কোন কাজে কত টাকার ফারাক? কেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে যান?

Migrant workers from Bengal: ২০১১ সালের আদমশুমারি বলছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। মূলত দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে কাজে যান তাঁরা।

Joyeshree Pal
৩ মিনিট
কোন কাজে কত টাকার ফারাক? কেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে যান?

সারা দেশ জুড়ে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের বেহাল দশা। কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে গিয়ে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন তাঁরা। কোথাও বাংলাদেশি সন্দেহে, কোথাও আবার শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার অপরাধে মার খেতে হচ্ছে। এমনকি, ভিন রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের আটক করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশেও পাঠানো হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ফিরতে হচ্ছে নিজের রাজ্যে। অথচ পশ্চিমবঙ্গেও স্থায়ী আয়ের কাজের সুযোগ খুবই সীমিত। কারণ ১০০ দিনের কাজ বন্ধ, আবাস যোজনার কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে পেটের টানে যেতে হচ্ছে ভিন রাজ্যে।

ওড়িশা, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, রাজস্থান— প্রায় প্রতিটি রাজ্য থেকেই বাংলার শ্রমিকদের উপর আক্রমণের খবর সামনে আসছে। মূলত বাংলাভাষী মুসলিম শ্রমিকরা এই হামলার শিকার।

• মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের আব্দুল আলিম ওড়িশার মহাদেবনগরে নির্মাণকাজে গিয়ে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশি সন্দেহে তাঁর থেকে কেড়ে নেওয়া হয় আধার কার্ড ও প্যান কার্ড।

• রাজস্থানে রাস্তা বানানোর কাজে যাওয়া মালদহের আমির শেখ-কে বাংলাদেশি সন্দেহে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ডিটেনশন ক্যাম্পে। পরে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় বিএসএফের হাতে। আমির শেখ-কে জোর করে পুশব্যাক করা হয়েছিল বাংলাদেশে।

• মহারাষ্ট্রে পাঁচ বছর ধরে মিস্ত্রির কাজ করা নাজিমউদ্দিনও একই পরিণতির শিকার। শেষমেশ তাঁকেও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়। বিএসএফ তাঁর থেকে ১৮ হাজার টাকা কেড়ে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেয় ৩০০ বাংলাদেশি রুপি।

• পূর্ব বর্ধমানের পলাশ অধিকারীও বাড়তি রোজগারের আশাতে বেঙ্গালুরুতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে এই দম্পতিকে আটক করে পুলিস। তারপর থেকে ১০ মাস জেলেই ছিলেন শুক্লা অধিকারী ও পলাশ অধিকারী। তাঁদের সঙ্গে কারাবন্দি অবস্থাতেই দিন কাটাছিল তাঁদের শিশু পুত্র আদিরও।

• ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়েছিল হুগলির পরিযায়ী শ্রমিক দেবাশিস দাস-কে। ওড়িশার স্থানীয় পুলিস তাঁদের কাজের জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তুলে নিয়ে যান। কী কী নথি আছে, তা দেখতে চাওয়া হয়। দেবাশিসের কাছে, পাসপোর্ট, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড, জন্মের শংসাপত্র-সহ স্কুলের মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট ছিল। সেগুলো দেখালেও ছাড়া হয়নি।

কেন বাংলার শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন?

২০১১ সালের আদমশুমারি বলছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। মূলত দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে কাজে যান তাঁরা। কারণ,

১)বাংলায় স্থায়ী আয়ের কাজ কম

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেশজুড়ে বাঙালি খেদাও অভিযান! কী বলছে বাংলার বুদ্ধিজীবী মহল?

Bengali Migrant Workers: এর আগেও ১৯৬০-১৯৭০-এর দশকে আসামে 'বঙ্গাল খেদা আন্দোলন' দেখেছেন, তিনি তখন সদ্য যুবক। তাঁর অভিজ্ঞতায়, সে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি, বাংলা ভাষা শুনলেই মারা হত।

২)নির্মাণ, কৃষি বা কারখানার কাজে মজুরি অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় কম

৩) বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চাকরির সুযোগও কমছে

৪)মনরেগা অর্থাৎ ১০০ দিনের কাজও বন্ধ। আবাস যোজনাও কেন্দ্রীয় অর্থ ছাড়া প্রায় অচল

কী কী কাজে ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন শ্রমিকরা?

