স্বাধীন সাংবাদিকদেরই গৌরী লঙ্কেশের আদর্শকে বাঁচাতে হবে

Gauri Lankesh : মুসলমানদের থেকেও তাদের কাছে এই মহিলা ভয়ানক, কারণ গৌরী একজন হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও এই হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে লড়েছেন।

Paranjoy Guha Thakurta
৪ মিনিট
স্বাধীন সাংবাদিকদেরই গৌরী লঙ্কেশের আদর্শকে বাঁচাতে হবে

এমন একজন মহিলার বিষয়ে আজ কথা বলব, তিনি যদি বেঁচে থাকতেন বয়স হতো ৬২। ওঁর জন্মদিন ২৯ জানুয়ারি, ১৯৬২। তবে বছর ছয়েক আগে, ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তাঁকে তাঁর নিজেরই বাড়ির সামনে একটি লোক মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে মেরে ফেলে। ওঁদের পৈতৃক বাড়ি ছিল সেটি, বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগরে। গৌরী লঙ্কেশ নেই, ছয় বছর হয়ে গেল! গৌরী শুধু তো একজন দাপুটে মহিলা, একজন অসাধারণ সাংবাদিকই ছিলেন না। নিজের নামে, গৌরী লঙ্কেশ পত্রিকে প্রকাশ করতেন কিন্তু কেবল 'সাংবাদিক' বললে কিছুই বলা হয় না গৌরী সম্পর্কে। গৌরী সমাজকর্মী ছিলেন। দক্ষিণপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন গৌরী, লড়েছিলেন কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে।

কিছু লোক অবশ্য শুধু এটাই মনে করেছিলেন যে, গৌরী একজন মহিলা এবং হিন্দু ঘরেরই সন্তান। গৌরীর বাবা পি লঙ্কেশ খুবই বিখ্যাত মানুষ। কন্নড় ভাষার অধ্যাপক ছিলেন তিনি, কবি ছিলেন, নাটক লিখতেন। পত্রিকা প্রকাশ করতেন, সিনেমা বানিয়েছেন। তাঁর কন্যা, তিনি আজীবন লড়েছেন এমন গোষ্ঠীর মানুষের বিরুদ্ধে যারা দাবি করে তারা নাকি হিন্দুধর্মকে রক্ষা করছে। মুসলমানদের থেকেও তাদের কাছে এই মহিলা ভয়ানক, কারণ গৌরী একজন হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও এই হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে লড়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নরম হিন্দুত্ব দিয়ে বিজেপিকে রোখা যাবে না : পরঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা

Congress Defeat in Assembly Election 2023 : কেন এমন শোচনীয় পরাজয় কংগ্রেসের? কী কী দুর্বলতা রয়ে গিয়েছে সংগঠনে? কী কী শিক্ষণীয় রাহুল গান্ধীর? কলমে বরিষ্ঠ সাংবাদিক পরঞ্জয় গুহঠাকুরতা।

২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কে হত্যা করল গৌরীকে? কর্ণাটক পুলিশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশ একসঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করেছিল। পুলিশ গৌরী লঙ্কেশ খুনের ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করে। এই ছয়জনের মধ্যে একজন ছিল পরশুরাম ওয়াগমারে। কর্ণাটক পুলিশের অভিযোগ, সে-ই হত্যা করেছিল মূল। বাকিরা এক পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। এই ছয়জন একটি সংস্থার লোক, শ্রী রাম সেনি। কর্ণাটকের উপকূলীয় অংশেই এই সংস্থাটি আছে। শুধু কর্ণাটক নয়, গোয়া, মহারাষ্ট্র, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশে শ্রী রাম সেনি আছে। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা সকলকে বোঝায়, যারা হিন্দুধর্মে বিশ্বাস করে তাঁদের বিরুদ্ধে কিছু মুসলমান আর কিছু চরম বামপন্থীরা কাজ করছে। তাঁদেরই একজন গৌরী লঙ্কেশ।

