সিভিক ভলিন্টিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্য, আরজি কর-শুনানিতে যে যে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

RG Kar case in Supreme court: এদিন ফের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়আশয় নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যেকে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জানান, ইন্টিগ্রেটেড হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ১ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে।

inscript
৪ মিনিট
সিভিক ভলিন্টিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্য, আরজি কর-শুনানিতে যে যে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

উৎসবের মরসুমেও আরজি কর মামলা নিয়ে বিদ্রোহের আগুন জ্বলেছে গোটা কলকাতা জুড়ে। সেই উৎসব শেষ হতে না হতেই মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার ষষ্ঠ শুনানি। গত ৯ অগস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চতুর্থ তলার সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক চিকিৎসকের ক্ষতবিক্ষত দেহ। সেই ঘটনার জল গড়ায় অনেক দূর। মামলার তদন্তভার গিয়েছিল রাজ্যের হাত থেকে সিবিআইয়ের হাতে। এমনকী সেই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলাও করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মামলার ষষ্ঠ শুনানি মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে।

এর আগের শুনানিটি হয়েছিল গত ৩০ সেপ্টেম্বর। মঙ্গলবার দুপুরে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চের সামনে আরজি কর মামলার ষষ্ঠ শুনানি শুরু হয়। যেখানে টাস্ক ফোর্স গঠন নিয়ে হলফনামা জমা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তদন্তে অগ্রগতি কেমন, তা সিবিআইয়ের কাছে জানতে চান প্রধান বিচারপতি। এর পরেই তদন্ত বিষয়ক স্ট্যাটাস রিপোর্ট আদালতের সামনে পেশ করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সুপ্রিম কোর্টে তিনি জানান, আরজি করের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। নিয়োগ করা হয়েছে নোডাল অফিসারও, যার উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টেও।

টাস্ক ফোর্স গঠন সংক্রান্ত হলফনামা পড়ার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘‘৯ সেপ্টেম্বর শেষ বার টাস্ক ফোর্স বৈঠক করেছিল। তার পর আর কোনও বৈঠক করেনি?’’ তুষার জানান, তার পর কোনও বৈঠক হয়নি। এক মাসের বেশি সময় কেন কোনও বৈঠক হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আরজি কর কাণ্ডে আদালতে নিজের বক্তব্য জানাতে পারবে ধৃত সঞ্জয়? কী বলছে ভারতের আইন?

RG Kar Case: ধৃত সিভিক ভলিন্টিয়ার সঞ্জয় রায় সিবিআইয়ের প্রথম চার্জশিট দেখার পর ভরা আদালত চত্বরে জানালেন, তাঁর কিছু বলার আছে।

ইতিমধ্যেই শিয়ালদহ আদালতে আরজি করের চিকিৎসক খুনে প্রথম চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেই চার্জশিটে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ধৃত সিভিক ভলিন্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের নাম। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে আরও অনেকের নাম থাকলেও মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ওই সিভিক ভলিন্টিয়ারের কথাই। সে প্রসঙ্গে এদিন প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্টের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে জমা করা হয়েছে সেই চার্জশিটের কপিও। এই প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী বিচারপতিদের বেঞ্চকে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার ছাড়া আর কেউ এই ধর্ষণ-খুন মামলায় জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

একই সঙ্গে এদিন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছে রাজ্যও। আদালতে রাজ্য জানাল, আরজি কর মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। তাই সেই মেডিক্যাল কলেজে কাজ করতে গেলে প্রয়োজন সিবিআইয়ের অনুমতি। সেই অনুমতি পাওয়ার পরই কাজ শুরু করা হয়। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আরজি করের সব কাজ শেষ হবে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য়ের তরফে। জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে চিকিৎসা-কর্মীরা বারবার অভিযোগ তুলেছেন রাজ্য়ের হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে। পর্যাপ্ত পরিমাণে সিসিটিভি লাগানো, শৌচালয়, চিকিৎসকদের জন্য যথাযথ রেস্টরুমের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে জরুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইতিমধ্যেই সেই সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশিকা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই সংক্রান্ত কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে এ দিন ফের জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। আর তার উত্তরে রাজ্য জানিয়েছে, এই কাজের জন্য হাজার কোটির বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক কাজ হয়ে গেছে। বাকি কাজ ২৫ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আর আরজি করের কাজ শেষ হবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে। রাজ্য ইতিমধ্যেই হাসপাতালগুলোর নিরাপত্তার বিষয় পর্যবেক্ষণ করতে কমিটি তৈরি করা হয়েছে। যদিও তা মানতে নারাজ চিকিৎসকদের আইনজীবীরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অনশন, ধর্না কতদিন? জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে রফাসূত্র কেন বের করতে পারছে না রাজ্য?

