ইজরায়েলের ডানপন্থী সরকার প্যালেস্তাইনের হামাস, দুইয়ের পতন চাই

Israel Palestine War 2023 : সন্ত্রাসবাদ আসলে তো ফ্যাসিবাদ এবং ছদ্ম-ধর্মীয় মৌলবাদের পছন্দের অস্ত্র। সন্ত্রাস চিরকালই জাতীয় মুক্তি ও বিপ্লবের শত্রু।

Hune Margulies
৪ মিনিট
ইজরায়েলের ডানপন্থী সরকার প্যালেস্তাইনের হামাস, দুইয়ের পতন চাই

শান্তিকে কখনও 'লক্ষ্য' হিসাবে ধরা উচিত নয়। শান্তি হচ্ছে লক্ষ্যে পৌঁছনোর একমাত্র উপায় এবং পথ। শান্তির মাধ্যমে যা সম্ভব নয়, তা অনুসরণ করাই উচিত নয়। যদি মুক্তি এবং ন্যায়বিচার লক্ষ্য হয়, তবে হিংসার মাধ্যমে তা কখনই পাওয়া সম্ভব না। হিংসা তো মুক্তি এবং ন্যায়বিচারকেই হত্যা করে। অন্যভাবে বলতে গেলে, একমাত্র শান্তিই মুক্তি ও ন্যায়ের জন্ম দিতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে অর্থাৎ প্যালেস্তাইন এবং সেদেশের জনগণের উপর ইজরায়েলি দখলদারিত্ব অবিলম্বে শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে সংগ্রামের পদ্ধতি হিসাবে ফিলিস্তিনিদেরও সন্ত্রাসবাদের পথ ছাড়তে হবে।

বর্তমান ঘটনার আলোকে, একটি স্পষ্ট প্রেক্ষাপট স্থাপন করা অপরিহার্য। কোনও বিষয়কে তার প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করা আসলে সবটা ঘেঁটে দেওয়ার এক দুর্দান্ত অজুহাত। একইভাবে, একটি ঘটনাকে এর প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করাও ততটাই বিপজ্জনক। ১৯৩৬ সালে, ইহুদি দার্শনিক মার্টিন বিউবর মহাত্মা গান্ধীর কাছে ইহুদিবাদ এবং ইহুদিদের তাদের পৈতৃক জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার এবং পুনর্বাসনের অধিকারের বিষয়ে একটি বিস্তারিত চিঠি লিখেছিলেন। মহাত্মা গান্ধী সেই চিঠির উত্তর দেওয়ার সুযোগ পাননি। এই চিঠিটি গান্ধীর কাছে এসে পৌঁছনোর কিছুকাল পরেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। গান্ধী আগে লিখেছিলেন, ইহুদিদের উচিত অহিংস পথে হাঁটা। হিংসার পথে গিয়ে আত্মরক্ষা না করে বরং নিজেদের নাৎসিদের হাতে মরতে দেওয়াই ভালো। গান্ধী ইহুদিদের উপর নাৎসিদের আক্রমণ সম্পর্কে এমন কথা লেখার আগে অবশ্য ভয়াবহ হলোকাস্ট দেখেছেন তিনি। বিউবারের কাছে মহাত্মা গান্ধী চিরকালই ছিলেন এক প্রিয় পথপ্রদর্শক এবং অনুপ্রেরণা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং ষাট লক্ষ ইহুদির মৃত্যুর পাঁচ বছর পরে, ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ঠিক যেভাবে ঔপনিবেশিক দেশগুলি প্রভুত্বের জন্যই তৈরি হয়েছিল। হিব্রু বাইবেল (ওল্ড টেস্টামেন্ট) এবং খ্রিস্টান বাইবেলে (নিউ টেস্টামেন্ট) মুসা, নবী এবং খ্রিস্টের দেশ বিভিন্নভাবে কেনান, কিংডম অব জুডিয়া এবং কিংডম অব ইজরায়েল নামে পরিচিত ছিল।

