কয়েক সপ্তাহেই একাধিক বোমা তৈরি! পারমাণবিক শক্তিতে আসলে কতটা দক্ষ ইরান?

Iran's Nuclear Power: IAEA-এর অনুমান, ইরান ২০ কিলোটন ক্ষমতা সম্পন্ন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম (যেখানে হিরোশিমাতে ফেলা ‘লিটল বয়ের’ ক্ষমতা ছিল ১৩-১৬ কিলোটন)

Shamim Haque Mondal
৫ মিনিট
কয়েক সপ্তাহেই একাধিক বোমা তৈরি! পারমাণবিক শক্তিতে আসলে কতটা দক্ষ ইরান?

ইজরায়েলের আগ্রাসনে গাজা প্রায় মাটিতে মিশে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কারও তাতে রা নেই, একমাত্র ইরান ছাড়া। এদিকে ট্রাম্প মসনদে বসার পর থেকেই প্রায় প্রতিদিনই পাল্টাচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীল নকশা। নিউক্লিয়ার চুক্তি নিয়ে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ইতিমধ্যে তারা ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে।

২০১৫ সালে ট্রাম্প প্রথমবার ক্ষমতায় এসে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি (‘জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন’, JCPOA) ছিন্ন করেন। সেই থেকে ইরান সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আর আলোচনায় বসবে না। পরবর্তীতে, ২০২১ সালে বাইডেনের সময় ভিয়েনাতে কয়েক দফা আলোচনা পরোক্ষভাবে হলেও কোনও মীমাংসা হয়নি। এর মধ্যে ইরান ব্যাপকভাবে তার পারমাণবিক কর্মসূচি চালায়।

সপ্তাহ দুয়েক আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, "আমরা ইরানকে পারমাণবিক বোমা রাখতে দিতে পারি না"। সাম্প্রতিক সময়ে ইজরায়েল ইস্যুতে ইরান ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে পড়েছে। পড়শি দেশ, সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের সময় ইরান আসাদ সরকারের পক্ষে ছিল, কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর পতনের পরে তেহরান কোণঠাসা হয়ে পড়ে; তাদের অর্থনীতিও এখন মারাত্মক সংকটে। এমতাবস্থায় ট্রাম্প আলোচনার প্রস্তাব দেন। পরিস্থিতির চাপে, ইরান আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হয়।

সত্তরের দশকের শুরুতে ইরান পারমাণবিক অপ্রসার চুক্তিতে (Non-Proliferation Treaty, NPT) সই করে, যার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক শক্তিকে শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইরানের বিপ্লবের পর আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) এবং ইরান একসঙ্গে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। সেই থেকে পাশ্চাত্যের দেশগুলো দাবি করে আসছে যে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র তাদের গোপন পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পারমাণবিক শক্তি মানেই পারমাণবিক বোমা নয়: আজীবন বলতেন বিজ্ঞানী বিকাশ সিনহা

Physicist Bikash Sinha: পারমাণবিক নীতি নির্ধারণের বিষয়ে যখন সরকারের শরিক দল বামফ্রন্ট সমর্থন তুলে নিয়েছিল, তিনিই কিন্তু সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অটুটভাবে।

২০১১ সালের নভেম্বরে সংস্থাটি দাবি করে যে, ইরান একটি পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার প্রায় এক দশক পরে ২০২২ সালে IAEA, ইরান পারমাণবিক উপকরণ নিয়ে কী করছে তা খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত শুরু করে। যদিও প্রতিবারই ইরান দাবি করে এসেছে যে, শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের জন্য তারা তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু পাশ্চাত্য বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেই স্বীকারোক্তি পছন্দ হয়নি। তাদের বক্তব্য, যে দেশের ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডার এত সমৃদ্ধ, তাদের নিশ্চয়ই কোনও অভিসন্ধি আছে। অন্যদিকে, ইরানের ইউরেনিয়াম প্রক্রিয়াকরণের গল্পটিও দীর্ঘ এবং জটিল।

