মহার্ঘ নিরামিষ থালি! কেন ২.৩% ভারতীয়র দু'বেলা নিরামিষ খাবারও জোটে না?

Veg & Non-Veg Thali Price: অনেক নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য, বিশেষ করে পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে, একবেলা পেট ভরা সুষম খাবার এখনও নাগালের বাইরে।

inscript
৪ মিনিট
মহার্ঘ নিরামিষ থালি! কেন ২.৩% ভারতীয়র দু'বেলা নিরামিষ খাবারও জোটে না?

সাধারণত বিশেষ কোনওদিন ছাড়া বাঙালি অন্তত বাইরে রেস্তোরাঁয় গিয়ে নিরামিষ খেতে পছন্দ করে না। রোজ যে খাবার বাড়িতেই খাওয়া যায়, অতিরিক্ত দাম দিয়ে সেই নিরামিষ খাবার বাইরে খেতে পকেট চুলকায় বটেই! কারণ সাধারণ জনমানসে ধারণা হচ্ছে, নিরামিষ খাবার হচ্ছে আদতে 'সস্তা'। আমিষের জন্য বেশি খরচ করা যায়। যদিও গেরুয়া দল ঘনিষ্ঠবৃত্তে 'নিরামিষ' ভোজনকে 'মেইনস্ট্রিম' করতে চাইছে। এ তাদের নিজস্ব রাজনীতিরই অংশ। আশ্চর্যজনক এক তথ্য বলছে, সাম্প্রতিককালে নিরামিষ খাবারই মহার্ঘ হচ্ছে। এই দুইয়ের মধ্যে কি কোনও যোগ আছে সত্যিই? নিরামিষ খাবার অর্থাৎ সাধারণ নিম্নবিত্ত মানুষের ভরসা। তার দাম বাড়লে মানুষের বিপদ। ২০১৯-২০ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষায় এক প্লেট সাধারণ খাবারের দামের মাধ্যমে খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা বোঝার জন্য থালিনোমিক্স চালু করা হয়েছিল। এতে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৯-২০ সালের মধ্যে নিরামিষ থালির গড় দাম হ্রাস পেয়েছে। অর্থাৎ বোঝা যায়, দেশজুড়ে খাবারের নাগাল বেড়েছে মানুষের কাছে। ন্যাশনাল নিউট্রিশন ইনস্টিটিউট ভারতীয়দের জন্য ২০১১ সালে যে খাদ্যতালিকাগত নির্দেশিকা দেয়। সেই তালিকা অনুসারে, মূল থালিনোমিক্সে, একটি থালির উপাদানগুলিতে ৩০০ গ্রাম শস্য (চাল এবং গম), ১৫০ গ্রাম শাকসবজি এবং ৬০ গ্রাম ডাল (অথবা আমিষ থালির জন্য মাংস, ডিম বা মাছ) অন্তর্ভুক্ত ছিল। দামের মধ্যে রান্নার তেল, জ্বালানি (এলপিজি বা জ্বালানি কাঠ) এবং সাধারণত ব্যবহৃত মশলাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি একটি সাধারণ, পুষ্টিকর খাবারের জন্য খরচের অনুমান পেতে সাহায্য করে।

২০২৩-২৪ সালের গৃহস্থালি খরচ ব্যয় সমীক্ষা (HCES) প্রকাশের পর খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতার আরও সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হয়েছে। শুধুই দামের ভিত্তিতে নয়, একটি পরিবার পেট ভরে খেতে আসলে কতটা খরচ করতে সক্ষম তারও আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছে। ২০১৯-২০ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বিশ্লেষণ করে তিনটি মূল তথ্য জানা যাচ্ছে।

থালির দাম বেড়েছে

২০১৯-২০ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার মূল থালিনোমিক্স থেকে অনুমান করা হচ্ছে যে জাতীয় স্তরে নিরামিষ থালির দাম ২০১৫-১৬ সালে প্রায় ২৭ টাকা থেকে কমে ২০১৯-২০ সালে ২৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে, আমিষ থালির দাম একই সময়ের মধ্যে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯-২০ সালের মধ্যে তা প্রায় ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩৮ টাকা। প্রতিটি রাজ্যের থালির দাম হিসেব করে দেখা হয়েছে, ২০১৯-২০ সালের জাতীয় গড়ের তুলনায়, বর্তমান দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

বর্তমানে গ্রামীণ নিরামিষ থালির দাম:

ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে ২৫-২৮ টাকা

বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশে ৩২-৩৪ টাকা

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফসল ফলিয়েও অপুষ্টিতে ভুগছে কৃষকদের সন্তানরাই! যেভাবে লড়ছে অসমের জনজাতিরা

Dhemaji Assam: মরশুমি ফল জলপাই, আম, কুল, কামরাঙার আচার বানিয়ে রাখা থাকে। বন্যার দিনে সে সব দিয়ে ভাত খাওয়া হয়।

পুদুচেরি, লক্ষদ্বীপ এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ৪৫-৫১ টাকা

বর্তমান গ্রামীণ আমিষ থালির দাম:

উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, বিহারে ৩৩-৩৬ টাকা

মিজোরাম, পুদুচেরি এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ৫০-৫৩ টাকা

দিনে দু'বার পেট ভরা খাবারের খরচ জোগাতে পারে কারা?

