“আমাদের নাম কি বাদ পড়বে?”: এসআইআর আতঙ্কে উত্তরবঙ্গের রাজবংশীরা

Rajbanshi Anxiety Over SIR: কোচবিহারে রাসমেলা উত্তরবঙ্গ এবং আসামের মানুষের সবথেকে বড় মিলনস্থল, সেই মেলা জুড়ে এবার যেমন নজরকাড়া ছিল এসআইআরের প্রচার, তেমন ছিল এ অঞ্চলের আবেগের শিল্পী জুবিন গার্গের ছবি আর তাঁর গান।

Joydeep Sarkar
৫ মিনিট
“আমাদের নাম কি বাদ পড়বে?”: এসআইআর আতঙ্কে উত্তরবঙ্গের রাজবংশীরা

কোচবিহার জেলাটি আসাম লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসামের রাজনৈতিক হাওয়া বেশি দোলায় এই জেলাকে। কোচ রাজবংশের সঙ্গে যুক্ত মানুষরা ১৮৯১ সালে এক আন্দোলন করে নিজেদের রাজবংশী স্বতন্ত্র পরিচয় গ্রহণ করেন। পশ্চিমবঙ্গ এখনও এককভাবে সবথেকে বেশি সংখ্যার তফসিলি জাতি রাজবংশীরা। কৃষি এবং চা-বাগান, মাছ ধরা এমন ছোট ছোট নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের মধ্যে আবদ্ধ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন শিক্ষার হার কিছুটা বেড়েছে, সরকারি চাকরিতে উচ্চ পদে কাজ করছেন অনেক রাজবংশী। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই এখনও আর্থিক অনটনের শিকার। ৬০ ভাগ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ এখনও দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন, এমন তথ্য একাধিক সরকারি সমীক্ষায় উঠে এসছে। সাক্ষরতার হার বাড়লেও আর্থিক অনটন এমন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে যার ফলে প্রাথমিক স্তরের পর স্কুলে ড্রপ আউট, গ্রামীণ স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থান প্রকল্প বেহাল থাকায় উত্তরপূর্বের রাজ্যে দিনমজুরির কাজ করতে যাচ্ছে বহু পরিবার। এই সব পরিবার এতটাই আর্থিক ভাবে দূর্বল এসআইআর-এর কাজ করতে তাঁরা যে বাড়ি ফিরবেন সেই খরচও জোগাড় করা তাঁদের পক্ষে বিরাট চাপের হয়ে যাচ্ছে, ফলে তারা অনেকেই আসছেন না।

রাজবংশীরা অত্যন্ত সহজ সরল মনের মানুষ। তাঁরা চতুর নন বলে বারবার সুবিধাবাদী রাজনীতির শিকার হন

এমন আক্ষেপ প্রাক্তন সাংসদ তারিণী রায়ের।

তাই কি রাসমেলার মতো কোচবিহারের বিখ্যাত উৎসবেও চতুর্দিকে এসআইআর? কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের আদি নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন,

একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করেছে বিজেপি। পাশের আসামের ঘটনা, ডিটেনশন ক্যাম্প এসব নিয়ে ওরা প্রচার করে রাজবংশী মানুষের মধ্যে ভয় ছড়াচ্ছে।

কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেসের আদি নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'সভ্যতা' থেকে বিচ্ছিন্ন আজও | টোটোপাড়ায় এসআইআর যে প্রশ্ন তুলছে

Totopara fears sparked by SIR: ধনঞ্জয় টোটো বলেন, আমরা ভোট দিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি, আমরা হিন্দু নই, তবু আমাদের হিন্দু সাজানো হচ্ছে! এটা এক নতুন বিপদ টোটোদের কাছে।

আসামের ১১ টি জেলায় যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের বড় অংশ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ। এমনকি এর মধ্যে অনেক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আছেন, ফলে আসাম এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক বাড়িয়েছে রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্যে। ভেটাগুড়ির ব্যবসায়ী দিনেন রায় বলেন,

আসামের এক গ্রামে জন্ম আমার, পরে কোচবিহারে বসবাস। অনেকের আবার আত্মীয় পরিজন সব আসামে। ফলে এখন একটা চাপা উৎকন্ঠা সবার মধ্যেই।

