়ম মেনেই ১ ফেব্রুয়ারি, সংসদে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তৃতীয় মোদি সরকারের এটি দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। গত বছর সরকার তৈরির পর যখন বাজেট পেশ হয়, তখন আর্থিক বছরের ৪ মাস অতিক্রান্ত। স্বাভাবিক কারণেই এবারের বাজেট ঘিরে আমজনতার প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিল। প্রচুর আশা-আশঙ্কার অঙ্কও কষেছেন দেশের মানুষ। চাকুরিজীবি মধ্যবিত্তের যেমন প্রত্যাশা ছিল করকাঠামোতে পরিবর্তন এনে সরকার আয়করে কতটা ছাড় দিচ্ছেন; তেমনই বড় বড় শিল্পপতি, বাণিজ্য সংস্থা তাকিয়ে ছিল কর্পোরেট ট্যাক্সে কতখানি ছাড় হচ্ছে। দেশের কৃষক সমাজ অপেক্ষায় ছিল কৃষি ঋণে হয়তো ছাড় মিলবে, সারের ভর্তুকি বাড়িয়ে সরকার সারের দাম কমাবে। আশায় ছিল কৃষিপণ্যের বাজার সংস্কার করে ফসলের সঠিক দাম পেতে সরকার সদর্থক ভূমিকা নেবে। বেকার যুবক-যুবতীরা স্বপ্ন দেখছিলেন, সরকার ভার্চুয়াল নয় আগামী দিনে প্রকৃতই নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উদ্যোগী হবে। এছাড়া আপামর জনগণ বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমার আশায় ছিল। আবার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিফলন যেহেতু বাজেট – স্বাভাবিকভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে অর্থনীতিবিদ, সবার নজর ছিল সরকার কী নীতি গ্রহণ করছে তার দিকে। দেশের কৃষি ও শিল্পের উন্নতি ঘটিয়ে জিডিপি বৃদ্ধিতে সরকার বাজেটে কী প্রভিশন রাখল, জিডিপি বৃদ্ধির বার্ষিক হার কোথায় স্থির করল সেগুলিতে যেমন নজর রেখেছিলেন, তেমনই দারিদ্র্য, বেকারত্ব দূরীকরণে সরকার কতটা আন্তরিক তার দিকেও চোখ ছিল। একটা লম্বা সময় ধরে দেশে মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যদ্রব্যের দাম। এর ফলে গরিব, নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে হাঁফিয়ে উঠছে। এই মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বাজেটে ইতিবাচক পদক্ষেপ করা হল কিনা, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ল না কমল সে দিকেও দৃষ্টি ছিল। বাজেট ঘোষণার পর এবার হিসেবের পালা।

শনিবার বাজেট ভাষণের সময় নিয়মমাফিক নথিও পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। দেখা গেছে, সরকারি খরচ বরাদ্দের তুলনায় কম। চলতি অর্থবর্ষের জন্য গতবারের বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৪৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫১২ কোটি টাকা। এই অর্থবর্ষ শেষ হবে আগামী মার্চে। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অনুমান, মোট খরচ পৌঁছবে ৪৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকায়। যার মানে, ১ লক্ষ ৪ হাজার ২৫ কোটি টাকা নিজেরই বরাদ্দের তুলনায় কম খরচ করেছে কেন্দ্র। ২০২৪-২৫ অর্থ বর্ষের জন্য কেন্দ্রীয় সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। সীতারমণের অনুমান এই খরচ পৌঁছবে ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য সীতারমণ বরাদ্দ করেছেন ৫ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। শিক্ষায় বরাদ্দ ছিল ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। খরচ হবে ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। আগামী অর্থবর্ষে যদিও বরাদ্দ ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা।স্বাস্থ্যে বরাদ্দ ছিল ৮৯ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। এই মার্চে খরচ পৌঁছবে ৮৮ হাজার ৩২ কোটি টাকায়। আগামী অর্থবর্ষে বরাদ্দ ৯৮ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। বিভিন্ন সরকারি খাতে খরচের একই চিত্র। তথ্যের এই কচকচানি একটাই কারণে, বাজেট বরাদ্দ ঘোষণা মানেই অর্থ ব্যয় হবে তা একেবারেই নয়। আবার সরকারি খরচ কম হওয়ায় অর্থ জাতীয় আয়ের বৃদ্ধির গতিকে কমিয়ে দেওয়া। অর্থনীতির তত্ত্ব অনুযায়ী সরকারি খরচ বাড়লে জাতীয় আয় বাড়ে (গভর্মেন্ট এক্সপেন্ডিচার মাল্টিপ্লায়ার)। গুণক আকারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধূ ধূ মরুভূমিতে শস্য-শ্যামল কৃষিক্ষেত! যেভাবে অসাধ্যসাধন করেছিলেন রাজা গঙ্গা সিং!

