কানাডার হিন্দু ভারতীয়দের হুমকি, কে এই গুরপতওয়ান্ত সিং পুন্নুন?

India-Canada row: এরই মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে আরও একটি নাম, গুরপতওয়ান্ত সিং পুন্নুন। কে এই গুরপতওয়ান্ত? যতদূর জানা গিয়েছে, আমেরিকার নিষিদ্ধ সংগঠন শিখস ফর জাস্টিস (SFJ)-র প্রধান সে।

Sohini Das
৪ মিনিট
কানাডার হিন্দু ভারতীয়দের হুমকি, কে এই গুরপতওয়ান্ত সিং পুন্নুন?

খলিস্তানি ইস্যুকে ঘিরে যুযুধান ভারত ও কানাডা। কানাডার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই খলিস্তানি জঙ্গি তোষণের অভিযোগ এনে চলেছে ভারত। এরই মাঝে খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে কানাডা। ভারতের কালো তালিকাভুক্ত জঙ্গি হরদীপ খুনের অভিযোগ ভারতের কাঁধেই চাপিয়েছিল জাস্টিন ট্রুডো সরকার। তার পর কূটনৈতিক স্তরে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। একে অপরের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে দু'দেশই। দু'দেশই গুপ্তচর সন্দেহে বরখাস্ত করেছে দু'দেশের কূটনৈতিককে। এমনকী ভারত স্থগিত রেখেছে কানাডার নাগরিকদের ভিসাও। এরই মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে আরও একটি নাম, গুরপতওয়ান্ত সিং পুন্নুন। কে এই গুরপতওয়ান্ত? যতদূর জানা গিয়েছে, আমেরিকার নিষিদ্ধ সংগঠন শিখস ফর জাস্টিস (SFJ)-র প্রধান সে।

কানাডায় নিহত হরদীপ ছিল নিষিদ্ধ সংগঠন খলিস্তানি টাইগার ফোর্স (কেটিএফ)-এর মাথা। তার বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ২০২২ সালে এনআইএ তাকে কালো তালিকাভুক্ত করে। ভুয়ো পরিচয় দিয়ে কানাডায় প্রবেশের পর বহুবারের চেষ্টায় সে দেশের নাগরিকত্ব পায় সে। কলের মিস্ত্রি থেকে শুরু করে ট্রাকচালক, নানা ধরনের কাজ করেছে সে। তলে তলে যোগাযোগ ছিল একাধিক খলিস্তানি সংগঠনের সঙ্গে। কেটিএফের মাথা হওয়ার পাশাপাশি শিখস ফর জাস্টিসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল তার। এমনকী একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়ে সেখানকার কেটিএফ প্রধান জগতার সিংয়ের সঙ্গেও দেখা করে হরদীপ। জগতারও ছিল ভারতের কালো তালিকায়, যে থাইল্যান্ডে গিয়ে গ্রেফতার করা হয়। এবং প্রত্যার্পণ আইনে ফেরানো হয় ভারতে। হরদীপের মৃত্যুর পর থেকেই ফুঁসছে কানাডার খলিস্তানি সংগঠনগুলি। ইতিমধ্যেই কানাডার অভিবাসী হিন্দু ভারতীয়দের কানাডা ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে একটি হুমকি-বার্তা দিয়েছে শিখস ফর জাস্টিস। সেই ভিডিও বার্তায় যে মুখটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, সেটি আদতে গুরপতওয়ান্ত সিং পুন্নুনের। যে কিনা শিখস ফর জাস্টিস আমেরিকা শাখার প্রধান।

একটি নতুন গোয়েন্দা রিপোর্ট জানাচ্ছে, শুধুমাত্র হরদীপ খুনের প্রতিবাদই কিন্তু শিখস ফর জাস্টিস কিংবা গুরপতওয়ান্ত সিং পুন্নুনের উদ্দেশ্য নয়। বরং তলায় তলায় বড় পরিকল্পনা আঁটছে এই খলিস্তানি সংগঠনটি। ওই গোয়েন্দারিপোর্ট জানাচ্ছে, ধর্মীয় ভাবে ভারতকে বিভক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে ওই খলিস্তানি সংগঠনগুলি। ধর্ম নিয়ে এই ভেদাভেদের খেলা তো নতুন নয়। এর আগেও একাধিক বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির সঙ্গে যুঝতে হয়েছে ভারতকে। দেশভাগের দাবি উঠেছে। খলিস্তানিদের পঞ্জাব প্রদেশ ভাগের দাবিও আজকের নয়। খলিস্তান চেয়ে এর আগেও নানা অশান্তি করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই খলিস্তানি সমস্যার বলি হতে হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে আগুন জ্বলে উঠেছিল। খলিস্তানি সন্দেহে প্রাণ যায় অসংখ্য নিরপরাধ শিখের। দেশে নিষিদ্ধও ঘোষণা করা হয়েছিল খলিস্তানি সংগঠনগুলিকে। সে সময় ভারত থেকে পাততাড়ি গোটালেও কানাডার মতো একাধিক দেশে গিয়ে ছড়িয়ে বসে খলিস্তানিপন্থীরা। তলে তলে বাড়ে সংগঠন, বাড়তে থাকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপও। আর পরোক্ষ ভাবে সেই কার্যকলাপে কানাডা সরকার মদত দিয়ে এসেছে বলেই অভিযোগ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কানাডাতেই কেন আশ্রয় নিলেন শিখেরা?

