প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি, ইজরায়েলকে অস্ত্র : ব্রিটেনের দ্বিমুখী নীতি

Britain Palestine Israel conflict: অক্সফ্যাম গ্রেট ব্রিটেন -এর প্রধান হালিমা বেগম আরও কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন, “যুক্তরাজ্য একইসঙ্গে গাজায় সহায়তা পাঠাচ্ছে আর ইজরায়েলকে অস্ত্র দিচ্ছে—এটা একেবারেই অনৈতিক।”

Asish Gupta
৩ মিনিট
প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি, ইজরায়েলকে অস্ত্র : ব্রিটেনের দ্বিমুখী নীতি

একদিকে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির সরকার স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ন্যায়বিচারের বার্তা দিচ্ছে, আরেকদিকে একই সরকার ইজরায়েলকে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ করে সেই বার্তাকে অকার্যকর করে তুলছে। এই দ্বিমুখী অবস্থান ব্রিটিশ নৈতিকতা তথা গোটা পাশ্চাত্যের মানবিক মূল্যবোধের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও কাঠগড়ায় তুলছে।

লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, শুধু আগস্ট মাসেই ব্রিটেন থেকে ইজরায়েলে অন্তত এক লাখ দশ হাজার গুলি সরবরাহ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় বিশ হাজার পাউন্ড (প্রায় ২৭ হাজার মার্কিন ডলার)। এছাড়াও অস্ত্রচালানের মধ্যে ছিল ট্যাংকের যন্ত্রাংশ, শটগান ও রাইফেলের যন্ত্রাংশ, ক্ষেপণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ। আগস্ট মাসে ব্রিটেনের অস্ত্র রপ্তানির মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দেড় লাখ পাউন্ডে, যা ২০২২ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক সরবরাহ। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ব্রিটিশ টেলিভিশন চ্যানেল ফোর-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ইজরায়েলি কর কর্তৃপক্ষের তথ্য। সেখানে দেখা যাচ্ছে, শুধু জুন মাসেই ইজরায়েলে ব্রিটেন থেকে প্রায় চার লাখ পাউন্ডের অস্ত্র পাঠানো হয়েছে। ২০২২ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর থেকে এটিই এক মাসে সবচেয়ে বড় অস্ত্র চালান।

অথচ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্য সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, তারা ইজরায়েলে অস্ত্র রপ্তানির ২৯টি লাইসেন্স বাতিল করছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ওই অস্ত্র আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনে ব্যবহৃত হতে পারে। তবু বাস্তবে তিন শতাধিক লাইসেন্স কার্যকর রয়ে গেছে, যার মধ্যে অন্তত ১৬০টি সরাসরি সামরিক রপ্তানি হিসেবে চিহ্নিত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গাজায় গুলেন-বেরি সিনড্রোম! ইজরায়েলি হানাদারির মধ্যেই হু হু করে বাড়ছে এই রোগ

Syndrome in Gaza: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাস থেকে গাজায় জিবিএস-এর ৮৫টি সন্দেহজনক কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এই রোগে আটটি মৃত্যুর ঘটনাও জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

এ অবস্থাকে ভণ্ডামি বলে আখ্যায়িত করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। Campaign Against Arms Trade (CAAT)-এর মুখপাত্র অ্যান্ড্রু স্মিথ বলেন, “সরকার একদিকে প্যালেস্টাইনের গণহত্যার নিন্দা জানাচ্ছে, অন্যদিকে সেই আবার হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাওয়ার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করছে। এটি চরম ভণ্ডামি।” অক্সফ্যাম গ্রেট ব্রিটেন -এর প্রধান হালিমা বেগম আরও কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন, “যুক্তরাজ্য একইসঙ্গে গাজায় সহায়তা পাঠাচ্ছে আর ইজরায়েলকে অস্ত্র দিচ্ছে—এটা একেবারেই অনৈতিক।”

জাতিসংঘের কমিশন অব ইনকোয়ারি গাজায় ইজরায়েলের কর্মকাণ্ডকে সরাসরি “গণহত্যা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “কিছু রাষ্ট্র ইজরায়েলি সামরিক বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করছে, প্যালেস্টিনীয় জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যায় তাদেরও দায় রয়েছে।” জাতিসংঘ বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানেসা বলেছেন, “ইজরায়েল আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যাগুলোর একটির জন্য দায়ী। বিশ্বকে অবশ্যই ইজরায়েলের ‘গণহত্যার অর্থনীতির’ সাহায্যার্থে সব ধরনের বাণিজ্য সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।”

