সুচিত্রা বলতেন 'দুষ্টু ছেলে', ডার্লিং মুনের প্রেমে খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছিলাম আমি...

Moon Moon Sen: মুন, ডার্লিং মুন! স্ট্রিং থিওরি বলছে, আমরা নাকি পরস্পরকে ছুঁয়েই আছি।

Ranjan Bandyopadhay
৪ মিনিট
সুচিত্রা বলতেন 'দুষ্টু ছেলে', ডার্লিং মুনের প্রেমে খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছিলাম আমি...

মুনমুন আমার মধ্য যৌবনের বিদ্যুৎলতা। আমার প্যাশন-মেঘে এখনও জুড়িয়ে যায়নি মুনমুনের সেই অনন্য ঝিলিক। মুন তখন সবে কিশোরী। প্রথম ধরেছে কলি তার মল্লিকাবনে। ‘আজকাল’ সংবাদপত্র বেরিয়েছে সবে। আমি হয়েছি আজকালের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। আমার বন্ধুনি মুন কেমন যেন নেশার মতো গ্রাস করেছে আমাকে। মুনের প্লাবনের সঙ্গে চাঁদের প্লাবনের পার্থক্যটা হল, চাঁদের প্লাবনে শুধুই শরীরের রূপ। মুনের প্লাবনে শরীরের রূপের সঙ্গে মিশেছে ভাবনা, বাক্য, বুদ্ধির রূপ। মুন আমার জীবনে বুদ্ধিমতী, রূপবতীদের একজন। যার সঙ্গে যেকোনও সংলাপি সন্ধ্যা আমার মনকে জোগায় রস, আমার উপভোগে নিয়ে আসে কত রকমের রঙ আর ইশারার বুনন! কী যে ভালো কেটেছে আমার মুন-আভাসিত যৌবনের দিনগুলি। আমি কি মুনের প্রেমে পড়েছিলাম? সত্যি কথাটা হল, মুনের প্রেমে আমি খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছিলাম। একদিন মুন এল হঠাৎ আজকালের দপ্তরে। তখন আর্মহাস্ট স্ট্রিটে, রামমোহন রায়ের বাড়ির পাশেই আরও এক প্রসিদ্ধ বাড়িতে আজকালের দপ্তর। মুন এল কোনও এক শীতের বিকেলে। শার্ট আর জিন্স পরে। কাঁধে ক্যামেরা। ওর স্মার্ট ছিপছিপেমি সারা দপ্তর জুড়ে তুলল সাড়া, জ্বালল আলো। আমি মুনের হাত ধরে ঢুকলাম গৌরদার (আজকালের প্রধান সম্পাদক গৌরকিশোর ঘোষ) ঘরে। গৌরদা বুদ্ধিমতী, ঝাড়বাতি জ্বালা সুন্দরীদের বিশেষ চোখে দেখতেন। "আজকালে নিয়মিত লেখো তুমি। তোমার লেখার সঙ্গে তোমার তোলা ছবিও ছাপবো আমরা”, বললেন গৌরদা।

- আমি তো বাংলা লিখতে পারি না। তবে রঞ্জন যদি লিখে দেয়, তাহলে আমি লিখব।

আমার মনে হল, আমার হাতে চাঁদ আর মুন একসঙ্গে এল। আমি রাজি হয়ে গেলাম।

- কিন্তু তোমার লেখার বিষয় কী হবে মুনমুন? প্রশ্ন করলাম আমি।

- আমার মা!

- এর থেকে ভালো কিছু হতে পারে না, বললাম আমি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বসন্তকালেই ঋতুপর্ণার সঙ্গে ভাব! ওর শরীর-বিছানো তেপান্তর আমাকে টানে

Rituparna Sengupta: ঋতুপর্ণার যৌন আবেদনের বুননে–বুননে ছড়িয়ে আছে ভারতের কামসূত্র।

শুরু হল মুনমুনের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ আলাপের দিনগুলি। মুন বলে। আমি লিখি। মুনমুনের তোলা সুচিত্রা সেনের ছবির সঙ্গে বেরোতে লাগল সেইসব লেখা।

কিন্তু মুনমুনের সঙ্গে প্রেমে পড়া থেকে বাঁচাতে চেয়েছিলাম নিজেকে। আত্মসংযমের সমস্ত চেষ্টাকে ব্যর্থ করল মুনমুনের আবেদন, প্লাবন এবং তাঁর সংলাপের শহুরে দীপন। মুনমুনের স্বামী ‘হাবি’ হয়ে উঠল আমারও বন্ধু। মুনমুন, হাবি, আর আমি, কোহলদীপিত পানসন্ধ্যা, আহা কী জীবন! আর ফিরবে না কোনওদিন।

