স্বাধ্বী প্রজ্ঞা বললে সাত খুন মাফ, বাক-স্বাধীনতা নেই জিগনেশের? কেন গ্রেফতার!

tiasa gupta
৪ মিনিট
স্বাধ্বী প্রজ্ঞা বললে সাত খুন মাফ, বাক-স্বাধীনতা নেই জিগনেশের? কেন গ্রেফতার!

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। সালটা ২০১৯। লোকসভায় বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসেকে ‘দেশভক্ত' বলেন। এই নিয়ে সেই সময় তোলপাড় হয় সংসদ ও সংসদের বাইরে। সেই কথা আবার মাথাচাড়া দিল। কারণ জিগনেশ মেবানি মোদির সমালোচনা করে গ্রেফতার হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনা বাক্-স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। প্রশ্ন হচ্ছে, বাক্-স্বাধীনতা কি এই দেশে সবার জন্য একরকম নয়?

১৯৪৮ এর ৩০ জানুয়ারি। ভিড়ের মাঝে গর্জে উঠল গডসের বন্দুক। নিমেষে ঝাঁঝরা জাতির পিতা। পরে হত্যার অপরাধে ফাঁসি হয় গডসের। এহেন গডসেরই প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজও। মহারাষ্ট্রে এক সভায় গডসেকে গান্ধীর মতোই দেশপ্রেমিক বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে মোদী নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে ব্যাপক জয়ের পর, উন্নাও কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সাক্ষী মহারাজ পার্লামেন্ট হাউসের বাইরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমার বিশ্বাস নাথুরাম গডসে একজন জাতীয়তাবাদী এবং মহাত্মা গান্ধীও জাতির জন্য অনেক কিছু করেছেন। গডসে ছিলেন একজন ক্ষুব্ধ মানুষ। তিনি কিছু ভুল করতে পারেন কিন্তু দেশবিরোধী ছিলেন না। তিনি একজন দেশপ্রেমিক।”

কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা সংসদের দুই কক্ষেই এ নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা সাক্ষী মহারাজের ক্ষমাপ্রার্থনারও দাবি তোলেন। লোকসভায় দুঃখপ্রকাশ করতে হয় সাক্ষী মহারাজকে, “আমি সংসদ ও দেশের কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি… আমি ওঁকে দেশপ্রেমিক বলে মনে করি না। আমি সম্ভবত ভুল করে বলে ফেলেছি।” বিরোধীদের চাপে পড়ে সাক্ষী মহারাজ ঢোক গিললেও বিজেপির বিভিন্ন তাবড় নেতা বিভিন্ন সময়ে গডসের বন্দনা করেছেন। কার্যত এর মূল্য চোকাতে হয়নি তাঁদের।

কেন পুরনো কাসন্দি ঘাটবার প্রয়োজন হল?

কারণ সম্প্রতি মধ্যরাতে গুজরাতে গ্রেফতার হন দলিত নেতা জিগনেশ মেবানি। অসম পুলিসের একটি দল তাঁকে গ্রেফতার করেছে। সাম্প্রতিক কালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনায় একাধিক টুইট করেছিলেন জিগনেশ। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। প্রশ্ন হল বিজেপি নেতারা গডসের বন্দনা করেও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারেন! আর কণ্ঠ ছাড়ার মাশুল দিতে হল এক দলিত নেতাকে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের এই কী চেহারা!

গুজরাতের বিধায়ক তথা দলিত নেতা জিগনেশ রাষ্ট্রীয় দলিত অধিকার মঞ্চের আহ্বায়ক। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমার যে দিন কংগ্রেসে যোগ দেন, সে দিন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে সমর্থন জানান জিগনেশও। তাঁর অনুগামীরা জানিয়েছেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ পালানপুর সর্কিট হাউস থেকে জিগনেশকে গ্রেফতার করে অসম পুলিস। গ্রেফতারির সময় পুলিস এফআইআর-এর কোনও প্রতিলিপি দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ। তা নিয়ে কংগ্রেস নেতা-সমর্থকরা চেপে ধরলে সাম্প্রতিক টুইটের জেরে জিগনেশের বিরুদ্ধে মামলার নথি দেখায় তারা। এর পর রাতেই জিগনেশকে আহমেদাবাদ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গেছে, সেখান থেকে ট্রেনে চাপিয়ে অসমের গুয়াহাটি নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। এ ভাবে জিগনেশকে গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হওয়া এই তরুণ তুর্কি বরাবরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় সরকার, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ-সহ একাধিক ধর্মীয় কট্টরপন্থী সংগঠনের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। অভিযোগ, সম্প্রতি সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক একাধিক টুইট করেছিলেন জিগনেশ। অভিযোগ পেয়ে তাঁর সেই সমস্ত টুইট মুছেও দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ।

