শান্তিনিকেতন থেকে তিহারের জেল! ইন্দিরা এবং গায়ত্রী দেবীর সম্পর্ক ছিল সাপে-নেউলে

Gayatri Devi’s relationship with Indira Gandhi: এর ফলেই একসময় স্বাধীন পার্টি থেকে ১৯৬২ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া গায়ত্রী দেবী রাজনীতির ময়দান থেকে চিরকালের মতো সরে দাঁড়ান।

SOHAM BHATTACHARYA
৪ মিনিট
শান্তিনিকেতন থেকে তিহারের জেল! ইন্দিরা এবং গায়ত্রী দেবীর সম্পর্ক ছিল সাপে-নেউলে

সাপে-নেউলের সম্পর্ক বলতে গোটা পৃথিবী মোটামুটি যে সম্পর্কের ঊষ্ণতাকে বোঝে, খানিকটা সেরকম সম্পর্কই হয়তো ছিল আমাদের প্রাক-স্বাধীন ও স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে ভারতবর্ষের দুই খ্যাতিমান নারীর মধ্যে। টাইটেল দেখে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে, এ দু-জন আর কেউ নন— ভারতের প্রাক্তন ও একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং জয়পুরের রাজমাতা তথা কোচবিহারের রাজকুমারী গায়ত্রী দেবী।

যদিও তাঁদের দু-জনের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কেমন ছিল, তা নিয়ে তাঁরা কখনোই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। এমনকি গায়ত্রী দেবীও তাঁর আত্মজীবনী 'A Princess Remembers' গ্রন্থে ইন্দিরা গান্ধী সম্পর্কে কেবলই উল্লেখ করেছেন—ইন্দিরার কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নতুন স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশকে প্রশ্নের মুখোমুখি করেছে এবং বেকায়দায় ফেলেছে ভারতীয় সংবিধানের ‘সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক’ চেতনাকে। এসব সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন গায়ত্রী। তবে এর বাইরে গিয়ে পরস্পর সম্পর্কে বিশেষ কোনো মন্তব্য নেই।

তবুও, ভারতে ইন্দিরা ও গায়ত্রীর দ্বন্দ্ব বহুলচর্চিত একটি বিষয়। যার চূড়ান্ত পরিণতি সম্ভবত হয়েছিল কোচবিহার রাজদুহিতা তথা জয়পুরের রাজমহিমায় মোড়া রানীর প্রায় সাত মাসের তিহার জেলবাসে, ১৯৭৫ সালের এমার্জেন্সি পরিস্থিতিতে। ওই বছরের ১৩ জুলাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ইন্দিরা সরকারের অভিযোগ ছিল মূলত আয়কর আইন ভঙ্গ ও সরকারের তীব্র বিরোধিতা। এর ফলেই একসময় স্বাধীন পার্টি থেকে ১৯৬২ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া গায়ত্রী দেবী রাজনীতির ময়দান থেকে চিরকালের মতো সরে দাঁড়ান।তবে মহারানী গায়ত্রী দেবীর জীবন-গবেষক শান্তারাম রাও-সহ অনেকেই মনে করেন, গায়ত্রীর রাজনীতি ছাড়ার পেছনে তাঁর শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি দায়ী ছিল ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার সময়— এমার্জেন্সি।

এই দুই নারীর সম্পর্ক আলোচনা করতে গেলে প্রথমেই উঠে আসে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের কথা। বলা হয়ে থাকে, সেখানেই লুকিয়ে আছে তাঁদের বন্ধুত্ব বা বলা ভালো, শত্রুতার শুরুর কাহিনী। ১৮৬৩ সালে রবি ঠাকুরের বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের জমিদার ভুবন সিংহের কাছ থেকে দুটি ছাতিমগাছ-সহ ২০ একর জমি বার্ষিক ৫০,০০০ টাকায় ইজারায় কিনেছিলেন। পরবর্তীতে সেখানেই রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গায়ত্রী স্পিভাকদের নিয়ে আমরা কী করি?

