মুসলিম বিশ্বের চাপে বেকায়দায় ভারত, সামাল দিতে কী অস্ত্র মোদি-শাহর?

নুপুর শর্মা-কাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া সংকট থেকে বিজেপিকে উদ্ধার করতে সম্ভবত ত্রাতা হয়ে উঠতে চলেছেন 'বাতিল' হওয়া সেই মুখতার আব্বাস নকভিই।

Kanad Dasgupta
৪ মিনিট
মুসলিম বিশ্বের চাপে বেকায়দায় ভারত, সামাল দিতে কী অস্ত্র মোদি-শাহর?

নুপুর শর্মার কীর্তির জেরে কী ভাগ্য ফিরতে চলেছে মুখতার আব্বাস নকভি-র?

বিদেশি চাপের ঠেলায় ইতিমধ্যেই বিজেপি-বিড়াল হাতে-মুখে কালি মেখে গাছে চড়ে বসেছে‌। এমন দৃশ্য কিন্তু গত ৮ বছরে দেশবাসীর নজরে আসেনি। দেশের অভ্যন্তরে যে কোনও ইস্যুতে যুক্তিসংগত প্রতিবাদ বা বিরোধিতাকে মাছি তাড়ানোর ভঙ্গিতে উড়িয়ে দিতেই অভ্যস্ত নরেন্দ্র মোদির সরকার এবং দল‌। গত ৮ বছর যাবৎ এমনই চলছে। কিন্তু এবার অন্য ছবি সামনে এসেছে। বিজেপির 'সম্পদ' নুপুর শর্মা দল এবং সরকারকে কার্যত মাঝসমুদ্রে ঠেলে ফেলে দিয়েছেন। তবে এমন পরিস্থিতিতেও কিন্তু ভন্ডামি-মুক্ত হতে পারেনি দল‌। এই প্রথমবার রীতিমতো বিবৃতি জারি করে মোদি-শাহর দল যা বোঝাতে চেয়েছে, তার মোদ্দাকথা, বিজেপি মুসলিমদের বিরুদ্ধে নয়, আগেও ছিল না, এখনও নেই। ঘরে-বাইরে প্রবল চাপের মুখে গেরুয়া-শীর্ষ মহল যখন এসব কথা বলে অকালে 'কনফেশন ডে' পালন করতে নেমেছে, ঠিক তখনই লোকসভা এবং রাজ্যসভার দিকে তাকালে নজরে আসবে, বিজেপির একজনও মুসলিম সদস্য সংসদের কোনও কক্ষেই নেই। কিছুদিন আগে শেষ হওয়া সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিজেপির তরফে তিন জন মুসলিম সাংসদ ছিলেন। এঁরা হলেন, এম. জে. আকবর, সৈয়দ জাফর ইসলাম এবং অবশ্যই কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি।

