কেন একমাস ধরে অনশনে বৌদ্ধ ভিক্ষুকরা? যা চলছে বুদ্ধগয়াতে

Buddhists Hunger Strike In Bodhgaya: অভিযোগ, বর্তমানে যে আচারগুলির অনুশীলন হয় তার বেশিরভাগই বুদ্ধের নিজস্ব শিক্ষার বিরোধী - যেমন বিতর্কিত শিব লিঙ্গের চিহ্ন স্থাপন করা, হিন্দু আচার-অনুষ্ঠান করা, হিন্দু দেবতাদের মতো বুদ্ধের মূর্তির পুজো করা!

inscript
৪ মিনিট
কেন একমাস ধরে অনশনে বৌদ্ধ ভিক্ষুকরা? যা চলছে বুদ্ধগয়াতে

অনশনে বসেছেন বৌদ্ধরা। তাও বুদ্ধগয়াতে, যেখানে গৌতম বুদ্ধ নিজে জ্ঞানার্জন করেছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে অল ইন্ডিয়া বৌদ্ধ ফোরামের (AIBF) নেতৃত্বে বিহারের বুদ্ধগয়ায় অনির্দিষ্টকাল অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন বৌদ্ধরা। বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এবং অন্য বিক্ষোভকারীরা মহাবোধি মহাবিহার গেটের বাইরে বসে নীরবে নিজেদের অধিকারের জন্য প্রতিবাদ করে চলেছেন। সম্প্রতি, বিহার পুলিশ মধ্যরাতে ২৫ জন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে আটকও করেছে। এই সন্ন্যাসীদের বেশিরভাগই অনশনরত ছিলেন। বিশ্বজুড়ে ধীরে ধীরে ব্যাপক ক্ষোভ জমা হচ্ছে মানুষের মধ্যে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে। কিন্তু বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা কেন অনশনে বসেছেন, কীই বা দাবি তাঁদের? কেন একমাস পরেও তাঁদের দাবিতে কর্ণপাত করছে না সরকার?

AIBF-এর সভাপতি জাম্বু লামা বলছেন, "আমরা আসলে শান্তিপ্রিয় মানুষ, কিন্তু এখন আমরা রাস্তায় নেমে এই ধরনা দিতে বাধ্য হচ্ছি!” কেন? মহাবোধি মহাবিহার কমপ্লেক্স, যার বাইরে বৌদ্ধ ভিক্ষুক ও বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা প্রতিবাদ করছেন, সেখানেই বোধিবৃক্ষ রয়েছে। ঐতিহাসিক বা ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভ তো বটেই, এই জায়গাটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে সবচেয়ে সম্মানিত স্থানও। ইতিহাস বলছে, অতীতে এই স্থানটি ঘন ঘন আক্রমণের শিকার হয়েছে। বৌদ্ধধর্মের ক্রমেই প্রসার ও প্রচার হতে থাকায় বিশেষ করে ব্রাহ্মণ ও উচ্চবর্ণের শাসকরা এই জায়গাটি আক্রমণ করেছে। বোধিবৃক্ষকে ধ্বংস করার একাধিক প্রচেষ্টা হয়েছিল। মহাবোধি কমপ্লেক্সের ভিতরে বর্তমান বোধিবৃক্ষটি চতুর্থ প্রজন্মের গাছ।

বর্তমানে বৌদ্ধরা অনশনে বসেছেন মহাবোধি মুক্তি আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে। এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য 'বুদ্ধগয়া মন্দির আইন ১৯৪৯' বাতিল করা, বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্রতা রক্ষা করা এবং মহাবোধি মহাবিহারের পবিত্র প্রাঙ্গণ যেন শুধুমাত্র বৌদ্ধদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তা নিশ্চিত করা। হঠাৎ এই দাবিগুলি কেন উঠছে তা বুঝতে গেলে কিছুটা পিছনে হাঁটতেই হবে। এই আইনের প্রয়োজনীয়তা ও বিশদ জানা সর্বাগ্রে প্রয়োজন।

বুদ্ধগয়া মন্দির আইন কী?

