কৌশলে বড়সড় বদল বিজেপির, তাতেই কি পদ্ম ফুটল মহারাষ্ট্রে?

Maharashtra Election Results: গত লোকসভা ভোটেও যা চোখে পড়েনি, এবারে এই তিন রাজ্যে যা দেখা গেছে। এবারে মহারাষ্ট্রে এবং ঝাড়খন্ডে, একেবারে নীচের তলায়, বিজেপির রাজনৈতিক প্রচারকে পৌঁছে দিতে আরএসএস তাদের সম্পূর্ণ সংগঠনকে নামিয়ে দিয়েছিল।

suman sengupta
৫ মিনিট
কৌশলে বড়সড় বদল বিজেপির, তাতেই কি পদ্ম ফুটল মহারাষ্ট্রে?

হরিয়ানার পরে এবার মহারাষ্ট্র, বিজেপির আবার চমকে দেওয়া জয়। অতি বড় সেফোলজিস্টও বোধহয় এমনটা আশা করেননি। যদিও ঝাড়খণ্ডে বিজেপি জিততে পারেনি, কিন্তু এই তিনটি রাজ্যের নির্বাচন যাঁরা সামনে থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এক বাক্যে স্বীকার করবেন, গত লোকসভা ভোটের পরাজয়ের পরে বিজেপি একটা কৌশলগত পরিবর্তন করেছে। আগের সমস্ত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে লড়ে, আশানুরূপ ফল না পাওয়ায়, এবার বিজেপি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ওপর এবং স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখেই লড়াই করেছে। বিভেদের রাজনীতি তো ছিলই, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরএসএসের সাংগঠনিক শক্তি এবং মহিলাদের জন্য প্রকল্প। এই সমীকরণকে সামনে রেখেই আজকে বিজেপির এই সাফল্য। ঝাড়খণ্ডেও একই কৌশল নিয়েছিল বিজেপি এবং তার সঙ্গে যুক্ত করেছিল অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়টি, কিন্ত সেখানে তাঁদের এই কৌশল কার্যকরী হয়নি। সেখানকার আদিবাসীদের মধ্যেও তারা তাদের এই বিভাজনের ভাবনাকে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছিল,কিন্তু সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর স্ত্রী, কল্পনা সোরেনের অনমনীয়, হার না মানা মনোভাব শেষপর্যন্ত ঝাড়খন্ডে পদ্মফুল ফোটা আটকাতে পেরেছে।

ঝাড়খণ্ডে পদ্ম না ফুটলেও মহারাষ্ট্রে বিজেপি যে যে কারণে এই অভাবনীয় ফল করল, তার পর্যালোচনা করতে বসলে, প্রথমেই যা চোখে পড়বে, তা হল আরএসএসের নিজস্ব যে সংগঠন তার সাহায্য নেওয়া। গত লোকসভা ভোটেও যা চোখে পড়েনি, এবারে এই তিন রাজ্যে যা দেখা গেছে। এবারে মহারাষ্ট্রে এবং ঝাড়খন্ডে, একেবারে নীচের তলায়, বিজেপির রাজনৈতিক প্রচারকে পৌঁছে দিতে আরএসএস তাদের সম্পূর্ণ সংগঠনকে নামিয়ে দিয়েছিল। মহারাষ্ট্রে, বিরোধীরা যখন বলার চেষ্টা করেছে, সংবিধান বিপন্ন হচ্ছে, আদানি আম্বানির মতো গুজরাটি শিল্পপতিরা ছোট ব্যবসার ক্ষতি করছে, তখন আরএসএস একেবারে নীচের তলায় উল্টোটা বোঝানোর চেষ্টা করে গেছে। বলে গেছে, উদ্ধব নয়, শিবসেনার আসল উত্তরসূরী একনাথ শিন্ডে। পরিবারবাদ নয়, একজন সাধারণ অটোচালকই পারবেন বালাসাহেব ঠাকরের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। উদ্ধব ঠাকরের হাতে হিন্দুরা নিরাপদ নয়। সেই জন্যেই তারা স্লোগান তুলে এনেছে, ‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’ বা ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’। অর্থাৎ সমস্ত মারাঠাবাসীকে এক হতে হবে এবং তবেই মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও তীব্র করা যাবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হেমন্তের প্রত্যাবর্তন! বিজেপির মুখে ছাই উড়িয়ে কীভাবে জিতে গেলেন হেমন্ত সোরেন?

