বাংলাদেশের উপদেষ্টা মাহফুজের মুখে ওয়ান ইলেভেন প্রসঙ্গ! ওয়ান ইলেভেন কী?

Bangladesh : আওয়ামী লীগ-সহ বেশ কিছু দলের দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহমেদ, ১১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে গিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
বাংলাদেশের উপদেষ্টা মাহফুজের মুখে ওয়ান ইলেভেন প্রসঙ্গ! ওয়ান ইলেভেন কী?

৪ অগাস্ট সন্ধেবেলা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ফেসবুকে একটি এক লাইনের পোস্ট লেখেন। লেখা ছিল, “ওয়ান ইলেভেন-র পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে”। এর কিছুক্ষণ পর আবার সেই পোস্টটি এডিট করে আরও একটি লাইন যুক্ত করেন। সেখানে তিনি লেখেন- “ওয়ান ইলেভেন-র পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে! তবে, জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না”। যদিও পরে তিনি পোস্টটি ডিলিট করে দেন। প্রশ্ন হল, ওয়ান ইলেভেন কী? কেন ওয়ান ইলেভেন-র প্রসঙ্গ টানলেন মাহফুজ?

২০০৭ সালে বাংলাদেশের নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন- এই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বহু দিন ধরেই সহিংসতার সৃষ্টি হয়েছিল। শেষে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে 'ওয়ান ইলেভেন' নামে পরিচিতি। তবে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি, ঠিক কী ঘটেছিল এই নিয়ে জল্পনা রয়েই গেছে।

আওয়ামী লীগ-সহ বেশ কিছু দলের দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহমেদ, ১১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে গিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন। পাশাপাশি সে বছরের ২২ জানুয়ারির নির্বাচনও বাতিল করেছিলেন। এরপর ক্ষমতায় এসেছিলো সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। প্রধান হয়েছিলেন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর ড. ফখরুদ্দিন আহমেদ। আর তখন সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি! গত বছর ৫ অগাস্ট কী হয়েছিল বাংলাদেশে?

Bangladesh: কোটা সংস্কারের দাবিতে টানা ৩৩ দিন রক্তক্ষয়ী আন্দোলন করেন বাংলাদেশের ছাত্রজনতা। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা অন্তত ১,৪০০।

কী ঘটেছিল সেই দিন? ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, বাংলাদেশে সারাদিনই জল্পনা-কল্পনার মধ্যে কেটেছিল। একদিকে রাস্তায় আওয়ামীলীগের আন্দোলন এবং অন্যদিকে বঙ্গভবনে সেনা কর্মকর্তাদের তৎপরতা। আর বিএনপি তখন ২২ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিল।

তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ এবং নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী-সহ একদল সেনা কর্মকর্তা ১১ জানুয়ারি দুপুরে বঙ্গভবনে গিয়েছিলেন। সেই ঘটনা নিয়ে তৎকালীন জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ একটি বই লিখেছেন- 'শান্তির স্বপ্নে: সময়ের স্মৃতিচারণ'। বইটিতে তিনি বর্ণনা করেছেন- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ইয়াজউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে কীভাবে জরুরী অবস্থা জারির প্রসঙ্গটি এসেছিল।

বইতে মঈন ইউ আহমেদ বর্ণনা করেন, "আমি প্রেসিডেন্টকে দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি, নির্বাচন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের আল্টিমেটাম এবং বিদেশী রাষ্ট্র সমূহের অবস্থান, বিশেষ করে নির্বাচনের ব্যাপারে জাতিসংঘের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানালাম। জাতিসংঘ মিশন থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করা হলে যে বিপর্যয় ঘটতে পারে তা সবিস্তারে বর্ণনা করলাম। নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধান নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রেসিডেন্টকে পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে সচেষ্ট হল।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানকে ‘আয়-উপার্জনের উৎস’ বলছেন আন্দোলনের মুখপাত্র নিজেই?

