হু হু করে বাড়ছে কৃষক আত্মহত্যা! দেশজুড়ে অন্নদাতাদের দুর্দশার দায় কার

Farmer's Suicide: নানান সমস্যায় জর্জরিত কৃষকরা বেঁচে থাকার কোনও বিকল্প উপায় না খুঁজে পেয়ে দলে দলে আত্মঘাতী হচ্ছেন।

Arnab Dutta
৪ মিনিট
হু হু করে বাড়ছে কৃষক আত্মহত্যা! দেশজুড়ে অন্নদাতাদের দুর্দশার দায় কার

এদেশের কোটি কোটি মানুষের পাতে যে মানুষগুলো খাদ্য জোগায় বিপন্ন তাঁরা। স্বাধীনতার ৭৫ বছরে সমগ্র দেশবাসীর কাছে বিষয়টা চরম লজ্জার।

নানান সমস্যায় জর্জরিত কৃষকরা বেঁচে থাকার কোনও বিকল্প উপায় না খুঁজে পেয়ে দলে দলে আত্মঘাতী হচ্ছেন। এদিকে কৃষকদের আত্মহত্যা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য সরকার চেপে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গের কথাই ধরা যাক। গত কয়েক বছর ধরে 'মা-মাটি-মানুষ'-এর সরকার বিধানসভাতে দাবি করে আসছে, বাংলায় কৃষকরা ভালো আছেন। বাংলায় একজন কৃষকও আত্মঘাতী হননি। এই তথ্য যে অসত্য তাও প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি তথ্য জানার অধিকার আইনে উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বাংলার কৃষকদের আত্মহত্যা সম্পর্কে। দেখা যাচ্ছে, ২০২১ সালে কেবলমাত্র পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেই আত্মঘাতী হয়েছেন ১২২ জন কৃষক। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত ২৩টি থানার বাসিন্দা আত্মঘাতী এই কৃষকরা।

এ-প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, শুধুমাত্র কৃষকরাই নিজের হাতে নিজের জীবন খতম করছেন না, গোটা বাংলায় আত্মঘাতী নাগরিকের যে খতিয়ান পেশ করেছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো তাতে উল্লেখ রয়েছে, ২০২১ সালে সারা বাংলায় আত্মঘাতী হয়েছেন ১৩ হাজার ৫০০জন নাগরিক। সেহিসেবে আত্মহত্যায় সারা দেশের নিরিখে বাংলা এখন চতুর্থ স্থানাধিকারী।সমাজকর্মীদের বক্তব্য, কেবল পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘাটালেই গত বছরে ৬৩জন কৃষক আত্মঘাতী হয়েছেন। এ-ব্যাপারে রাজ্য সরকারের কাছে কোনও তথ্য নেই। বলা বাহুল্য, এ-ব্যাপারটা অস্বাভাবিক। চলতি বছরেও পশ্চিম মেদিনীপুরে কৃষকদের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনা অব্যাহত। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত এই জেলাতে আত্মঘাতী হয়েছেন ৩৪জন কৃষক। এর পরের মাসগুলিতে কৃষক আত্মহত্যা সম্পর্কিত পরিসংখ্যান জানা যায়নি এখনও।

ভারতের অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় মহারাষ্ট্রে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকারই একথা জানিয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য সরকার কৃষক আত্মহত্যা সংক্রান্ত যে পরিসংখ্যান পেশ করেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরে মহারাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই ৬০০ জন কৃষক আত্মঘাতী হয়েছেন। যদিও সমাজকর্মীদের অভিযোগ, সরকার আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যা অনেকটাই কমিয়ে দেখাচ্ছে। গত বছরও পরিস্থিতি মোটেও সুবিধার ছিল না। সরকার জানিয়েছে, গত বছর মহারাষ্ট্রের আট জেলাতে ৮০৫ কৃষক আত্মঘাতী হয়েছেন। এঁদের ভেতর সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষকই ঋণ পরিশোধ না পেরে দিশাহারা হয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইউনিসেফের বিস্ফোরক রিপোর্ট! কয়েক বছরেই তাপপ্রবাহের বলি হবে শিশুরা

Heatwave and Child Health: ২০৫০ সালের মধ্যে যদি বিশ্ব উষ্ণায়নের সূচককে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে না আনা যায় তাহলে আফ্রিকা এবং এশিয়ার প্রায় অর্ধেকের বেশি শিশু চরম তাপপ্রবাহের এক্সপোজারের সম্মুখীন হবে।