তবে যুক্তরাজ্য সরকার ভিন্ন দাবি করছে। আদালতে জমা দেওয়া এক আইনি নথিতে সরকার বলেছে, “গাজায় গণহত্যা হচ্ছে বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, কিংবা ইজরায়েলি সেনারা নারী ও শিশুদের উদ্দেশ্য করে হামলা চালিয়েছে—এমন প্রমাণও নেই। গণহত্যার আইনি সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট ‘ধ্বংস করার উদ্দেশ্য’ প্রমাণিত হয়নি।” বিদেশ সচিব ডেভিড ল্যামি এ বিষয়ে বলেছেন, “আমরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি যে ইজরায়েল গাজায় গণহত্যা করছে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলে মন্তব্য করেছেন, “এটি নির্দোষ বা দোষী সাব্যস্ত করার বিষয় নয়… আমারা ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারে অবিচল।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
১৯৬৭ থেকে ২০২৫! যেভাবে গাজায় বারবার নিশানা করা হচ্ছে সাংবাদিকদের

Israel’s killing of journalists: ইজরায়েল ১৯৬৭ সালে দখলদারিত্বের প্রথম দিন থেকেই, মিডিয়া রিপোর্টিংয়ের উপর শক্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চেয়েছে। পরে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করতে সেন্সরশিপ আনা হয়।

ইজরায়েল অবশ্য এই সমালোচনার জবাবে উল্টে ব্রিটেনকেই দোষারোপ করছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, “ব্রিটেনের এই বিবৃতি লজ্জাজনক। কিন্তু ব্রিটিশ অস্ত্র থাকুক বা না থাকুক, ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হবেই।”

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের ভেতর থেকেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। প্রাক্তন লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, “ইজরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ না করলে প্যালেস্টাইনে গণহত্যা ঠেকানো যাবে না, আর ব্রিটেনের নাম ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে।” স্কটল্যান্ডের প্রথম মন্ত্রী জন সুইননি আরও স্পষ্ট করে বলেছেন, “আমি উদ্বেগ ভাগ করে নিয়েছি… গাজায় একটি গণহত্যা সংগঠিত হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।”

বাস্তবে গাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ। প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ এবং প্রাক্তন জাতিসংঘ মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফক মন্তব্য করেছেন, “গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এখানে নারী ও শিশুদের গণহারে হত্যা করা হচ্ছে। যে রাষ্ট্র এই হত্যাযজ্ঞে অস্ত্র সরবরাহ করে, সে রাষ্ট্রও নৈতিকভাবে অপরাধে জড়িত।” আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এক বিবৃতিতে বলেছে, “গাজায় মানুষের জীবন এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমে গেছে, কারণ খাদ্য, জল ও চিকিৎসার কোনো নিশ্চয়তা নেই।”

প্রায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইজরায়েলি আগ্রাসনে নিহত হয়েছে অন্তত ৬৬ হাজার ফিলিস্তিনি, যাদের বিশাল অংশ নারী ও শিশু। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার অবকাঠামো, বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়েছে অধিকাংশ এলাকা, হাসপাতাল ও স্কুল পর্যন্ত মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। জাতিসংঘ কমিশন তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, “ইজরায়েল কেবল গণহত্যাই ঘটাচ্ছে না, তা ঠেকাতে বা অপরাধীদের শাস্তি দিতেও ব্যর্থ হয়েছে।”

এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান যুক্তরাজ্যের জন্য কেবল নৈতিক সংকটই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরে কূটনৈতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিও তৈরি করছে। একদিকে মানবিকতা ও ন্যায়ের বুলি আওড়ানো, অন্যদিকে ইজরায়েলের সামরিক ব্যবস্থায় অস্ত্র সরবরাহ—এই দ্বিমুখী নীতি ব্রিটিশ সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতাকে তীব্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, পশ্চিমা বিশ্বের ঘোষিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আসলেই মানবিক নীতির ওপর দাঁড়িয়ে, নাকি যুদ্ধ অর্থনীতির স্বার্থেই বারবার পুনর্লিখিত হচ্ছে?

লিখেছেন
Asish Gupta
Asish Gupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।