কেন এত বিখ্যাত প্যালেস্তাইনের সাদা-কালো স্কার্ফ! কেফিয়াহর বিশেষ প্রতীকের অর্থ অবাক করবে

Keffiyeh Scarf of Palestine : কেফিয়াহ বা কুফিয়া আসলে একটি বর্গাকার আকৃতির সুতির কাপড়। আরব বিশ্বের অনেক জায়গারই মানুষ এই চেক প্যাটার্নের স্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢাকেন।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
কেন এত বিখ্যাত প্যালেস্তাইনের সাদা-কালো স্কার্ফ! কেফিয়াহর বিশেষ প্রতীকের অর্থ অবাক করবে

প্যালেস্তাইন। যুদ্ধবিধ্বস্ত এক অঞ্চল। জীবনের দাম নেই, শিশুদের ভবিষ্যৎ নেই। ঠাসাঠাসি ভিড় করে থাকেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। একমাসের উপর হয়ে গেল সেখানে যুদ্ধ চলছে। ১৪ হাজার মানুষ মরে গেছে, অধিকাংশই শিশু। হামাস নামে এক জঙ্গিগোষ্ঠীকে নিকেশ করতে চেয়ে প্রতিশোধমূলক যুদ্ধে আসলে গাজাকেই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইজরায়েল। এইটুকু এখন খবর, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে জানেন সবাই। কিন্তু প্যালেস্তাইন মানে শুধু এটুকুই না। হ্যাঁ, যুদ্ধ প্যালেস্তাইনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে রয়েছে। মিশে রয়েছে যুদ্ধ থেকে পালিয়ে সুস্থভাবে বাঁচতে চাওয়ার আকুতি। রয়েছে যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়ে ওঠা স্বপ্ন। প্যালেস্তিনিয় মানুষদের রোজের যাপনেই রয়েছে প্রবল প্রতিরোধের ঘ্রাণ। প্যালেস্তাইনকে চিনতে গেলে তাই এর মাটিকে চিনতে হবে, চিনতে হবে এর শিকড়কে, এর প্রতীককে। প্যালেস্তাইনের একটি নির্দিষ্ট জিনিস অনেকেই হামেশাই দেখেন, একটি সাদা কালো স্কার্ফ। বিখ্যাত ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফতের কথা মনে করুন। এই স্কার্ফ ছিল তাঁর ব্যক্তিগত প্রতীক যেন। প্যালেস্তাইনের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে মিশে রয়েছে এই প্রতীক, কেন?

ফিলিস্তিনি ভাষায় এই স্কার্ফকে বলে কেফিয়াহ। বিশ্বব্যাপী যত যত দেশে, শহরে বিক্ষোভকারীরা গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন সকলেই এই প্রতীকী কালো-সাদা ফিলিস্তিনি কেফিয়াহ ব্যবহার করেছে। অনেক বিক্ষোভকারীরা বড় বড় চাবি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অনেকে জলপাই নিয়ে এসেছেন। আসলে এই সব প্রতীকই ফিলিস্তিনিদের প্রতীক, ভিন্ন ভিন্ন পথে প্যালেস্তাইনেরই প্রতিনিধিত্ব করে এই স্কার্ফ, চাবি বা জলপাই। ফিলিস্তিনিদের আত্মপরিচয় এবং ইজরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক এগুলি।

কেফিয়াহ বা কুফিয়া আসলে একটি বর্গাকার আকৃতির সুতির কাপড়। আরব বিশ্বের অনেক জায়গারই মানুষ এই চেক প্যাটার্নের স্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢাকেন। অনেকেরই এই প্রসঙ্গে সলমান খানের কথা মনে পড়তে পারে। একটি কালো-সাদা চেক স্কার্ফ দিয়ে মাঝে মাঝেই নায়কের চরিত্রটিকে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই স্কার্ফের সঙ্গে ফারাক রয়েছে প্যালেস্তিনিও কেফিয়াহের। ফিলিস্তিনি পুরুষ এবং মহিলারা যে সাদা-কালো কেফিয়াহ পরেন তা স্ব-নিয়ন্ত্রণ, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতার জন্য ফিলিস্তিনি সংগ্রামের প্রতীক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েল গাজা যুদ্ধে ভারত কী চায়? উত্তর লুকিয়ে ৭৩ বছর আগের এই ঘটনায়...

India Supports Israel : ভারত আর ইজরায়েলের এত ভাব হলো কীভাবে? ভারত তো ইজরায়েলের জন্ম হোক তাই চায়নি এককালে!

এই স্কার্ফে জলপাই-পাতার নকশা করা থাকে। অধ্যবসায়, শক্তি এবং সহনশীলতার প্রতীক এই পাতা। এই স্কার্ফেই মাছের জালের মতো জে চেক নকশা থাকে তা ফিলিস্তিনি জেলে এবং ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে এখানকার মানুষের সংযোগকেই তুলে ধরে। বোল্ড প্যাটার্নগুলি ফিলিস্তিনের বাণিজ্য পথের প্রতীক।

কেফিয়াহ পোশাকটি মূলত সূর্যের চড়া রোদ থেকে বাঁচতে মধ্যপ্রাচ্যের মানুষরাই ব্যবহার করত। ১৯৩০-এর দশকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহের সময় এই কেফিয়াহ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই কেফিয়াহ প্রয়াত ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফতের এক ব্যক্তিগত প্রতীকও হয়ে ওঠে। ইয়াসির আরাফত এই স্কার্ফটিকে ত্রিভুজ আকারে ভাঁজ করে কাঁধের উপর দিয়ে মাথা ঢেকে রাখতেন।

