কেবল রামদেবই নন, মেয়েদের নিয়ে বারবার অশালীন মন্তব্য করেছেন এই ধর্মগুরুরা

Ramdev Comments on Women: যোগগুরু রামদেব এর আগেও মেয়েদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। সেই 'ট্র্যাডিশন'-এর সঙ্গী আরও অনেকে...

Aritra Som
৪ মিনিট
কেবল রামদেবই নন, মেয়েদের নিয়ে বারবার অশালীন মন্তব্য করেছেন এই ধর্মগুরুরা

শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর থানের যোগ সায়েন্স ক্যাম্প ও ওমেন’স মিটিংয়ের মঞ্চে তখন সাজো সাজো পরিসর। সেখানে তখন উপস্থিত হয়েছেন মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের পুত্র শ্রীকান্ত শিন্ডে। সঙ্গে রয়েছেন উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের স্ত্রী অম্রুতা ফড়নবিশ। তাঁদের সঙ্গেই মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন যোগগুরু বাবা রামদেব। বক্তব্য পেশ করাকালীন হঠাৎই এক অদ্ভুত কথা বলে বসলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ছিল, “মেয়েদের শাড়ি পরলেও ভালো লাগে, অম্রুতাজি’র মতো সালোয়ার পরলেও ভালো লাগে। এমনকী আমার মতো কিছু না পরে থাকলেও মেয়েদের ভালোই লাগে। আসলে লজ্জা নিবারণের জন্যই মানুষ পোশাক পরে।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন আক্রমণ সলমন রুশদির ওপর? আসল কারণ লুকিয়ে সেই 'ধর্মীয় ভাবাবেগে'

৭৫ বছর বয়সি বুকারজয়ী লেখক সলমন রুশদির জীবনে বিতর্ক এই প্রথম নয়। লেখকজীবনের শুরু থেকেই তাঁর দুঃসাহসী লেখনীর জন্য বারবার বিতর্ক ও আক্রমণের স্বীকার হতে হয়েছে তাঁকে।

শেষ কথাগুলো উচ্চারণ করার সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে কার্যত সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। এভাবে মেয়েদের উদ্দেশ্যে বলা, একপ্রকার পণ্যের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, এটা কি তাঁর মতো পরিচিত এক মুখ, যোগগুরুর কাছ থেকে আশা করে মানুষ? এই প্রশ্নই বারবার তোলা হয়। দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল টুইট করে বাবা রামদেবকে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন। মহারাষ্ট্র মহিলা কমিশনের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে এর কারণ দর্শানোর কথাও বলা হয়। দেশজুড়ে চলা বিস্তর ঝড়-ঝঞ্ঝার পর শেষমেশ অবশ্য ক্ষমা চেয়েছেন বাবা রামদেব। তাঁর বক্তব্য, তিনি মেয়েদের খুবই সম্মান করে। নারী স্বাধীনতা ও নারীদের প্রগতির দিকে সবসময় তাঁর নজর থাকে। ‘বেটি বচাও, বেটি পড়াও’-এর মতো উদ্যোগকেও তিনি আগে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মন্তব্যের জন্য কেউ যদি দুঃখ পান, তার জন্য তিনি ক্ষমা চাইছেন।

ক্ষমা তো চাইলেন’ কিন্তু প্রশ্ন এখনও জারি রয়েছে। বিগত কয়েক বছরের হিসেব দেখলে, এমন ঘটনা খুব নতুন কিছু নয়। কেবল বাবা রামদেব নন, ভারতজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আরও অনেক তথাকথিত ‘সাধু’, ‘বাবা’দের মুখ থেকে এমনটাই শোনা যায়। বাবা রামদেব অবশ্য এখানেই থেমে থাকেননি। এই মঞ্চেই তিনি বলেছেন, মানুষ সামাজিকতা বজায় রাখার জন্য পোশাক পরে। আগে তো শিশু বয়সে জামাকাপড় পরানো হতো না। এখন সেটাই আধুনিক ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে। ‘ভারতীয় সংস্কৃতি’ বজায় রাখার কথা তিনি বারবার বলেছেন। ভারতের মতো গ্রীষ্ম প্রধান দেশে সবাই জিন্সের টাইট প্যান্ট পরে কেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। মেয়েদের নিয়ে তাঁর ‘টোটকা’র বাহার অবশ্য থামেনি।

