আয়ু কমছে তিলোত্তমার, উন্নয়নের তোড়ে কলকাতারও অবস্থা জোশীমঠের মতোই!

Kolkata Cracks: মানুষ চেয়েছে সুবিধাকে পর্বতচূড়ায় নিয়ে যেতে, উন্নয়নকে জলের তলায় ঢুকিয়ে দিতে, যাদের জন্য এই উন্নয়ন- বিপদে আসলে পড়ছেন তাঁরাই।

Madhurima Dutta
৩ মিনিট
আয়ু কমছে তিলোত্তমার, উন্নয়নের তোড়ে কলকাতারও অবস্থা জোশীমঠের মতোই!

জোশীমঠ যে কোনও মুহূর্তেই হুড়মুড়িয়ে ধসে যেতে পারে। বাসিন্দারা ঘরছাড়া, বাড়িতে, রাস্তায় বিশাল ফাটল। এতদিন নানা চিঠিপত্র দিয়ে আশঙ্কার কথা জানালেও টনক নড়েনি। এবার ফাটল দেখা দিতেই তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে নির্মাণকার্য। সবাইই জানেন, পার্বত্য অঞ্চল দুর্বল। সেখানে পাথর ফাটিয়ে, মাটি খুঁড়ে চাইলেই বড় বড় বিল্ডিং গড়া বা বিশাল নির্মাণকার্য চালানো যায় না। সবাই জানলেও, সবাই মানেন না। প্রকৃতিজাত হলেও, প্রকৃতিকে ১০ গোল দেওয়া বাসনা রয়েছে মানুষের। প্রকৃতিকে বেচেই দাঁড়িয়ে আছে কত কত জায়গার অর্থনীতি! তবু, উন্নয়নের কথা ভাবতে গিয়ে আর মানুষ নিজেদের সুরক্ষার কথাই ভাবছে না। শুধু তো জোশীমঠ নয়, কলকাতা, রানিগঞ্জের মতো শহরগুলিও হামেশাই ধসছে। মাসখানেক আগেও রানিগঞ্জের বাজার এলাকায় মূল সড়ক ধসে যায়, কলকাতার কেন্দ্রে বাড়িতে বাড়িতে ফাটল। যে কোনওদিন তবে তলিয়ে যাবে তিলোত্তমাও? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আশঙ্কা অমূলক নয়।

জোশীমঠের মতো দুর্যোগ দু'ভাবে তলিয়ে দিতে পারে কলকাতাকে। হিমালয়ে যদি কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে সেক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগরের জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। সমুদ্রতীরবর্তী এলাকাগুলি জলের তলায় যেতে পারে, বিশেষত সুন্দরবন। এই ঘটনা ছাড়াও বিপদের কারণ লুকিয়ে আছে মানুষেরই হাতে। সাম্প্রতিককালে জোশীমঠের মতো মানুষের সৃষ্ট বিপর্যয়ের নজির দেখেছে কলকাতা। মেট্রোর উন্নয়ন করতে গিয়ে বাড়িছাড়া হয়েছেন মানুষ। গতবছর অক্টোবরেই ফের ফাটল দেখা দেয় বউবাজারে। এর আগে, ২০১৯ সালের ৩১ অগাস্ট, বউবাজারের বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, বউবাজার স্ট্রিট, দুর্গা পিতুরি লেনের বাসিন্দাদের ঘরছাড়া হতে হয়েছিল। মেট্রো রেলের কাজের জন্য একের পর এক বাড়িতে বিশাল ফাটল দেখা দেয়। বিশাল বিশাল বাড়ি ধসে গিয়ে হেলে পড়ে। জোশীমঠের মতোই, এখানেও সারা বাড়ি থরথর করে কেঁপেছে, ভোর রাতে বাসিন্দারা দেখেন যত্নে গড়া বাড়িতে বিশাল ফাটল। যে কোনও মুহূর্তেই তলিয়ে যাবে আস্ত বাড়িই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গঙ্গার নীচেই ছুটবে ট্রেন, নতুন বছরেই শুরু হতে চলেছে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা?

East West Metro Corridor : মাত্র ৪৫ সেকেন্ড। তার মধ্যেই গঙ্গা নদী পেরিয়ে যাবেন যাত্রীরা। খুব শীঘ্রই পরিষেবা শুরু হবে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।

মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, টানেল বোয়িং মেশিন দিয়ে মেট্রো রেলের জন্য সুড়ঙ্গ কাটার সময় মাটির ২২ মিটার গভীরে জমে থাকা জলস্তর ভেঙে পড়েছিল। বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মাটি বসে গিয়ে বউবাজারের দুর্গা পিতুরি লেন ও স্যাঁকরাপাড়া লেনের ৭৪টি বাড়ি হয় ধসে পড়ে অথবা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৬৭৪ জন বাসিন্দাদের অন্যত্র সরাতে হয় প্রশাসনকে। মেট্রোর সুড়ঙ্গে জল ঢুকে যায় মোট ১১টি জায়গা দিয়ে। ফলে দুর্বল হয়ে যায় মাটি। সেই কারণেই বাড়িতে ফাটল ধরে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
একা জোশীমঠ নয়, তলিয়ে যেতে চলেছে হিমালয়ের এই বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্রগুলিও!