প্রকৃতিগতভাবে ইউরেনিয়ামের যে আইসোটোপ (U235) শৃঙ্খলিত পারমাণবিক বিভাজন বিক্রিয়ার (Controlled nuclear fission reaction) জন্য প্রয়োজন হয়, তা প্রকৃতিতে প্রাপ্ত ইউরেনিয়ামের মাত্র ০.৭ শতাংশ, আর বাকি ৯৯.৩% U238, ইউরেনিয়ামের অন্য আইসোটোপ। পারমাণবিক চুল্লিতে U235-এর পরিমাণ বাড়ানোর জন্য ব্যবহারের আগে আরও বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ (Uranium Enrichment) করা হয়। পারমাণবিক চুল্লিতে ব্যবহারের জন্য সাধারণত লো-এনরিচড ইউরেনিয়াম (LEU) ও হাই-অ্যাসে লো-এনরিচড ইউরেনিয়াম (HLEU) ব্যবহার করা হয়; এদের মধ্যে HLEU-এ সর্বোচ্চ ২০% পর্যন্ত U235 সমৃদ্ধ জ্বালানি থাকে। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে এই সমৃদ্ধির পরিমাণ ৯০% এর বেশি হওয়া দরকার।

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য সেন্ট্রিফিউজের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী। পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম ভর্তি পাত্রগুলি প্রতি মিনিটে পঞ্চাশ হাজার বার ঘুরতে থাকে, সেজন্য অপকেন্দ্র বলের দরুণ U238 পাত্রের পরিধির দিকে সরে যায়। এর জন্য অবশ্য U238-এর ঘনত্ব দায়ী (U235-এর তুলনায় বেশি ঘন)। ইউরেনিয়ামকে প্রথমে এই ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড (UF6) গ্যাসে রূপান্তরিত করা হয়, তারপরে সেন্ট্রিফিউজের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বারবার এই প্রক্রিয়া চালানোর ফলে U235 আরও বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ হয়।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের এই প্রক্রিয়ায় হাজার হাজার সেন্ট্রিফিউজ ব্যবহার করা হয় এবং প্রতিটির সঙ্গে প্রতিটি যোগ করা থাকে; অনেকটা যেন একটার আউটপুট আর একটার ইনপুটে ঢুকছে। প্রতিটি পর্যায়েই আরও সমৃদ্ধ UF6 পরবর্তী পর্যায়ে স্থানান্তরিত করা হয়, আর অবশিষ্টাংশ দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হয়। প্রতিটি সেন্ট্রিফিউজের সমৃদ্ধকরণের মাত্রা পরিমাপের জন্য সেপারেটিভ ওয়ারক ইউনিট (SWU) নামক একক ব্যবহৃত হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম থেকে ১ কেজি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযুক্ত ইউরেনিয়াম উৎপাদনের জন্য প্রায় ২৫০ SWU ইউনিটের প্রয়োজন হতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নেতানিয়াহু ট্রাম্পের নাগালের বাইরে! প্রমাণ ইরান আক্রমণ

Israel-Iran tensions: ট্রাম্প গাজায় যুদ্ধবিরতি চেয়ে বিবৃতি দেন দিন কয়েক আগে। পাশাপাশি ইরানের পারমানবিক নিস্ক্রিয়তা বিষয়ে কথাবার্তাতেও নামতে দেখা যায় তাঁকে, কিন্তু এই হামলা তাঁকে কিছুটা ব্যাকফুটেই ঠেলে দিল।

