কে কাকে টাকা দিয়েছে গোপনই, তবু ইলেক্টোরাল বন্ডের যে তথ্যে ঝড়

Electoral Bonds Data: তবে শেষপর্যন্ত সামনে এসেই গেল ইলেক্টোরাল বন্ডের সেই বিস্ফোরক তথ্য। আর সেই বন্ডের মাধ্যমে অনুদানের সেইসব অঙ্ক দেখে চোখ কপালে ওঠারই জোগার।

Sohini Das
৪ মিনিট
কে কাকে টাকা দিয়েছে গোপনই, তবু ইলেক্টোরাল বন্ডের যে তথ্যে ঝড়

লোকসভা ভোটের মুখে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে কেন্দ্র সরকার। তাদের ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প বেআইনি বলে দাগিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাওয়া হয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার তরফে ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত যাবতীয় নথিও। তারপরে টালবাহানা করে জুনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত আদালতের কাছে সময় চেয়েছিল বটে এসবিআই। তবে সে প্রচেষ্টা সফল হয়নি। যে কোনও সময় ঘোষণা হয়ে যেতে পারে ভোটের দিনক্ষণ। জুন মাসে তো মন্ত্রিসভাই গঠন হয়ে যাওয়ার কথা। সেসময় আর নথি প্রকাশ করে হবেটাই বা কী! গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে নির্বাচনী বন্ডের তথ্য। পাশাপাশি এসবিআইকে শীর্ষ আদালত জানায়, একদিনের মধ্যেই কমিশনের হাতে তুলে দিতে ওই সংক্রান্ত নথি। এরপর আর কালবিলম্ব করেনি স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। নির্ধারিত সময়েই তা এসেছে নির্বাচন কমিশনের হাতে, এবং তা প্রকাশিত হয়েছে তাদের ওয়েবসাইটে। যার ফল স্বরূপ দেশবাসীর হাতে হাতে ঘুরছে এখন ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনীতিক অনুদানের অঙ্ক-রা।

সিএএ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে আরও নানা 'শাক' দিয়েই 'মাছ' ঢাকার চেষ্টা করেছে বিজেপি সরকার। তবে শেষপর্যন্ত সামনে এসেই গেল ইলেক্টোরাল বন্ডের সেই বিস্ফোরক তথ্য। আর সেই বন্ডের মাধ্যমে অনুদানের সেইসব অঙ্ক দেখে চোখ কপালে ওঠারই জোগার। কয়েক লক্ষ বা কয়েক কোটি নয়, কার্যত হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে এই ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প রয়েছে। সেখানে রয়েছে একাধিক ছোটো-বড় সংস্থার নাম। তার মধ্যে কিছু চেনা, কিছু অচেনা। শুক্রবারের মধ্যেই এই তথ্য় প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট । তার একদিন আগেই তথ্য প্রকাশ্যে এল। মোট দু’টি নথি জমা দেওয়া হয়েছে । ইলেকশন কমিশনের ওয়েবসাইটে দু'টি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ৩২৭ পাতার একটি নথিতে যেসব কোম্পানি ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক অনুদান দিয়েছেন, তাদের নাম, অনুদানের পরিমাণ ও অনুদানের তারিখ রয়েছে। ৩২৭ পাতার অন্য তালিকায় রয়েছে রাজনৈতিক দলের নাম, যারা অনুদান পেয়েছে। সেই অনুদানের তারিখ ও অনুদানের পরিমাণ। তবে কোন সংস্থা বা ব্যাক্তি কোন দলকে অনুদান দিয়েছে, তা খুঁজে বের করার উপায় নেই এসবিআইয়ের তথ্য থেকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে সাধারণ জনগণের কিছুই এসে যায় না

Electoral Bond : আমরা কি জানি লোকসভা নির্বাচনে লড়তে গেলে একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ ৯৫ লাখ টাকা খরচ করার অনুমতি দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন?

