সাজতেন অনুব্রতর ৫৭০ ভরি সোনায়, কেষ্টর গরু পাচারের দুর্নাম ঘোচাবেন কালীই!
Anubrata Mondal: বীরভূম জেলা তৃণমূলের মুখ্য কার্যালয়ে কালীপুজোয় কালীমূর্তিকে সাজানো হত ৩৫০ ভরি সোনার গয়নায়। গত বছর তা বেড়ে হয় ৫৪০ ভরি! আর এখন সেই সোনার পরিমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭০ ভরি!

রাখে কালী মারে কে! ভক্তর নাম অনুব্রত মণ্ডল। কালীর উপর তাঁর আস্থার কথা বাংলার মানুষ জানেনই। কিন্তু সিবিআই অফিসাররা আন্দাজও করতে পারেনি, মাকে ‘তুষ্ট’ করতে কী এলাহি আয়োজনই না করে রেখেছেন অনুব্রত। বীরভূম জেলা তৃণমূলের মুখ্য কার্যালয়ে কালীপুজোয় কালীমূর্তিকে প্রথম দিকে সাজানো হত ৩৫০ ভরি সোনার গয়নায়। গত বছর তা বেড়ে হয় ৫৪০ ভরি! আর এখন সেই সোনার পরিমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭০ ভরি! যার আনুমানিক বাজার মূল্য তিন কোটির কাছাকাছি। এত পরিমাণ সোনা সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে অনুব্রত মণ্ডল আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, “ভাই এটা বলা মুশকিল! ব্যাপক সোনা পড়ছে। একগাদা সোনা পড়ছে।”
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Justice Abhijit Gangopadhyay: ৫ দিনের মধ্যে বাস মালিককে জরিমানার টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। জরিমানা না দিলে এজলাস থেকে সটান জেলে পাঠানোর কড়া হুঁশিয়ারিও দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
কিন্তু এত সোনা পড়ছে কোথা থেকে? এতদিন কেষ্ট দাঁড়িয়ে থেকে মাতৃমূর্তি সাজাতেন। এর আগে পরপর দু’বছর মা এবং স্ত্রী মারা যাওয়ার কারণে নিজের হাতে সোনার গয়না পরাতে পারেননি প্রতিমাকে। এবারটাও তা সম্ভব হবে কিনা বলা যাচ্ছে না। কিন্তু এত এত সোনার উৎস কী? কে বা কারা অনুব্রতর পুজোয় এত পরিমাণ গয়না দিয়েছে তা জানতেই মরিয়া সিবিআই। সূত্রের খবর, একটি নির্দিষ্ট সোনার দোকান থেকেই এই সোনার হয়নার আশি ভাগ এসেছে। এই সোনার অর্থের সূত্রটাই এখন সিবিআই অফিসারদের মাথাব্যথার কারণ।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Durgapuja 2022: দশমীর দিন ভোগ দেওয়া হয় পান্তা ভাত, কচু শাক। কারণ, দশমীর দিন অরন্ধন হিসেবে পালিত হয়। সে দিন রান্না হয় না।
প্রসঙ্গত অনুব্রত মণ্ডল এখন বোলপুরেই রয়েছেন। সিবিআই তাঁকে অস্থায়ী ক্যাম্পে রেখেছে। গত দু’দিন বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছেন কেষ্ট। গত বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুব্রতকে বীরের সম্মান দিয়ে ফিরিয়ে আনার ডাক দেন। আর শুক্রবার মঙ্গলকোটের পুরোনো মামলায় বেকসুর খালাস হন তিনি। ফলে মেজাজ ছিল বেজায় ফুরফুরে। সংবাদমাধ্যমকে সরাসরি কেষ্ট বলেন, “সত্যের জয় হল।” তাহলে কি বাকি সমস্ত বিড়ম্বনা থেকেও এভাবেই ঝাড়া হাত-পা হয়ে বেরিয়ে আসতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একনিষ্ঠ আস্থাভাজন কেষ্ট, ঘুচবে ‘কেষ্টা ব্যাটাই চোর’ অপবাদ? সংবাদমাধ্যমকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ দেওয়ার সুরে অনুব্রত বলেন, “খালি দেখে যাও।”