Bangladesh Revolution : ২ ঘণ্টা ২৪ মিনিটের এই লাইভে তিনি জানান, কীভাবে একটি ছাত্রভিত্তিক আদর্শিক আন্দোলন ধীরে ধীরে কিছু মানুষের জন্য ‘আয়-উপার্জনের উৎস’-এ পরিণত হয়েছে।

জেনারেল মইন ইউ আহমেদ তাঁর বইতে জরুরী অবস্থা জারির পেছনে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেছেন। বইটিতে লেখা হয়েছে - "একসময় ক্ষমতাধর কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি আমার সঙ্গে দেখা করে জানান, সব দলের অংশগ্রহণ ব্যতিরেখে নির্বাচনে সেনাবাহিনী সহায়তা করলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহারের জন্য তাঁরা জাতিসংঘকে অনুরোধ করবে। প্রচ্ছন্ন এ হুমকির পরিণতি অনুধাবন করতে আমার অসুবিধা হল না। জাতিসংঘের কর্মকাণ্ডের নিয়ন্ত্রক এসব দেশের অনুরোধ ও মতামত যে জাতিসংঘ অগ্রাহ্য করতে পারবে না তা বলাই বাহুল্য। আমি এর পরিণাম চিন্তা করে শিউরে উঠলাম। তারপরেও আমার একমাত্র চিন্তা ছিল কীভাবে সেনাবাহিনীকে রাষ্ট্র যন্ত্রের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা যায়।"

ইয়াজউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ড: সোয়েব আহমেদ বিবিসি-কে বলেছিলেন, সব উপদেষ্টাদের বঙ্গভবনে আসার অনুরোধ পাঠান রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ তিনি বলেন, আগে কিছুই জানানো হয়নি, বঙ্গভবনে গিয়ে জানতে পারেন তিন বাহিনীর প্রধান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক হবে। তখনই উপদেষ্টা পরিষদের সবাই জানতে পারেন রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করবেন। কিন্তু বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তখনও উপদেষ্টাদের জানানো হয়নি। সোয়েব আহমেদ-এর কথায়, "একটা সময় রাষ্ট্রপতি আমাদের সঙ্গে চা খেতে মিলিত হন। সেখানে তিনি জানান পরিস্থিতির জটিলতার কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভেঙে দিতে হচ্ছে। আমরা সবাই রেজিগনেশন দিয়ে চলে গিয়েছি।"

তাঁর দাবি, সেই রাতেই শুরু হয়ে গিয়েছিল আরেকটি সরকার গঠনের প্রক্রিয়া। প্রথমে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসকে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। তখন ড: ফখরুদ্দিন আহমদ প্রস্তাব পেয়ে এগিয়ে আসেন। সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ-সহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, সেনা সমর্থিত সরকারের আমলে বিএনপি-র পাশাপাশি শেখ হাসিনা-সহ আওয়ামীলীগের অনেক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী তথা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি-র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-কে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছিল এই সরকার। শুধু তাই নয় রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি শীর্ষস্থানীয় অনেক ব্যবসায়ীকেও আটক করা হয়েছিল। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপরও কড়া নজর রাখা হত।

পরবর্তী সময়ে সাধারণ নির্বাচনের বিষয়ে সেনা সমর্থিত সরকারের উপর চাপ বাড়তে থাকে।অবশেষে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকল দলের অংশগ্রহণে সাধারণ নির্বাচন হয়।

কেন ওয়ান ইলেভেন-র প্রসঙ্গ টানলেন মাহফুজ? সেই উত্তর এখনও অধরা।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এআইয়ের বাড়বাড়ন্তে বিপদে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি?

AI Threat to China’s Communist Party: এআই শুধু প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বদলাবে, নাকি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও রাজনীতিতেও তৈরি করবে নতুন সংকট? কেন চিনের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্তা এআইকে কমিউনিস্ট পার্টির ক্ষমতার জন্য সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখছেন? বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হাতে এআই গেলে কী ধরনের বিপদ তৈরি হতে পারে? আর কেন শি জিনপিং এআইকে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা বলছেন?

