জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর! ২,৪১৭ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে ট্রাম্পের আমেরিকা
Indian immigrants deported from USA: ওই সমীক্ষক সংস্থার দাবি, প্রায় ৭ লক্ষ ২৫ হাজার ভারতীয় বিনা নথিতে আমেরিকায় বাস করছেন। তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠাতে তৎপর ট্রাম্প প্রশাসন।

জানুয়ারি মাসেই অবৈধ অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে তৎপর হয় আমেরিকা। ‘ব্লুমবার্গ’-এর রিপোর্ট বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১৮ হাজার ভারতীয়দের অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শুক্রবার, বিদেশমন্ত্রক কর্তৃক একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়, আমেরিকা যাদের ফেরত পাঠাচ্ছে, তাদের সমস্ত নথি যাচাই করেই গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, কেন্দ্র রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে ভিসা জালিয়াতি রোখার চেষ্টা করছে।
দ্বিতীয়বার আমেরিকার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর পরই বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুরু হয় একাধিক তর্ক-বিতর্ক। ট্রাম্প যে কটা নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেছিলেন তার মধ্যে একটা ছিল অবৈধ অভিবাসন সংক্রান্ত নির্দেশ।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
H-1B Visa Fee Hike: ভারত, চিন ও ইউরোপ ইতিমধ্যেই প্রযুক্তি ও পরিষেবা খাতে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। এইসব দেশের মেধা ও মানবসম্পদের একটা বড় অংশ এতদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাচ্ছিল।
সম্প্রতি ‘দ্য গার্ডিয়ান’- কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখানো হয় আমেরিকায় অবৈধ অভিবাসনের দিক থেকে ভারতীয়দের স্থান তৃতীয়। প্রথম এবং দ্বিতীয়টায় যথাক্রমে মেক্সিকো এবং এল সালভাদর। ওই সমীক্ষক সংস্থার দাবি, প্রায় ৭ লক্ষ ২৫ হাজার ভারতীয় বিনা নথিতে আমেরিকায় বাস করছেন। তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠাতে তৎপর ট্রাম্প প্রশাসন। এ কাজে আগাগোড়াই যুক্তরাষ্ট্রের পাশে রয়েছে ভারত সরকার। শুক্রবার, বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানান, জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত, ২,৪১৭ জন অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের আমেরিকা থেকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা কোনওভাবেই অবৈধ অভিবাসনের পক্ষে নই। বরং আমাদেরও লক্ষ্য বৈধ অভিবাসনের পথগুলিকে আরও সুনিশ্চিত করা। যারা নিজেদের ভারতের নাগরিক বলে দাবি করেছেন, তাদের প্রত্যেকের ট্র্যাক রেকর্ড এবং ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করে তবে দেশে ফেরানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, আমেরিকা যাওয়া বৈধ অভিবাসীরা যাতে কোনও অপ্রীতিকর সমস্যার সম্মুখীন না হন, সে বিষয়েও আগাম সুনিশ্চিত হতে আমেরিকার সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশমন্ত্রক বলছে গত ৫ ফেব্রুয়ারির পর থেকে বিতাড়নযোগ্য বলে চিহ্নিতদে সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসেনি।
গত ১৯ মে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রক যেসব ভারতীয় ট্রাভেল এজেন্সি অবৈধ ভাবে অভিবাসনে সাহায্য করেছে, তাদের প্রদত্ত ভিসা নিষিদ্ধ করার কথা জানায়।







