মাইক্রোপ্লাস্টিক: আকারে ক্ষুদ্র হলেও এর প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী?

Microplastics: এমনকি, আমরা যে জামা কাপড় পরি, তাদের মধ্যে পলিয়েস্টার, নাইলন, অর্থাৎ কোনো সিনথেটিক ফাইবার থাকলেই সেখান থেকে আমাদের শরীরে মিশতে পারে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

Shamim Haque Mondal
৩ মিনিট
মাইক্রোপ্লাস্টিক: আকারে ক্ষুদ্র হলেও এর প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী?

এই যে আমাদের খাওয়ার টেবিলে এক গ্লাস জল রাখা আছে, এই যে আমরা বাতাস থেকে প্রতিনিয়ত শ্বাস নিচ্ছি, সেখানে মিশে আছে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণা। এগুলি প্রায়শই অদৃশ্য থাকে; খালি চোখে দেখা যায় না। আকারে ২ মাইক্রোমিটার থেকে ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়। মূলত সিন্থেটিক পলিমার কণা, যা কঠিন, জলে অদ্রবণীয় এবং সহজে নষ্ট হয় না। প্রশ্ন হলো, আকারে ক্ষুদ্র হলেও এর প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী?

ক্ষুদ্র আকারের জন‍্য সহজেই মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গুলি পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের (মাটি, জল, বাতাস) সঙ্গে মিশে যাচ্ছে, ফলে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের বাস্তুসংস্থান। নদীর স্রোত, বৃষ্টি, বন্যা ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়ে এরা পুকুর, নদী এবং শেষমেষ সমুদ্রে গিয়ে জমা হচ্ছে। মাছেরা এদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করছে; এককথায় সহজেই মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করছে, এবং একসময় এই মাইক্রোপ্লাস্টিকই আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে, যা শুধু আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকারকই নয় বরং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যের মধ্যেও এক বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাড়ের ব্যথা থেকে ডায়াবেটিস, নিমেষে সারাবে, আজই খাদ্যতালিকায় যোগ করুন সস্তার এই শস্য

রাগির মতো প্রাচীন শস্য খাদ্য তালিকায় যোগ করে একাধিক রোগকে কাবু করুন। এই শস্যের গুণাগুণ হার মানাবে আটা, ময়দাকে। তাই সুস্থ থাকতে আজ থেকেই রাগি যোগ করতে পারেন খাবারে।

সস্তায় টেকসই, বেশি দিন চলে বলে আমরা দৈনন্দিন কাজে প্লাস্টিকের জিনিস ব্যবহার করি। আমাদের ব‍্যবহুত শিল্পজাত বিভিন্ন সামগ্রী, বডি ওয়াশ, ফেস ওয়াশের চকচকে দানাদার পদার্থ, টুথপেস্ট, সিন্থেটিক পোশাক এসবই মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রাথমিক উৎস। এছাড়াও বিভিন্ন ঠান্ডা পানীয়, জলের বোতলেও মিশে আছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। আমরা চা খাওয়ার জন্য টি-ব্যাগ ব্যবহার করি, সেখান থেকেও শরীরে মিশতে পারে এই বিষাক্ত পদার্থ। কী ভাবছেন, প্রাকৃতিক ফাইবারের তৈরি টি-ব্যাগে কী করে মিশছে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক? ফাইবারটা প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি হলেও তার মুখ আটকাতে গিয়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি, আমরা যে জামা কাপড় পরি, তাদের মধ্যে পলিয়েস্টার, নাইলন, অর্থাৎ কোনো সিনথেটিক ফাইবার থাকলেই সেখান থেকে আমাদের শরীরে মিশতে পারে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

বোঝার উপর শাকের আঁটির মতো আছে ন্যানোপ্লাস্টিকের তাণ্ডব, যেগুলো আরও ছোট কণা, এবং তাই সনাক্ত করা তুলনামূলকভাবে কঠিন; যারা আদতে সেকেন্ডারি মাইক্রোপ্লাস্টিক। আল্পসের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গাড়ির টায়ার ক্ষয় হতে হতে নির্গত হওয়া ন্যানোপ্লাস্টিক কণা সেখানকার পাহাড়গুলিকে দূষিত করছে। কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৯৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটন্ত জলে ১১.৬ বিলিয়ন ন্যানোপ্লাস্টিক কণার উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। এককথায়, আমাদের চারপাশের পরিবেশে এদের অবাধ বিচরণ, আর তার বিরূপ প্রভাব পড়ছে প্রাণিজগতের উপর, ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ক্যানসার, হরমোনের তারতম্য, প্রজনন প্রক্রিয়ায় বাধা ছাড়াও মারাত্মক সব ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আমেরিকা বনাম চিন! চাঁদ জয়ের যুদ্ধে কে এগিয়ে?