টোকিওর জিম্বোচো: বইয়ের শহরে পাঠকের খোঁজে

Tokyo book market: কফিহাউজ যেমন কলেজস্ট্রিটের প্রাণকেন্দ্র, তেমনই জিম্বোচোতে রয়েছে একাধিক কিস্‌সাতেন—শান্ত নিঝ্‌ঝুম কফির দোকান। এর মধ্যে সবচেয়ে পুরনো কিস্‌সাতেনের নাম সাবোরু।

জার্মানিতে ফের যেভাবে বাড়ছে নাৎসি রাজনীতির ছায়া

AfD Rise in Germany: জার্মানিতেই এখন আবার এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে, যার বক্তব্যে অভিবাসীবিরোধিতা, জাতিগত জাতীয়তাবাদ, ইসলামবিদ্বেষ এবং ‘জার্মান পরিচয়’ রক্ষার নামে বহিষ্কারের রাজনীতি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। দলটির নাম অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি।

পেপার চাই, মান পরে: শিকারি জার্নালের বাজার তৈরি করে কে?

Predatory Journals: ইউজিসি-র ২০১৬ সালের বিধিতে থিসিস জমা দেওয়ার আগে অন্তত একটি রেফার্ড জার্নালে পেপার প্রকাশ বাধ্যতামূলক ছিল। ২০২২ সালে নতুন পিএইচডি বিধি এনে আগের নিয়ম খারিজ করা হয় এবং থিসিস জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ জুড়ে পেপার প্রকাশের সেই বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবু নিয়ম বদলালেই কি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ‘প্রকাশ করো, নইলে মরো’ (publish or perish) সংস্কৃতি রাতারাতি বদলে যায়?

গাজার মানুষ থাকবে গাজাতেই, স্বাধীন প্যালেস্টাইনের পক্ষে দিল্লি ঘোষণাপত্র

BRICS Delhi Declaration: দিল্লিতে শেষ হওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাধীন, সার্বভৌম ও কার্যকর প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন জানানো হয়েছে। সেই রাষ্ট্রের ভিত্তি হবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ১৯৬৭ সালের সীমারেখা। গাজা ও পশ্চিম তীরকে সেই ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে ধরে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করার কথাও বলা হয়েছে।

ব্রিকস সম্মেলনে ভারত কী পেল, কী পেল না?

BRICS Summit 2026: ২০২৬ সালের ব্রিকস সম্মেলন থেকে ভারত ঠিক কী পেল? কূটনীতি, বাণিজ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সন্ত্রাসবাদ ও গ্লোবাল সাউথের নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ভারতের কতটা লাভ হলো? চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির জটিলতার মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে ভারত নিজের অবস্থান শক্ত করতে পারল, আর কোন প্রত্যাশাগুলি পূরণ হলো না?

জেন-জির হাত ধরে যেভাবে বদলে যাচ্ছে রাজনীতির মানচিত্র

Gen Z politics: ‘জেন-জি’ (Gen Z) সমাজমাধ্যমকে শুধু আড্ডা বা ছবি দেওয়ার জায়গা হিসেবে দেখেনি; বরং শাসকের অন্যায়, সামাজিক বৈষম্য আর রাজনৈতিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান হাতিয়ার বানিয়ে নিয়েছে।

নাগা সন্ন্যাসীরা কি শুধুই ধর্মীয় তপস্বী ছিলেন? ইতিহাস কী বলছে?

History of naga sadhus: প্রয়াগরাজের শাহী স্নানে ছাইমাখা নাগা সন্ন্যাসীরা আজও লক্ষ ভক্তের ভিড়ে প্রথম ডুব দেন। কিন্তু এই জটাজুটের আড়ালে লুকিয়ে আছে রক্তপাত, টাকা, ভূমি-রাজনীতি, দাসত্ব আর সাম্প্রদায়িক হিংসার দীর্ঘ ইতিহাস। অনুপগিরি গোসাঁই থেকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কুম্ভমেলা দখল—উইলিয়াম পিঞ্চ ও ধীরেন্দ্র ঝার গবেষণায় উঠে এসেছে, ইতিহাসের সেই অজানা অধ্যায়।