বৌদ্ধদের কাছে বুদ্ধগয়া হচ্ছে সবচেয়ে পবিত্র বৌদ্ধ স্থান। সারা বছর হাজার হাজার আন্তর্জাতিক দর্শনার্থী এবং তীর্থযাত্রীর ভিড় জমান এখানে। ১৯৪৯ সালের বুদ্ধগয়া মন্দির আইনে মহাবোধি মহাবিহার উপর অ-বৌদ্ধদের নিয়ন্ত্রণ এবং এক্তিয়ারের অনুমতি দেওয়া হয়। এই আইনের পরে গঠিত হয় বুদ্ধগয়া মন্দির পরিচালনা কমিটি যেখানে হিন্দু ও বৌদ্ধ দুই ধরনের সদস্যকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এখানে উল্লেখ্য, হিন্দু সদস্যদের অধিকাংশই ছিলেন উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণ। কমিটির নয়জন সদস্যের মধ্যে মাত্র চারজন ছিলেন বৌদ্ধ, চারজন ছিলেন হিন্দু। আর খোদ চেয়ারম্যান ছিলেন গয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তিনিও হিন্দু।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বৌদ্ধ ধর্ম নেওয়ার পরেও নৃশংস ছিলেন সম্রাট অশোক! আজও ফুরোয়নি যে বিতর্ক

Samrat Ashoka: তাঁর শিলালিপির পাঠোদ্ধারের প্রায় দুশো বছর পরেও বিতর্ক সম্রাট অশোককে ছাড়েনি।

AIBF-এর সভাপতি জাম্বু লামা বলেছেন, "আগে এই আইনে এমন একটি ধারা ছিল যাতে বলা হয়েছিল যে ম্যাজিস্ট্রেট সবসময়ই হিন্দু হওয়া উচিত। তবে পরে, ২০১২ সালে, সেই ধারাটি সরানো হয়েছিল। তারপরও, বুদ্ধগয়া মন্দির পরিচালনা কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যই থাকেন অ-বৌদ্ধ এবং বাকি চারজন বৌদ্ধ ক্ষমতাহীন, শুধুমাত্র দেখানোর জন্য তাঁদের কমিটিতে রাখা হয়।”

AIBF-এর দাবি, এই কমিটি আসলে ব্রাহ্মণ্য প্রভাবের অধীনস্থ। কমিটির উচিত ছিল বুদ্ধের শিক্ষাকে আরও ব্যাপকভাবে প্রচার করা এবং সহজলভ্য করার জন্য প্রচেষ্টা করা। উল্টে মহাবিহারে অ-বৌদ্ধ অনুশীলন এবং আচার-অনুষ্ঠানের চর্চা বাড়ানো হয়েছে, এই স্থানের পবিত্রতাকে অসম্মান করা হয়েছে এবং বৌদ্ধ বিশ্বাসকে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ জাম্বু লামাদের।

MAHABODHI MAHAVIHAR MUKTI Andolan.

Black ribbon tied to show that no-one else is listening to handover Buddhist shrine to Buddhist.. REPEAL BT ACT 1949....

— All India Buddhist Forum (@AIB_Forum)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোনও পক্ষকে রেয়াত করেননি, হিন্দুত্বকে দূরে ঠেলে কেন বৌদ্ধধর্ম বেছেছিলেন আম্বেদকর?

Ambedkar and Buddhism: আম্বেদকর ব্রিটিশ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন, দলিতদের সংখ্যালঘু ঘোষণা করা হোক।

অভিযোগ, বর্তমানে যে আচারগুলির অনুশীলন হয় তার বেশিরভাগই বুদ্ধের নিজস্ব শিক্ষার বিরোধী - যেমন বিতর্কিত শিব লিঙ্গের চিহ্ন স্থাপন করা, হিন্দু আচার-অনুষ্ঠান করা, হিন্দু দেবতাদের মতো বুদ্ধের মূর্তির পুজো করা, সিল্কের পোশাক এবং উজ্জ্বল সাজে সজ্জিত বুদ্ধকে একজন শিক্ষকের পরিবর্তে অবতার হিসাবে মূর্তি করে পুজো করা।

জাম্বু লামা বলেছেন, “কমিটির সদস্যরা সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে মহাবোধি প্রাঙ্গণের ভিতরে শিব লিঙ্গ সবসময়ই ছিল, কিন্তু তা সত্য নয়! ৩০ বছর আগেও এমন কোনও চিত্র ছিল না। ১৯৯৬ সালে জাপানের একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী সুরাই সাসাই এসেছিলেন এবং তিনিই প্রথম মহাবোধি মহাবিহারের ধীরে ধীরে ব্রাহ্মণ্যকরণের কথা তুলে ধরেছিলেন।"