Raja Ganga Singh: রাজা গঙ্গা সিং ঠিক করলেন, পঞ্জাবের সাতলেজ বা শতদ্রু নদী থেকে জল আনানো হবে বিকানেরে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন দেড়শ কিলোমিটার লম্বা একটি খালের

২০২৫ সালের বাজেটের ঘোষণায় কৃষি, কর কাঠামো, নগরোন্নয়ন, বিদ্যুতের মতো ক্ষেত্রগুলিতে জোর দেওয়া হয়েছে। গত বাজেটেও কৃষিতে জোর ছিল। কিন্তু বাজেটের মজা হলো – গত বাজেটে কী বলা হয়েছিল তার কতটা পূরণ হয়েছে, সেসব নিয়ে মাথা ব্যথা কম। বর্তমান বাজেটে কী পেলাম সেখানেই দৃষ্টি স্থির।

এবারের বাজেটের কৃষি সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হলো, ‘প্রধানমন্ত্রী ধন-ধান্য কৃষি যোজনা’। ওই প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত জেলাভিত্তিক কৃষির উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১০০ টি জেলায় ওই প্রকল্প শুরু হতে চলেছে। বাজেট নথিতে বলা হয়েছে, দেশে বহু জেলায় ফসলের ফলন তুলনামূলক ভাবে কম। সে সব জেলায় উৎপাদন বাড়াতেই ওই যোজনা আনা হয়েছে। রাজ্যের সহযোগিতায় যোজনাটি রূপায়িত করা হবে। জমির উর্বরতা ধরে রাখতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ফসলের চাষ করা, পঞ্চায়েত ও ব্লক পর্যায়ে উৎপাদিত ফসল গুদামে রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, উৎপাদন বাড়াতে চাষের জমিতে জলসেচের ব্যবস্থা উন্নত করা, কৃষকদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা করাও এই প্রকল্পের লক্ষ্য। সরকার দাবি করেছে যে, এই প্রকল্পের ফলে দেশের প্রায় ১.৭৫ কোটি কৃষক ভবিষ্যতে উপকৃত হবেন। কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি যৌথভাবে এই কর্মসূচি রূপায়ন করবে। এছাড়া উচ্চ ফলনশীল বীজের জন্য একটি জাতীয় মিশন চালু করা হবে। ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদনে সরকার স্বনির্ভর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৪ বছর ডাল, তৈলবীজের সবটা সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কিনে নেবে। সবজি ও ফলের চাহিদা বাড়ছে তাই সেগুলির ফলনের জন্য বড় পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মহিলা কৃষকদের উন্নতিতে বিশেষ ঘোষণা রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের জন্য কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ১.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা। ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় হবে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগে এবং কৃষি গবেষণা বিভাগের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০, ৪৬৬ কোটি টাকা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভুল সংশোধন নাকি নয়া কৌশল! ক্ষমতায় বসেই কৃষকদের ভাবনা কেন ভাবছেন মোদি?