Junior Doctor Protest Carnival: সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, এর মধ্যে বাকি তিনটি দাবি কবে পূরণ হবে, সেই সময়সীমা আগে থেকে বেঁধে দেওয়া সম্ভব না।

এদিন ফের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়আশয় নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যেকে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘ইন্টিগ্রেটেড হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ১ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। সব হাসপাতালে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যকে।’’ একই সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারেরা কাজে ফিরেছেন কিনা, তা নিয়ে জানতে চান প্রধান বিচারপতি। তার জবাবে জুনিয়র ডাক্তারের পক্ষের আইনজীবী জানান, সকলেই কাজে ফিরেছেন। রাজ্যের আইনজীবী জানান, সাত জন যাঁরা অনশন করছেন, তাঁরা বাদে সকলেই কাজে ফিরেছেন।

এর আগেই শীর্ষ আদালতে রাজ্যে রাত্তিরের সাথী প্রকল্পের কথা জানিয়েছিল। একই সঙ্গে হাসপাতালে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সিভিক ভলিন্টিয়ার নিয়োগ নিয়েও আপত্তি উঠেছিল সুপ্রিম কোর্টে। এদিনও সেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠল আদালতে। প্রশ্ন ওঠে, রাজ্য সরকারের ‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ। সেখানে বলা হয়েছিল, কোনও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরত রাখতে হবে। তবে রাজ্য জানায়, কেন্দ্রীয় আইন মেনেই নিয়োগ হচ্ছে ‘রাত্তিরের সাথী’ প্রকল্পে। এ ব্যাপারে প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্যও। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘সিভিক ভলান্টিয়ারদের কে নিয়োগ করে? কী ভাবে নিয়োগ হয় তাঁদের? এখন রাজ্যে কত জন সিভিক ভলান্টিয়ার আছেন?’’ তার উত্তরে রাজ্য জানায়, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হয়। পরের শুনানিতে এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রীতিমতো হলফনামা দিয়ে এ ব্য়াপারে তথ্য জানাতে হবে শীর্ষ আদালতকে। নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী? নিয়োগের আগে কী ভাবে তাঁদের দেওয়া তথ্য যাচাই করা হয়? কোন কোন প্রতিষ্ঠানে সিভিক ভলান্টিয়ার আছে? সিভিক ভলান্টিয়ারকে কী ভাবে বেতন দেওয়া হয়, কত বাজেট বরাদ্দ করা হয় তার জন্য?- এ সব উত্তর জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘রাজ্যকে হলফনামায় নিশ্চিত করতে হবে কোনও স্কুল, হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে সিভিক ভলান্টিয়ার রাখা যাবে না। এমনকী, কোনও থানা এবং তদন্তের সঙ্গে জড়িত কোথায় সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হয়নি, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে।’’

আরজি কর কাণ্ডে প্রতিবাদের জের এখনও স্তিমিত হয়নি। এ দিন শহরে আয়োজন করা হয়েছে দ্রোহের কার্নিভালের। জুনিয়র ডাক্তারদের আমরণ অনশনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের এই ষষ্ঠ শুনানিতে ডাক্তারদের দাবিদাওয়াগুলিকে বিশেষ করে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি দীপাবলির পরে। সেখানেই এই মামলার তদন্তে অগ্রগতি থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি রিপোর্ট দেখবে শীর্ষ আদালত।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।