আগেও বলা হতো, তবে নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পরে বারেবারে একটা কথা উঠে এসেছে, হিন্দু খতরেঁ মে হ্যায়! ভারতবর্ষ ১৪০ কোটি মানুষের দেশ। শেষ জনগণনায়, মানে ২০১১ সালের পর তো জনগণনাই হয়নি, তাতে দেখা গেছে, এই দেশের ৮২ শতাংশ মানুষই হিন্দু। ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ মুসলমান। সংখ্যাগরিষ্ঠ যেখানে হিন্দু, সেই দেশে হিন্দুরাই খতরেঁ মে হ্যায়? গৌরীর হত্যার ওই একই বছরে কন্নড়ভাষী আরেকজন সাহিত্যিক এম এম কালবর্গিকেও হত্যা করা হয়। গৌরী হত্যার দু' বছর আগে মহারাষ্ট্রে গোবিন্দ পানসারেকেও হত্যা করা হয়, ২০১৫ সালে। আরও ২ বছর আগে মারাঠীভাষী নরেন্দ্র দাভোলকারকে হত্যা করা হয়। এই প্রত্যেকজনই নিজেদের বলতেন যুক্তিবাদী। অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে কাজ করছিলেন তাঁরা। এঁরা সবাই বামপন্থী দলের সঙ্গে সরাসরি না থাকলেও নিজেদের বামপন্থীই বলতেন। ২০১৩, ২০১৫ এবং ২০১৭- দুই বছরের ব্যবধানে এই তিনটি হত্যা ঘটে। অনেকেই মনে করেন, এই ৩ জনকে যারা হত্যা করে তারাই গৌরীকেও হত্যা করে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জরুরিতর অবস্থা

Paranjoy Guha Thakurata on NewsClick : এই কয়েক দিনের অভিজ্ঞতা আমাকে ১৯৭০ মনে করিয়ে দিচ্ছে, মনে করিয়ে দিচ্ছে দেশে জারি হওয়া জরুরি অবস্থার কথা।

আমি নিজে দেখেছি, হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠানো হচ্ছে, 'সব মুসলিম সন্ত্রাসবাদী নয়, তবে সব সন্ত্রাসবাদীই মুসলমান’। এটা অনেকেই বিশ্বাস করে। হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির থেকে যারা শিক্ষা পায়, তারা ঠিক এইটাই বিশ্বাস করে। মুসলমানের জন্যই হিন্দুরা খতরেঁ মে হ্যায়। গৌরী লঙ্কেশের কিন্তু পয়সার অভাব ছিল না কোনওদিনই। টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকায় দীর্ঘদিন কাজ করেছেন গৌরী। দীর্ঘদিন ইংরেজি ভাষায় সাংবাদিকতা করেছেন। বাবার মৃত্যুর পর গৌরী ভাবলেন, বাবা যে পত্রিকা করেছেন, সেটিকেই নতুন করে চালিয়ে নিয়ে যাবেন তাঁরা। পরিবারে বিপুল সমস্যা তৈরি হয়। গৌরীর ভাই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে চলে যান। বিজেপিতে যোগদান করেন। গৌরী তখন নিজের নামেই পত্রিকা শুরু করেন। জনপ্রিয় হয় গৌরী লঙ্কেশ পত্রিকে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মতো কাগজ তো বিজ্ঞাপন ছাড়া চলতেই পারে না। সাংবাদিকরা মাইনেই পাবেন না বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়ে গেলে। অথচ একটিও বিজ্ঞাপন নিতেন না গৌরী। অনুদান নিতেন। তাতেই চলত কাজ। প্রচণ্ড আদর্শবাদী মহিলা ছিলেন গৌরী। কিন্তু এইভাবে তো পত্রিকা চালানো মুশকিল। টাকা পেতেন না কিছুই। নিজেই শেষের দিকে লিখেছিলেন, "পারছি না চালাতে"। কাগজ কেনার টাকা, ছাপানোর টাকা, বিতরণের টাকা, যারা লিখছেন তাঁদের পারিশ্রমিক- কোনও টাকা নেই! তাও হাল ছাড়েননি। অথচ কন্নড় ভাষায় এমন পত্রিকা ছিল না আর।