শুধু কোচবিহার নয় আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ি দার্জিলিং দক্ষিণ দিনাজপুর মালদহ পাশের রাজ্য বিহার এমনকি বাংলাদেশেও রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রচুর মানুষ থাকেন। তবে যারা পশ্চিমবঙ্গে আছেন তাদের মধ্যে এখন ভয়টা বেশি। এই ভয়ের কারণ কী? কোচবিহার জেলার সিপিএমের সম্পাদক অনন্ত রায়, তিনি নিজেও রাজবংশী সম্প্রদায়ের। তিনি বলেন,

নথি না থাকলেই অবৈধ ভোটারের অভিযোগ তুলে সাজা বা বাংলাদেশ পাঠানো বা ডিটেনশন ক্যাম্পে জীবন কাটাতে হবে— আরএসএস, বিজেপি কৌশল করে এই ভয় দেখিয়ে প্রচার করে চলেছে। আসলে ওরা ভয় দেখিয়ে মন জয় করতে চায়। কিন্তু বাস্তব হলো গত কয়েক বছরে বন্যা-সহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে বহু গরিব মানুষ কোনো ভাবে প্রাণ রক্ষা করেছেন। তাঁদের ঘরের সঙ্গে নথিও নেই, নষ্ট হয়েছে বা ভেসে গিয়েছে। এসব মানুষরা অনেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সরকারি দফতরে বলেছেন, কিন্তু সরকার আমল দেয়নি। এখন ভয়টা বাড়ছে। আমরা ওদের পাশে থেকে আইনী সহায়তা করব।

কোচবিহারের জেলার সিপিএমের সম্পাদক অনন্ত রায়

জেলার ছোট ছোট জেরক্স সাইবার ক্যাফে দোকান গুলি আবার যেন লাভের মুখ দেখছে। দীপক বর্মন নামে একজন রাজবংশী সম্প্রদায়ের অল্প বয়সি ছেলে বলেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এসআইআর | যেভাবে নাভিশ্বাস উঠছে বিএলওদের

BLO's problems:বিএলওরা সবচেয়ে বেশি বিপন্নতার শিকার হচ্ছেন। প্রতি বুথ পিছু একজন আধিকারিক।

ছবি লাগবে এসআইআর ফর্মে কিন্তু আধার ভোটার রেশন কার্ড সব বেশ কিছু কপি করে জেরক্স করছেন এলাকাবাসীরা।

প্রায় প্রতি পরিবারের পুরুষরা কাজের সূত্রে পরিযায়ী তাই তাদের নাম যেন বাদ না পড়ে শাসক দলের নেতারা সে বিষয়ে দেখভাল করবেন বলছেন কিন্তু সেসব পরিবারকে খরচ জোগাড় করিয়ে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীরব তারা, একটা চাপা আতঙ্ক ভয় যে সবার মাধ্যেই আছে তা পরিষ্কার। সিতাই এলাকার মহঃ সফিক শেখ আসামের ঘটনার উল্লেখ টেনে বলেন,

আমরাও রাজবংশী, তবে নস্যশেখ। আমাদের দাদুর নামও এলাকার ভোটার লিস্টে ছিল, ফলে আমরা স্থানীয় বাসিন্দা এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। এখন সমস্যা হচ্ছে এসআইআর ফর্ম জমা দেওয়ার সময় বিএলওকে আসল আধার এবং ভোটার কার্ড দেখাতে হয়, সাম্প্রতিক দূর্যোগের সময় আমাদের সব পারিবারিক নথি নষ্ট হয়ে গিয়েছে, আমরা আবেদন করেছি নতুন নথির জন্য। কিন্তু এখনও হাতে পাইনি ফলে উদ্বেগ আছে। এমন অবস্থা বহু পরিবারের।

রাজবংশীদের ‌সরলতাকে কাজে লাগানো বা তাদের সহজে বিভ্রান্ত করার কৌশলে বিজেপির প্রভাব থাকলেও এবার তৃণমূলও তাদের মধ্যে সমর্থন বাড়াতে তৎপর। এবার রাজবংশী সম্প্রদায়ের গর্বের মানুষ বীর চিলা রায়ের জন্মদিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করতে চলেছে রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের রাজবংশী ভাষা অকাদেমির চেয়ারম্যান বংশীবদন বর্মন বলেন,

