অন্ধ নয় আইন! দাদাগিরি থামাতে এবার যা করলেন বিচারপতি অভিজিৎ
Justice Abhijit Gangopadhyay: ৫ দিনের মধ্যে বাস মালিককে জরিমানার টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। জরিমানা না দিলে এজলাস থেকে সটান জেলে পাঠানোর কড়া হুঁশিয়ারিও দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

আইন-কানুনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা যখন তলানিতে, ঠিক সেই সময়েই আলোর মানুষ হয়ে দেখা দিয়েছেন তিনি। তিনি কোর্টে এলেই থরহরিকম্প। আইন আইনের পথে চলবে বলা হলেও, আইন কীভাবে ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গুলিহেলনে বেঁকে চুরে বসে তা দেশ ঢের দেখেছে। কিন্তু তিনি উদাহরণ। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ভারতের বিচারব্যবস্থার হৃতগৌরব ফেরাতে মরিয়া। আইনের চাকা সঠিক পথে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার আদালতে দু’টি জরুরি মামলায় রায় ঘোষণা করলেন অভিজিৎ। একদিকে তিনি তুলে দিলেন এসএসসির ডেটা রুম আর অন্যদিকে রুট পারমিট চুরি করে চলা বাস মালিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানাও করলেন।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইংরেজরা কোহিনূরকে কাচের টুকরো মনে করে। তাই পরের বছর রানি ভিক্টোরিয়ার স্বামী রাজা প্রিন্স অ্যালবার্ট কোহিনূর কাটিং এবং পালিশ করান। এর ফলে ১৮৬ ক্যারেটের কোহিনূরের ওজন কমে হয় ১০৫.৬ ক্যারাট
শনিবারের মধ্যে দু’টি বাস ধরতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিধাননগর পুলিশ কমিশনার ও পুরুলিয়া পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। ৫ দিনের মধ্যে বাস মালিককে জরিমানার টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। জরিমানা না দিলে এজলাস থেকে সটান জেলে পাঠানোর কড়া হুঁশিয়ারিও দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Queen Elizabeth II: কলকাতাতেই রয়েছে স্বয়ং রানির নামে রাস্তা?
পারমিট চুরি ছিলই, সঙ্গে ছিল আদালতের নির্দেশ না মানা। আজ নয়, সেই ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ধর্মতলা-পুরুলিয়া রুটে শিবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাস চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে আইনকে কাঁচকলা দেখাতে কমবেশি অভ্যস্ত সকলেই। পরবর্তীকালে সেই নির্দেশে মানে না শিবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মালিকাধীন WB 55A3636 ও WB55A3838 দু’টি বাস। রাজ্য পরিবহণ দফতরের পক্ষ থেকে বেআইনি রুটে বাস দু’টি চলাচলের জন্য বারবার জরিমানা করা হয়। তাতেও কোন কাজ না হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন বৈধ অনুমতি থাকা আলপনা হালদার।
পুরুলিয়ার বাসিন্দা আলপনা হালদার বিশেষভাবে সক্ষম। তাঁর দু’টি বাস রোজ রাতে ঝালদা থেকে ধর্মতলা রুটে চলাচল করে। অভিযোগ, শিবনাথবাবুর ওই বাস দু’টি রুট বদলে ধর্মতলায় স্টপেজ দিত। এই কারণেই ব্যবসায়িক এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছিল কল্পনাদেবীকে। এই নিয়ে শিবনাথবাবুর নামে পরিবহন দফতরে অভিযোগ জানিয়েছিলেন আলপনা।