গায়ত্রী স্পিভাকদের নিয়ে এই আমরাই নিরলস তর্ক করি। মুক্তির দাবি, আজাদির স্লোগানে অটুট-আস্থা নিজের উত্তেজিত যুবক-মনের সঙ্গে তর্ক করি। বলে বসি, স্লোগান যথেষ্ট নয়।

১৯৩৪ সালের জুলাই মাসে শান্তিনিকেতনে পড়তে আসেন ১৭ বছরের ইন্দিরা (রবীন্দ্রনাথ ডাকতেন প্রিয়দর্শিনী বলে)। জওহরলাল ও কমলা নেহেরুর একমাত্র কন্যা ইন্দিরা ভর্তি হলেন আই.এ. কোর্সে এবং থাকলেন তৎকালীন একমাত্র ছাত্রীনিবাস ‘শ্রীসদনে’। তাঁর সহপাঠীদের মধ্যে ছিলেন অশোকা সিংহ (প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের ছোট পিসিমা), জয়া আপ্পাস্বামী (স্বাধীনতা সংগ্রামী ও খ্রিষ্টান ধর্মতত্ত্ববিদ জেসুদায়েন আপ্পাস্বামীর বড় বোন), সোমা যোশী (প্রখ্যাত চিকিৎসক আনন্দীবাই যোশীর ননদ) প্রমুখ।

একই বছরই কোচবিহার রাজ্যের তিন রাজকন্যা—ইলা, গায়ত্রী ও মেনকা— এসে ভর্তি হন শান্তিনিকেতনে। তাঁদের ঠাকুমা মহারানী সুনীতি দেবী ছিলেন ব্রাহ্মসমাজ নেতা কেশবচন্দ্র সেনের কন্যা। তাঁদের পরিবারের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ও ঠাকুরবাড়ির সম্পর্ক ছিল নিবিড়। তিন বোন প্রথমে ইউরোপের লসান শহরে পড়াশোনা করলেও পরবর্তীতে দেশীয় সাহিত্য ও শিল্পকলা শিখতে শান্তিনিকেতনে আসেন। তাঁদের জন্যও শ্রীসদনেই ব্যবস্থা হয়— প্রাসাদের বিলাসিতা ছেড়ে, কয়েক বছরের জন্য তাঁদেরও কাটাতে হয়েছিল হোস্টেলের অনাড়ম্বর জীবন।

শ্রীসদনে আবাসিকদের মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে ঘুমোতে হত, শীতের দিনেও কুয়োর জল ব্যবহার করে স্নান করতে হত, সাধারণ টয়লেট ভাগাভাগি করতে হত এবং আশ্রম প্রাঙ্গণে চলাফেরা করতে হত খালি পায়ে। গায়ত্রী ছিলেন টমবয় ধরনের—সাইকেল চালিয়ে সারা আশ্রম চষে বেড়াতেন। মেনকা শিখতেন খোয়াইয়ের বাউলশিল্পীদের কাছে গান, আর ইলা ছবি আঁকা শিখতে শুরু করেন নন্দলাল বসুর কাছে। প্রথমদিকে সব ঠিক থাকলেও শিগগিরই গোলমাল বাধে। প্রথমে অনেকে একে কিশোরীবেলার ছেলেমানুষি ভেবেছিলেন। কিন্তু পরে পরিস্থিতি এমন হয় যে, শ্রীসদনের দায়িত্বে থাকা কবিগুরুর স্নেহভাজন রানুচন্দ নিজেই অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। রানুর কবিকে লেখা চিঠি এবং অশোকা সিংহের আত্মজীবনীতে উল্লেখ আছে— প্রথম সংঘাতের সূত্রপাত হয় শিবপুজা নিয়ে।

কোচবিহার রাজপরিবার গোড়া হিন্দু শৈব হলেও, মহারানী সুনীতি দেবী ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের কন্যা। ফলে রাজপরিবার ব্রাহ্মধর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে গায়ত্রীর মা মহারানী ইন্দিরা দেবী (বরোদার রাজকুমারী) শিবপুজা বাধ্যতামূলক করেন। প্রতিদিন সকালে তিন রাজকন্যাকে রুপোর থালায় পাথরের শিবলিঙ্গ পুজো করতে হত। রবীন্দ্রনাথ বিষয়টি জানতে পেরে তাঁদের মূর্তিপুজা বন্ধ করতে বলেন। প্রথমে তাঁরা তা মানলেও পরে আবার চালিয়ে যান। আর এই খবর কবিগুরুর কাছে পৌঁছে দেন ইন্দিরা। ফলে মহারানী ইন্দিরা দেবীকে পর্যন্ত ছুটে আসতে হয়েছিল শান্তিনিকেতনে। যদিও রবীন্দ্রনাথের ধৈর্য ও ঔদার্যের কারণে সমস্যা মিটে যায়, তবু সম্পর্কের তিক্ততা রয়ে যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিজেকে নস্যাৎ করতে শেখান গায়ত্রী