যুদ্ধ চলাকালীন এবং এর পরেও মার্টিন বিউবার মনে করতেন, একটি আলাদা ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে সমগ্র প্যালেস্তাইনের উচিত ইহুদি ও আরবদের একটি যৌথ ধর্মনিরপেক্ষ এবং গণতান্ত্রিক দ্বি-জাতীয় প্রজাতন্ত্র হয়ে ওঠা। সেই সময়, অনেক ইহুদি বা আরব এমন ধারণাকে মেনে নিতে পারেননি। ফলত প্যালেস্তাইনকে দু'টি রাষ্ট্রে ভাগ করা হয়েছিল, একটি ইহুদি এবং একটি আরব। ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবে এই বিষয়টির অনুমোদন দেওয়া হয়। মজার ব্যাপার হলো, ভারত ও পাকিস্তান ভাগ হচ্ছে সেই সময়। এই দুই দেশ প্যালেস্তাইন ও ইজরায়েলের কাছে দেশভাগের সমস্যা সমাধানের আদর্শ হয়ে ওঠে। তৎকালীন ইহুদি সরকার জাতিসংঘের এই বিভাজনের প্রস্তাব মেনে নেয়, কিন্তু আরব পক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করে এবং যুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের 'স্বাধীনতার যুদ্ধ' বা ফিলিস্তিনিরা যাকে বলে 'নাকভা', শেষ হওয়ার পরও যুদ্ধবিগ্রহের ঘটনা লেগেইছিল ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত। যুদ্ধের ফলে বিপুল সংখ্যক প্যালেস্তিনিয় মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে যান এবং এখনও হচ্ছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
থিয়েটার করতেন চুটিয়ে, স্ত্রী-শিশুদের খুন করে ইজরায়েল! হামাসের মাস্টারমাইন্ড দেইফ এক রহস্য

Hamas Master Mind Mohammed Deif : ২০১৪ সালে ইজরায়েলি বিমান হামলায় তাঁর স্ত্রী, ৭ মাসের শিশুপুত্র এবং ৩ বছরের মেয়ে নিহত হয়।

আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, এই এত যুদ্ধের পরও কি ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের জনগণের মধ্যে শান্তি চুক্তি হতে পারে? বিপুল সংখ্যক আরব এবং মুসলিম দেশ ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের সঙ্গে শান্তি স্থাপন করেছে এবং আরও অনেকগুলি দেশই সেই পথে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে প্যালেস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের প্রধান ইয়াসির আরাফাত ইজরায়েলের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। এই পিএলও-কে প্যালেস্তাইনের জনগণের এক বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ। পিএলও ইজরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। সেই সময়ে ইজরায়েলের পাশাপাশি প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র তৈরির আশা ফের জেগে ওঠে। বহু ইজরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি এই চুক্তিতে আশার আলো খুঁজে পান। তবে ইয়াসির আরাফাতের মৃত্যুর পর, এক নতুন প্যালেস্তিনিয় উগ্র ইসলামপন্থী সংগঠনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে পিএলও। হামাসের জন্ম হয় তখনই। পিএলওর শাসন থেকে গাজা উপত্যকা চলে যায় হামাসের দখলে। হামাসের ভিত্তি সনদে সাফ লেখা আছে, প্যালেস্তাইন মুসলিম ভূমি এবং তাই কোনও ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকতে দেওয়া যাবে না। হামাস ইজরায়েলের সঙ্গে পিএলও-র শান্তি চুক্তিতে সই করতেও অস্বীকার করে। তারপর থেকেই সশস্ত্র হামলা এবং অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে হামাস। গাজার হামাস সরকার প্রধানত অন্যান্য মৌলবাদী মুসলিম দেশ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে ইরানের ব্যাপক সমর্থন পায়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের বিরুদ্ধে হামাসের এই সন্ত্রাসবাদী হামলাকে ইজরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রাম হিসেবে দেখা একেবারেই উচিত নয়। এটি ইজরায়েলে হামাসের সন্ত্রাসবাদী অনুপ্রবেশ ও হামলা। প্যালেস্তাইনের সাধারণ মানুষ যথাযথ কারণেই হতাশ, ক্ষুব্ধ এবং তাঁদের অবস্থা শোচনীয়। স্বাধীনতার আশা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে প্রতিদিন। প্রতিরোধ করার অধিকার সকলের আছে, অবশ্যই আছে। কিন্তু নারীদের ধর্ষণ করার, বৃদ্ধাদের অপহরণ করার, মা, বাবা এবং তাদের ৩টি ছোট বাচ্চাকে হত্যা করার, নাচের কনসার্টে আসা নিরীহ দর্শকদের গুলি করে খুন করার এবং শিশুদের অপহরণ করার কোনও অধিকার কারও নেই। শহরজুড়ে সহস্রাধিক নিরস্ত্র নাগরিককে হত্যা করার কোনও অধিকার কারও নেই। হামাস আসলে আইএসআইএসের যুদ্ধপুতুল, প্যালেস্তাইনের অধিকার রক্ষার 'মসিহা' নয়। হ্যাঁ, অবশ্যই অধিকৃত অঞ্চলে প্যালেস্তাইনের মানুষদের উপর ইজরায়েলের হিংসাত্মক দমন-পীড়নও একইভাবে নিন্দনীয়, কিন্তু ৭ অক্টোবরের এই ঘটনার পর সেই নৈতিক সংবেদনশীলতাও যেন ভেঙে গেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পবিত্র দিনেই কেন খুন ইজরায়েলের সাধারণ মানুষ? কারা এই হামাস, কী-ই বা তাদের লক্ষ্য?