জাম্বু আরও বলছেন, "ইতিহাসের তথ্য বলছে, চিনা পরিব্রাজক এবং পণ্ডিত হিউয়েন সাং ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতে এসেছিলেন, তাঁর তখনকার লেখাগুলিতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে মহাবোধি কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে অবলোকিতেশ্বরের একটি পাথরের মূর্তি ছাড়া অন্য কোনও ধর্মের চিহ্ন ছিল না।"

বুদ্ধ সম্পর্কে ইতোমধ্যেই প্রচুর পৌরাণিক কাহিনি প্রচারিত রয়েছে। জনপ্রিয় একটি বিশ্বাস হচ্ছে যে বুদ্ধ আসলে বিষ্ণুরই অবতার! আসলে এর মাধ্যমে বৌদ্ধধর্মকে নিজের স্বকীয় পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ারই চেষ্টা হয়েছে বরাবর। যেন অন্য কোনও ধর্মই নেই কোথাও, বৌদ্ধধর্মও আসলে হিন্দুধর্মেরই অংশ! এই প্রচেষ্টা এমন ব্যাপকভাবে করা হয়েছে যে বুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষা প্রায় বিস্মৃত। আর তা কয়েক দশক ধরে পরিকল্পিতভাবেই ঘটানো হয়েছে।

বৌদ্ধদের কী দাবি?

বুদ্ধগয়া মন্দির আইন, ১৯৪৯-এর বাস্তবায়ন ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫, ২৬, ২৯ এবং ৩০ ধারাকেও লঙ্ঘন করে। সংবিধানের এই ধারাগুলিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল। ভারতে সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও বৌদ্ধরা নিজেদের পবিত্র স্থান পরিচালনা করা থেকেই বঞ্চিত।

আসলে শুধু আইনি নিয়ন্ত্রণ নয়, জড়িয়ে থাকে আর্থিক নিয়ন্ত্রণও। জাম্বু লামার কথায়, দার্শনিক বা আধ্যাত্মিক কিছুর বিষয় নয় এটা, একেবারেই টাকাপয়সার বিষয়। তাঁর কথায়, দানপাত্রে যে এত এত টাকা আসে তা সব দখলে নেওয়া হয়। এই টাকার না অডিট আছে, না কোনও নিরাপত্তা! টাকাপয়সা জড়িত না থাকলে কমিটির হিন্দু সদস্যরা অনেকদিন আগেই সব ছেড়ে চলে যেতেন।

ফলে নিজেদের দাবির সমর্থনে ৩০,০০০-এরও বেশি সই এবং বিশ্বব্যাপী ৫০০-রও বেশি বৌদ্ধ সংগঠনের সমর্থন সহ, AIBF ইতিমধ্যেই বিহার সরকারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে বুদ্ধগয়া মন্দির আইন ১৯৪৯ বাতিলের দাবিতে, কিন্তু এখনও উল্লেখযোগ্য কিছুই হয়নি৷ মূলধারার মিডিয়াতেও এই আন্দোলনের কথা উঠে আসেনি তেমন। দেশের বড় অংশের মানুষই জানেন না, বুদ্ধগয়ায় আসলে কী ঘটছে৷ AIBF বুদ্ধগয়ার পবিত্র ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বুদ্ধগয়া মহাবোধি মহাবিহার চৈত্য ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই ট্রাস্টটি সম্পূর্ণভাবে বৌদ্ধদের দ্বারা পরিচালিত হবে। প্রশাসন, নিরাপত্তা এবং ধর্মের পবিত্রতা বজায় রাখার জন্য শুধুমাত্র বৌদ্ধ কর্মীদেরই নিয়োগ করা হবে। নতুন ট্রাস্ট শুধুমাত্র বুদ্ধের শিক্ষার প্রতি নিবেদিত কেন্দ্র তৈরি করবে, যার মধ্যে ভিক্ষুকদের প্রশিক্ষণ, সম্প্রদায় কল্যাণ পরিষেবা, ধর্ম শিক্ষা এবং ধ্যান কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কিন্তু একমাস ধরে চলা অনশন নিয়ে সরকার তো দূর অস্ত, স্থানীয় কর্তৃপক্ষও ভ্রূক্ষেপ করেনি। ভারতে বিভিন্ন ধর্মের অস্তিত্ব অস্বীকার করে, শুধুমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মই সমস্ত মর্যাদা ছিনিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় কি সরকারি মদতও নেই, উঠছে প্রশ্ন।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।