গায়ত্রীর এক বৃহত্তর দুনিয়ার নারীবাদ নিজেকেও বাদ রাখে না সমালোচনার পরিসর থেকে। লিঙ্গ বৈষম্যের সঙ্গে ঔপনিবেশিক শাসনকে জুড়ে দেখার কথা বারবার বলেছেন গায়ত্রী।

আরেকবার বড় গোল বাঁধে খাওয়ার নিয়ে। ইন্দিরা অভ্যস্ত ছিলেন ইউরোপীয় ধাঁচের প্রাতরাশে (বিব্রাউন ব্রেড, মাখন, টাটকা ফল)। কিন্তু শান্তিনিকেতনে মিলত ডাল-পুরি কিংবা চিঁড়ে-দই-কলা। ইন্দিরা বাবাকে চিঠিতে অভিযোগ করলে জওহরলাল তাঁকে বোঝান, আশ্রমিক অনাড়ম্বর জীবন ভবিষ্যতে তাঁকে কর্মনিষ্ঠ ও পরিশ্রমী করে তুলবে। তবু ইন্দিরা সর্বসমক্ষে খাবারের দৈন্যতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতেন, এমনকি কর্তৃপক্ষকে অপমান করতেন বলেও অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, তিন রাজকন্যা প্রায়ই অর্ধাহারে দিন কাটাতেন। স্থানীয় অভিভাবিকা বিমলা রায় কবিগুরুকে চিঠিতে উল্লেখ করেন, দৈনন্দিন খাবারের ঘাটতি ও অপচয়ের জন্য দায়ী ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের এক প্রভাবশালী নেতার কন্যা—পরোক্ষে ইঙ্গিত ছিল ইন্দিরার দিকেই।

তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতের কথা উঠে আসে মহারানী নিরুপমা দেবীর স্মৃতিচারণা থেকে। তিনি লেখেন, ১৯৩৪ সালের প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় গায়ত্রী ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে চমৎকার ফল করলে, ইন্দিরা ও তাঁর কিছু সহপাঠী খোলাখুলি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন গায়ত্রী। পরবর্তীতে সাংবাদিক খুশবন্ত সিং মন্তব্য করেন—

“ইন্দিরা গান্ধী সমসাময়িক নারীদের মধ্যে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে চাইতেন এবং প্রয়োজনে অত্যন্ত ঘৃণ্য পথও অবলম্বন করতেন।”

যদিও A Princess Remembers গ্রন্থে শান্তিনিকেতনের দিনগুলো গায়ত্রী দেবী বেশ সুখের স্মৃতিতেই বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বাস্তবে সেই সময় থেকেই তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।

ইন্দিরা পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই বাবার চিঠি অনুযায়ী অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য বিলেতে যান। বিদায়ের সময় রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন—

“It is with a heavy heart that we bid farewell to Indira. She has been such an asset to our organization.”

অন্যদিকে পড়াশোনা শেষে গায়ত্রীর বিয়ে হয় জয়পুরের রাজা সাওয়াই মান সিংহ (দ্বিতীয়)-এর সঙ্গে। ফলে দু-জনেই শান্তিনিকেতন থেকে দূরে চলে যান। কিন্তু ভাগ্য তাঁদের ফের মিলিয়েছিল রাজনীতির মঞ্চে। সেখানে তাঁরা মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে। একদিকে রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষে ইন্দিরা গান্ধী, অন্যদিকে বিরোধীদলের জনপ্রিয় সাংসদ গায়ত্রী দেবী। তখন তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে উষ্ণতা বা পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ ছিল না— ছিল কেবল রাজনৈতিক আদর্শের তীব্র সংঘাত।

একসময়কার শান্তিনিকেতনের এই দুই সহপাঠিনী নারী ভারতের ইতিহাসে রয়ে গেছেন একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই— শুরুর জায়গা একই হলেও, শেষের জায়গা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।