নির্মাণকাজ: রাজমিস্ত্রি, রঙের কাজ, প্লাম্বিং, বিদ্যুৎ

কৃষিকাজ: ধান কাটা, গম কাটা, সবজি ক্ষেত

কারখানা: টেক্সটাইল, জুতো, চামড়া, লোহা-ইস্পাত

দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন বাগান: নারকেল, কফি, রাবার

এছাড়াও হোটেল, রেস্তোরাঁ, সিকিউরিটির মতো কাজের জন্য তাঁরা ভিন রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভিন রাজ্যে বাংলাভাষী নিগ্রহ, কী বলছে তরুণ বাঙালি লেখক সমাজ?

লেখিকা সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, "এর মাধ্যমে শুধু ব্যাক্তিকে আক্রমণ করা হচ্ছে না, একটা ভাষাকে আক্রমণ করা হচ্ছে। এটা শুধু জাতীয় রাজনীতি নয়, ভাষা রাজনীতিও।"

একই কাজের জন্য ভিন রাজ্যে এবং বাংলায় যা মজুরি পান শ্রমিকরা

নির্মাণকাজ-

দিল্লি: দৈনিক ৬০০–২৭০০ টাকা

মহারাষ্ট্র: ২৭০০–২৮০০ টাকা

কেরল: ৮০০–২৯০০ টাকা

বাংলা: মাত্র ৩০০–৩৫০ টাকা

ইটভাটা-

ওড়িশা: ৫০০–২৬৫০ টাকা

ছত্তিশগড়: ২৫০০–২৬০০ টাকা

বাংলা: ২৫০–৩০০ টাকা

কৃষিকাজ-

পঞ্জাব: ৫০০–২৬০০ টাকা

হরিয়ানা: ২৪৫০–২৫৫০ টাকা

বাংলা: ২০০–২৫০ টাকা

ফারাক স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা অপমানের আশঙ্কার কথা জেনেও বাধ্য হয়েই ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। এখানে বলে রাখা দরকার সুজন সরকারের গল্প। মুর্শিদাবাদের ভগবানপুরের যুবক সুজন, প্লাস্টিকের জিনিস ফেরি করার কাজ নিয়ে ওড়িশায় গিয়েছিলেন। তাঁকে বলা হয়েছিল, বাঁচতে হলে হনুমান চল্লিশা পড়তে হবে। উলঙ্গ হয়ে প্রমাণ দিতে হবে তুমি মুসলিম নও। কোনো ভাবে সেখান থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন সুজন। তারপরেও নাগপুরে নতুন কাজে যেতে হয় তাঁকে। কারণ এ রাজ্যে থাকলে এত কম আয়ে সংসার চলবে না।

সরকারের উদ্যোগ

ভিন রাজ্যে শ্রমিকরা আক্রমণের শিকার হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছেন। সম্প্রতি ‘শ্রমশ্রী' প্রকল্প চালু করারও ঘোষণা করেছেন তিনি। প্রকল্প অনুযায়ী, বাইরে থেকে পরিযায়ী শ্রমিকেরা রাজ্যে ফিরতে চাইলে তাঁদের এককালীন মাসে ৫,০০০ টাকা দেবে রাজ্য। নতুন কাজ না পাওয়া পর্যন্ত ১২ মাস অবধি প্রতি মাসে ৫,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে তাঁদের। আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি ওই শ্রমিকদের নতুন করে কাজ পাওয়ার জন্য তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মমতা। ইতিমধ্যেই ৭৮ লক্ষ জব কার্ড তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ২২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক এতে উপকৃত হবেন। এছাড়াও স্বাস্থ্যসাথী-সহ অন্যান্য সরকারি সুবিধা মিলবে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে শ্রমিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, ৫০০০ টাকায় কি সংসার চলে? ভিন রাজ্যের তুলনায় রাজ্যের মজুরি এত কম হলে, কীভাবে তাঁরা টিকে থাকবেন? কেনই বা থাকবেন?

বাংলার শ্রমিকরা কাজের জন্য নিজের ভূমি ছেড়ে যাচ্ছেন, কিন্তু ফিরতে হচ্ছে রক্তাক্ত, অপমানিত হয়ে। সংবিধান বলে—ভারতবর্ষ সকল ভাষা, জাতি ও ধর্মের দেশ। তাহলে কেন শুধু বাংলায় কথা বলার জন্য এতো নিগ্রহ? কবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা?

