অর্ধেক মাওনেতা নিকেশ! বাস্তারের মাওবাদী আন্দোলন শেষের মুখে?

Bastar Maoist: বাস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পি বলছেন, "আমরা সিপিআই-এর (মাওবাদী) শীর্ষ নেতৃত্বের ৫০ শতাংশেরও বেশি জনকে নিকেশ করেছি। আমরা আরও ১৫ জন শীর্ষ নেতার উপর নজর রাখছি।

inscript
৪ মিনিট
অর্ধেক মাওনেতা নিকেশ! বাস্তারের মাওবাদী আন্দোলন শেষের মুখে?

ছত্তিশগড়ের জঙ্গল কি তবে মাওবাদী মুক্ত হওয়ার পথে? বিজেপি সরকার যে মাওবাদী নিকেশের পথে হেঁটেছে, তা বাস্তব হয়ে যাচ্ছে এবার? এই প্রশ্নগুলি বেশি করে ভাবাচ্ছে, গত ২১ মে আবুঝামাদের জঙ্গলের গভীরে মাওবাদী সুপ্রিমো বাসভরাজুর মৃত্যুর পর। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের দীর্ঘদিনের লড়াই, দীর্ঘদিনই জল-জঙ্গল-জমি বাঁচানোর লড়াইকে সামনে রেখে এই গহিন জঙ্গলকে রাষ্ট্রের মধ্যেই মুক্তাঞ্চল করে রাখা হয়েছে। তবে সেই যুদ্ধে কি ইতি পড়তে চলেছে এবার? রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবাহিনী মনে করছে, কেবল একজন 'মোস্ট-ওয়ান্টেড বিদ্রোহীর' যাত্রার সমাপ্তি ঘটেনি বাসভরাজুর মৃত্যুতে। দেশে বহু দশক ধরে চলা মাওবাদী বিদ্রোহের 'অন্তিম অধ্যায়' রচিত হয়ে গেছে।

বাস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পি বলেছেন, "এটি কেবলমাত্র একটা এনকাউন্টার ছিল না। বছরের পর বছর ধরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, স্থল অভিযান এবং একাধিক সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল এটি। বাসভরাজুর পতন প্রতীকী। এটি আসলে মাওবাদী আন্দোলনের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব কীভাবে ভেঙে পড়ছে তারই প্রতিফলনমাত্র।" শাসক বিজেপি সরকার বলেছিল, ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতের মাটি থেকে মাওবাদ নির্মূল হয়ে যাবে। তবে সেই সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও জঙ্গল কিন্তু এখনও শান্ত হয়নি। এখনও বাস্তারের জঙ্গলে বিপজ্জনক ডেরা আছে বলেই আশঙ্কা। তবে, সরকারের দাবি, ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদীদের যে তালিকা রয়েছে, তার মধ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহের নেতৃত্বে থাকা সবচেয়ে বিপজ্জনক নেতাদের অনেকেই নিহত। কেউ কেউ জেলে বন্দি। কিন্তু কেউ কেউ এখনও লুকিয়ে আছেন, এখনও বন্দুক ছাড়েননি তাঁরা।

সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশও করেছে কেন্দ্র। তাতে এমন নামও আছে যা আগে কখনও প্রকাশ করা হয়নি। যাদের ছায়া এখনও বাস্তার এবং বাস্তারের অরণ্যের বাইরেও নিরাপত্তারক্ষীদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে, সেই মাও নেতাদের নাম প্রকাশ করেছে রাষ্ট্র।

১. মোপাল্লা লক্ষ্মণ রাও ওরফে গণপতি

মাওবাদী আন্দোলনের অন্যতম স্তম্ভ। গণপতি এখনও আত্মগোপন করে থাকা সবচেয়ে সিনিয়র বিদ্রোহীদের একজন।

২. মল্লোজুলা ভেনুগোপাল ওরফে ভূপতি

কৌশলী এবং শক্তিশালী। মনে করা হয়। ভূপতি বিক্ষিপ্ত ক্যাডারদের পুনর্গঠন করতে সক্ষম কয়েকজন নেতার মধ্যে অন্যতম।

৩. থিপ্পারি তিরুপতি ওরফে দেবজি / সঞ্জীব / রমেশ

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাওবাদী দমনের একমাত্র পথ কি এনকাউন্টার?