গৌরীকে হত্যার পর বলা হলো, নকশালবাদী, চরম বামপন্থীদের সঙ্গে যোগ ছিল গৌরীর। তারাই গৌরীকে খুন করেছে। গৌরীর বিরুদ্ধেই উল্টে মানহানির মোকদ্দমা শুরু করে বিজেপির এক কার্যকর্তা। কোনও এক সোনার গয়না বিক্রেতাকে নাকি ভুল বুঝিয়ে ঠকিয়ে নেন গৌরী। যাদের জেল খাটতে হলো, যেমন পরশুরাম ওয়াগমারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ছিল, আমোল কালে বলে একজন সাজা পায়, এদের চরম মগজ ধোলাই করা হয়। কম বয়সি ছেলে, বছর ২৬ বয়স ছিল তখন। হিন্দুধর্মকে বাঁচাতে হবে বলে নাকি গৌরী লঙ্কেশকে খুনই করে ফেলে সে! সেই বিচার এখনও চলছে আদালতে।

শেষ করার আগে ব্যক্তিগত জায়গা থেকে কয়েকটা কথা বলতেই হয়। গৌরীকে খুব ভালো করে চিনতাম। অন্তত বার পাঁচেক দেখা হয়েছে আমাদের। ওঁর সঙ্গে আমি একটা সাক্ষাৎকার করেছিলাম। আমি তখন কর্ণাটকের বেল্লারি জেলা আর পাশের অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় লৌহ আকরিকের বেআইনি খনন নিয়ে তথ্যচিত্র বানিয়েছিলাম, ১৩ বছর আগে। তারপর গালি জনার্দন রেড্ডির বছর তিনেক জেল হয়, কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পাকেও জেলে যেতে হয়। তিনি পরে আবার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। বিষয়টা হচ্ছে, দক্ষিণ ভারতের একটা রাজ্যেই দক্ষিণপন্থী রাজনীতির, বিজেপির শক্তি আছে, কর্ণাটকে। অন্ধ্রে প্রায় নেই, কেরল, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানায় নেই। গৌরী এই রাজনীতির বিরুদ্ধেই লড়ার দাম দিয়েছেন।

এই ধরনের মহিলা, এই ধরনের আদর্শবাদী চেতনা, এই ধরনের সাংবাদিককে দেশ হারিয়েছে। ইংরেজি ভাষা ছেড়ে ছেড়ে মাতৃভাষা কন্নড়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন গৌরী। তাঁকে হত্যা করা হলো। এই সাংবাদিকতা, এই আদর্শকে ভারতের সমস্ত নাগরিকের শ্রদ্ধা জানানো উচিত। তাঁর আদর্শ যাতে বেঁচে থাকে সেই চেষ্টাই আমাদের করতে হবে। সম্প্রতি তিস্তা শীতলাবাদ একটা অনুষ্ঠান করেন বেঙ্গালুরুতে। সেখানে এই দেশে সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক কথা, বহু বিতর্ক হয়েছে। তবে একটা বিষয়ে আমরা সকলেই একমত হয়েছি। গৌরীর আদর্শ ভারতে প্রায় নিশ্চিহ্ন, সেই ঐতিহ্য আমাদেরই বাঁচাতে হবে, এই মুহূর্তে স্বাধীন সাংবাদিকদেরই এই দায়িত্ব নিতে হবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কুম্ভের রাস্তা চওড়া করতে ভাঙা পড়ল মসজিদ, উজ্জয়িনীর ঘটনায় উঠছে যে প্রশ্ন

Legal Battle of ujjain's Shahi masjid: ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলার প্রস্তুতিতে উজ্জয়িনীর শাহী মসজিদের তিন ফুট অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রশাসনের ২৭২টি ভবনের তালিকায় রয়েছে ৮০টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রাতভর আলোচনার পরও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। ছত্রি চকে ছোড়া হয় পাথর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ছুড়তে হয় কাঁদানে গ্যাস।

তিন বছরেও থামেনি, মণিপুরে ফের যেভাবে বাড়ছে সহিংসতা

Manipur Violence 2026: গত ২৬ সেপ্টেম্বর সেনাপতি জেলায় দুই নাগা নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। তার দু'দিন আগে কামজং জেলার পিলং এলাকায় পৃথক হামলায় চার জন টাংখুল নাগা নাগরিক নিহত হন। এই পরিস্থিতিতে নাগা সংগঠন ইউনাইটেড নাগা কাউন্সিল (ইউএনসি) চার মাস ধরে চলা জাতীয় সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করলেও রাজ্যে হিংসা থামার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই।

নাৎসি জার্মানি থেকে FTII–SRFTI: ফিল্ম স্কুল কেন ক্ষমতার চোখে এত গুরুত্বপূর্ণ?