মুন তখন থাকত হ্যারিংটন স্ট্রিটের এক উদাত্ত অ্যাপার্টমেন্টে। চওড়া কাঠের সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হতো সেই বিলিতি অ্যাপার্টমেন্টে। বিশাল লিভিং রুম। পাশেই টানা বারান্দা। বিলিতি কায়দায় সাজানো। কিন্তু বাড়ির প্রধান আকর্ষণ মুনমুন। আমি কতবার বলেছি মুনমুনকে, এমন ডাবল-চাঁদের পূর্ণিমা আমার জীবনে আসেনি কোনওদিন। আর কখনও আসবেও না। আজ পিছন ফিরে তাকিয়ে ভাবি, এই যে পরস্পরের কাছ থেকে ক্রমশ দূরে সরে গেলাম আমরা, তাই মুনমুন তাঁর সমস্ত পূর্ণিমা নিয়ে এত বছর থেকে গেল আমার মুগ্ধ মেদুরতায়। সোহাগ বিচ্ছেদেই থেকে যায়। মরে মিলনে!

ইতিমধ্যে একটা দুঃসাহসী কাজ করে ফেললাম। সুচিত্রা সেনকে লিখলাম কয়েকটি লাবণ্যময় প্রেম ও সমর্পণের চিঠি, যাতে তিনি একটি সাক্ষাৎকার দিতে শেষ পর্যন্ত রাজি হন। মুনমুনকে একদিন বললেন সুচিত্রা সেন, "তোর বন্ধু রঞ্জন আমাকে প্রেমপত্র লিখছে এই আশায় যাতে আমি ওকে ইন্টারভিউ দিতে রাজি হয়ে যাই। ওকে বলে দিস, কোনওদিন ওকে ইন্টারভিউ দেব না আমি।"

- কেন দেবে না? মুনমুন নাকি তাঁর মাকে জিজ্ঞেস করেছিল। উত্তরে সুচিত্রা সেন নাকি বলেছিলেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পতৌদি-শর্মিলার প্রাইভেট রুমে বজ্রপাত! বিখ্যাত দাম্পত্যের বিস্ফোরক সত্যি

Pataudi-Sharmila: শর্মিলা: টাইগার, তুমিও আমাকে কম যন্ত্রণা দাওনি। পতৌদি: রিংকু প্লিজ, এসব কথা বন্ধ করো। সামনে টেপরেকর্ডার চলছে। খেয়াল নেই?

- ও ভারি দুষ্টু ছেলে। বেয়াড়া প্রশ্ন করবে।

- তুমি মার সঙ্গে কী করছ বল তো ? মুন হঠাৎ একদিন জানতে চাইল।

- প্রেম, বললাম আমি।

- তাহলে আমার সঙ্গে?

- একটা সাক্ষাৎকারের জন্য, অন্যটা ভালোবেসে।

মুনের সেই চুপকথা এবং তারপর হাসি, ভুলতে পারব না এ জীবনে।

আমি সুচিত্রা সেনকে নিয়ে একটি আস্ত বই লিখে ফেললাম। সেই বইয়ের উদ্বোধন করল মুন, পার্ক হোটেলে। তারপর সুচিত্রা সেনকে নিয়ে একটি উপন্যাস লিখলাম। নাম দিলাম উত্তরণ ও নির্বাসন। সুচিত্রা সেনকে নিয়ে সেই বইটির উদ্বোধনে এল মুন আর হাবি। মুন বলল আমাদের দু’জনের প্রসারী সখ্যের কথা। গহন ইন্টেলেকচুয়াল আদানপ্রদান ও সম্পর্কের কথা এবং হৃদয়কথার কিছু সংকেত ও আভাসও দিল সে। আমার মনে হল, আমার আকাশে সত্যিই জোড়া চাঁদ উঠল!

আরও একবার একটি সত্যি কথা বলতেই হবে, মুনকে ভালোবাসি তাঁর সংলাপের ভাব, ভঙ্গি, চর্চিত সভ্যতা, তাঁর ইউরোপীয় সংস্কৃতি ও লাবণ্য এবং তাঁর রসিক ইশারাময়তার জন্য। মুন ইংল্যান্ডে বড় হওয়া, চর্চিত হওয়া, দীক্ষিত হওয়া সুন্দরী। এই বঙ্গ সুন্দরীর মধ্যে আমি অ্যাংলো-স্যাকসন অ্যাটিটিউডের সংবেদ পেয়েছি। আমি আমার সৌভাগ্যের কাছে কৃতজ্ঞ যে মুন আমাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছে!

