বীভৎসতাকে এভাবেও আঁকা যায়! কেন আজও যুদ্ধবিরোধী সেরা শিল্প পিকাসোর 'গুয়ের্নিকা'

Guernica by Picasso:

Souvik Mukherjee
৪ মিনিট
বীভৎসতাকে এভাবেও আঁকা যায়! কেন আজও যুদ্ধবিরোধী সেরা শিল্প পিকাসোর 'গুয়ের্নিকা'

কেউ কলম ধরেছেন, কেউ প্ল্যাকার্ড, কেউ তুলি ধরেছেন তো কেউ আবার গলা ছেড়ে হাঁক দিয়েছেন জোটবদ্ধতার। যুদ্ধের বিরুদ্ধে শিল্প চিরকাল ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে এমনই মান্যতা পেয়ে এসেছে এক শিল্পকর্ম। গুয়ের্নিকা, বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধবিরোধী ছবি হিসেবে গণ্য করা একে। চিত্রকর পাবলো পিকাসোর আঁকা নীল, কালো, সাদা, ৩.৫ মিটার (১১ ফুট) লম্বা এবং ৭.৮ মিটার (২৫.৬ ফুট) চওড়া একটি ম্যুরাল ক্যানভাস। ক্যানভাসের ছত্রে ছত্রে ফুটে ওঠে স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় গুয়ের্নিকা শহরের উপর নিক্ষিপ্ত বোমার আঘাতে ছিন্নবিচ্ছিন্ন নাৎসি বর্বরতার ভয়াবহতা। ছবিটি পরবর্তীতে শান্তি আন্দোলন ও যুদ্ধবিরোধী প্রতীক হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি পায়।

গুয়ের্নিকা মূলত স্পেনের একটি শহর। স্পেনে গৃহযুদ্ধের সময় হিটলারের নির্দেশে জার্মানি স্প্যানিশ জাতীয়তাবাদীদের পক্ষ নেয়। জেনারেল ফ্র্যাঙ্কোর জাতীয়তাবাদী, ফ্যাসিবাদ বাহিনীর যুদ্ধ বিমান ১৯৩৭ সালের ২৬ এপ্রিল বিকেলে রিপাবলিকান শক্ত ঘাঁটি গুয়ের্নিকা শহর আক্রমণ করে। মৃত্যু হয় প্রচুর নারী, শিশুর, ধ্বংস হয় শহরের বহু অংশ। পিকাসোর জন্ম স্পেনে হলেও তিনি দীর্ঘ বছর ফ্রান্সে কাটিয়েছেন। তবু জনমভিটের উপর এই ভয়াবহ আক্রমণ, বিশেষ করে শয়ে শয়ে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন নারী-শিশু মৃতদেহ দেখে ক্ষোভে, প্রতিবাদে পাবলো পিকাসো যুদ্ধবিরোধী বিশ্ববিখ্যাত গুয়ের্নিকা ছবিটি আঁকেন। ১৯৪০ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের প্যারিস দখলের পর একবার এক নাৎসি অফিসার স্টুডিওতে পিকাসোর এই ছবিটি দেখে জিজ্ঞাসা করেন “এটি কি আপনার কাজ?” উত্তরে সেদিন পিকাসো বলেছিলেন “না, এটি আপনাদের কাজ।”

১৯৩৭, ২৬ এপ্রিল, বোমাবর্ষণের পর গুয়ের্নিকা শহর

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোরবি থেকে বিলকিস, দাগ কাটছে না কিছুই! আবারও গুজরাতের রং হবে গেরুয়া?

