'অপা'র পর এবার জ্যোতিপ্রিয়ের 'দোতারা'! কেন চোরেদের স্বর্গরাজ্য কবিগুরুর শান্তিনিকেতন?

Jyotipriya Mallick Bolpur Dotara : কবিগুরুর বোলপুর এখন কালো টাকাকে বিলাসে পরিণত করার এক 'হটস্পট'। ঘুষের টাকা, চুরির টাকা, জালিয়াতির টাকা উড়ে বেরাচ্ছে রাবীন্দ্রিক হাওয়ায়।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
'অপা'র পর এবার জ্যোতিপ্রিয়ের 'দোতারা'! কেন চোরেদের স্বর্গরাজ্য কবিগুরুর শান্তিনিকেতন?

কবিগুরুকে বাঙালি বুকে রেখেছে। এই বাঙালির মধ্যে কিন্তু কোনও শ্রেণিভেদ নেই। বেকার প্রেমিক-প্রেমিকা থেকে শুরু করে বাংলা দাপানো কবি, দেশ কাঁপানো নেতা, মধ্যবিত্ত করণিক... সকলেই প্রায় তীর্থের মতো একবার না একবার শান্তিনিকেতন ভ্রমণে যান। কবিগুরুর জায়গা, সাহিত্য, শিক্ষা, চেতনার পীঠস্থান। সেখানে জীবদ্দশায় একবারও পায়ের চিহ্ন দেননি এমন বাঙালি নেই প্রায়। শুধু তো পায়ের চিহ্ন দিলে হবে না। সোনাঝুরির গহিনকে পেতে হবে, সপ্তাহান্তে দাপাতে হবে কোপাইয়ের ধারে, তবেই না রবিঠাকুরকে একেবারে প্রাণে মনে মেখে নেওয়া যাবে! এই মাখামাখিকে পাকাপাকি করতে তাই অনেকেই বোলপুরে জমি কেনেন। অবসর কাটানোর ঠিকানা গড়েন। বোলপুর বিত্তশালীদের বাগানবাড়িতে যে ভরে উঠেছে তা শান্তিনিকেতনে নেমে খানিক হাঁটাহাঁটি করলেই বোঝা যাবে। এই বাগানবাড়িগুলি শুধুই কি শখের বাসা? নাকি এই বাগানবাড়ি আসলে কবিগুরুকে সামনে রেখে কালো টাকার এক ব্যাপক উদযাপন? গতবছরই 'অপা' বাড়িটি নিয়ে হইচই হওয়ার পর এবার জ্যোতিপ্রিয়র 'দোতারা' নিয়ে টানাটানি। দুর্নীতিতে জড়ানো মাথাদের কি বোলপুরে বাড়ি থাকাটা অন্যতম আভিজাত্য?

বোলপুরের ফুলডাঙায় বাড়ি গড়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ তৃণমূলের একেবার গোড়ার মানুষ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, এখন হাজতে। বস্তায় ভরে রাখা কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে তাঁর ও তাঁর বান্ধবী অর্পিতার একাধিক বাড়ি থেকে। বস্তামোড়া কোটি টাকা উদ্ধারের অশ্লীল সেই দৃশ্য এখনও উজ্জ্বল। বোলপুরের বাড়িটার নাম ‘অপা’! ভারী মিষ্টি করে অর্পিতার 'অ' আর পার্থর 'পা' মিলে বাগানবাড়ির নাম রাখা হয়েছিল। কবিগুরু, শান্তিনিকেতন, রাজ্যের শিক্ষা দফতর, শিক্ষামন্ত্রী- সব মিলে খুবই জোরালো 'কম্বিনেশন', বলা বাহুল্য। কম্বিনেশন ঘেঁটে দেয় ইডি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হতেই অর্পিতা পার্থর সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে। প্রকাশ্যে আসে পার্থ অর্পিতাকে কী কী দিয়েছেন, কী কী দেবেন বলেছেন। গাছগাছালিতে ঘেরা, বিরাট জায়গা নিয়ে তৈরি বিলাসবহুল বাগানবাড়িটিও আসে প্রকাশ্যে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২০ ঘণ্টার জেরা-তল্লাশি! জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ইডির গ্রেফতারি কি সত্যিই 'ষড়যন্ত্র'?

Jyotipriya Mallick Arrested : ভোরবেলা প্রথম জ্যোতিপ্রিয়ের সল্টলেকের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডি। সল্টলেকের বিসি ব্লকে মন্ত্রীর দু’ খানি বাড়ি রয়েছে।

ইডি জানায়, ‘অপা’ নামক বাগানবাড়িটির মালিক প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। বাড়িটি কীভাবে কেনা হয়েছে তাও জেনে যান মানুষ। কবিগুরুর জনপ্রিয় স্থানে আলো খানিক কেড়ে নেয় 'অপা'। পর্যটকদের কাছে কোপাই, সোনাঝুরি, রবীন্দ্রনাথের বাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দর্শনীয় স্থান হয়ে ওঠে 'অপা'। ভূমি দফতরের নথি বলছে, বোলপুরের শ্যামবাটি মৌজায় ‘অপা’ অবস্থিত। জমির খতিয়ান নং ১২। মোট জমির পরিমাণ ১০ কাঠারও বেশি। বাড়ির বহর জানলে চমকে যেতে হয়! একতলায় ১ হাজার বর্গফুট এবং দোতলায় ২০০ বর্গফুট থাকার জায়গা। বাকিটা ফাঁকা অংশ। ফাঁকা অংশে বাহারি ফুলের গাছ। অর্পিতা এই সম্পত্তি কেনেন কলকাতার বাসিন্দা দম্পতি শ্যামলী বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায় কাছ থেকে।

২০১২ সালে এই সম্পত্তির কেনা হয়। তখনকার হিসেবে এই বাড়ির দাম ছিল মাত্র ২০ লক্ষ টাকা! বর্তমান বাজারমূল্য সেই সময়কার দামের অন্তত ৩ গুণ। সোনাঝুরি হাটের পিছনের দিকে থাকা অত্যন্ত মূল্যবান জমিতে এই 'অপা' অবস্থিত। শান্তিনিকেতন-বোলপুর এলাকাতে কেবল 'অপা'ই নয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি, গেস্ট হাউস, ফ্ল্যাট রয়েছে বলেও জানা যায়। বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামেও গোটা চারেক জমি বোলপুর চত্বরে ছড়িয়ে রয়েছে বলে জানা যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চাল-গমেই কোটি কোটি টাকা নয়ছয়! কীভাবে রেশন দুর্নীতিতে জড়ালেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়?