এছাড়া আরেকটি কারণ রয়েছে শত শত কৃষক আত্মহত্যার নেপথ্যে। সেটা আন্তর্জাতিক সমস্যাও। জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তনের জের পড়েছে ফসলের উৎপন্ন করার ওপর। তাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিকাজ। চাষআবাদ করে যে মানুষগুলির জীবন চলে ব্যাপক ক্ষতির ধাক্কাটা সামলাতে পারেননি ওঁরা। প্রশাসনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা জোটেনি। ফলে জীবনটা খতম করে দেওয়াটাই সমীচীন হিসেবে মনে করেছেন বিপন্ন ওই কৃষকদের একাংশ।

জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ফলে অতিবৃষ্টি হওয়ায় মহারাষ্ট্রের ২৪টি জেলায় ৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাট, সয়াবিন থেকে কলা কিংবা সব্জি চাষে্ ক্ষতির পরিমাণ আকাশচুম্বী। 'ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো'-র সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরে সারা দেশে ৫,৫৬৩ জন দরিদ্র কৃষক কিংবা কৃষিশ্রমিক আত্মঘাতী হয়েছেন। এছাড়া ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রে শত শত কৃষক আত্মঘাতী হন। ২০২০ সালে আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যার চেয়ে ২০২১ সালে আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যা ৯ শতাংশ বেশি।

সারা দেশে মোট যতসংখ্যক কৃষক আত্মঘাতী হয়েছেন সেই তালিকার শীর্ষে মহারাষ্ট্র। এরপরই স্থান কর্নাটকের। কোনও কোনও ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারগুলি নামমাত্র ক্ষতিপূরণ আত্মঘাতী কৃষকদের হাতে ধরিয়ে দিয়েই খালাস। আত্মঘাতী কৃষকদের পাশে থাকতে দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলির হাতে যে পরিমাণ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ তুলে দেওয়া হচ্ছে, মেরেকেটে অল্প কিছুদিন সংসার চলবে ওতে। তারপর কী হবে তা হয়তো শুধুমাত্র ঈশ্বরই জানেন। মহারাষ্ট্র ২০২১ সালে ১,৮৭৫ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। সবচেয়ে বেশি কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে অমরাবতীতে। দ্বিতীয় স্থানাধিকারী কর্নাটকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৯৯৯ জন কৃষক। এছাড়া দক্ষিণ ভারতের আরেকটি রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ তৃতীয় স্থানাধিকারী। অন্ধ্রপ্রদেশে ২০২১ সালে আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যা ৫৮৪ জন।

কৃষক আত্মহত্যার ক্ষতিপূরণ বাবদ মহারাষ্ট্র সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে মোটে এক লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছে। এদিকে দেশজুড়ে যেভাবে গ্যাস সিলিন্ডারের দামের পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যেভাবে হু-হু করে বাড়ছে, তাতে এক লক্ষ টাকাটা কোনও টাকাই না। ওই টাকায় কয়েক মাস জোড়াতালি দিয়ে সংসারটা চলতে পারে। তারপর যে কে সেই। সইতে হবে সেই চরম দারিদ্ৰ।

বাংলা-সহ দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে এখন আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যা ২০২২ সালে ঠিক কত দাঁডিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার এখনও সেসম্পর্কে কোনও পরিসংখ্যান পেশ করেনি। সমাজকর্মীরা মনে করছেন, আশাব্যঞ্জক কোনও তথ্য মিলবে না। কারণ দেশজুড়ে দারিদ্ৰসীমার নীচে তলিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা গত দু'বছরে অনেকটা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে আত্মঘাতী কৃষকদের একাংশের পরিবার সরকারি নিয়মকানুনের ফাঁসে পড়ে ক্ষতিপূরণ বাবদ নগদ কোনও টাকাও যে পাচ্ছেন না এমন ঘটনাও শত শত।

দলে দলে কৃষক আত্মহত্যার কারণ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষিনীতি খাদের কিনারে টেনে নিয়ে যাচ্ছে গোটা কৃষক সমাজকে। চলতি বছরে কেন্দ্রীয় সরকারই সংসদে যে তথ্য পেশ করেছে তাতেও বলা হয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়সীমায় দেশের নাগরিক ১৭ হাজারের বেশি কৃষক আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এরপরও সেই ট্র্যাডিশন অব্যাহত রয়েছে।

কৃষিপ্রধান দেশ ভারতের কৃষিজীবীদের ভবিষ্যতের ভালোমন্দ নিয়ে এখনই ভাবা দরকার বলে মনে করেন সমাজকর্মীরা। ভারতের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ মানুষের কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২০১৯ সালের মধ্যে কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ করে দেবেন। বাস্তব পরিস্থিতির বিচারে সেও কথার কথায় পর্যবসিত হয়েছে। তাই বলাই যেতে পারে, 'কেউ কথা রাখেনি, কেউ কথা রাখে না'। অথচ পেরিয়ে গিয়েছে দেশের স্বাধীনতার পরের ৭৫ বছর।

লিখেছেন
Arnab Dutta
Arnab Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।