বোমা ফাটালেন মাস্ক! যৌন বিতর্কে জড়িত ট্রাম্প? কী আছে এপস্টাইন ফাইলে?

Trump Epstein Files: মাস্ক বলছেন, ট্রাম্পের নাম আছে 'এপস্টাইন ফাইলে', ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিশাল যৌন অপরাধের অভিযোগ আছে।

Madhurima Dutta
৫ মিনিট
বোমা ফাটালেন মাস্ক! যৌন বিতর্কে জড়িত ট্রাম্প? কী আছে এপস্টাইন ফাইলে?

দু'জনই বিশাল ক্ষমতাধর। দু'জনই দু'জনের পিঠ চাপড়ে এগিয়ে এসেছেন অনেকটা পথ, একজন অন্যজনের ক্ষমতায়নের নেপথ্যে ছিলেন। তারপর হঠাৎ একদিন টেসলা কোম্পানির মালিক এলন মাস্ক, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টা পদ থেকে সরে গেলেন, বিরোধিতার কারণে। অনুমেয়ই ছিল যে হাত গুটিয়ে বসে থাকার পাত্র হবেন না মাস্ক। অনুমান সত্য করে দিয়ে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বোমাটি অবশেষে ফাটিয়েই দিলেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের বিলের বিরোধিতা করার পরেই উপদেষ্টার পদ থেকে সরে যেতে হয়েছিল মাস্ককে। সাম্প্রতিক এই ঘটনা এলন মাস্ক এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধকে আরও তীব্র করে তুলল। কোন বোমা ফাটিয়েছেন মাস্ক? মাস্ক বলছেন, ট্রাম্পের নাম আছে 'এপস্টাইন ফাইলে', ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিশাল যৌন অপরাধের অভিযোগ আছে।

তাঁর নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টে, মাস্ক লিখেছেন, "সত্যিই বড় বোমাটা ফাটানোর সময় এসেছে: এপস্টাইন ফাইলে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটাই আসল কারণ যে এই ফাইল প্রকাশ করা হয়নি। দিন শুভ দিন হোক ডোনাল্ড জে ট্রাম্প!” ওই পোস্টেই তিনি লিখেছেন, "ভবিষ্যতের জন্য এই পোস্টটি মনে রাখবেন। সত্য বেরিয়ে আসবেই।" এবার যাওয়া যাক এই 'কেচ্ছা রহস্যের' গভীরে। কী এই এপস্টাইন ফাইল? ট্রাম্পের নাম কেন সেখানে? কী অভিযোগ তাঁর নামে?

Time to drop the really big bomb:

is in the Epstein files. That is the real reason they have not been made public.

Have a nice day, DJT!

— Elon Musk (@elonmusk)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিরাপত্তাই কারণ? কেন এই ১২টি দেশ থেকে আমেরিকায় আসা নিষিদ্ধ করলেন ট্রাম্প?

US Travel Ban 2.0: ট্রাম্প ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ইরাক, সিরিয়া, ইরান, সুদান, লিবিয়া, সোমালিয়া এবং ইয়েমেন সহ সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নাগরিকদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছিলেন।

জেফ্রি এপস্টাইন ছিলেন একজন বিনিয়োগকারী। বহু পুঁজিপতির ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করেই নিজের সম্পত্তি আড়-বহরে বাড়িয়েছিলেন তিনি, যদিও তাঁর আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে অনেক কিছুই গোপন রাখা হয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে, এপস্টাইন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ব্রিটিশ রাজপরিবার এবং হলিউডের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব-সহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০০৮ সালে পতনের মুখ দেখতে শুরু করেন জেফ্রি এপস্টাইন। মারাত্মক অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে যে, ফ্লোরিডায় জেফ্রি নাকি একজন নাবালককে যৌনকর্মীর কাজ করিয়েছেন। বিতর্কিত ওয়ার্ক-রিলিজ প্রোগ্রামের অধীনে মাত্র ১৩ মাস জেল খাটেন জেফ্রি।

