জিডিপির পর্দাফাঁস! মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে মোদি জামানার অর্থনীতি?

IMF Exposes India’s GDP Myth: আইএমএফ আরও দেখিয়েছে যে উৎপাদন ও খরচের হিসাব দু'টো আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে করা হচ্ছে বলে হিসাবে সামঞ্জস্য থাকছে না।

Suman Kalyan Moulik
৪ মিনিট
জিডিপির পর্দাফাঁস! মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে মোদি জামানার অর্থনীতি?

ভারত পৃথিবীর সবচেয়ে উদীয়মান অর্থনীতি হিসাবে উঠে আসছে বিশ্বগুরু নরেন্দ্র মোদির সফল নেতৃত্বে— গোদি মিডিয়ার এই ধারাবাহিক মিথ্যা প্রচারের পর্দাফাঁস করে দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (আইএমএফ)। এই সংস্থা তাদের 'Article Iv consultation report of India' প্রতিবেদনে ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যে শুধু সন্দেহ প্রকাশ করেনি, জিডিপির হিসাবকেও এক অর্থে বাতিল করে দিয়েছে। এই তথ্যের গুণগত মানকে 'C' দেওয়ার অর্থ আইএমএফ-এর ভাষায় "The data provided (by India) to the fund have some shortcomings that some what hamper surveillance"। এই শংসাপত্রের অর্থ ভারতের সরকারি তথ্য গুণগত মানে এতটাই নিম্ন যে তার উপর কোনো চূড়ান্ত হিসাব করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে এ কথাও উল্লেখ করা দরকার যে অর্থনীতির আরেকটি সূচক গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড (GVA) এর তথ্যেও আইএমএফ আমাদের সি দিয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি হিসাবের ক্ষেত্রে ক্রেতা মূল্য সূচক (consumer price index) এর তথ্যে আমাদের মান 'B' সেটাও সন্তোষজনক নয়।

বাংলায় একটা কথা আছে

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আইএমএফ ঋণের অপব্যবহার: ঋণ নয়, রাষ্ট্রের ছদ্মবেশী যুদ্ধ তহবিল

IMF loan: একাধিক গবেষণা বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আইএমএফ বোর্ডে সবচেয়ে বেশি ভোটাধিকার রেখে অনেক সময় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তদারকি নীতিতে হস্তক্ষেপ করে।

'গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না'।

আইএমএফ-এর এই মূল্যায়ণের পর যখন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বিরোধিতা করতে নেমে পড়েছে তখন এই প্রবাদ বাক্যটির কথা আবার মনে পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে তিলমাত্র খবরাখবর রাখেন, তারা জানেন জিডিপির এই অস্বচ্ছতা, পরিসংখ্যানের এই গন্ডগোল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রফেসর অরুণ কুমার ও প্রাক্তন মুখ্য পরিসংখ্যানবিদ প্রণব সেন। অরুণ কুমারের বক্তব্য ছিল ভারত সরকার যে জিডিপির কথা বলছে, ভারতের প্রকৃত জিডিপি তার ৪৮% মাত্র। একাধিক তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে তারা দেখিয়েছিলেন যতই সরকার অনুগত অর্থনীতিবিদেরা ভারতকে ৩.৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতির দেশ বলুক না কেন, আদতে এই অর্থনীতির পরিমাণ ২.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি নয়। ভারতে জিডিপি সংক্রান্ত পরিসংখ্যানের সবচেয়ে বড় ফাঁকি হলো জিডিপির ৪৮% হলো কৃষি-সহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের কল্পিত হিসেব যাকে তথ্য দিয়ে প্রমাণ করার ক্ষমতা ভারত সরকারের নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যে ১১টি শর্তে পাকিস্তানকে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিল আইএমএফ

IMF Loan for Pakistan: পাকিস্তানকে আট হাজার কোটি টাকার (ভারতীয় মুদ্রায়) বাড়তি ঋণ দিয়েছে আইএমএফ, যার প্রথম দুই কিস্তির টাকা ইতিমধ্যেই পড়শি দেশ পেয়ে গিয়েছে।