মোদি-শাহ-নাড্ডা 'দলের স্বার্থের' কথা মাথায় রেখে এই তিন জনের কাউকেই রাজ্যসভায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে না। এই তিন মুখের বদলে অন্য কোনও মুসলিম মুখের কথাও বিবেচনায় আনেননি তাঁরা। ফলে সংসদে বিজেপি এখন 'মুসলিম-মুক্ত' একটি দল। আর গোটা এনডিএ-তে এই মুহূর্তে মুসলিম সাংসদের সংখ্যা মাত্র একজন। বিহারের খাগাড়িয়া কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত এনডিএ-র শরিক লোক জনশক্তি পার্টির মেহবুব আলি কাইজার কেন্দ্রের শাসক জোটের একমাত্র মুসলিম সাংসদ। বিজেপি-র দুই মুসলিম সাংসদ এম. জে. আকবর এবং সৈয়দ জাফর ইসলামের নাম ঘিরে তেমন জল্পনা না হলেও চর্চার শিরোনামে ছিলেন নকভি। প্রথমদিকের জল্পনা ছিল, আগামী ১০ জুন রাজ্যসভার যে ৫৭ আসনে নির্বাচন হতে চলেছে, তার একটিতে নিশ্চিতভাবেই প্রার্থী হবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নকভি। সেই তালিকায় নকভি-র নামের হদিশ মেলেনি। পরবর্তী জল্পনা ছিল, সমাজবাদী নেতা আজম খান ইস্তফা দেওয়ায় উত্তরপ্রদেশের রামপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী করতে পারে নকভিকে। সেখানেও নকভি নেই। ওদিকে ৭ জুলাই শেষ হচ্ছে নকভি-র রাজ্যসভার মেয়াদ। সংসদীয় বিধি বলছে, কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রাজ্যসভার সদস্য থাকার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও পরবর্তী ৬ মাস তিনি মন্ত্রী থাকতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আইনি পথেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য থাকতে পারবেন নকভি। তবে এই ৬ মাসের মধ্যে লোকসভা বা রাজ্যসভায় তাঁকে জিতে আসতে হবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, হাতে ৬ মাস সময় রয়েছে। এর মধ্যে কোনও আসন খালি হলে অথবা কোনও আসন খালি করিয়ে প্রয়োজন হলে সেখান থেকে নকভি-কে জিতিয়ে আনা যেতেই পারে। এখনই এই বিষয়ে আলোচনা অর্থহীন। এর উল্টো বক্তব্যও রয়েছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব যদি নকভি-কে এতখানি 'প্রয়োজনীয়' ভাবতেন, তাহলে তাঁকে রাজ্যসভাতেই ফের নিয়ে যেত বিজেপি। তেমন তো করেনি! তাহলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে যদি কোনও নির্বাচন হয়, সেখানেই নকভি দাঁড়াবেন, এমন ভাবনার ভিত্তি কী?

ফলে এখনই বলে দেওয়া যায়, বিজেপি'র শেষ মুসলিম মুখ মুখতার আব্বাস নকভির সংসদীয় জীবনের ইতি টানা হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক জীবন চালু থাকতে অবশ্য কোনও বাধা থাকছে না। তবে মোদির মন্ত্রিসভায় আগামিদিনে থাকবে না কোনও মুসলিম-মুখ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিপজ্জনক সময়ের দিকে পা বাড়াচ্ছে ভারতীয় গণতন্ত্র

কপিল সিব্বলের মতো নেতারা যদি একের পর এক দল ছাড়তে থাকেন, ২০১৪ সালে যে 'কংগ্রেস-মুক্ত ভারত'-এর কথা মোদি বলেছিলেন, তাই সত্যি হবে। এবং তা হবে ভারতীয় গণতন্ত্রের পক্ষে এক অভিশপ্ত দিন।

দেশজুড়েই যখন নকভি-র ভাগ্যের ময়নাতদন্ত চলছে, ঠিক তখনই ধুমকেতুর মতো সামনে এলেন নুপুর শর্মা এবং নবীন জিন্দল৷ 'সেলিব্রিটি' নেত্রী নুপুর বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র, জিন্দল দলের মিডিয়া সেলের নেতা৷ হজরত মহম্মদের বিয়ে সম্পর্কে কিছু কথা বলে সংখ্যালঘু ভাবাবেগে বড় আঘাত হানার জেরে নুপুর শর্মা-কে সাসপেন্ড করেছে বিজেপি। একইভাবে হজরত মহম্মদ সম্পর্কে বিতর্কিত এক ট্যুইট করায় নবীন জিন্দালও সাসপেন্ডেড। এই দু'জনের প্রাথমিক সদস্যপদও কেড়ে নিয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