Hamas Israel Attack : হামাস এই দিনটিকে বেছে নিয়েছে কারণ এটি শুধু ইহুদি ধর্মের পবিত্র দিনই নয়, ১৯৭৩ সালের সংঘাতের ৫০ বছরও।

মহাত্মা গান্ধীর কাছ থেকে আমরা শিখেছি, মানবতার উপর হামলা, মানুষের উপর নৃশংস হামলাকে কখনই প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসাবে ভাবা উচিত নয়। সবসময়ই আমাদের আক্রমণের নির্দিষ্ট কারণ এবং এর পদ্ধতিগুলোর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। কারণ যাই হোক না কেন, অন্য কোনও দেশ, দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ যাই হোক না কেন, লড়াইয়ের উপায়ই বলে দেয় যোদ্ধা সঠিক নাকি ভুল। যোদ্ধা আসলে সত্যিকারের বিরোধী-বিদ্রোহী নাকি সে তলে তলে ফ্যাসিবাদকেই পুষে রাখছে। আমরা, যারা শান্তি খুঁজছি, অর্থাৎ দুই জনগণের জন্য দু'টি রাষ্ট্র চাইছি তাদের অবশ্যই হামাসকে প্রতিহত করতে হবে। হামাসকে যারা অন্ন জোগায়, অর্থ জোগায় তাদের হারাতে হবে। আমরা যারা শান্তি চাই, গণতন্ত্র চাই, তাদের অবশ্যই ইজরায়েলের ডানপন্থী, মৌলবাদী এবং নিজেকে সর্বোচ্চ ঈশ্বর ভাবা সরকারের দ্রুত অবসান ঘটাতে হবে।

দেশের মুক্তি আর সন্ত্রাসবাদ- আশ্চর্যজনকভাবে সহাবস্থান করে। যারা বিপ্লবের জন্য সংগ্রাম করছে তাদের অবশ্যই সংগ্রামের সময় বিপ্লবের মূল্যবোধকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সন্ত্রাসবাদ আসলে তো ফ্যাসিবাদ এবং ছদ্ম-ধর্মীয় মৌলবাদের পছন্দের অস্ত্র। সন্ত্রাস চিরকালই জাতীয় মুক্তি ও বিপ্লবের শত্রু। আমরা যারা ফিলিস্তিনি জনগণের নিজস্ব সার্বভৌম রাষ্ট্রের অধিকারকে সমর্থন করি, যারা চাই ইজরায়েলের সার্বভৌম রাষ্ট্রের পাশেই গড়ে উঠুক স্বাধীন প্যালেস্তাইন, তাদের অবশ্যই দ্ব্যর্থহীনভাবে এই সন্ত্রাসের নিন্দা করতে হবে, সন্ত্রাসকে ঘৃণা করতে হবে। দক্ষিণ ইজরায়েলের জনগণের উপর হামাসের আক্রমণ নির্বিচারে হত্যা এবং নিরস্ত্র নাগরিকদের অপহরণের নিন্দা করতে হবে। সন্ত্রাস থামুক, শান্তি বিরাজ করুক চিরকাল।

লেখক হিউন মার্গুলিস একজন গবেষক এবং কবি। মার্টিন বিউবারের দর্শন এবং জেন বৌদ্ধধর্মের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে কাজ করেন তিনি।

লিখেছেন
Hune Margulies
Hune Margulies
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।