Jyotipriya Mallick Ration Scam : সাড়ে ৫৩ ঘণ্টা তল্লাশির পর খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০৯টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয় বাকিবুরের বাড়ি থেকে।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সম্পর্ক-সম্পত্তি সবই কিঞ্চিৎ আড়ালে চলে গেছে। এরই মাঝে নয়া এক দুর্নীতির খোঁজ। ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আরও এক মন্ত্রী। রেশন দুর্নীতি মামলায় দ্বাদশীর গভীর রাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রায় ২০ ঘণ্টা তল্লাশির পর মন্ত্রীকে গ্রেফতার করার পরেই 'দোতারা' নামে একটি বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। কবিগুরুর বোলপুরে এই বাড়ি। বাড়ির দাম শুনলে রবিঠাকুরও আঁতকে উঠবেন হয়তো! 'দোতারা' নামের বাড়িটি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। তিনি খুব একটা যান বলে জানা যায়নি, তবে তাঁর পরিবার হামেশাই থেকেছেন সেই বাড়িতে। 'বালু'-র গ্রেফতারির পরই তাঁর সম্পত্তি, টাকা-পয়সা নিয়ে ব্যাপক তল্লাশি শুরু হয়েছে। হালকা টান মারতেই উঠে এসেছে শান্তিনিকেতনের এই বাড়ির কথা।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি 'অপা'র মতোই বিলাসবহুল 'দোতারা'। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই বাড়ি দেখলে হাঁ হয়ে যেতে হয়। ইডি সূত্রের খবর, আনুমানিক দেড় কোটি টাকা দিয়ে এই বাড়ি কিনেছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তারপর বাড়ির পিছনে আরও প্রায় ৮৫ লাখ টাকা খরচ করেন তিনি। বাড়ির আগাপাছতলা বদলে যায়। তারপর এখনকার হিসেবে এই বাড়ির আনুমানিক বাজার মূল্য ৬ কোটি টাকা।

বোলপুরে বছর খানেক আগেও জমির দাম কম ছিল। রাজ্যের বহু কবি, সাহিত্যিক, গায়ক, অভিনেতাদের এমন অনেক বাড়িই রয়েছে সেখানে। কালে কালে বাঙালির 'উইকেন্ড ডেস্টিনেশন' হয়ে ওঠে শান্তিনিকেতন। সোনাঝুরির হাট প্রতিদিন বসতে শুরু করে পর্যটকদের সাধ মেটাতে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও বদলে যায়। একাধিক হোটেলের পাশাপাশি বিলাসবহুল রিসর্ট গড়ে উঠতে থাকে। হাতে টাকার জোগান থাকায় রিসর্টের মতো করেই বাড়িও তৈরি করতে থাকেন অনেকে। এই অনেকেই যে রবীন্দ্র ভক্ত এমন নয়। অনেকে হুজুগ ভক্ত, অনেকে সুরাভক্ত, অনেকে ক্ষমতাভক্ত। সকলেই নিজ নিজ প্রয়োজনে ও প্রদর্শনের তাগিদে সংস্কৃতিকে ঢাল করে নেন।

কলকাতায় বিলাসবহুল বাড়ি থাকাটা খুবই সাধারণ ব্যাপার। বোলপুরে বাড়ি থাকলে একটু কবিগুরু রবিগুরু খেলাও যায়, সংস্কৃতিকে ধরে রাখার, টান বজায় রাখার এক উটকো দায়ও পালন করা যায়। কিন্তু বিলাস আর সামর্থ খুবই শত্তুর, মোটে বনিবনা নেই। বোলপুরে এই মাত্রার বিলাস করতে চাইলে খুব সহজ কথা হচ্ছে, সাদা টাকায় সম্ভব নয়। নিজের কষ্ট করে উপার্জিত টাকায় উইকেন্ডে শান্তিনিকেতন যাওয়া আর সেখানে পাকাপাকি বাসা তৈরি করে ফেলাই বুঝে দেয় কে কোন শ্রেণিতে আছেন। কবিগুরুর বোলপুর এখন কালো টাকাকে বিলাসে পরিণত করার এক 'হটস্পট'। ঘুষের টাকা, চুরির টাকা, জালিয়াতির টাকা উড়ে বেরাচ্ছে রাবীন্দ্রিক হাওয়ায়। সেই হাওয়াই কখনও 'অপা'-কে ঘিরে থাকছে, কখনও টান দিচ্ছে 'দোতারা'-য়। শান্তিনিকেতন গড়তে কতজনের কাছেই তো হাত পেতেছিলেন রবিঠাকুর। অপা বা দোতারা গড়তে আর কেউ হাত পাতেন না। হাত না পেতেও ভোটারদের টাকা ছিনিয়ে নেওয়া যায়। ভোটাররা গুনগুন করে কেবল গাইতেই থাকেন 'আমার যে সব দিতে হবে, সে তো আমি জানি।'

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।