অরুন কুমার সঠিক ভাবে দেখিয়েছিলেন ২০১৬ সালের নোটবন্দি, তারপর জিএসটি, ২০১৮ সালের নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানির দুর্নীতি ও সংকট এবং ২০২০ সালের অতিমারি তৃণমূল স্তরে অর্থনৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিয়েছে, তাই জিডিপির সরকারি গল্পগুলি বিশ্বাসযোগ্য নয়। এই অস্বচ্ছতার কারণ হিসাবে প্রনব সেন দেখিয়েছেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সরকারের কাছে কোনো ত্রৈমাসিক ডেটা নেই, তাই গোটা হিসাবটা বহুলাংশে হয়ে উঠেছে বহুলাংশে অনুমানকেন্দ্রিক। যেমন কৃষি পণ্যের প্রকৃত মূল্য কমেছে অথচ কৃষিতে বৃদ্ধির হার রয়ে যাচ্ছে ৩.৫%-৩.৬%। আমরা যদি আইএমএফের পর্যবেক্ষণকে খুঁটিয়ে দেখি তবে প্রথমেই চোখে পড়বে ২০১১-১২ সালকে ভিত্তিবর্ষ হিসাবে ধরার সমালোচনা যা এদেশের বহু অর্থনীতিবিদ দীর্ঘদিন করে আসছেন। ২০১৫ সালে যখন প্রথম ২০১১-১২ সালকে ভিত্তিবর্ষ হিসাবে ঘোষণা করে নতুন ভাবে জিডিপির হিসাব করা হলো তখন কিন্তু পূর্ববর্তী হিসাবকে মাথায় রাখা হয়নি। একই সঙ্গে বিমুদ্রাকরণের সময় জানানো হয়েছিল ১৮ লাখের মধ্যে ৩ লাখ শেল কোম্পানি ও রেজিস্ট্রিকৃত কোম্পানিগুলির ৩০% কে তাদের ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। অরুণ কুমার সে সময় দাবি করেছিলেন এই বৃহৎ কালো টাকার অর্থনীতিকে বাইরে রেখে জিডিপির হিসাব করতে। কিন্তু সে সময় তাদের কথায় কেউ কর্ণপাত করেনি। একই সঙ্গে মোদি সরকার বিভিন্ন সমীক্ষার ফলাফলকে প্রকাশিত হতে না দিয়ে একধরনের তথ্য সন্ত্রাস করেছিল যা জিডিপিতে প্রতিফলিত হয়নি। এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ২০১৯ সালে কর্মসংস্থানের হিসাব যাতে দেখা গিয়েছিল গত ৪৫ বছরে সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব মোদি জমানায়। ২০১৭-১৮ সালে কনজিউমার সার্ভেতে প্রাপ্ত ডেটা প্রকাশ করা হয়নি। তথ্যের সঠিকতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হলো জনগণনা যা ২০২১ সালে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু আজ পর্যন্ত তা শুরু হয়নি।

নতুন জিডিপির হিসাব শুরু হওয়ার সময়েই প্রধানমন্ত্রীর এক প্রাক্তন অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বলেন যে জিডিপির হার অন্তত ২.৫% বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। আইএমএফ আরও দেখিয়েছে যে উৎপাদন ও খরচের হিসাব দু'টো আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে করা হচ্ছে বলে হিসাবে সামঞ্জস্য থাকছে না। এই নতুন হিসাব করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল নীতি আয়োগের উপর, যা তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে না। গত ১০ বছরে ধনী-নির্ধনের ফারাক যেমন বেড়েছে তেমনি বদলেছে মানুষের খরচ করার ধরন। ফলে পুরনো পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে না। এই গোটা বিষয়টা মোদি সরকারের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানকে সন্দেহজনক করে তুলেছে। আইএমএফের এই পর্যবেক্ষণ ২০২৫-২৬ ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপির হঠাৎ ৮.২% বৃদ্ধির গল্পকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। এমনকি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার অনুমান ছিল বৃদ্ধি হবে ৭%। সবার এ কথা জানা যে এই ত্রৈমাসিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) ২২ সেপ্টেম্বর থেকে জিএসটির নতুন হার চালু হয়। স্বাভাবিক ভাবেই অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম কুড়ি দিন বাজার ছিল চাহিদা শূন্য কারণ সবাই নতুন হারের অপেক্ষা করছিল। একই সঙ্গে এই সময় পর্বে এফডিআই নেট ঋণাত্মক। বহু প্রজেক্ট টাকার অভাবে স্থগিত। তাই কোনো ভাবেই এই বহু বিজ্ঞাপিত নতুন হিসাবকে মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।

এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখন ইনডেক্স অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে যে পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে গত ১৪ মাসের মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরের বৃদ্ধি সবচেয়ে কম, ০.৪%। একই সঙ্গে এক ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে নব্বই টাকা। পরিসংখ্যানে কারচুপি করে অর্থনীতির এই হতশ্রী অবস্থা সাময়িকভাবে মানুষের কাছে আড়াল করা গেলেও, দীর্ঘমেয়াদি ভাবে এই অবস্থা লুকিয়ে রাখা যাবে না। সঠিক পরিসংখ্যান শুধু স্বচ্ছতার জন্য জরুরি নয়, দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনার জন্য জরুরি। মোদি সরকার এই সত্য যত তাড়াতাড়ি উপলব্ধি করবেন, ততই মঙ্গল।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।