মৃত্যুর পরে ঠিক কী রয়েছে? মরে যাওয়ার পর যে গোপন 'রহস্যের' কথা জানালেন এই ব্যক্তি
After Death Experience : মৃত্যুর পর কী রয়েছে? স্বর্গের দরজা কিংবা নরকের জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড – এসব কি আদৌ আছে?

আমরা সবাই এখন বেঁচে আছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, যে যার মতো কাজ করছি। উৎসবের মুহূর্তে আনন্দ করছি, আবার প্রিয়জনের দুঃখে ভেঙে পড়ছি। সব মিলিয়েই জীবনের পথে হাঁটছি আমরা। আর একেবারে ছোট থেকে একটা কথা আমরা সবাই জেনে এসেছি – “জন্মিলে মরিতে হইবে”। মৃত্যু আমাদের সকলের জীবনেই অবশ্যম্ভাবী এক সত্যি। কিন্তু তারপর? মৃত্যুর পর কী রয়েছে? স্বর্গের দরজা কিংবা নরকের জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ড – এসব কি আদৌ আছে?
বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে স্বর্গ, নরক, ঈশ্বরের নানাবিধ ধারণা রয়েছে। মৃত্যুর পর কী হয়, তা নিয়েও রয়েছে নানা কথা। সত্যিই কি মৃত্যুর পর মানুষের শরীর থেকে আত্মা বেরিয়ে অন্যত্র চলে যায়? সত্যিই কি পুনর্জন্ম হয়? এসব বিষয় নিয়ে নানা ব্যাখ্যা ধর্মগ্রন্থগুলিতে রয়েছে। কিন্তু প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। মৃত্যুর পর ঠিক কী হয়, সেটা এত সহজে জানা যায় না। কিন্তু সেরকমই ঘটনা ঘটল এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি নাকি সত্যিই ‘মারা গিয়েছিলেন’, কিছুক্ষণ পর আবার বেঁচে ফিরে এসেছেন মৃত্যুর দরজা থেকে। মৃত্যু ঠিক কী, সেটাই হাড়ে হাড়ে নাকি টের পেয়েছেন তিনি।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Death is Hoax Claims Scientist Biocentrism : বিজ্ঞানী হঠাৎই দাবি করে বসলেন, মৃত্যু জিনিসটাই ভাঁওতা! মানুষ কেন, কোনও প্রাণীই আদতে মারা যায় না!
রেডিট ওয়েবসাইটে ওই ব্যক্তি নিজের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। একবার নয়, দু’বার মারা গিয়েছিলেন তিনি। প্রথমবার একটি বাইক দুর্ঘটনায় ছিটকে পড়েছিলেন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তাররা দেখেন, ওই ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। শ্বাস বন্ধ, শরীরে কোনও স্পন্দনও নেই। এর অর্থ তো একটাই, মৃত্যু! মিনিট ১৫ পর ফের তাঁর স্পন্দন ফিরে এসেছিল। সবাইকে অবাক করে দিয়ে বেঁচে উঠেছিলেন তিনি।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে একটি সার্জারির সময়। অপারেশনের পর প্রচণ্ড যন্ত্রণা হওয়ায় পেইনকিলার খান ওই ব্যক্তি। তারপরই তাঁর পালস রেট একেবারে কমে যায়। শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি ‘মারা যান’। এই ক্ষেত্রেও অবশ্য বেশ কিছুক্ষণ পর বেঁচে ওঠেন তিনি।
দু’বার মৃত্যুকে ছুঁয়ে বেরিয়ে আসা, এটা একপ্রকার অসাধ্য সাধনই বটে। কিন্তু যখন মৃত্যু এসেছিল, তখন কী মনে হয়েছিল? সেই প্রশ্নেরই চমকপ্রদ উত্তর দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর বক্তব্য, “মৃত্যু আসলে চারিদিকে ধু ধু অন্ধকার, একেবারে ফাঁকা। সেখানে কিচ্ছু নেই। ঘুম নেই, স্বপ্ন নেই, চিন্তা-খিদে-অন্য কোনও মানুষ কেউ নেই। অনেকটা গভীর ঘুমের মতো। কিন্তু ঘুমের ক্ষেত্রে আমরা স্বপ্ন দেখি, মাথায় অনেকরকম চিন্তা আসে, অবচেতনেও সজাগ থাকি। কিন্তু এখানে সেসব কিচ্ছু নেই। একেবারে অন্ধকার, কালো, ফাঁকা একটা জায়গা। সেখানে স্বর্গও নেই, নরকও নেই।”
সত্যিই কি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন, না ওষুধের ‘কামাল’? সেসব অবশ্য জানা যায়নি। কিন্তু মৃত্যুর এমন অভিনব অভিজ্ঞতা আর ক’জনের আছে!