ক্রয়ক্ষমতা পরিমাপ করার জন্য, ব্যক্তিপিছু প্রতিদিন (৩০ দিনের জন্য) দু'টি থালির মাসিক খরচ আর HCES-তে উল্লিখিত মাসিক মাথাপিছু খাদ্য ব্যয়ের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। একটি পরিবারের মাথাপিছু ব্যয় এই মানদণ্ডের চেয়ে কম হলে বোঝা যাবে যে সেই পরিবার রোজের খাবার জোগাড় করতে অপারগ।

যা জানা গেল:

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেশজুড়ে অপুষ্টি, অনাহার! দারিদ্র কমার শুকনো পরিসংখ্যান হাসি ফোটাবে ভারতীয়দের মুখে?

Poverty in India: যে দেশের মানুষ অপুষ্টি, অনাহার সঙ্গী করে বেঁচে আছেন, তাঁদের কতটা খুশি করতে পারে শুকনো পরিসংখ্যান?

৪.৭ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন দু'বার আমিষ খাবারের খরচ চালাতে পারে না।

২.৩ শতাংশ পরিবার দু'বেলা নিরামিষ খাবারের খরচও চালাতে পারে না।

ঝাড়খণ্ডে, এই সংখ্যা বেড়ে ১৮ শতাংশ (আমিষ) এবং ১১ শতাংশ (আমিষ)। গ্রামীণ ঝাড়খণ্ডে, আমিষ খাবারের খরচ বইতে না পারার হার ২০.৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

ওড়িশা, মেঘালয় এবং মণিপুরেও এই হার বেশি।

অর্থাৎ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, অনেক নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য, বিশেষ করে পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে, একবেলা পেট ভরা সুষম খাবার এখনও নাগালের বাইরে। যার ফলে পূর্ব, মধ্য এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের পুষ্টির হারও কমের দিকে।

তবে সামর্থ্য থাকলেই যে পর্যাপ্ত পুষ্টি মিলবে তাও না। অর্থনৈতিক সমীক্ষার খাদ্যতালিকাগত অনুমান অনুসারে, অনেক পরিবার যারা দিনে দু'বার খাবারের খরচ বহন করতে পারে, তারা এখনও পুষ্টিকরভাবে সুষম থালি খাওয়ার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে কম খরচ করে।

ভারতীয় পরিবারের ৪৬ শতাংশ মৌলিক, পুষ্টিকর খাবারের জন্য প্রয়োজনের চেয়ে কম ব্যয় করে।

ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে এই সংখ্যা ৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

কর্ণাটক এবং মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যেও ৪০ শতাংশেরও বেশি পরিবার এই পুষ্টি ব্যয়ের সীমার নীচে পড়ে।

এটি পুষ্টি-ঘাটতির এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে। এমনকী যেসব পরিবার পর্যাপ্ত ক্যালোরি গ্রহণ করে তাদের ক্ষেত্রেও এই চিত্র বাস্তব।

মূল থালিনোমিক্স বলছে খাদ্যের দাম কমেছে কিন্তু HCES এর ২০২৩-২৪-এর বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায়, ভারতীয় পরিবারের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের কাছে খাবারের প্রাপ্তি এখনও অবাধ নয়। দাম বেড়েছে, ক্রয়ক্ষমতার ঘাটতি রয়ে গেছে এবং পুষ্টির ঘাটতিও ব্যাপকহারে বাড়ছে। রেস্তোরাঁয় খরচ করে নিরামিষ খাওয়া আর রোজ বাড়িতেও সেই সামান্য নিরামিষ জোটাতে না পারা আসলে আমাদের ক্রয়ক্ষমতার এক বিশাল ফাঁককে প্রকট করে।

ডাল, শাকসবজি, রান্নার তেল এবং জ্বালানির ক্রয়ক্ষমতা যা সুষম খাদ্যের কেন্দ্রবিন্দু সেই সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা প্রয়োজন। বিষয়টি নেহাতই পয়সা দিয়ে নিরামিষ খাবার খাওয়ার প্রতি অনীহার মতো সামান্য নয়। খাবারের দাম বৃদ্ধি বুঝিয়ে দিচ্ছে নাগরিকরা পর্যাপ্ত পরিমাণে, নিয়মিত খেতে পাচ্ছে কিনা। নিরামিষের দাম বাড়া বা সেই সামান্য খাবারও কিনে খেতে না পারা আখেরে ভারতের চরম বৈষম্যের দিকেই ইঙ্গিত করে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।