Maoist encounter: অতীতে বাস্তারে একাধিক এনকাউন্টার ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। গত ২৫ বছরে বাস্তারে যে হাজার হাজার এনকাউন্টার হয়েছে, তার মধ্যে মাত্র দু'টি বিচার বিভাগীয় তদন্তের মুখোমুখি হয়েছে।

সবচেয়ে মারাত্মক আক্রমণগুলির নেপথ্যে এই নেতা রয়েছেন বলে অভিযোগ। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এখন দেবজিকে ধরা।

৪. মিশির বেসরা ওরফে ভাস্কর

তিনি মূলত যোগাযোগ এবং প্রচারের দিকটি দেখেন।

৫. কাদ্রি সত্য নারায়ণ রেড্ডি ওরফে কোসা

তিনি দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ কৌশলবিদদের একজন। বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করছেন কোসা।

৬. পুল্লারি প্রসাদ রাও ওরফে চন্দনা

৭. মডেম বালকৃষ্ণ ওরফে বালান্না

৮. গণেশ উইকে ওরফে রাজেশ তিওয়ারি

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিপ্লবী ছাত্র থেকে সশস্ত্র মাওবাদী কমান্ডো! কেন কেশব রাওয়ের মৃত্যু মাওবাদীদের জন্যে বড় ধাক্কা?

Basavaraju: দান্তেওয়াড়া-নারায়ণপুর- বিজাপুরের সীমানায় কেশব রাওয়ের আসার খবর ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। ভোররাত থেকে শুরু হয়েছিল এই অভিযান।

৯. অনল দা ওরফে তুফান/পতিরাম মাঞ্জি

১০. গজরালা রবি ওরফে উদয়

১১. সব্যসাচী গোস্বামী ওরফে অজয় দা

১২. রাজচন্দ্র রেড্ডি ওরফে কাত্তা রামচন্দ্র

১৩. সুজাতা ওরফে কল্পনা

১৪. ঠেন্টু লক্ষ্মী ওরফে নরসিংহ চালাম

১৫. মাদভি হিদমা ওরফে হিদমান্না

২০২১ সালের সুকমা হামলা সহ একাধিক মারাত্মক অতর্কিত হামলায় অভিযুক্ত হিদমান্না সম্ভবত বাস্তারে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মাওবাদী নেতা।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, বাস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পি বলছেন, "আমরা সিপিআই-এর (মাওবাদী) শীর্ষ নেতৃত্বের ৫০ শতাংশেরও বেশি জনকে নিকেশ করেছি। আমরা আরও ১৫ জন শীর্ষ নেতার উপর নজর রাখছি। তাদের অনেকেই বৃদ্ধ, ক্লান্ত এবং কেউ কেউ আত্মসমর্পণের কথা ভাবছেন... তাদের প্রতি আমাদের স্পষ্ট আবেদন — মূলধারায় ফিরে আসুন। এই যুদ্ধ মৃত্যু দিয়ে শেষ নাও হতে পারে।"

সত্যিই কি মাওবাদী আন্দোলন পতনের মুখে?

গত তিন বছরে, সিপিআই-এর (মাওবাদী) শীর্ষ নেতৃত্বের উপর ধারাবাহিক হামলা হয়েছে। পুলিশের দাবি, মাওবাদী কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ৫০ শতাংশেরও বেশি নেতা হয় নিহত হয়েছেন অথবা বন্দি হয়েছেন। গত ১৭ মাসে, ছত্তিশগড় এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে মাওবাদী বিরোধী অভিযানে ৪০০ জনেরও বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছেন। কিন্তু মাওবাদীদের মাথাদের নিকেশ করা এক বড় আঘাত এই মাও-বিদ্রোহের উপর।