কেন্দ্র এবং বিজেপি ভেবেছিল, এই টোটকা প্রয়োগেই সব কিছু নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব হবে। তা হয়নি। ক্রমশই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে গোটা মুসলিম দুনিয়ায়। সৌদি আরব, কাতার, ইরান, কুয়েতের ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ওইসব দেশের সরকার নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার যেন নিঃশর্তে ক্ষমা চায়। বিজেপি নেত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কুয়েতের প্রায় সব ক'টি সুপারমার্কেট থেকে সরানো হয়েছে ভারতীয় পণ্য‌। সুপারমার্কেটে থাকা ভারতীয় প্যাকেটবন্দি চা, চাল, লঙ্কার গুঁড়ো, মশলাপাতি প্লাস্টিকে মুড়ে ফেলা হয়েছে। আরবি ভাষায় তার গায়ে লিখে দেওয়া হয়েছে, ‘আমরা ভারতীয় পণ্য সরিয়ে ফেলেছি।’ ওইসব দেশে ভারতীয় পণ্য বয়কটের কথাও ভাবা হচ্ছে‌। পরিস্থিতি ক্রমশই ভারতের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।

ওদিকে, চলতি বছরের শেষ দিকে গুজরাত এবং হিমাচলে বিধানসভা নির্বাচনের সম্ভাবনা। নুপুর শর্মার মন্তব্য এবং সেই মন্তব্যের যে প্রতিক্রিয়া সমগ্র মুসলিম বিশ্ব দেখাচ্ছে, তার প্রভাব গুজরাটের ভোটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা পদ্ম শিবিরের। পাশাপাশি, আরও বড় এক দুশ্চিন্তা কাজ করছে গেরুয়া অন্দরে। কিছুদিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই ভোটকে সামনে রেখে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সলতে পাকানোর ছক কষেছিল বিজেপি। পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের কোনও মহিলাকে রাষ্ট্রপতি করার ভাবনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের।

কিন্তু সবকিছু ওলটপালট করে দিয়েছেন ওই নুপুর শর্মা। সব কাজ ছেড়ে মোদি-শাহ এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দেশের এবং বিদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষ এক বার্তা দিতে না পারলে এবার সত্যি সত্যিই ঝোলা কাঁধে নিয়ে দিল্লি ছাড়তে হবে বিজেপিকে। রাজনৈতিক মহলের ধারনা, সংখ্যালঘুর মন পেতে তাই আলোচনায় উঠে এসেছে বাতিলের খাতায় চলে যাওয়া মুখতার আব্বাস নকভি-র নাম।

বিজেপির অন্দরের খবর, দলের একাংশের দাবি, পরিস্থিতি সামাল দিতে রাষ্ট্রপতি পদে আনা হোক সংখ্যালঘু মুখ। প্রার্থী করা হোক নকভি-কে। ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠা মুসলিম-বিশ্বের কাছে ভারত বার্তা পাঠাক, 'আমরা মুসলিম-বিরোধী নই'৷ আর কোনও কারণে তা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে বিকল্প হিসেবে ২০২৩ সালে উপ-রাষ্ট্রপতি পদ থেকে বেঙ্কাইয়া নাইডু-র অবসরের পরই ওই সাংবিধানিক পদে সংখ্যলঘু মুখ হিসেবে মুখতার আব্বাস নকভির নাম এখনই প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দেওয়া হোক। এমন কিছু করা না গেলে ধনে-প্রাণে মারা যাবে বিজেপি। জানা যাচ্ছে, হাতের বাইরে চলে যাওয়া পরিস্থিতি সামাল দিতে রাষ্ট্রপতি বা উপ-রাষ্ট্রপতি পদে মুখতার আব্বাস নকভির নাম প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন মোদি-শাহ। মোদির শাসনকালে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং বঞ্চনার যে অভিযোগ বারবার উঠছে, তার অনেকটা মোকাবিলা যেমন নকভি-অস্ত্রে করা যাবে, তেমনই বিশ্বের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিতেও সফল হবে ভারত। এছাড়া বাঁচার আর পথ নেই বলেই মনে করছে বিজেপির শীর্ষ স্তর।

নুপুর শর্মা-কাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া সংকট থেকে বিজেপিকে উদ্ধার করতে সম্ভবত ত্রাতা হয়ে উঠতে চলেছেন 'বাতিল' হওয়া সেই মুখতার আব্বাস নকভিই।

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিইসি-র পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, রাজধানীতে বিক্ষোভ শুরুর আগেই ৫০০ আটক, ৪০,০০০-এরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন

Delhi’s October 10 protest: যন্তর মন্তর ও কনট প্লেসের আশপাশ থেকে আন্দোলনকারীদের আটক করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০০। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও।

বিক্ষোভের আগেই কড়াকড়ি: দিল্লিতে ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, দেশজুড়ে পুলিশি তৎপরতা

Cockroach Janata Party: এই বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা, ট্রেন বাতিল এবং ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে খবর আসছে, বহু আন্দোলনকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, আটক করা হচ্ছে কিংবা বিক্ষোভে যোগ না দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে।

শুভেন্দুর নৌকোয় মুসলিম ভোট?