Gujarat Election: লাগাতার ষষ্ঠবারের জন্য গুজরাতে বিজেপি-র ক্ষমতায় আসা কেউ আটকাতে পারবে না বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় ১৯৩৭ সালে ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে স্পেনের পক্ষ থেকে একটি ম্যুরাল তৈরির দায়িত্ব পান পিকাসো। সেইমতোই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ২৬ এপ্রিল গুয়ের্নিকায় ঘটা ভয়াবহ বোমারু বিমান হামলা তাঁকে মারাত্মকভাবে আহত করে। প্যারিস প্রদর্শনীতে তিনি যে ম্যুরাল আঁকার কথা ভেবেছিলেন তা বাদ দেন। সেই জায়গায় জন্ম নেয় বিশ্বখ্যাত যুদ্ধ বিরোধী ছবি ‘গুয়ের্নিকা’। ছবিটি তৈরির সময় একজন ফটোগ্রাফারকে তিনি প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করার অনুমতি দিয়েছিলেন। ছবিটিতে দেখা যায় চওড়া চোখ, অদ্ভুত আকৃতির একটি ষাঁড়ের দিকে মুখ করে আর্তনাদ করছেন একজন মহিলা যার হাতে মৃত বাচ্চা। একটি আহত ঘোড়া পড়ে আছে, ষাঁড়ের লেজ যেন আগুনের ধোয়া। ঘোড়ার মাথার নিচে এক সৈনিক, যার হাতে ভাঙা তলোয়ার ও একগুচ্ছ ফুল। সৈনিকের অন্য হাতে কিছু নকশা যা হয়তো শান্তির প্রতীক। ছবির উপর প্রান্তে একটি জ্বলন্ত বাল্ব। ঘোড়ার উপরের ডান দিকে এক মহিলা বাতি হাতে জানলা দিয়ে ঘরের ভিতর উঁকি মারছেন। মহিলার নিচে আরেকটি মহিলা যিনি জ্বলন্ত বাল্বটির দিকে তাকিয়ে আছেন। বাঁপাশে আরেক জন মহিলা, যিনি তাঁর দুই হাত উপরে তুলে কিছু বলার চেষ্টা করছেন।

পিকাসোর বিশ্বখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ছবি: গুয়ের্নিকা

ছবিটি দেখলে আর্তনাদ করা নারী, মৃত শিশু, ষাঁড়, ঘোড়া, মৃত যোদ্ধা, ভাঙা তলোয়ার, বাল্ব, বাতি, ফুল, ছেঁড়া সংবাদপত্র— নানা কিছু চোখে পড়ে। সমালোচকরা নানা ভাবে একে ব্যাখ্যা করেছেন, বেরিয়েছে বহু গবেষণাধর্মী লেখা, বই। আলেহান্দ্রা এসক্যালোনা ছবিটি সম্পর্কে সৃষ্টির ৭৫তম বর্ষে এক আলোচনায় বিথোফেনের নবম সিম্ফোনির প্রসঙ্গ এনে বলেছেন, এটি একটি সাংস্কৃতিক প্রতীক যা শুধু যুদ্ধের বিরুদ্ধেই নয়, শান্তি এবং আশার কথাও বলে। এল সালভাদর থেকে বসনিয়া পর্যন্ত গণহত্যা নিয়ে কথা বলার সময় এটিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি রেফারেন্স হিসেবে তিনি দেখেছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ভাবা প্র্যাকটিস' নয়, আজ ঋত্বিককে ভুলতে পারলেই কেন সুবিধা বাঙালির?

Ritwik Ghatak: ঋত্বিক তাঁর সময়ের থেকে এগিয়েছিলেন প্রায় এক দশক। আর তার জন্যই ঋত্বিকের অন্ধকার, অসম্পূর্ণ জায়গাগুলো দুনিয়ার কাছে আজও আলোচনার, রহস্যের।