Modi 3rd Term: সোমবার কৃষি সম্মান নিধির ফাইলে সই করার পরে প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, "দায়িত্ব নেওয়ার পরে প্রথম যে সই করলাম সেটা কৃষক কল্যাণের জন্য। আমরা কৃষকদের জন্য আরও বেশি করে কাজ করতে চাই।

আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে কৃষি ও কৃষকের জন্য সরকার অনেক কিছু করতে চাইছে। কিন্তু কৃষকের সমস্যা অনেক গভীরে। যার সমাধানের কোনও দিশা এই বাজেটে নেই। সেগুলির সমাধান করতে না পারলে কৃষির উন্নতি সম্ভব নয়। দেশের প্রায় ৪৬% মানুষ কৃষি নির্ভর। তাদের আয় বাড়াতে না পারলে কৃষির হাত ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কিছুতেই সম্ভব নয়। কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবী স্বামীনাথন কমিটির সুপারিশ মেনে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ এবং সেই দামে ফসল কেনার আইনি স্বীকৃতি - যা কৃষকদের আয় বাড়াবে। তা নিয়ে বাজেটে কোনও উচ্চবাচ্য নেই। ফসলের উৎপাদন বাড়ানোয় জোর দেওয়া হয়েছে কিন্তু উৎপন্ন ফসল লাভজনক দামে বিক্রি করতে গেলে কৃষি বাজার সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। এছাড়াও কৃষি উপাদানের দাম কমলে ঘুরপথে (ব্যয় কমিয়ে) চাষির আয় বাড়ে। সেই দিকটিও বাজেটে অবহেলিত থেকেছে। অর্থাৎ সার, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতির দাম কমানোর কোনও উদ্যোগ নজরে পড়েনি।

কৃষকের দীর্ঘদিনের দাবি কৃষি ঋণ মকুব। সরকার সেদিকে কর্ণপাতই করেনি। কৃষক এমনিতেই ঋণে জর্জরিত, কৃষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে তার ঋণ নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর অর্থ তাকে ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে দেওয়া। সরকার প্রথম ৪ বছর উৎপাদিত ডাল, তৈলবীজ সবটা কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সত্যিই কি সেই ডাল, তৈলবীজ কিনে সরকার সংরক্ষণ করতে পারবে? দেশে মাত্র ৫% গ্রামে শস্য মজুত ভাণ্ডার রয়েছে। শস্য সংরক্ষণের অভাব আছে বলেই এতদিন পর্যন্ত সরকার ঘোষিত ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে শুধু ধান, গম কেনা হয়েছে। বাকি শস্য কেনা থেকে সরকার বিরত থেকেছে। মহিলা কৃষকদের উন্নতির ঘোষণা চমক ছাড়া কিছুই নয়। ভারতে চাষের সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের বেশিরভাগই কৃষি শ্রমিক। তাঁদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই। মাত্র ১৩% মহিলার হাতে জমি রয়েছে অর্থাৎ মহিলা কৃষকের সংখ্যা নামমাত্র। মহিলা কৃষকের সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটাতে না পারলে কৃষির মাধ্যমে তাঁদের ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়।

সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নতিতে অনেকগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কৃষিকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ঘটাতে হলে কৃষকের আয় বাড়ানো জরুরি। সে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে হতে পারে বা ফসলের বাড়তি দাম পাওয়ার ব্যবস্থা করেও হতে পারে। যেহেতু দেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনও কৃষির উপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন তাঁদের আয় বাড়লে তবেই সত্যিকারের কার্যকরী চাহিদা তৈরি হবে। বাজারে গতি আসবে। অর্থনীতি এককদম এগবে। নচেৎ কৃষির হাত ধরে অর্থনীতির বৃদ্ধি অধরাই থেকে যাবে।

লিখেছেন
Debasis Mithiya
Debasis Mithiya
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?