সেই কেফিয়াহই এখন ফিলিস্তিনিদের নিজস্ব প্রতীক। ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে সারা বিশ্বের মানুষই এই স্কার্ফ ব্যবহার করেন। ঐতিহ্যগতভাবে ফিলিস্তিনি কৃষকরাই আগে এই স্কার্ফ পরতেন। অটোমান আমলে কেফিয়াহ পরতেন গ্রামীণ মানুষই, শহুরে মানুষরা পরতেন টারবুশ।

কালো এবং সাদা কেফিয়াহ ১৯৩০-এর আরব বিদ্রোহের সময় ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে। ১৯৩৮ সালে কেফিয়াহের জনপ্রিয়তা শীর্ষে পৌঁছয়। শহুরে মানুষও টারবুশের বদলে কেফিয়াহ পরতে শুরু করেন। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্যই ছিল, ঐক্য তৈরি করা যাতে বিদ্রোহীরা যখন শহরে প্রবেশ করছে, সকলেই এক দেখতে হয়ে ওঠে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইজরায়েলের ডানপন্থী সরকার প্যালেস্তাইনের হামাস, দুইয়ের পতন চাই

Israel Palestine War 2023 : সন্ত্রাসবাদ আসলে তো ফ্যাসিবাদ এবং ছদ্ম-ধর্মীয় মৌলবাদের পছন্দের অস্ত্র। সন্ত্রাস চিরকালই জাতীয় মুক্তি ও বিপ্লবের শত্রু।

১৯৬০-এর দশকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের সূচনা ঘটে। ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ ইয়াসির আরাফত কেফিয়াহকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। কালো-সাদা ফিশনেট প্যাটার্নের কেফিয়াহই আরাফতের প্রতীক হয়ে ওঠে। সবসময় এই কেফিয়াহ পরতেন ইয়াসির। প্রবল ঠান্ডায় কেবল রাশিয়ান-স্টাইলের উশাঙ্কা টুপি পরতেন তিনি। আরাফাত কেফিয়াহ পরতেন ফিউশন স্টাইলে। প্রথম দিকে, ফিলিস্তিনের দাবি করা ভূখণ্ডের রূপরেখার সঙ্গে মিল রেখে খানিকটা ত্রিভুজের আকারে সাজিয়ে শুধুমাত্র ডান কাঁধে স্কার্ফ রাখতেন ইয়াসির।

কেফিয়াহ পরতেন লীলা খালেদও। পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র শাখার সদস্য লীলা। TWA ফ্লাইট 840 এবং ডসন'স ফিল্ড হাইজ্যাকিংয়ের পর খালেদের বেশ কিছু ছবি সংবাদপত্রে আসে। এই ছবিগুলিতে প্রায়ই খালেদকে একজন মুসলিম মহিলার হিজাবের মতো করে কেফিয়াহ পরতে দেখা যায়। বিষয়টি সেই সময় ছিল ছক ভাঙা। সাধারণত কেফিয়াহ আরব পুরুষদেরই পরতে দেখা যেত। খালেদ তাঁকে নিজের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট করে তোলেন। ঐতিহ্যগত কালো এবং সাদা কেফিয়াহ ফাতাহ-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে। পরে, লাল এবং সাদা কেফিয়াহ ব্যবহার করতেন পিএফএলপি-র মতো ফিলিস্তিনি মার্কসবাদীরাও।

২০০৬ সালে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী, হোসে লুইস রদ্রিগেজ জাপাতেরো ইজরায়েলের কঠোর সমালোচনা করে একটি বক্তৃতা দেন। তারপর দর্শকদের কাছ থেকে একটি কেফিয়াহ নিয়ে তা পরেন। সেই সময় এই ঘটনাটি বিশ্ব রাজনীতিতে ভীষণ হইচই ফেলে। এরপর টপশপ, এএসওএস, সিসিলি কোপেনহেগেন, বোহো বা ইজরায়েলি ব্র্যান্ড ডোডো বার অর-এর মতো ব্র্যান্ডের ফ্যাশনে কেফিয়াহ প্রিন্টটি বহুবার ব্যবহার করা হয়েছে।

মজার বিষয় হচ্ছে, ফিলিস্তিনি পরিচয়ের এই প্রতীকটি এখন মূলত চিন থেকে আমদানি করা হয়। ২০০০-এর দশকে স্কার্ফের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকলে চিন এই বাজার ধরতে শুরু করে এবং ফিলিস্তিনিদেরই এই ব্যবসা থেকে বের করে দেয়। পাঁচ দশক ধরে, ইয়াসির হিরবাউই ছিলেন একমাত্র ফিলিস্তিনি কেফিয়াহ প্রস্তুতকারক। হেবরনের হিরবাউই টেক্সটাইল ফ্যাক্টরিতে ১৬ টি তাঁতে কেফিয়াহ তৈরি হতো। ১৯৯০ সালে এই ১৬ টি তাঁতে প্রতিদিন প্রায় ৭৫০ টি কেফিয়া তৈরি হতো। ২০১০ সাল নাগাদ, মাত্র ২টি তাঁত ব্যবহার করা হতো, প্রতি সপ্তাহে মাত্র ৩০০ কেফিয়াহ তৈরি করা হতো। হিরবাউই সুতির কেফিয়াহ বানাত, চিন কিন্তু তা করে না।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।