Jharkhand Election Result 2024: মানুষ প্রমাণ করে দিয়েছেন, সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যু দিয়ে তপশিলি উপজাতি ভোটারদের মতামতকে বদলানো যাবে না।

একদিকে যখন রাহুল গান্ধী সংবিধানের কথা বলেছেন, জাতিগত জনগণনার প্রসঙ্গ তুলে এনেছেন, তখন বিজেপি-আরএসএস তাদের সমস্ত স্লোগানকে একেবারে সহজবোধ্য করে, নীচের তলায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। বিরোধীরা হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন, যে এই নির্বাচনটা জাতীয় স্তরের নির্বাচন নয়, এটা একটি আঞ্চলিক স্তরের এবং একটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন এবং এখানে আঞ্চলিক রাগ এবং ক্ষোভকে ভোটে নিয়ে যেতে হয়। তা করতে গেলে নীচের তলায় সংগঠনের প্রয়োজন এবং আঞ্চলিক বিষয়কে ধরে প্রচার চালানোটা একজন আঞ্চলিক নেতাই করতে পারেন। কর্ণাটকে যেমন ছিলেন ডি কে শিবকুমার এবং সিদ্দারামাইয়া, মহারাষ্ট্রে কি তেমন কোনও নেতা ছিলেন? উদ্ধব ঠাকরে কিংবা শরদ পাওয়ার ছিলেন বটে, কিন্তু বিজেপিকে পরাজিত করার জন্য তাঁরা যতটা আক্রমণাত্মক হওয়ার প্রয়োজন ছিল, ততটা ছিলেন না। এই নির্বাচনের পরে আবারও শুধু নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ এবং জে পি নাড্ডার নেতৃত্বই প্রতিষ্ঠা পেল না, তার সঙ্গে আরএসএস এবং বিজেপির মধ্যে যে দূরত্ব ছিল, তা মিটল অনেকটাই। সোমবার থেকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে। বিরোধীরা হয়তো ভেবেছিলেন, সেখানে আদানি এবং মণিপুর ইস্যু নিয়ে সরকারপক্ষকে চেপে ধরবেন, কিন্তু মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফল তাঁদের সেই আশায় কিছুটা হলেও জল ঢাললো বলেই মনে হচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোন মন্ত্রে ওয়ানাড়ে রাহুল গান্ধির চেয়েও বেশি ভোটে জয় প্রিয়াঙ্কা গান্ধির?

Priyanka Gandhi’s Wayanad victory: রাহুল গান্ধির রেকর্ড ভেঙে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি কেরলের ওয়ানাড় লোকসভা কেন্দ্রে একাই প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

অনেকেই বলছেন, মহারাষ্ট্রে শেষ মূহুর্তে মহিলাদের জন্য যে ‘ মাঝি লাডলি বেহেনা’ প্রকল্প আনা হয়েছিল একনাথ শিন্ডের পক্ষ থেকে, তাতেই এই সাফল্য, কিন্তু তার পিছনেও আরএসএসের মহিলা বাহিনীর যথেষ্ট প্রভাব আছে শোনা যাচ্ছে। তাদের দুর্গা বাহিনী নাকি ঘরে ঘরে ঢুকে এই প্রকল্পের প্রচার করেছে বলে শোনা গিয়েছে। যদি খেয়াল করা যায়, এতদিন অবধি বিধানসভা হোক বা লোকসভা, যে কোনও নির্বাচনে তাঁদের একমাত্র মুখ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে, তার সঙ্গে সঙ্গত দিতেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তো এই দু’জন প্রায় রোজ এসেছিলেন প্রচার করতে। তথ্য বলছে, এবারের মহারাষ্ট্র নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি সর্বসাকুল্যে ২৮৮টি আসনের জন্য মোট ১২টি সভা করেছেন আর ৮১ আসনের ঝাড়খন্ডে উনি ৬টি সভা করেছেন। কিছুদিন আগে যে হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল, সেখানেও তিনি মাত্র ৪টি সভা করেছিলেন। অর্থাৎ, বোঝাই যাচ্ছে, লোকসভা নির্বাচনেরপর থেকে আরএসএস নরেন্দ্র মোদীর ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে এবং নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার চেষ্টা করছেন এবং তাতে তাঁরা সফলও হচ্ছেন। মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফডনবীস এবং ঝাড়খণ্ডে বাবুলাল মারান্ডিকে সামনে রেখে লড়াই করার মধ্যে দিয়ে তারা এই বার্তাই দিতে চাইছে যে আমাদের তূণে শুধু নরেন্দ্র মোদি নয়, আরো অনেক তির আছে। অসমে উপনির্বাচন থাকা সত্ত্বেও, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা মাটি কামড়ে পড়ে থেকেছেন ঝাড়খণ্ডে। সঙ্গে ছিলেন শিবারাজ সিং চৌহান,যিনি তার মধ্যপ্রদেশ জেতার অভিজ্ঞতা দিয়ে ঝাড়খণ্ডে পড়ে থেকে কাজ করে গেছেন। যদিও পারেননি, কিন্তু তারা যে নিজেদের মতো করে তাঁদের কৌশল বদল করেছেন, তা স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে।