Nandigram, Rejinagar Bypolls: ভোটগণনার শেষে হাসিরানি রথ পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৭টি ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের মিলন প্রধান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৭৪টি ভোট। বামফ্রন্ট, ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাও অনেক পিছিয়ে রয়েছেন।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই কেন পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার?

Navi Pillay Nobel Peace Prize 2026: ১৯৪১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে এক দরিদ্র ভারতীয় তামিল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাভি পিল্লাই। তাঁর ঠকুমা-ঠাকুরদা ১৮৯০-এর দশকে ভারত থেকে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার নাতাল প্রদেশের চিনি বাগানে কাজ করতে এসেছিলেন।

আরশোলা কর্মী শেখ আব্দুল হাফিজকে বেআইনিভাবে আটক, কী ঘটেছিল?

Cockroach abdul Detained for Dissent: ৮ অক্টোবর, ২০২৬, কলকাতা পুলিশ বাঁকুড়ার সিজেপি কর্মী শেখ আব্দুল হাফিজ ও তাঁর দলকে আটক করে। অভিযোগ, পুলিশি হেফাজতে মারধর ও মহিলা সদস্যদের নিগ্রহের। ৯ ঘণ্টা থানায় আটকে রেখে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করা হয়। ১০ অক্টোবরের যন্তর মন্তর সমাবেশ ঘিরে, ১০ হাজার কর্মী আটকের অভিযোগ করেছে সিজেপি। অগাস্ট মাসে সিজেপির 'স্কুল ঠিক করো' অভিযানের পর, আব্দুলের বাবার মৃত্যু হয়েছিল।

বিপাকে ভারতীয় কর্মীরা, গ্রিন কার্ডের আবেদন থেকে কেন বাদ টিসিএস, উইপ্রো- সহ ৮ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা?

US Green Card Restrictions: মার্কিন প্রশাসনের দাবি, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিক সংস্থা এমন ব্যবস্থার সুযোগ নিয়েছে, যার ফলে আমেরিকার নাগরিকদের চাকরির সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও অভিবাসন ব্যবস্থার উপর নজরদারি আরও কঠোর করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ছ’বছর ধরে জেলবন্দি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষক সম্মান পেলেন উমর খালিদ

Umar Khalid Human Rights Award: এ বছর তাঁর সঙ্গে আরও চার জন মানবাধিকারকর্মী এই সম্মান পেয়েছেন। তাঁরা হলেন ইরানের মৃত্যুদণ্ড-বিরোধী আন্দোলনকর্মী আহমদরেজা হায়েরি, অ্যাঙ্গোলার গণতন্ত্রকর্মী লরিন্ডা ম্যানুয়েল গুভেইয়া, ব্রাজিলের ব্ল্যাক ট্রান্স নারী ও অধিকারকর্মী আদ্দা ভিক্টোরিয়া কায়েতানো এবং সার্বিয়ার শান্তি ও নারীবাদী আন্দোলনের কর্মী লিলিয়ানা নেশিচ।

তিন দিনে তিনবার আটক রাহুল, রাজঘাটে বিরোধীদের ধর্না: SIR নিয়ে সংঘাত কোথায় গিয়ে ঠেকল?

Rahul Gandhi SIR protest: গত তিন দিন ধরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় এই প্রতিরোধ। পুলিশ বাধা দিলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা নাড়ান এবং সহকর্মীদের নিয়ে ঢুকে পড়েন সংলগ্ন আকাশবাণী ভবনে।