এপস্টাইন ও ট্রাম্প

মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে আছে জেফ্রি এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপ। এই দ্বীপটিকে 'পিডোফাইল আইল্যান্ড'-ও বলা হতে থাকে। অভিযোগ, জেফ্রি নাকি শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন চালাতেন মূলত এখানেই। ২০১৯ সালের অগাস্টে নিউ ইয়র্কের একটি জেলে জেফ্রি এপস্টাইনের মৃত্যু হয়, জানা যায় আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তবে, তাঁর মৃত্যুর পরেই সাংঘাতিক সব অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। অভিযোগ ওঠে, এপস্টাইনের এই কীর্তিতে যুক্ত ছিলেন বহু হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিরা। সেই ব্যক্তিদের বাঁচানোর জন্যই এপস্টাইনকে চিরতরে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এখানে আরেকটি ঘটনার উল্লেখ আবশ্যিক। জেফ্রি এপস্টাইন আর তাঁরই সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন ভার্জিনিয়া গিফ্রে। গত ২৬ এপ্রিল, ৪১ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। দোষী সাব্যস্ত যৌন অপরাধী এপস্টাইন এবং তাঁর প্রাক্তন বান্ধবী ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে অন্যতম স্পষ্টবাদী অভিযোগকারী ছিলেন ভার্জিনিয়া। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, এপস্টাইন ও তাঁর বান্ধবী মিলে তাঁকে ১৭ বছর বয়সে ইয়র্কের ডিউক প্রিন্স অ্যান্ড্রুর কাছে পাচার করে দিয়েছিলেন। অবশ্য প্রিন্স অ্যান্ড্রু তা অস্বীকার করেন। ভার্জিনিয়া বলেছিলেন, ২০০০ সালে ব্রিটিশ সমাজসেবী ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। সেখান থেকেই এপস্টাইনের সঙ্গেও পরিচয় ঘটে। অভিযোগ, তারপর এপস্টাইন এবং তাঁর সহযোগীরা বছরের পর বছর ধরে যৌন নির্যাতন চালিয়েছিলেন ভার্জিনিয়ার উপর।

ভার্জিনিয়া গিফ্রে ইদানীং অস্ট্রেলিয়ায় উত্তর পার্থের শহরতলিতে তিন সন্তান এবং স্বামী রবার্টের সঙ্গে থাকতেন। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২২ বছরের বিবাহিত জীবনের পর এই দম্পতির পথ আলাদা হয়ে গেছিল।

এপস্টাইন ফাইলগুলিতে বিভিন্ন নথি, মূলত জেফ্রি এপস্টাইন সম্পর্কিত আদালতের কাগজপত্র আছে। এই নথিগুলি ভার্জিনিয়া গিফ্রের মামলা থেকেই নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিমানের তথ্য, বিভিন্ন সাক্ষীর সাক্ষ্য, যোগাযোগের তালিকা এবং এপস্টাইনের কার্যকলাপ সম্পর্কিত অন্যান্য প্রমাণ। এগুলিতে সামাজিক, পেশাগত বা এপস্টাইনের সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির নাম রয়েছে।

এই নথিগুলিতে নাম থাকলেই কি সকলে দোষী হয়ে গেলেন? অনেকেরই তো নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে এপস্টাইনের সঙ্গে হঠাৎ দেখাও হয়েছে। তাহলে ট্রাম্পের নাম থাকা নিয়ে কীসের এত বিতর্ক? জানা গেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এপস্টাইনের লোলিটা এক্সপ্রেসে সফর করেছিলেন। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত জেটটির নাম হচ্ছে 'লোলিটা এক্সপ্রেস'। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে ট্রাম্প সাতবার এই বিশেষ জেটে ভ্রমণ করেছিলেন বলে তথ্য আছে। মূলত পাম বিচ, ফ্লোরিডা এবং নিউ ইয়র্ক সিটির মধ্যে এই জেট চলাচল করেছে। এই সফরের মধ্যে কয়েকটিতে তাঁর তৎকালীন স্ত্রী মার্লা ম্যাপলস, তাঁদের কন্যা টিফানি এবং একজন আয়া ছিলেন এবং জেফ্রি এপস্টাইন নিজেও এই ভ্রমণগুলির কয়েকটিতে সঙ্গী ছিলেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ট্রাম্পের সরকার থেকে ছুটি! কেন সরে যাচ্ছেন এলন মাস্ক?