অসমের কোকরাঝরের ভবানীপুরের বাসিন্দা, জনৈক অনুপকুমার দে-র অভিযোগের ভিত্তিতে জিগনেশকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ১২০-বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র), ১৫৩-এ (দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতায় ইন্ধন জোগানো), ২৯৫-এ (ধর্মবিশ্বাসে আঘাত হানা), ৫০৪ (শান্তিভঙ্গের লক্ষ্যে উস্কানিমূলক মন্তব্য) ৫০৬ (অপরাধমূলক ভাবে ভয় দেখানো) ধারায় এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, তিনি এই বিষয়ে কিছু জানেন না। কোথা থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রশ্ন আসছে?

দিল্লির জেএনইউর ‘আজাদি’ বিতর্কের সময় কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদের সঙ্গে শিরোনামে এসেছিলেন জিগনেশ মেবানিও। প্রাক্তন সাংবাদিক জিগনেশ পরবর্তী সময় রাষ্ট্রীয় দলিত অধিকার মঞ্চের আহ্বায়ক হন। নির্দল হিসেবে ভোটে লড়াই করে গুজরাতের বিধায়কও হন এই সমাজকর্মী। তবে ২০২১ সালে কানহাইয়া কুমারের সঙ্গে একই মঞ্চ থেকে কংগ্রেসকে সমর্থনের ঘোষণা করেন এই তরুণ তুর্কি। বছর শেষেই যখন মোদির রাজ্যে নির্বাচন, তার আগে এই তরুণ তুর্কির গ্রেপ্তারির জেরে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে মহাত্মা গান্ধীর হত্যার দিনটিকে যখন গোটা দেশ 'শহিদ দিবস' হিসেবে পালন করেছে, তখনই বাপুর হত্যার সেলিব্রেশনে মেতে ওঠে উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মহাসভার কয়েকজন সদস্য। গান্ধীজির ছবিতে গুলি করে তার ভিডিয়ো রেকর্ড করে রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক পূজা শকুন পাণ্ডে। সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরই পুলিস তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। প্রশ্ন হল জাতির জনকের হত্যাকারীকে বারবার `দেশভক্ত’ হিসেবে মাথায় তুলে রেখেছে বিজেপি ও তার সহযোগী কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। তারপরেও তাঁদের বহাল তবিয়েতে থাকার নজির দেখা যায়। যোগীর রাজ্যে হিন্দু মহাসভার এই ঘটনা কি হিংসার নামান্তর নয়? তাহলে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কেন কাঠগড়ায় উঠতে হবে জিগনেশকে?

কিন্তু এরপরেও জিগনেশকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হওয়ার মাশুল দিতে হয়। পুলিস কোনও সদুত্তর না দিতে পেরে তাঁকে গ্রেফতার করে। সবেমাত্র ভারত থেকে ঘুরে গেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তাঁর অফিস বারবার ভারতকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র আখ্যা দিয়েছে। জিগনেশের গ্রেফতারি কি ঘুণ ধরা গণতন্ত্রকে তুলে ধরল না? জাতির জনকের হত্যাকারী যে দেশে বন্দিত, সেখানে জিগনেশের বিচার পাওয়ার আশা উজ্জ্বল না ক্ষীণ? দেখা যাক।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে ভোট না-করানো তৃণমূলের বড় ভুল, নিজের ভুল নিয়েও আলোচনার দরকার ছিল: কুণাল

Kunal Ghosh on Mamata Banerjee: ইনস্ক্রিপ্টে ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে তিনি একদিকে যেমন দাবি করেছেন মমতাকে ভয় পেয়েই তাঁকে বারবার নিশানা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে দলের ভুলত্রুটি স্বীকার করে আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।