Space Race: ১৯৭২-এর পর বহুদিন চাঁদ নিয়ে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো, কিন্তু হঠাৎ কী এমন হল যার জন্য সবাই চাঁদ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে চাঁদের বুকে জমানো সম্পদের অন্দরে।

২০২৫ সালে ইঁদুরের উপর করা এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তাদের মস্তিষ্কের মধ্য দিয়ে চলাচল করছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা এবং সেগুলি ইঁদুরের মাথার রক্তনালীগুলিকে ব্লক করে দিচ্ছে। একই ঘটনা লক্ষ্য করা গিয়েছে মানব মস্তিষ্কের অন্দরেও; এ বছর ৩১ মার্চ, নেচার মেডিসিনের এক যুগান্তকারী গবেষণায় প্রথমবারের মতো মানুষের মস্তিষ্কের টিস্যুতে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গিয়েছে। আবার, ইউনিভার্সিটি অফ নিউ মেক্সিকোর গবেষকরা দাবি করেছেন, বিগত এক দশকে মানুষের মস্তিষ্কে মাইক্রোপ্লাস্টিক পরিমাণ প্রায় ৫০% বেড়েছে। ফলে, আমাদের স্নায়ু কোষের ক্ষতি হচ্ছে এবং ডিমনেশিয়া, অ্যালঝাইমার্সের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এই কণা রক্তে মিশলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ইত্যাদির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা। ফলে, আমাদের স্নায়ু কোষের ক্ষতি হচ্ছে এবং ডিমনেশিয়া, অ্যালঝাইমার্সের মতো স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এই কণা রক্তে মিশলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ইত্যাদির আশঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।

আসলে বর্তমান প্রযুক্তি নির্ভর যুগে আমাদের হাতে সময় বড় কম, ঝট করে ফুটিয়ে নিলে হয়ে যাবে, বা মশলা মিশিয়ে একটু গরম করে নিলে ঝামেলা শেষ, এই ফর্মুলাতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি আমরা। সেজন্য বিশ্বব্যাপী অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের চাহিদা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এতে মিশে আছে অত্যাধুনিক প্যাকেজিং প্রযুক্তি; যার অধিকাংশই প্লাস্টিক নির্ভর। পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, এইসব প‍্যাকেটজাত পণ‍্য যারা বেশি ব্যবহার করেন তারা অন‍্যদের তুলনায় ৪৮% বেশি মানসিক উদ্বেগের সমস্যায় ভুগছেন; তাঁরা অন‍্যদের তুলনায় শতকরা ২২% বেশি বিষণ্ণতার শিকার।

এখন বড় কথা হলো, এর থেকে পরিত্রাণের কি কোনো উপায় আছে? বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুরোপুরি নির্মূল করার উপায় না থাকলেও, সচেতন থাকলে কিছুটা কমতে পারে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রকোপ। সবার আগে দরকার পরিশ্রুত পানীয় জল গ্রহণ করা, সেজন্য ‘রিভার্স অসমোসিস’ প্রযুক্তি নির্ভর অত‍্যাধুনিক ফিল্টার ব্যবহার করা উচিত, কারণ খাওয়ার জলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কাজের চাপের জন‍্য খাওয়া ভুলছি আমরা, তারপর ও অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার গরম করে না খেয়ে রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত, এবং সেই রান্না করা খাবার প্লাস্টিকের পাত্রে না রেখে কাঁচ বা ধাতব পাত্রে রাখা ভালো। পরনের পোশাক সুতির, উলের বা লিলেনের পরা ভালো, তা সে পলিয়েস্টারের তৈরি জিনিস যতই চকচকে দেখাক না কেন। আমরা যে সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট ব্যবহার করি, কেনার আগে দেখা দরকার পলিথিন বা পলিপ্রপিলিন জাতীয় উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে কিনা। এত আলোচনা, পর্যালোচনা কোনোটাই কাজের হবে না, যদি আমরা প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ না করি।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।