মুনের স্বামী হাবির মতো উদার অভিজাত মানুষ জীবনে বেশি দেখিনি। আমি আজকাল একাই থাকি। বিশেষ কারও সঙ্গে গলাগলি করি না। যার সঙ্গে প্রায় নিত্য পান করে থাকি সে থাকে আমার থেকে আলোকবর্ষ দূরে। মহাবিশ্বের কিনারে। আমরা কেউ কি জানি এই মহাবিশ্বের প্রান্ত কোথায়? সেই বন্ধুটি উত্তর পাঠাল এখুনি,

শোনো রঞ্জন, আমি সেইখানেই দাঁড়িয়ে আছি তোমার জন্য, গ্লাসে গ্লাস লাগিয়ে ঠোকাঠুকি করে ‘চিয়ার্স’ বলব বলে, বেশি দূরে নয় কিন্তু, প্রায় তোমার সঙ্গে গায়ে-গায়ে: মাত্র ৪৬.৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে বন্ধু আমি তোমার। জানি, তুমি জানতে চাইছ কত বছর লাগবে আমার কাছে পৌঁছতে? শোনো, বেশি জোরে ড্রাইভ করো না। যদি ঘণ্টায় ৬৫ মাইল গতিতে কোথাও একবারও হিসিটিসি করার জন্য না থেমে চলতেই থাকো, তাহলে মাত্র ৪৮০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ বছর লাগবে আমার কাছে পৌঁছতে! অর্থাৎ এই মুহূর্তে মহাবিশ্বের যা বয়স তার থেকে ৩৫ মিলিয়ন বছর বেশি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মহাবিশ্ব আলোর গতিতে বেড়েই চলেছে! তাহলে?

এবার বলি, একটা ছোট্ট কথা, এই মহাঙ্কের প্রেক্ষিতে ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত, ভালো-মন্দ এসবের কোনও উত্তর হয়, হতে পারে? আমার সঙ্গে কাঠমান্ডুতে একবার আচমকা দেখা হল মুনের। আমার সঙ্গে আমার বছর দশেকের পুত্র। তখনও সে আমার সঙ্গে থাকে। তাঁর মা ছেড়ে গেছে আমাদের। আমারই দোষে। যাই হোক, মুনের সঙ্গে একটা সকাল মহাবিশ্বের সীমানা পেরিয়ে গিয়ে আলোচনা হচ্ছিল আমার। আমি হঠাৎ মুনকে ছুঁয়ে বললাম, তুমিই আমার মহাবিশ্বের প্রান্ত! মুন আমাকে উত্তরে কী বলেছিল, নাই বললাম! থাক না কিছু আলোকবর্ষ দূরের সমাহিত সমীকরণ! মুন আর আমি, আজও ছুঁয়ে আছি পরস্পরকে, একটিই কারণে। আমাদের দু’জনের শরীর ও বাসনা তারার ধুলো দিয়ে তৈরি। স্টারডাস্ট মিশে আছে আমাদের সখ্যে, সম্পর্কে, সংবেদে। বিজ্ঞানের দোহাই। আর দোহাই স্ট্রিং থিওরির। মুন, ডার্লিং মুন! স্ট্রিং থিওরি বলছে, আমরা নাকি পরস্পরকে ছুঁয়েই আছি।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সাত দিনের ব্যবধানে দুটো ঘূর্ণিঝড়: জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা কি এটাই?

Climate change impact on cyclone: ২৮ অক্টোবরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ঠিক সাত দিন পর ৩ নভেম্বরে ল্যান্ডফল করে ‘মুরাসু’। আবহাওয়াবিদদের ভাষায়, এই পিঠোপিঠি ঝড়ের ঘটনাকে বলা হয় ‘ক্লাইমেটোলজিক্যাল অ্যানোমালি'। বঙ্গোপসাগরের এই ‘ওভার-এনার্জাইজড’ অবস্থাই, এখন জলবায়ু পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতা।

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

ঋত্বিক: ফিরে দেখা

Ritwik Ghatak: আমরা যখন ছোট ছিলাম, মানে ষাটের দশকের সেই শেষ দিকে বা সত্তরের দশকে, তিনি কত না অদ্ভুতভাবে আমাদের প্রভাবিত করতেন। যেমন একদিন আমাদের রবীন্দ্রসদনের সামনে দেখতে পেয়ে তিনি হঠাৎ বললেন, আমাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দেবে?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।