আসল কথা হল, বিজেপির কৌশলগুলো বিরোধীরা এখনও বুঝে উঠতে পারেনি। আর তা এবার মহারাষ্ট্রে এবং ঝাড়খন্ডের নির্বাচনে বেশ বোঝা গেছে। যেখানে যেরকম কৌশল নেওয়ার কথা, সেখানে সেইরকম কৌশল নেওয়া যে আজকের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তা খুব দ্রুত বুঝতে হবে ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে। ঝাড়খণ্ডেও পুরো ‘ইন্ডিয়া’ জোট একসঙ্গে লড়াই করেছে, তা অতিবড় সমর্থকও বলবে না। বাম দলগুলোও এক হয়ে লড়াই করতে পারেনি। না হলে, জেএমএম এবং সিপিআইএমএলের বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াইতে, ধানওয়ার কেন্দ্রে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ী হতেন না। মহারাষ্ট্রেও শরদ পাওয়ার, উদ্ধব ঠাকরে এবং কংগ্রেসের জোটকে কখনও কখনও বেসুরো লেগেছে। যেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি লোকসভা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, তাঁদের আর আরএসএসের প্রয়োজন নেই। সেখান থেকে সরে এসে আরএসএস-বিজেপি বর্তমানে ঠিক করে নিয়েছে, আগামিদিনে সাংঠনিকভাবে প্রচারের ক্ষেত্রে কোনও একক ব্যক্তির উপর নির্ভরতা আর নয়। সেখানে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট সাংগঠনিক এবং ব্যক্তি-নির্ভরতা, দু'ক্ষেত্রেই পিছিয়ে। বিজেপি এবং আরএসএস আগামিদিনে জনগণনা করাতে চলেছে, তারপরেই তারা মহিলা বিল আনার প্রক্রিয়া নেবে এবং তা দিয়ে প্রচার করবে, যে প্রচার তাদের বিরুদ্ধে করা হয়, তারা মহিলা বিরোধী। কিন্তু আদতে তা তারা মোটেও নয়। তারা দুর্গাবাহিনীকে ময়দানে নামিয়ে এটাই প্রমাণ করতে চাইবে যে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছার জন্যেই মহিলা বিল পাশ হচ্ছে, তার জন্যেই বিভিন্ন রাজ্যে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে।

আগামিদিনে বিরোধীরা যদি সঠিক দিশা না দেখাতে পারে, সাংগঠনিকভাবে দ্বিগুণ শক্তিশালী বিজেপিকে পরাজিত করা কঠিন হয়ে যাবে। জনগণনার পরে যখন দেখা যাবে, দেশের কর্মক্ষম যুবকদের সংখ্যা বাড়ছে এবং দেশের আসল সমস্যা বেকারত্ব, এবং তা কখনওই অনুপ্রবেশ নয় এবং এই পুরো বিষয়টা নিয়ে প্রচার না করতে পারে,তাহলে সমূহ বিপদ। কিন্তু বিরোধীরা কি পারবে, তাদের এই ন্যারেটিভকে সামনে নিয়ে এসে প্রচার করতে? আদানির দুর্নীতি অবশ্যই একটা ইস্যু, কিন্তু তা কীভাবে সাধারণ মানুষের যাপনের সঙ্গে জড়িত, তা যদি সহজ করে বোঝানো না যায়, তাহলে সকাল থেকে বিকেল অবধি, ‘আদানি চোর’, আদানি ২৫০ বিলিয়ন ডলার ঘুষ দিয়েছে বলে আমেরিকান আদালতের তথ্য নিয়ে চিৎকার করেও লাভ হবে না, কারণ শেষ বিচারে একজন সাধারণ মানুষ কল্পনাও করতে পারেন না, ২৫০ বিলিয়ন ডলার মানে ভারতীয় মুদ্রায় কত টাকা এবং সেই কারণে তার ব্যক্তিগত কী ক্ষতি হচ্ছে। এই কথাগুলো সামাজিক মাধ্যমে কিঞ্চিৎ কিছু আকর্ষণ তৈরি করতে পারে সাময়িক, অন্যথা খুব বেশী লাভ হবে না। ওদিকে আরএসএস তলায় তলায় প্রচার করবে, আদানি একজন ভারতীয় ব্যবসায়ী বলে, আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদী শক্তিরা ইচ্ছে করে তাঁকে বদনাম করছে আর গৌতম আদানি পিছনে ভারতীয় পতাকা লাগিয়ে বলবে সে নির্দোষ, আর সাধারণ মানুষ সেটাই বিশ্বাস করতেই থাকবে। আর এভাবে তবে কি শেষপর্যন্ত জিতে যাবে আরএসএসের সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মুখোশের রাজনৈতিক লাইনই, সেই প্রশ্নই উস্কে দিয়েছে দুই রাজ্যের এই ভোটের ফলাফল।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।