এসবিআইয়ের দেওয়া তথ্য ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া নথি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মূল্যের ইলেক্টোরাল বন্ড কিনেছে ফিউচার গেমিং এবং হোটেল সার্ভিসেস পিআর নামে দু'টি সংস্থা। তারা ১,৩৬৮ কোটি টাকার বন্ড কেনে। তার পরেই রয়েছে মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচারস লিমিটেড। তারা কিনেছে ৯৬৬ কোটি টাকার বন্ড। প্রায় ৪১০ কোটি টাকার অনুদান দিয়েছে কুইক সাপ্লাই চেইন প্রাইভেট লিমিটেড। বেদান্ত লিমিটেড দিয়েছে ৪০০ কোটি, হলদিয়া এনার্জি লিমিটেড কিনেছে ৩৭৭ কোটি টাকার বন্ড। ওই তালিকায় বন্ড কেনার হিসেবে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ভারতী গ্রুপ। সে দিয়েছে ২৪৭ কোটি, তার পরে আছে এসেল মাইনিং অ্যান্ড ইন্ডস লিমিটেড, যারা কিনেছে ২২৪ কোটি টাকার বন্ড। ওয়েস্টার্ন ইউপি পাওয়ার ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড, কেভেনটার ফুডপার্ক ইনফ্রা লিমিটেড এবং মদনলাল লিমিটেড- এই তিনটি সংস্থাও রয়েছে দশ সর্বোচ্চ অনুদানকারীর তালিকায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক তহবিলে কোটি কোটি টাকা! কত পেল বিজেপি?

Electoral Bonds Scam: ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে ঢুকেছে। আর তার সিংহভাগ ঢুকেছে বিজেপির তহবিলে।

বিজেপি, কংগ্রেস ছাড়াও অনুদানপ্রাপ্ত দলগুলির মধ্যে রয়েছে তৃণমূল, এএপি, সমাজবাদী পার্টি, এআইএডিএমকে, বিআরএস, শিবসেনা, টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, ডিএমকে, জেডিএস, এনসিপি, জেডিইউ এবং আরজেডির মতো দলগুলি। ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কী কী পরিমাণে টাকা পেয়েছে সেই তথ্যই রয়েছে এখানে । ১ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য দেওয়া হয়েছে এই নথিতে। আর সেখানে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে প্রত্যাশা মতো সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে বিজেপিই। বৃহস্পতিবার ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরে কমিশন আরও একবার নিজেদের স্বচ্ছতা প্রমাণ করেছে বলেই দাবি করা হয়েছে তাদের তরফে। এদিন কমিশনের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘ভারতের নির্বাচন কমিশন ধারাবাহিকভাবে এবং স্পষ্টভাবে প্রকাশ এবং স্বচ্ছতার পক্ষেই সায় দিয়েছে।’

লোকসভা নির্বাচনের আগে ইলেক্টোরাল বন্ড ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার এই বন্ড চালুর পর থেকেই অনেকেই প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। সমাজকর্মী থেকে শুরু করে আইনজ্ঞদের অনেকেরই ধারণা ছিল, এই ব্যবস্থা চালু হলে রাজনীতি আরও বেশি করে অস্বচ্ছ হয়ে উঠবে। কালো টাকার লেনদেন আরও বাড়বে দেশের রাজনৈতিক আঙিনায়। এই বন্ড বাতিল করার দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা হয়। মামলার শুনানির সময় এসবিআইয়ের বন্ড সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠায় । সর্বোচ্চ আদলতে সেই তথ্য দিতে সমস্য়ার মুখে পড়ে দেশের অন্যতম সেরা ব্যাঙ্ক । শেষমেশ আদালত চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছিল। ১২ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যেই ওই তথ্য জমা করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি ১৫ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকেও নিজের ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর সেই নির্ধারিত সময়ের আগেই তা শেষ হল। বিজেপি সরকারের এই ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতির প্রভাব কি পড়তে চলেছে আসন্ন লোকসভা ভোটে। এক লক্ষ থেকে এক কোটি টাকার ইলেক্টোরাল বন্ড শয়ে শয়ে কিনেছে যেসব সংস্থা, তাদের আয়ের উৎসই বা কী? কেনই বা তারা রাজনৈতিক দলগুলিকে এত এত টাকা দিল? কোন উপকার বা সুবিধার বিনিময়ে এত কোটি কোটি টাকার অনুদান? লোকসভা ভোটের ঠিক আগে উঠে গিয়েছে এমনই একাধিক প্রশ্ন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।