২০০৬ সালে, ইরান 164 IR-1 সেন্ট্রিফিউজ (প্রতিটির বাৎসরিক ক্ষমতা প্রায় ০.৮ SWU) ব্যবহার করে প্রায় ৩.৫% পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল। আবার ২০১০ সালে, IAEA দাবি করে যে নাটানজ ফুয়েল এনরিচমেন্ট প্লান্টে ইরান IR-1 সেন্ট্রিফিউজ ব্যবহার করে ১৯.৭৫% পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৈরি করেছে এবং ২০১৩ সালের মধ্যে দেশটি ৩.৫% মাত্রার LEU প্রায় ৭.৬ টন এবং ১৯.৭৫% মাত্রার ০.২ টন LEU গ্যাস মজুদ করে ফেলেছে।

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির সময় তেহরানকে বেশিরভাগ সেন্ট্রিফিউজ বন্ধ করার কথা বলা হয়েছিল, বিনিময়ে তাদের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি ইরান ৩.৬৭% পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করতে পারবে, এবং সর্বাধিক ৩০০ কেজি LEU মজুদ করতে পারবে। ২০১৮ সালে এই চুক্তি থেকে ট্রাম্প বেরিয়ে আসার আগে পর্যন্ত ইরান সমস্ত শর্তই মেনে চলছিল, কিন্তু মার্কিন সরকার চুক্তি থেকে সরে আসায় তারা পারমাণবিক কার্যক্রম বাড়িয়ে দেয়, এমনকী কয়েক বছরের মধ্যে তারা তাদের পারমাণবিক চুল্লিগুলোতে ৬০% পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রস্তুত করে ফেলে। এখানেই শুরু হয় মূল আতঙ্ক।

আগেই আমরা জেনেছি, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ৯০% পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক, কিন্তু ৬০% পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করেও এই কাজ করা সম্ভব। আর IAEA অনুমান করছে তেহরানের কাছে প্রায় ৭০ কেজি পরিমাণ ৬০% HEU রয়েছে, যা থেকে পাঁচ থেকে আটটি পারমাণবিক বোমা বানানো সম্ভব!

IAEA-এর অনুমান, ইরান ২০ কিলোটন ক্ষমতা সম্পন্ন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম (যেখানে হিরোশিমাতে ফেলা ‘লিটল বয়ের’ ক্ষমতা ছিল ১৩-১৬ কিলোটন); তাদের আরও দাবি, ইরান শক্তিশালী অথচ হালকা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ক্রমশ পারদর্শী হয়ে উঠেছে।

২০১৫ সালে ইরান যখন পারমাণবিক চুক্তিতে সাক্ষর করে, তখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী এক কেজি U235 প্রস্তুত করতে ইরানের সময় লাগত এক বছর, সেখানে বর্তমানে লাগে এক সপ্তাহ!

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি কেবল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ওপরে নির্ভর করে না, এর পাশাপাশি বিস্ফোরক, ডেটোনেটর, অস্ত্র এবং ফায়ারিং সিস্টেম, উচ্চ শক্তি সম্পন্ন নিউট্রন, বিস্ফোরক লেন্সের প্রয়োজন পড়ে। পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণেরও (যেমন আমাদের পোখরানে হয়েছিল) দরকার হয়— এককথায় এক লম্বা রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুসারে, সমৃদ্ধকরণের পাশাপাশি নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দিকটিও ইরান দক্ষতার সঙ্গে সামলে নিয়েছে এতদিনে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে কাঁচামাল থেকে হামলা করার মতো পারমাণবিক বোমা বানাতে তেহরানের সময় লাগবে সপ্তাহ তিনেক!

এখন পর্যন্ত ইরান সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। কিন্তু তার কাছে যে এই অধিক পরিমাণে HEU মজুদ রয়েছে, বা তাদের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ যে এত শক্তিশালী, সেজন্যই ইজরায়েল এতখানি চিন্তিত। সেই আশঙ্কা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে পাশ্চাত্যে, বিশেষ করে ট্রাম্পের দিকে। সেজন্য তেল আবিবের বন্ধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রীতিমতো হুমকি দিচ্ছেন ইরানকে— “কূটনৈতিক পথে যদি সমস্যার সমাধান না হয়, যদি সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা সেই পথে হাঁটব।"

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।