Joshimath Landslide: নৈনিতাল শহরটি কুমায়ুন হিমালয়ে অবস্থিত এবং ২০১৬ সালের একটি রিপোর্ট জানান দিচ্ছে, শহরের অর্ধেক এলাকা ভূমিধসের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষে ঢাকা।

উল্লেখ্য, নদীর তলা দিয়ে মেট্রোর পথ তৈরির কাজ চলছে। হুগলি নদীর তলা দিয়ে হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত রাস্তা হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর। মোট দৈর্ঘ্য ১৬.৫ কিলোমিটার, যার মধ্যে ১০.৮ কিলোমিটার পথ মেট্রো যাবে মাটির তলা দিয়েই। নদীর তলা দিয়ে মেট্রো চালানোর পরিকল্পনা শুনতে যতটাই দুর্দান্ত মনে হোক না কেন, এর ফলে কী কী বিপদ হতে পারে, তার পূর্বাভাস কলকাতা ইতিমধ্যেই পেয়েছে। নদীর মধ্যেকার জমি স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল। সেখানে যত উন্নত কৌশলই আমদানি করা হোক না কেন, নদীর জলস্তর বা জলের চাপ কখন কীভাবে বদলায়, কোন টেকটনিক প্লেটের গতি কী হবে, প্রকৃতির কোন বিপর্যয় কখন কীভাবে ছাপ ফেলে আগাম বলা সম্ভবই নয়।

খনি অঞ্চলের জমি ভেতরে ভেতরে ফাঁপা হয়ে গিয়েছে। কয়লা তোলার পরে খাদান পর্যাপ্তভাবে ভরাটের কোনও সুব্যবস্থা থাকে না। রানিগঞ্জ এবং লাগোয়া এলাকায় তাই প্রায় প্রতিবছরই সড়ক ধরে যাওয়া, বাড়িতে ফাটল নিত্য নৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলকাতার মতো নদী লাগোয়া দুর্বল শহরে ইতিমধ্যেই যা উন্নয়ন, যা প্রকাণ্ড বাড়ি, যা মানুষের বাস, তা কী ব্যাপক চাপ ফেলে জমির উপর বলা বাহুল্য। কলকাতায় নির্মাণের বিরাম নেই। জোশীমঠেও ছিল না। মানুষ চেয়েছে সুবিধাকে পর্বতচূড়ায় নিয়ে যেতে, উন্নয়নকে জলের তলায় ঢুকিয়ে দিতে, যাদের জন্য এই উন্নয়ন- বিপদে আসলে পড়ছেন তাঁরাই। কলকাতাও একদিন ধসে যেতে পারে, সমস্ত গৌরব ঐতিহ্যকে নিয়েই। জোশীমঠের কারণ আর কলকাতার কারণকে আলাদা করা যাবে না সেখানে, খুব চেষ্টা করলেও।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জলবায়ু বদলেছে, নদীর প্রবাহ বদলেছে: ৩০ বছরের পুরনো ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তিতে কোন কোন পরিবর্তন দরকার?

A Flawed Pact of Farakka: ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ। বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞ মনজুর এ চৌধুরীর মতে, চুক্তিটি 'ত্রুটিপূর্ণ', এতে নেই গ্যারান্টি ক্লজ, নেই পরিবেশগত প্রবাহের হিসাব, নেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিধান। তাঁর প্রস্তাব, তিন বছরের নতুন অন্তর্বর্তী চুক্তি হোক, তারপর নেপালকে যুক্ত করে তৈরি করা হোক ত্রিপাক্ষিক কাঠামো।

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

তেলের বদলে বিদ্যুৎ! আরব সাগরের তলায় ভারত-সৌদির ৯ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প

India Saudi Arabia submarine power link: আরব সাগরের তলদেশ দিয়ে ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত ২১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ক্ষমতা থাকবে ৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের। প্রযুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হবে HVDC, এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। আজ, ৫ অক্টোবর, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে প্রকল্পটির ব্যয় কমানো, অর্থায়ন মডেল ও ঝুঁকি ভাগাভাগি নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড প্রকল্প ও জি-২০ তে প্রস্তাবিত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে চিনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে।

কয়লার দেশ হয়েও কেন বিদ্যুৎ সংকটে ভারত?

India's energy crisis 2026: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায়, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি ধাক্কা খেয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এক সময় জ্বালানিক্ষেত্রে ‘ঘাটতি নেই’ বললেও সেপ্টেম্বরে স্বীকার করলেন, জ্বালানির পরিস্থিতি বর্তমানে ‘টানটান’। ৭৬টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংকটজনক ভাবে মজুত করা কয়লায় চলছে। চলছে এলপিজির কালোবাজারি। ডিসকমগুলির বকেয়া জমে রয়েছে প্রায়, ৩,৩৩০ কোটি টাকা।

প্রকৃতির কোলে পিকনিক, শেষে প্লাস্টিকের পাহাড়: মানুষ কি সত্যিই প্রকৃতিকে ভালোবাসে?

Environmental Pollution: প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানো কলকারখানা সিল করে দেওয়ার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয়তো নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতেই কি সমস্যার সমাধান মিলবে? কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দাপট এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য। শ্রমবিমুখ হয়ে সবকিছু প্রস্তুত পাওয়ার মানসিকতা এবং দেশে সংস্কারের লড়াই না করে সহজে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতাও স্পষ্ট। এই দায় এড়িয়ে কি সার্বিক সমাধান সম্ভব?

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।