পিছিয়ে বিজেপি! কর্ণাটকে কংগ্রেসের জয় কতটা নিশ্চিত?

Karnataka Assembly Election Results: ২২৪ আসনের কর্ণাটক বিধানসভায় কোনও একটি দলকে সরকার গঠনের জন্য ১১৩টি আসন জিততে হবে।

inscript
২ মিনিট
পিছিয়ে বিজেপি! কর্ণাটকে কংগ্রেসের জয় কতটা নিশ্চিত?

সব বুথ এবং নির্বাচনী এলাকা থেকে তারা খবর পেয়ে গেছেন যে বিজেপিই জিতবে কর্ণাটকে। আত্মবিশ্বাসের সর্বোচ্চ ধাপে গিয়ে একথা বলছেন সে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ এস বোমাই। বিজেপি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, ম্যাজিক ফিগারের বেশি ভোট পেয়ে তারা সরকার গড়বেন এই বিষয়ে যখন প্রায় ভবিষ্যদ্বাণী করছেন বোমাই তখন অবধি হওয়া গণনা বলছে, বিজেপির পালে হাওয়া নেই তেমন। কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার প্রাথমিক প্রবণতা বলছে কংগ্রেস ক্ষমতাসীন বিজেপির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

২২৪ আসনের কর্ণাটক বিধানসভায় কোনও একটি দলকে সরকার গঠনের জন্য ১১৩টি আসন জিততে হবে। মোট ২২৪টি আসনের মধ্যে ৩৬টি আসন তপশিলি জাতি এবং ১৫টি তপশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত। ভোট গণনা শুরু হতেই দেখা যাচ্ছে কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১৩ টি আসনে! বিজেপি ৮৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে৷ বুথ ফেরত প্রায় সমস্ত সমীক্ষাই বলেছিল, কংগ্রেস রাজ্যে বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চলেছে৷

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কর্ণাটকে আতঙ্কে বিজেপি! কোন মন্ত্রে ব্যাপক জয়ের পথে কংগ্রেস?

Karnataka Assembly Polls 2023: কর্ণাটক বিধানসভার ভোটে সম্ভবত দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে মোদি-শাহের দল।

এইবারের কর্ণাটক বিধানসভা ভোটে যে নেতাদের নির্বাচনী ভাগ্য ঝুলে রয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোমাই, কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া ও ডি কে শিবকুমার এবং জেডি(এস)-এর এইচডি কুমারস্বামী। জেডি(এস) সামান্য আসন পাবে ঠিকই, কিন্তু কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে কিনা প্রশ্ন রয়েছে। সেক্ষেত্রে জেডি(এস)-এর ভূমিকাই ঠিক করবে সরকার গঠন করবে কারা।

ভোট গণনার প্রাথমিক খবর বলছে, বাসভরাজ বোমাই শিগগাঁওয়ে এগিয়েই রয়েছেন। কংগ্রেস প্রার্থী ইয়াসির আহমেদ খান পাঠানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন তিনি। অন্যদিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার ছেলে, যথিন্দ্র সিদ্দারামাইয়ার আত্মবিশ্বাস, দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে এবং ক্ষমতায় আসবে। কংগ্রেস সভাপতি এম মল্লিকার্জুন খাড়গের ছেলে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে চিত্তপুরে বিজেপির মণিকান্ত রাঠোড়ের বিরুদ্ধে ২,৪৯৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে, হুবলি-ধারওয়াদ কেন্দ্রীয় বিধানসভায় কংগ্রেস প্রার্থী জগদীশ শেত্তার পিছিয়ে রয়েছেন। শেত্তার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সম্প্রতি ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে টিকিট না পেয়ে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেন। কর্ণাটক কংগ্রেসের সভাপতি ডি কে শিবকুমার কনাকাপুরা বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন, বিজেপির আর অশোক পিছিয়ে রয়েছেন

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।