লিখেছেন
Joyeshree Pal
Joyeshree Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘মহাকাব্য যদি কোথাও জন্মে থাকে, তবে তা ফুটপাতে’—কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্তের সঙ্গে 'আড্ডা'য় অত্রি ভট্টাচার্য

The Other Kolkata of krishnapriya Dasgupta: কলকাতার সেই অচেনা ফুটপাতের মানুষরা কীভাবে বেঁচে থাকেন? সাংবাদিকতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় আজকালের প্রাক্তন সাংবাদিক কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত কী দেখেছেন? আর আজকের সংবাদমাধ্যম কেন বদলে গেল তাঁদের দেখার চোখে? তাঁর স্মৃতি, সাংবাদিকতা ও আজকের বদলে যাওয়া শহর নিয়েই তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় অত্রি ভট্টাচার্য।

১৯৭১ থেকে ২০১১: কলকাতার ফুটপাথে থাকা মানুষদের রোজনামচা কেমন ছিল?

Kolkata pavement dwellers survey: ১৯৭১ থেকে ২০১১—এই চার দশকে কলকাতার ফুটপাথবাসীর সংখ্যা ৫০ হাজার থেকে বেড়ে প্রায় ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। ফুটপাথবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো ঠিকানা নেই। কেউ থাকেন উড়ালপুলের নীচে, কেউ রেললাইনের পাশে, আবার কেউ পরিত্যক্ত পাইপের ভিতরে। শহরের অসংগঠিত অর্থনীতিতে ফুটপাথবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের জীবনযাপন, কাজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অতীতে বেশ কিছু গবেষণা ও সমীক্ষাও হয়েছে।

শুধু আমেরিকা বা আফ্রিকাতেই নয়, বাংলাতেও ছিল দাসপ্রথা

International Day for the Remembrance of the Slave Trade and its Abolition: ২৩ আগস্ট আন্তর্জাতিক দাসব্যবসা স্মরণ দিবস। হাইতির দাসবিদ্রোহের পাশাপাশি স্মরণ করতে হবে, বাংলার মাটি থেকে লক্ষাধিক মানুষকে বলপূর্বক নির্বাসিত করার ইতিহাস। চট্টগ্রাম, হুগলি, সুন্দরবন হয়ে আরব, আফ্রিকা, মরিশাসে পৌঁছেছেন বাংলার দাসেরা। শুধু ইতিহাসে নয়, আজও বাঙালির আন্তর্জাতিকতা চর্চায় দাসেদের উল্লেখ প্রাসঙ্গিক।

ঘাড়ধাক্কা খেয়ে ওপারে, বাংলাদেশে যেভাবে বেঁচে আছেন সাইদা ফকির

Saida Fakir Deportation: বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগের পর কী ভাবে দিন কাটছে সাইদা ফকিরের? বাংলাদেশের কোথায় আছেন? কারা আশ্রয় দিল তাঁকে?

সোনালি সুইটির পর এবার সাইদা, 'ঘাড়ধাক্কা'র তালিকায় নতুন নাম যে প্রশ্ন তুলছে

Saida Fakir Case: সাইদা ফকিরকে বাংলাদেশি সন্দেহে সীমান্ত পার করে দেওয়ার অভিযোগ নতুন করে নাগরিকত্ব যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবির ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি। কাউকে দেশছাড়া করার আগে যথাযথ তদন্ত ও সাংবিধানিক সুরক্ষা কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেই বিতর্ক ফের উঠে এসেছে।

ফিরে দেখা: সোনালি-সুইটিদের নরক যাত্রা

Sonali Khatun, Sweety Bibi: দু'দশক দিল্লিতে থাকার পরও কেন সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবিদের ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠানো হলো? নাগরিকত্বের নথি থাকা সত্ত্বেও কেন জেল, পুশব্যাক ও অপমানের শিকার হতে হলো তাঁদের? সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কি প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও মানবাধিকার প্রশ্নকে আরও সামনে এনে দিল?

উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে নবম, তবু ফল প্রকাশের দিন হোটেলে কাজে ব্যস্ত সাগর

Sagar Mondal: উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে নবম। মোট ৪৮৮ নম্বর। কিন্তু ফল প্রকাশের দিন বাড়িতে নয়, গুজরাটের আমেদাবাদের একটি হোটেলে কাজে ব্যস্ত ছিল পূর্ব বর্ধমানের সাগর মণ্ডল। পরিযায়ী শ্রমিকের ছেলে সাগরের স্বপ্ন আইএএস হওয়ার।