এসআইআর-এ রাজবংশীদের নাম যেন বাদ না পড়ে, আমরা সেটা নজর রাখছি। তবে আমাদের গ্রেটার কোচবিহার রাজ্যের আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তিনি বলেছেন আমাদের সঙ্গে থাকো আমিও তোমাদের উন্নয়ন করব। রাজবংশীদের বিদ্যুৎ বিল মকুব করেছে সরকার। কিছু উন্নয়ন হয়েছে, আমরা সে কারণে সরকারের পাশে আছি। কিন্তু যে গতিতে উন্নয়ন হচ্ছে তাও কিন্তু মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়।

কোচবিহারের রাসমেলায় সিপিআই(এম)-এর সহয়তা কেন্দ্র

নতুন রাজ্যের দাবি ভোটের আগে লুকানো তাস হিসেবে সামনে আসে। কখনও বিজেপির শীর্ষ নেতারা আলাদা রাজ্যের দাবিকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করেন আবার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে থাকলে তারাও তাদের পাশে থাকবেন এমন আশ্বাস দেওয়া হয়। এর মাঝে কিন্তু নতুন রাজ্যের থেকে বড় দাবি হয়ে উঠেছে এসআইআরে রাজবংশীদের নাগরিকতার নিশ্চয়তা রক্ষা করা। ইতোমধ্যেই অনেক এলাকায় গিয়ে ভোটারদের পরিবারে তালা বন্ধ দেখে ফিরে এসছেন বিএলও, ফোনে সে সব পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা কর্নাটক বা কেরালায় কর্মরত বলে জানিয়েছেন। তাঁরা এসআইআর-এর ফর্ম পূরণ করতে খরচ করে বাড়ি ফিরবেন না এমন কথাও বলেছেন অনেকে। পরিস্থিতি একরকম নেই সেটা শাসক এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও বুঝতে পারছে।

মাথাভাঙা এলাকার কলেজ ছাত্রী সুমিতা রায়ের কথায়,

সরকারি বিদ্যুতের বিল না হয় লাগবে না, কিন্তু নিজের বিরাট বাড়ি এবং সে বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করার মতো অবস্থা কতজন রাজবংশী মানুষের আছে সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার। আমাদের নিজস্ব যে লোকসংস্কৃতি সেটার চর্চাই এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর্থিক অনটনটা বড় সমস্যা।

কোচবিহারে রাসমেলা উত্তরবঙ্গ এবং আসামের মানুষের সবথেকে বড় মিলনস্থল, সেই মেলা জুড়ে এবার যেমন নজরকাড়া ছিল এসআইআরের প্রচার, তেমন ছিল এ অঞ্চলের আবেগের শিল্পী জুবিন গার্গের ছবি আর তাঁর গান। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার বলছেন বিরাট সংখ্যায় মানুষ বাদ পড়বেন এসআইআরের ফলে। কিন্তু আসামের মতো এই ঘোষণা কাদের প্রতি এটাই আতঙ্কের রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্যে। এলাকার বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ এখনও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল দ্রুত ঘোষিত হবে কোচবিহারে এমন আশা করছেন, কিন্তু এসআইআর প্রসঙ্গে বলেন,

অনেকের তো কাগজপত্র নথি ঠিক নেই, ফলে হয়ত অনেকের নামও বাদ যেতে পারে!

ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা যে অনুন্নত সম্প্রদায়ের মধ্যে চেতনা গড়ে তুলে তাঁদের অধিকার বোধের ভাবনা শিক্ষার প্রসারের প্রয়াস চালিয়ে ছিলেন সেই সম্প্রদায়ের মানুষরা নাগরিকত্ব রাখার জন্যই এখন মরিয়া। নাগরিক তালিকায় নাম তোলার জন্য রাজবংশী সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ এখন সচেতনভাবে চেষ্টা শুরু করেছেন।

(মূল প্রতিবেদনটি প্রাথমিক ভাবে দ্য ওয়্যার-এ প্রকাশিত হয়েছিল।)

লিখেছেন
Joydeep Sarkar
Joydeep Sarkar
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?