আরও অবৈধ বসতি বানাচ্ছে ইজরায়েল! দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কফিনে শেষ পেরেক?

Israel illegal settlements: বর্তমানে পশ্চিম তীরে ৫০০,০০০-এরও বেশি ইজরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর বাস, যারা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ বলে বিবেচিত ১০০টিরও বেশি বসতিতে অবস্থান করছেন।

Asish Gupta
৩ মিনিট
আরও অবৈধ বসতি বানাচ্ছে ইজরায়েল! দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কফিনে শেষ পেরেক?

ইজরায়েল সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২২টি নতুন অবৈধ বসতির অনুমোদন দেবে, যার মধ্যে এমন কিছু ‘আউটপোস্ট’ রয়েছে যা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে এবং এতদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ও ইজরায়েলি আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত ছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এই সিদ্ধান্তের ঘোষণায় বলেন, এটি “জুডিয়া ও সামারিয়া”— অর্থাৎ অধিকৃত পশ্চিম তীরের উপর ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রণকে আরও শক্তিশালী করবে এবং একই সঙ্গে সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পথ রুদ্ধ করবে। কাটজ এই পদক্ষেপকে একটি “কৌশলগত সিদ্ধান্ত” হিসেবে বর্ণনা করেন যা ইজরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে স্মোট্রিচ, যিনি নিজে অবৈধভাবে ফিলিস্তিনি জমিতে গড়ে ওঠা একটি বসতিতে বসবাস করেন এবং যিনি পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলি ভূখণ্ডে রূপান্তরের পক্ষে জোরালোভাবে সোচ্চার, একে “ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত” বলে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকেও এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি “এক প্রজন্মে একবার” আসা সুযোগ যা ইজরায়েলের পূর্ব সীমান্তে, অর্থাৎ জর্ডান উপত্যকার পাশে, চূড়ান্ত দখলদারি বাস্তবতা প্রতিষ্ঠা করবে।

বর্তমানে পশ্চিম তীরে ৫০০,০০০-এরও বেশি ইজরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর বাস, যারা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ বলে বিবেচিত ১০০টিরও বেশি বসতিতে অবস্থান করছেন। এই বসতিগুলো ছোট ও অননুমোদিত আউটপোস্ট থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ পরিকাঠামোযুক্ত শহুরে বসতিতে পরিণত হয়েছে, যার ফলে পশ্চিম তীরের তিন মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি নাগরিক কার্যত বিচ্ছিন্ন ছিটমহলের মতো বসবাসে বাধ্য হচ্ছেন। বসতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইজরায়েল এমন এক 'বাস্তবতা' তৈরি করছে, যেখানে এক অবিচ্ছেদ্য, টুকরো টুকরো করা ভূখণ্ডে একটি কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এটি শুধু দখলদারিত্ব নয়, বরং “নীরব জাতিগত শুদ্ধির” কৌশল। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৩৩৪, ২০১৬ সালে গৃহীত, এই ধরনের সকল বসতি স্থাপনকে অবৈধ ঘোষণা করেছে এবং বারবার আহ্বান জানিয়েছে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করার জন্য। একই সঙ্গে ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে ঘোষণা করে। তবুও, ইজরায়েল ক্রমাগত এইসব রায় উপেক্ষা করে যাচ্ছে এবং পশ্চিম তীরকে একটি ডি ফ্যাক্টো ইজরায়েলি এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কীভাবে গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধে AI ব্যবহার করল ইজরায়েল?

AI in Gaza War: ইজরায়েলি বাহিনীকে 'টার্গেট' নির্ধারণ করতে গাজা জুড়ে অজস্র ফিলিস্তিনিদের মুখ স্ক্যান করতে গুগল ফটো ফেসিয়াল রিকগনিশন পরিষেবা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে গুগল।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্সিয়াল মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনেহ এই সিদ্ধান্তকে “বিপজ্জনক উত্তেজনার সূচনা” এবং “আন্তর্জাতিক বৈধতার প্রতি প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ” বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং তা একথা স্পষ্ট করে দেয় যে ইজরায়েল আলোচনার মাধ্যমে নয়, একতরফাভাবেই রাজনৈতিক বাস্তবতা চাপিয়ে দিতে চায়। তিনি মনে করিয়ে দেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সব বসতি কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ এবং তা অবৈধই থাকবে। ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্তকে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে ভবিষ্যতের একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে মাটিচাপা দেওয়া। ইসলামপন্থী গোষ্ঠী হামাসের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি বলেন, “নেতানিয়াহুর সরকার পশ্চিম তীরে নতুন ২২টি বসতির ঘোষণা দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।” তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নকে এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ এবং কার্যকর পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান।

ইজরায়েলি বেসরকারি সংস্থা পিস নাউ এক বিবৃতিতে বলেছে, “এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরের চেহারাকে আমূল বদলে দেবে এবং দখলদারি ব্যবস্থাকে আরও গভীর ও স্থায়ী করে তুলবে।” সংস্থাটি আরও জানায়, এটি একটি সময়োপযোগী কৌশল — যখন আন্তর্জাতিক দৃষ্টি গাজার যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ের দিকে নিবদ্ধ তখন ইজরায়েল পশ্চিম তীরে তার ভূখণ্ড ও জনসংখ্যাগত বাস্তবতা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া গোপনে চালিয়ে যাচ্ছে। আল জাজিরার সাংবাদিক নিদা ইব্রাহিম এই প্রসঙ্গে বলেন, “ইজরায়েলি বসতিগুলো ইতোমধ্যেই ফিলিস্তিন সম্প্রদায়কে শ্বাসরোধ করছে। এই নতুন বসতিগুলো সেই ফাঁকগুলো পূরণ করে ফেলবে, যেগুলো ভবিষ্যতের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য সামান্য যে ভূখণ্ড অবশিষ্ট ছিল, তাকেও ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে তুলবে।” তাঁর মতে, গাজার মানবিক সংকট আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও কূটনীতিকে ব্যস্ত রেখেছে, আর এই ফাঁকে ইজরায়েল পশ্চিম তীরকে চূড়ান্তভাবে নিজের দখলে নিয়ে আসার পরিকল্পনা কার্যকর করছে।

এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে করা হলো, যখন ফ্রান্স ও সৌদি আরবের নেতৃত্বে জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনা চলছে, যার উদ্দেশ্য দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা ইজরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান পুনরুজ্জীবিত করা। কিন্তু বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বসতি সম্প্রসারণের এই সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়াকে কার্যত অকার্যকর করে তুলবে এবং এই অঞ্চলকে আরও গভীর সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষপাতমূলক অবস্থান, ইজরায়েলকে এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নে উৎসাহিত করছে বলেও মত দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আদৌ কার্যকর কোনও পদক্ষেপ করবে? না কি এই নীরবতা আরও একবার অন্যায় দখলদারিত্বকে বৈধতা দেবে এবং একদিন ইতিহাসে লেখা হবে — দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান শুধু এক রাজনৈতিক কল্পনা ছিল, যার কবর রচিত হয়েছে শিলাখণ্ডের আড়ালে গড়ে ওঠা বসতি শহরের ভিতরেই।

লিখেছেন
Asish Gupta
Asish Gupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।