History of Film school's against Fasicsm: ১৯৩৩ সালে নাৎসিরা ভাঙচুর করেছিল বার্লিনের ফিল্ম স্কুল টনফিল্মশুলে। ১৯৩৫ সালে মুসোলিনি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে এনেছিলেন ইতালির ফিল্ম স্কুল সিএসসি। ২০১৫ সালে ভারতে পুনের এফটিআইআইতে মোদী সরকারের নিয়োগ বিষয়ক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৩৯ দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। ২০২৬-এ কলকাতার এসআরএফটিআইতে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ইট-পাথরের হামলা সেই ইতিহাসকেই পুনরাবৃত্ত করল। হামলার পদ্ধতি বদলেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের উদ্দেশ্য আজও একই, স্বাধীন সাংস্কৃতিক চর্চাকে নিয়ন্ত্রণ করা। যদিও ইতিহাস বলে, ফিল্ম স্কুল কেবল একটি ভবন নয়, একটি ধারণা, একটি মতাদর্শিক বলয়।

জেলের ৭১৬ দিন: কী পড়তেন, কী ভাবতেন, কীভাবে লড়তেন ভগৎ সিং?

Bhagat Singh jail life: জেলখানায় ভগৎ সিংয়ের সবচেয়ে বড় সঙ্গী ছিল বই। দ্বারকাদাস লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান শাস্ত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জেলের ভিতর বই পাচার করতেন। এই ৭১৬ দিনে তিনি প্রায় ৩০০-র বেশি বই পড়েছেন ভগৎ সিংহ।

বাম বসন্ত ফিরবে বার্লিনে? শতাব্দীর সংগ্রাম শেষে আবার নতুন ভোর

Left-Wing Resurgence in Hitler’s Berlin: হিটলারের বার্লিনে ফিরছে বামপন্থা। তরুণরা সংক্রমিত। ইতিহাসের এই বিদ্রূপ আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে শতাব্দীপ্রাচীন দুঃস্বপ্নের নগরীতে।

চশমা যখন টেকসঙ্গী, কীভাবে কাজ করে এআই গ্লাস?

Meta AI Glasses: চশমা ব্যক্তিগত এআই সহকারী। চোখের ইশারা ও মৌখিক নির্দেশে কল, ছবি তোলা, ভিডিও রেকর্ডিং থেকে গুগল সার্চ—সবই যখন সম্ভব, তখন এই প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে? আর ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও এআই-নির্ভর এই চশমা আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কতটা সুরক্ষিত রাখবে?

টাকার বিনিময়ে বিজেপি-র প্রচার করেছেন সায়ক! আর আইনি জালে জড়ালেন অলিপাবের নিরীহ কর্মী

Sayak Chakraborty Olypub controversy: নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, পাঁচটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনে বিজেপির কেন্দ্রীয় দফতরের মোট খরচ ছিল ৫২৯.৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই খরচ হয়েছে প্রায় ২৮৬ কোটি টাকা। সেই প্রচারের একটি অংশ ছিল সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল কনটেন্ট।

SRFTI: কীভাবে অনুষ্ঠান থেকে পরিস্থিতি গড়াল সংঘর্ষে?

SRFTI Clash: SRFTI-তে ডানপন্থী সংগঠনের অনুষ্ঠান ঘিরে কেন আপত্তি জানালেন পড়ুয়ারা? বক্তৃতায় কী বলা হয়েছিল, যা নিয়ে তৈরি হয় উত্তেজনা? কীভাবে অনুষ্ঠান থেকে পরিস্থিতি গড়াল সংঘর্ষে? পড়ুয়া ও আয়োজকদের পাল্টা অভিযোগের মধ্যে আসল ঘটনা কী?