কেন পুতিনের ভারত আসা নিয়ে এত আলোচনা?

Putin in India: ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক বহু দশকের পুরনো। ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত রাশিয়ান সরঞ্জামভিত্তিক। সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে বহু ধরনের অস্ত্রই রাশিয়ার প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল।

inscript
৪ মিনিট
কেন পুতিনের ভারত আসা নিয়ে এত আলোচনা?

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উজবেকিস্তানের সামরকন্দে অনুষ্ঠিত শাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও-র শীর্ষ সম্মেলনে এক দৃশ্য বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন,

This is not an era of war

অর্থাৎ,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইউক্রেনে ভয়াবহ রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার! রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলল আমেরিকা

Russia-Ukraine war: আমেরিকা অভিযোগ করেছে বিষাক্ত গ্যাসবিশিষ্ট শ্বাসরোধকারী এজেন্ট ক্লোরোপিক্রিন ব্যবহার করছে রাশিয়া ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

এটা যুদ্ধের যুগ নয়

আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে দাঁড়িয়ে এ রকম স্পষ্ট মন্তব্য বিরল। তাই বিশ্বজুড়ে অনেকে তখন মনে করেছিলেন, মোদি বিশ্বের সামনে শান্তির বার্তা তুলে ধরলেন। ভারত হয়ত আন্তর্জাতিক সংঘাত থামাতে একটি নৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিতে চাইছে, এমন ধারণাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তিন বছর পর সেই মন্তব্য ঘিরে আবার নতুন প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি শান্তির যুগ ফিরেছিল? নাকি তা ছিল কেবলই একটি কূটনৈতিক বার্তা, যা বাস্তবতার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া আজ কঠিন?

মোদি যখন এসব কথা বলছিলেন, ঠিক সেই সময় ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন জারি ছিল। পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া যুদ্ধ থামানোর কোনো ইঙ্গিত ছিল না। পুতিনের সামনে দাঁড়িয়ে মোদির মন্তব্যকে কেউ কেউ সাহসী কূটনীতি বলেছিলেন। কিন্তু সেই যুদ্ধ পরে আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। ইউক্রেনের শহর ভয়াবহভাবে ধ্বংস হয়, লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়। আন্তর্জাতিক মহল শান্তির আহ্বান জানালেও যুদ্ধ থামেনি, বরং আরও বেড়েছে। আজ তিন বছর পর সেই যুদ্ধ এখনও চলছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ট্রাম্প-পুতিন-আম্বানি, ত্রয়ীর মধ্যে মিলটা কোথায়?

India-US relations: ফিনল্যান্ড-ভিত্তিক CREA-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জামনগর রিফাইনারিতে যুদ্ধের আগে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের ভাগ ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। যুদ্ধের পর তা লাফিয়ে বাড়ে।

ইউক্রেন যুদ্ধের পরই খুব বেশি সময় পেরোয়নি, ২০২৩ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় আরও একটি ভয়াবহ সংঘাত, ইজরায়েলের গাজায় হামলা। ইজরায়েলের লাগাতার বোমাবর্ষণে গাজা প্রায় পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার নিরীহ মানুষের মৃত্যু, খাদ্য ও ওষুধের সংকট, হাসপাতাল ধ্বংস, শিশুদের অনাহারে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। যুদ্ধের আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ব রাষ্ট্রনেতারা শান্তির আহ্বান জানালেও যুদ্ধ থামার লক্ষণ নেই।

গাজা বা ইউক্রেন ছাড়াও বিশ্বের আরও বেশ কিছু জায়গায় সম্প্রতি যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়েছে। মায়ানমারে সামরিক জান্তার দমন-পীড়ন আজ গৃহযুদ্ধের রূপ নিয়েছে। আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল, সুদান, কঙ্গো— কোথাও সংঘাত কমছে না। সীমান্ত বিরোধ, বিদ্রোহ দমন, আন্তর্জাতিক শক্তির প্রভাব বিস্তার সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ যেন এক নতুন বাস্তব পরিস্থিতি। এমন পরিস্থিতিতে মোদির মন্তব্য “এটা যুদ্ধের যুগ নয়”, আজ যেন উল্টোভাবে প্রমাণ করছে যে আমরা আবারও যুদ্ধের যুগেই ফিরে গিয়েছি। মোদি যে এর বিরুদ্ধে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিয়েছেন তাও নয়।

ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক বহু দশকের পুরনো। ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত রাশিয়ান সরঞ্জামভিত্তিক। সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে বহু ধরনের অস্ত্রই রাশিয়ার প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। ঠান্ডা যুদ্ধের পর যেভাবে দু'দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে, তাতে অনেকেই মনে করেন, মোদির মন্তব্য রাশিয়ার কাছে বাস্তবে কোনো অর্থ বহন করে না। কারণ রাশিয়ার রাজনৈতিক শক্তি, আন্তর্জাতিক অবস্থান এবং ক্ষমতার ভিত্তিই যুদ্ধ, সামরিক আগ্রাসন ও ভূ-রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশলের উপর দাঁড়িয়ে। চেচনিয়া, সিরিয়া কিংবা ইউক্রেন সর্বত্রই রাশিয়া যুদ্ধকে ব্যবহার করেছে নিজের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যম হিসেবে। এসব বিবেচনায় সমালোচকেরা প্রশ্ন তুলেছেন, যে দেশ যুদ্ধের মাধ্যমে নিজের প্রভাব বজায় রাখে, সেই দেশকে 'যুদ্ধ নয়' বার্তা দেওয়া কতটা যথাযথ ছিল? এখন সেই নেতাই ভারত সফরে।

ভারতের বিদেশনীতি একসময় বেশ স্পষ্ট ছিল। নন-অ্যালায়ন্ড বা নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে ভারত বিশ্বের বড় শক্তিগুলির সঙ্গে জোটবদ্ধ না হয়ে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিল। মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন ও শান্তির পক্ষে নৈতিক নেতৃত্ব ছিল ভারতের পরিচয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি আগের মতো স্থির নেই বলে বহু বিশেষজ্ঞ মনে করেন। কখনও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা, কখনও রাশিয়ার সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক, আবার কখনও চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত— সব মিলিয়ে ভারত এখন বিভ্রান্তির মধ্যে আছে বলেই অনেকে ব্যাখ্যা করেন।

বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তির কথা বলা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ যে কোনো দেশের অর্থনীতি, মানবাধিকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু শুধুমাত্র শান্তির কথা বললেই শান্তি আসে না। সমালোচকরা বলছেন, যুদ্ধ থামাতে প্রয়োজন শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অবস্থান, স্পষ্ট নীতি, মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস, এবং একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি। কিন্তু যদি বাস্তবতা এড়িয়ে কেবল রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয়, তাহলে তা অনেক সময় ‘কূটনৈতিক অস্পষ্টতা’ তৈরি করে বলেও মনে করছেন তাঁরা। কিছু বিশ্লেষক আবার বলছেন, বহু দেশ ভারতের অবস্থান বুঝতে পারছে না, ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের নেতৃত্বের দাবি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে।

মোদির মন্তব্য, নিঃসন্দেহে একটি নৈতিক বার্তা। কিন্তু তিন বছরের আন্তর্জাতিক বাস্তবতা প্রমাণ করছে যে যুদ্ধ ও সংঘাত আজ আরও বেড়েছে। পরাশক্তিগুলি নিজেদের প্রভাব বিস্তারে আরও আগ্রাসী। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপ, আফ্রিকা থেকে এশিয়া সর্বত্র অস্থিরতা বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে শুধু শান্তির আহ্বান দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয় না। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের প্রয়োজন আরও স্পষ্ট ও শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি, আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে দৃঢ় কূটনৈতিক অবস্থান এবং বিশ্বমঞ্চে একটি বাস্তবসম্মত নেতৃত্ব। তা শান্তি অস্বীকার করে আসবে না; বরং দেশের স্থায়ী অবস্থানের মাধ্যমেই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে বলে মনে করিয়ে দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।