ছবিটির অন্তর্নিহিত অর্থ ও ব্যাখ্যা জানতে আজও মানুষের চূড়ান্ত আগ্রহ। পিকাসো তাঁর জীবদ্দশায় যদিও খুব বেশি বিস্তারিতভাবে কিছু বলেননি। ম্যুরালের দু’টি প্রভাবশালী চরিত্র: ষাঁড় এবং ঘোড়া। শিল্প ইতিহাসবিদ প্যাট্রিসিয়া ফেইলিংয়ের মতে, “ষাঁড় এবং ঘোড়া স্প্যানিশ সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। পিকাসো নিজেও এই চরিত্রগুলিকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ভূমিকায় ব্যবহার করেছেন। ষাঁড় এবং ঘোড়ার নির্দিষ্ট অর্থ কাজটিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে।” ষাঁড়কে অনেকে ফ্যাসিবাদী আক্রমণের প্রতিনিধিত্বকারী রূপক মনে করেন। পিকাসো বলেছিলেন, এর অর্থ বর্বরতা ও অন্ধকার। তিনি আরও বলেছিলেন, ঘোড়াটি গুয়ের্নিকা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে। অনেকে মনে করেন, যেহেতু সংবাদপত্রে নিবন্ধ পড়ে পিকাসো গুয়ের্নিকা বোমা হামলা ও তার ভয়াবহতার কথা জানতে পারেন তাই চিত্রকর্মে ছেঁড়া সংবাদপত্র দেখা যায়। ম্যুরালে কিছু লুকানো ছবিও রয়েছে। যেমন একটি মাথার খুলি, যেটি ঘোড়ার শরীরের উপর। আরেকটি হল ঘোড়ার বাঁকানো পা থেকে তৈরি একটি ষাঁড়। ঘোড়া, ষাঁড় এবং আর্তনাদ করা মহিলার মুখে জিভের বদলে তিনটি ছোরা।

পিকাসো অনড় ছিলেন, স্পেন গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র রূপে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত গুয়ের্নিকা ছবিটি স্পেনে ফিরবে না। ১৯৮১ সালে, ফ্রাঙ্কো এবং পিকাসোর মৃত্যুর পর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে অবশেষে পিকাসোর জন্মশতবার্ষিকীতে ‘গুয়ের্নিকা’ ছবিটি নিয়ে আসা হয় স্পেনে। পিকাসোর জন্মবার্ষিকীতে ওইবছর প্রায় ১০ লক্ষ দর্শক ছবিটি দেখতে আসেন। ১৯৯২ সাল থেকে ছবিটি মাদ্রিদের রেইনা সোফিয়া মিউজিয়ামে রয়েছে।

গুয়ের্নিকা আঁকছেন শিল্পী পাবলো পিকাসো

ল্য মুঁল্যা দ্য লা গালেৎ, দ্য ব্লু রুম, ওল্ড গিটারিস্ট, সেল্ফ-পোর্ট্রেট, টু নুডস, থ্রি মুজিশিয়ানস, মডেল অ্যান্ড ফিশবৌল, আভাগঁর রমণীবৃন্দ, থ্রি ড্যান্সার্স, গিটার, গ্লাস অব আবস্যাঁৎ, সিটেড বাথার, পালোমা, লেই দেমোয়াজেল দে'ভিনিয়োঁ-র মতো এক একটি বিশ্বখ্যাত ছবির চিত্রকার পিকাসো বলেছিলেন, “ক্লান্ত হলে তো অনেক আগেই মারা যেতাম। ক্লান্তি নেই বলেই তো একজন শিল্পী এতদিন বেঁচে থাকে।” তিনি বেঁচে আছেন, তাঁর গুয়ের্নিকার মতো ছবি আজও ক্লান্তিহীন ভাবে পক্ষ নিচ্ছে জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের পক্ষে। পক্ষ নিচ্ছে মুক্তিকামী জনতার, গুয়ের্নিকা থেকে প্যালেস্তাইন, কাশ্মীর থেকে মণিপুরের। ফ্যাসিবাদ ও যুদ্ধবিরোধী এক মূর্ত প্রতীক হিসেবে।

লিখেছেন
Souvik Mukherjee
Souvik Mukherjee
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ঋত্বিক: ফিরে দেখা

Ritwik Ghatak: আমরা যখন ছোট ছিলাম, মানে ষাটের দশকের সেই শেষ দিকে বা সত্তরের দশকে, তিনি কত না অদ্ভুতভাবে আমাদের প্রভাবিত করতেন। যেমন একদিন আমাদের রবীন্দ্রসদনের সামনে দেখতে পেয়ে তিনি হঠাৎ বললেন, আমাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দেবে?