History of Sikh Migration in Canada : এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শিখরা কানাডায় পাড়ি দিচ্ছেন। কেন কানাডায় এত শিখ থাকছেন?

যতদূর জানা যাচ্ছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য মিলিয়ে এই পুন্নুনের বিরুদ্ধে কম করে হলেও ষোলোটির কাছাকাছি মামলা ঝুলছে। তার মধ্যে রয়েছে দিল্লি, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ড-সহ একাধিক রাজ্য, যেখানে সন্ত্রাসমূলক কাজ করেছে এই খলিস্তানি নেতা। শুধু খলিস্তানের দাবিই নয়, ধর্মের ভিত্তিতে ভারতকে একাধিক খণ্ডে ভাগ করতে চায় এই পুন্নুন। তার মধ্যে রয়েছে একটি খলিস্তান, একটি উর্দুস্থান, যেটিকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে চায় এই নেতা।

পুন্নুনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে গোয়েন্দাদের রিপোর্টে। কাশ্মীরে মৌলবাদ ছড়ানোর কাছে সক্রিয় ভাবে অংশ নিয়েছে সে। কাশ্মীরকেও আলাদা রাষ্ট্র করার দাবি নিয়ে স্থানীয় মানুষদের মগজধোলাইয়ের ভার ছিল পুন্নুনের কাঁধে। একবার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে খলিস্তানি পতাকা তোলারও হুমকি দিয়েছিল এই এসএফজে নেতা। আপাতত আমেরিকাতেই রয়েছেন পুন্নুন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিংসা মানবে না কিন্তু হরদীপের পক্ষেই ঝুঁকে কানাডা

India Canada Relation : কানাডায় বসবাসী সমস্ত ভারতীয়-হিন্দুদের কানাডা ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিল খলিস্তানি সংগঠন শিখ ফর জাস্টিস।

তবে এই খলিস্তানপন্থি পুন্নুনের জন্ম কিন্তু ভারতেই, পঞ্জাবের অমৃতসরে। পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক পাশ করে সে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পাকিস্তান থেকে অমৃতসরের খানকোট গ্রামে এসেছিল পুন্নুনের পরিবার। পঞ্জাবের একটি সংস্থায় কাজ করতেন তাঁর বাবা।

২০১৯ সালে এনআইএ কালো তালিকাভুক্ত করে পুন্নুনকে। সেই বছরই শিখস ফর জাস্টিসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারত। ২০২২ সালের জুলাইয়ে পুন্ননকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। তবে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে রেড কর্ণার নোটিস জারি করেনি ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে। গত বছর হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগে দেওয়ালে দেওয়ালে 'খালিস্তান' ব্যানার এবং গ্রাফিতি আঁকার অভিযোগ ওঠে। সেই কাজের নেপথ্যে ছিল পুন্নুন ও তার দলবল। তার বিরুদ্ধে ভারতে দায়ের হওয়া ষোলোটি মামলার ভিতরে ন'টিতেই রয়েছে বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ। চারটি দিল্লিতে, দুটি পাঞ্জাবে (একটি অমৃতসরে এবং অন্যটি সিরহিন্দে), একটি হরিয়ানার গুরুগ্রামে এবং একটি হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায়। এছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা।

ইন্ডিয়া গেটে খালিস্তানি পতাকা উত্তোলন করতে পারলে আড়াই মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা করেন একবার পুন্নুন। ২০২১ সালে স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লায় ভারতের পতাকা উত্তোলন আটকানো পুলিশকর্মীকে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। পাঞ্জাব, দিল্লি, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং হরিয়ানার বিভিন্ন স্থানে খালিস্তানি পোস্টার এবং পতাকা লাগানোর চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অমৃতসরে পুন্নুনের বাড়ি ও তার কৃষিজমি বাজেয়াপ্ত করেছে এনআইএ। হরদীপ কাণ্ড এবং কানাডার সঙ্গে অশান্তির পর থেকে ভারতের নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা। কানাডা-ভারত দ্বন্দ্বে হরদীপের মতোই নতুন কোনও কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো পুন্নুন, তার মধ্যে আবার জড়িয়ে রয়েছে আমেরিকার নামও। ফলে ব্যাপারটি বেশ ভাবাচ্ছে ভারতের কূটনৈতিক মহলকে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।