Elon Musk and Donald Trump: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন মাস্ক।

ট্রাম্প, মেলানিয়া, এপস্টাইন এবং তাঁর বান্ধবী ম্যাক্সওয়েল

এপস্টাইনের বিরুদ্ধে আরেক অভিযোগকারী জোহানা সজোবার্গ জানিয়েছিলেন, ২০০১ সালের একটি ঘটনার। সেবার এপস্টাইনের জেট আটলান্টিক সিটিতে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং এপস্টাইনকে ট্রাম্পের একটি ক্যাসিনোতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ইভানা ট্রাম্প এবং মিক জ্যাগারের মতো অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এপস্টাইনের যোগাযোগ তালিকায় ট্রাম্পের নামও পাওয়া যায়।

🤨

— Elon Musk (@elonmusk)

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ফ্লোরিডার ব্যবসায়ী জর্জ হুরানে, ট্রাম্প আর এপস্টাইন জুটির এক সাধারণ বন্ধু ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মার-এ-লাগোতে অনুষ্ঠিত 'ক্যালেন্ডার গার্ল' প্রতিযোগিতার আগে "ছোট মেয়েদের পিছনে লাগা" সম্পর্কে ট্রাম্প এবং এপস্টাইনকে সতর্ক করেছিলেন তিনি।

২০০৪ সালে ফ্লোরিডা রিয়েল এস্টেটের প্রতিযোগিতা নিয়ে ট্রাম্প এবং এপস্টাইনের মধ্যে চূড়ান্ত বিরোধ দেখা দেয়। ট্রাম্প পরে বলেছিলেন যে, ক্লাবে কর্মরত একজন মহিলাকে নিয়োগের চেষ্টা করার জন্য এপস্টাইনকে মার-এ-লাগো থেকে নিষিদ্ধ করেছিলেন ট্রাম্প।

২০০২ সালের এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এপস্টাইনকে 'দুর্দান্ত' ব্যক্তিত্ব বলে অভিহিত করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের এক প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, সেই সময়, অর্থাৎ ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, "তাঁর (এপস্টাইন) সঙ্গে থাকতে বেশ মজা লাগে। বলা হয় যে, আমার মতো তিনিও সুন্দরী মহিলাদের পছন্দ করেন, এবং তাদের অনেকেই কমবয়সি।" তবে এপস্টাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই ট্রাম্প নিজেকে তাঁর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং টেসলার সিইও এলন মাস্ক, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাতে হাত ধরে কাজ করেছেন। মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারে গলা ফাটিয়েছেন, আগল্ভাঙা টাকাও ঢেলেছেন। ট্রাম্পও নিজের নয়া রাজনৈতিক মিত্রকে যথেচ্ছ সুবিধা, পদ ইত্যাদি পাইয়ে দিয়েছেন। তবে কয়েক মাস গড়াতে না গড়াতেই সরকারের নতুন কর বিল নিয়ে মতবিরোধে জড়িয়ে যান এলন মাস্ক। মাস্ক নয়া আইনের তীব্র সমালোচনা করেছেন, বলেন এই আইন "একটি জঘন্যতম কাজ"। ব্যাস, জবাবে ট্রাম্পও মাস্কের প্রতি নিজের হতাশা প্রকাশ করেছেন, আর মাস্কের ডানাও ছেঁটে দিয়েছেন।

মাস্ক জানেন, গত নির্বাচনে ট্রাম্পের জয় মাস্কের সমর্থন ছাড়া সম্ভবই হতো না। বিশ্ব রাজনীতিও জানত, দুই অমিত শক্তিধর ব্যক্তি একত্রে কাজ করতে পারে না, সংঘাত আবশ্যিক! মাস্ক তাই বদলা হিসেবেই খানিক এই বোমাটি ফাটিয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সবে তিনি বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন। মাস্ক যে রূপ খামখেয়ালি, যে রূপ প্রতিহিংসাপরায়ণ, তাতে তিনি যদি এই বিতর্ক নিয়ে আরও এগোন তাতে ট্রাম্পের আসন উল্টে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকছে।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

২৩ দিনের অনশন থেকে জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন, রাজপথই নেহা বোরার হয়ে ওঠার সাক্ষী

Neha Bora: ২৩ দিন ধরে অনশন করে যেমন তিনি সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছিলেন, তেমনই সম্প্রতি দিল্লির রাজপথে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।