কলকাতায় চালু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস

West Bengal School of Magic: মুখ্যমন্ত্রী ‘পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক, ইল্যুশন অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস’ স্থাপনের প্রস্তাবে অনুমোদন করেছেন। পুজোর পর উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা বৈঠক করবেন।

বিভূতিভূষণের উপন্যাস কেবল দৃশ্যের নয়, শব্দেরও এক জগৎ তৈরি করে

Bibhutibhushan Bandyopadhyay: বাংলা সাহিত্যে বিভূতিভূষণকে আমরা সাধারণত প্রকৃতির কবি বলেই চিনি। তাঁর বর্ণনায় নদী, মাঠ, বন, আকাশ, ঋতু আর গ্রামীণ জীবনের যে ছবি ফুটে ওঠে, তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকে যদি একটু অন্য দিক থেকে দেখা যায়? যদি আমরা শুধু দৃশ্যের দিকে না তাকিয়ে শোনার চেষ্টা করি?

স্ট্যাচু অব লিবার্টি ও আমেরিকার অভিবাসন: আমেরিকার ইতিহাসে আশ্রয়প্রার্থীদের জায়গা কোথায়?

Statue of Liberty: স্ট্যাচু অব লিবার্টির ধারণার সূত্রপাত ১৮৬৫ সালে। ফরাসি রাজনৈতিক চিন্তাবিদ এদুয়ার্দ দ্য লাবুলে আমেরিকার স্বাধীনতার শতবর্ষ এবং ফ্রান্স-আমেরিকার বন্ধুত্বকে স্মরণ করে স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ধারণা দেন।

এশিয়ার সেরা মিউজিয়ামের স্বীকৃতি পাটনার, কীভাবে বিশ্বসেরাদের টেক্কা দিল বিহার মিউজিয়াম?

Patna Outranks paris: বিশ্বের সেরা ১০০টি মিউজিয়ামের তালিকায় নবম স্থান অর্জন করে কীভাবে ল্যুভর ও মেটের মতো বিখ্যাত জাদুঘরকে পিছনে ফেলে এশিয়ার সেরা মিউজিয়াম হয়ে উঠল পাটনার বিহার মিউজিয়াম?

দেশভাগের ইতিহাসকে নারীর চোখে দেখা: অংশুমান করের ‘হিরণবালা’

Hiranbala Novel Review: বাংলা উদ্বাস্তু-আখ্যানের বড় অংশে দেশভাগের অভিজ্ঞতা এসেছে পুরুষের জীবন, তার মনস্তত্ত্ব ও তার গতিবিধির ভিতর দিয়ে। ‘হিরণবালা’ প্রথমেই এই কাঠামো ভেঙে দেয়। উদ্বাস্তু পরিবারের গল্পে একজন নারীকে নিষ্ক্রিয় বা পরোক্ষ ভূমিকায় না দেখিয়ে, উদ্বাস্তু হওয়ার অভিজ্ঞতাটিকে প্রত্যক্ষভাবে বুনে দেয় নারীটির জীবন। দেশভাগকে প্রায় অদৃশ্য করে হিরণকে উদ্বাস্তু করা শুরু হয় ১৯৪৬ সালে, বিয়ের মধ্য দিয়ে।

সুকুমার রায়ের সঙ্গে চার্লি চ্যাপলিনের ভীষণ মিল পাই: স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

Sukumar Ray Literature: কেউ যদি অনেক বড় বয়সেও ছোট থাকতে চায়— যেমন আমি বলি যে আমার বয়স বাড়েনি— আর যদি নিজের বয়সটাকে একই জায়গায় ধরে রাখতে ইচ্ছে করে, তবে মনে হয় সুকুমার রায়ের সমগ্র তাঁর সারাজীবন বিছানার পাশে গীতবিতানের মতোই চিরসঙ্গী হয়ে থাকতে পারে।

বাংলার দেশি খাসির মাংস থেকে চিংড়ি শুঁটকি, জিআই তকমার অপেক্ষায় কোন কোন খাবার?

GI Tag Registration: বাংলার দেশি খাসির মাংস, ইলিশের বিভিন্ন পণ্য ও চিংড়ি শুঁটকি জিআই স্বীকৃতি পেতে চলেছে। আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার আশা। কিন্তু জিআই তকমা কী এবং এই স্বীকৃতি পেলে বাংলার উৎপাদকদের কী লাভ হবে?