বাস্তারে মাওবাদী বিরোধী অভিযানের নেতৃত্বে থাকা সুন্দররাজ পি ওই প্রতিবেদনে আরও বলেছেন যে, "সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, মহারাষ্ট্রের গডচিরোলিতে সিপিআই (মাওবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক তেলতুম্বদেকে হত্যা করা হয়েছিল। ছত্তিশগড়ের গড়িয়াবন্দে, আমরা চালাপথীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। ২১ মে, আবুঝামাদে একটি ঐতিহাসিক অভিযান চালানো হয়েছিল, যেখানে আমরা শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার বাসভরাজুকে হত্যা করেছি। ঝাড়খণ্ডে, পলিটব্যুরো সদস্য প্রশান্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী শীলা, যিনি নিজেও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, তিনিও কিছুক্ষণ পরেই ধরা পড়েন। কেন্দ্রীয় কমিটির চারজন সদস্য - রামান্না, রামকৃষ্ণ, হরিভূষণ এবং সুদর্শন - দক্ষিণ বাস্তারে বিভিন্ন সময়ে মারা যান এবং ঝাড়খণ্ডে, আমরা অরবিন্দজির মৃতদেহ উদ্ধার করেছি, যিনি অসুস্থতার কারণে মারা গিয়েছিলেন।"

যাদের নাম সুন্দররাজ পি করেছেন, তাঁরা সকলেই একসময় সিপিআই (মাওবাদী) নেতৃত্বের মূল কাণ্ডারী ছিলেন। মাওবাদী অভিযানের ইতিহাসে প্রথমবার, নিরাপত্তা বাহিনী শীর্ষ ১০ মাওবাদী নেতার মধ্যে ৮ জনকে নিকেশ করেছে। আর বাকি দু'জন জীবিত অবস্থায় ধরা পড়েছেন। তবে যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। ১৫ জনেরও বেশি উচ্চপদস্থ মাওবাদী নেতা এখনও পলাতক। তাঁরা বনে লুকিয়ে আছেন

এবং যেকোনও মুহূর্তে বেরিয়ে আসতে পারেন, হামলা চালাতে পারেন, এই গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। কারণ মাওবাদীদের রণকৌশল সর্বদাই গোপন, স্থানীয় সমর্থনের উপর নির্ভরশীল।

আবুঝমাদের ভেতরে যেখানে মাওবাদী নেতা বাসভরাজুকে হত্যা করা হয়, সেই জায়গাটি আবুঝমাদের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম গুন্ডে কোট — ভারতের সবচেয়ে দুর্ভেদ্য এবং মানচিত্রহীন বনাঞ্চলগুলির মধ্যে একটি। এই অঞ্চলে, রাষ্ট্রের উপস্থিতি ন্যূনতম। রাস্তা, স্কুল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মতো মৌলিক পরিকাঠামো এখনও অনুপস্থিত। এই গ্রামের এক তরুণী একবার জানিয়েছিলেন, "দুই বছর আগে, মাওবাদীরা আমাদের বাড়িতে এসেছিল। তারা দেখেছিল আমাদের ছয়টি সন্তান আছে। তারা আমার বাবা-মাকে বলেছিল, 'আমাদের একজনকে দাও।' ওরা আমার বড় বোন মাদকোকে নিয়ে গেছে। ওরা বলেছিল, বাচ্চা না দিলে পুরো গ্রামকে ওরা শাস্তি দেবে।" এই ধরনের গল্প বাস্তার জুড়ে খুবই সাধারণ। উল্টোদিকে সরকার সমস্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উন্নয়নের প্রচারকে হাতিয়ার করে গ্রামে গ্রামে প্রবেশ করছে। ছত্তিশগড় সরকার মাওবাদীদের প্রভাবে থাকা অঞ্চলগুলিতে উন্নয়ন আনার প্রচেষ্টাও করছে। অর্থাৎ মাওবাদীদের থেকে গ্রামবাসীদের দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সচেতনতা এবং উন্নয়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে কি স্থানীয় যুবক-যুবতীদের মাওবাদী হয়ে যাওয়া সরকার আটকাতে পারবে? মাঠেঘাটে কাজ করে যাওয়া কর্মীরা বলছেন— এমন ধাক্কার পর কিছুকাল নীরব থাকা, দল পুনর্গঠন করা এবং শক্তি বাড়িয়ে আবার ফিরে আসার ইতিহাস মাওবাদীদের আছে। আপাতত তাই, বাস্তারের জঙ্গলে নজরদারি চলছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।