রামদেব বাবা একাই নন, তাঁর দোসররাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন ভারতজুড়ে। কিন্তু কেন বারবার এমন মন্তব্য করেন তথাকথিত সাধু, বাবারা? এর উত্তর পাওয়ার আগে একবার ভারতের দিকে চোখ রাখা দরকার। যে ভারত দুর্গার পাশাপাশি অর্ধনগ্ন কালীর পূজা করে, যে ভারতে অন্যান্য ইতিহাসের পাশে জায়গা করে নেয় খাজুরাহোর ভাস্কর্য। ছোটবেলায় ইতিহাস বইয়ে ছিল গার্গী, মৈত্রেয়ীদের কথা। তাঁদের অধ্যায়ন, পাণ্ডিত্য এবং মুক্তচিন্তার জয়গান আজও গাওয়া হয়। তখনকার ভারত কি এমন পোশাকের গণ্ডিতে আটকেছিল?

একবিংশ শতক, ২০২২-এর এই অত্যাধুনিক বিশ্বে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন বিপ্লবের মুখোমুখি হই আমরা। সেখানে প্রযুক্তির বিপ্লব যেমন আছে, তেমনই আছে চিন্তাভাবনার প্রসার, মুক্তচিন্তার বিপ্লব। তারপর নিজেদের পাড়ায়, চায়ের দোকানে, রাস্তায় রাস্তায় দেখা যায় অন্যরকম দৃশ্য। কাপড়ের দৈর্ঘ্য ছোটো হলেই বক্রোক্তি ধেয়ে আসে। সামনে আসে বাড়ির ‘সংস্কার’-এর কথা। বিয়ের পর সিঁথিতে সিঁদুরের দৈর্ঘ্যও অনেক জায়গায় চোখ দিয়ে মেপে দেখা হয়। বড়দের সামনে স্বামীকে তুই তোকারি করতে নেই, মধ্যবিত্ত পরিবারের আধুনিক ছেলেটিও বলে ওঠে এমন কথাই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সমকামিতা থেকে শবরীমালা, বিতর্কিত রায়ে সবসময়ই নির্ভীক জাস্টিস চন্দ্রচূড়

Justice DY Chandrachud: দেশের শীর্ষ আদালতের ৫০তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে চূড়ান্ত হয়ে গেল ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নাম, ফিরে দেখা তাঁর কেরিয়ার।

তথাকথিত ‘সাধু’, ‘বাবা’রাও তো এই সমাজ থেকেই উঠে আসেন। এই পিতৃতন্ত্রের বিপুল উৎসবের মধ্যেই তাঁদের লাইমলাইটে আসা। তারপর একের পর এক ঘটনার সম্মুখীন হওয়া। রাম রহিম থেকে আসারাম বাপু, ট্র্যাডিশন চলিতেছে সমানে। ২০১৮ সালে সামনে আসে দাতী মহারাজ নামের এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কথা। দক্ষিণ দিল্লির ফতেপুরে নিজের আশ্রমে মহিলা শিষ্যাদের ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছিল এঁর বিরুদ্ধে। উত্তর প্রদেশের বস্তি জেলার সন্ত কুটির আশ্রমের স্বঘোষিত ধর্মগুরু স্বামী সচ্চিদানন্দই হোক বা দিল্লির রোহিণী এলাকার বাবা বীরেন্দ্র দেব রক্ষিত- প্রতিবার এই ‘গুরু’দের বিরুদ্ধে মহিলাদের ধর্ষণ, শোষণের অভিযোগ উঠেছে।

পাঠকদের নিশ্চয়ই মনে পড়বে সাচ্চা সৌদার প্রধান গুরুমিত রাম রহিম সিং ইনসানের কথা। ২০১৭ সালে তিনি কারাবন্দী হয়েছেন। কারণ? আশ্রমের দুই সাধ্বীকে তিনি ধর্ষণ করেছেন। ২০ বছরের জেল হেফাজত হলেও, এরইমধ্যে তিন তিনবার তিনি প্যারোলে ছাড়া পেয়েছেন। এমনকী, এবার প্যারোলে ছাড়া পাওয়ার পর তিনি দিওয়ালির জন্য বিশেষ গানের ভিডিও বানিয়েছেন! ভক্তদের উদ্দেশ্যে রাম রহিমের বক্তব্য, গারদের ওপারের জীবনটাও আধ্যাত্মিক যাত্রার একটা অংশ! অদ্ভুত ঘটনা হল, প্রত্যেকবারই কোনও না কোনো নির্বাচনের আগে তাঁকে ছাড়া হয়। অক্টোবরের ২০ তারিখে একটি ভার্চুয়াল ধর্মীয় সভাও করেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শাসকদল বিজেপির কয়েকজন নেতাও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নতুনভাবে ইতিহাস লেখার নিদান অমিত শাহের, 'হিন্দুরাষ্ট্রের' পথে আরও এক ধাপ?

Amit Shah on distorting History: বিজ্ঞান মঞ্চে দাঁড়িয়ে ইতিহাস বিকৃতির কথা বললেন অমিত শাহ। আদতে কারা করছে সেই কাজ?

একই অভিযোগ উঠেছে আসারাম বাপু, স্বামী নিত্যানন্দের ওপরও। প্রথম জন গারদের ওপারে থাকলেও, দ্বিতীয় জন দেশ ছেড়ে নিজের আলাদা ‘রাষ্ট্র’ তৈরি করেছেন। দু’জনের ওপর অভিযোগ একই- ধর্ষণের। নিত্যানন্দের গ্রেফতারি বা তল্লাশি নিয়ে সেরকম উদ্যোগও দেখায়নি কেন্দ্রের শাসকরা। বরং প্রতিবার এই ধর্মগুরুদের সংখ্যা বেড়ে যায়। আর প্রতিবার সেই শোষণের স্বীকার হন মহিলা এবং শিশুরা। এই প্রসঙ্গে আরেক ধর্মগুরু শঙ্করাচার্য স্বরূপানন্দ সরস্বতীর বক্তব্যও শোনা যাক। মহারাষ্ট্রের শনি শিঙ্গনাপুর মন্দিরে মেয়েদের প্রবেশেও সমানাধিকারের খবর শুনে অনেকেই উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। তখনই স্বরূপানন্দ বলেন, “মেয়েদের মন্দিরে প্রবেশ করতে দিলে ধর্ষণ বাড়বে।” আজও অনেক মন্দিরে মেয়েদের ঢোকা নিষেধ, এটা দিনের আলোর মতোই সত্য। কেবলই কি শিক্ষার অভাব? নাকি সামাজিক সচেতনতা, সামাজিক শিক্ষার প্রসার যথাযথ হয়নি? প্রশাসনও কি দায়িত্ব নিয়েছে? নাকি ‘মাত্রুভূমি’ সত্যই বারবার নিজেদের মন্তব্য, কাজের মাধ্যমে তুলে ধরছেন এই ধর্মীয় গুরুরা?

পিতৃতন্ত্রের রাজনীতির অবসানের স্বপ্ন দেখলেও, মুক্তির রামধনু ওড়ানোর চেষ্টা করলেও, সেটা যে আদতে মুশকিল, তা ভালোই জানে ‘সভ্য’ সমাজ। পিতৃতন্ত্রের রাজনীতি, এই শব্দবন্ধের আড়ালে অনায়াসে ঢুকে পড়তে পারে ক্ষমতা ও শাসকের রাজনীতি। বিশেষ করে, এই বিশেষ ধর্মগুরুরা প্রায় প্রত্যেকেই একটি নির্দিষ্ট গোত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। গেরুয়া রঙের অর্থ ত্যাগ। অথচ ভোগসর্বস্ব দুনিয়ায় তার প্রয়োজন বোধহয় স্রেফ ‘ইমেজ মেনটেন’-এর জন্য। ‘পুরুষ নারী সমান সমান’ মন্ত্র হয়তো নিছক ট্যাগলাইনের মতোই ব্যবহার করবে সমাজ। তারপর বাড়ি থেকে বেরনোর পরই লালসায় ঠিকরে উঠবে চোখ। অবশ্য শাসকের ভূমিকাই বা কীরকম থাকতে পারে! থানের অনুষ্ঠানে বাবা রামদেব যখন তাঁর কথা বলছিলেন, গোটা মঞ্চ সেভাবে সাড়া দেয়নি। ব্যতিক্রম অম্রুতা ফড়নবিশ। মহিলাদের নিয়ে বলা অমন কথায়, রামদেবের পাশে বসেই হেসে উঠেছিলেন খোদ উপ মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী। পুরুষতন্ত্র ও তার ক্ষমতা এইভাবেই জিতে চায়, শাসকের প্রশ্রয়ে।

লিখেছেন
Aritra Som
Aritra Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।