রাহুল গান্ধী, ক্রমেই ভরসাযোগ্য হয়ে উঠছেন যেভাবে

Rahul Gandhi : যত রাহুল গান্ধীর প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন বাড়ছে, তত শাসকদল আরও হিংস্র হয়ে উঠছে। বিজেপি-র নেতারা হয়তো বুঝতে পারছেন যে তাঁদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে।

suman sengupta
৪ মিনিট
রাহুল গান্ধী, ক্রমেই ভরসাযোগ্য হয়ে উঠছেন যেভাবে

রাজনীতিতে ছবি কথা বলে। আগেও হয়তো কথা বলত। কিন্তু আজকের সামাজিক মাধ্যমে এক-একটি ছবি এমন বার্তা দিচ্ছে যে সারা দেশ নড়ে উঠছে সেই ছবি দেখে। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ছবি তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সংসদভবনের মকরদ্বার থেকে বিরোধী সাংসদেরা বিক্ষোভ দেখাতে চলেছেন নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের দিকে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাহুল গান্ধী। কে নেই সেই বিক্ষোভে? কংগ্রেসের তরফ থেকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তো আছেনই, সঙ্গে আছেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র, সায়নী ঘোষ-সহ অন্যান্যরা। সিপিআইএম-এর জন ব্রিটাস, সিপিআইএমএল-এর রাজারাম সিং, সুদামা প্রসাদ, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, আরজেডির মনোজ ঝা এবং আরও অনেকে আজ রাস্তায়। একটাই দাবি ‘চুনাব চোর গদ্দি ছোড়’ অর্থাৎ ভোট চোররা চেয়ার ছাড়ো। সবার একটাই দাবি সংসদে এই ভোট চুরি এবং বিহারের বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর মধ্যে দিয়ে যে-অসাধুপথ অবলম্বন করছে বিজেপি তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে, পরিচ্ছন্ন ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আঙুল তুলে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, এটাই এখন মূল আকর্ষণের কেন্দ্রীয়-ছবি।

বলা বাহুল্য, এই ছবি কিন্তু রাহুল গান্ধী একদিনে তৈরি করেননি, কিংবা কোনও ভোটকুশলী তাঁর এই ছবি তৈরি করে দেননি, যেমনটা করা হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর ক্ষেত্রে। এই ছবি তিল-তিল করে তৈরি হয়েছে। তার জন্য কেরালা থেকে কাশ্মীর ৫০০০ কিলোমিটার হাঁটতে হয়েছে তাঁকে। এমনি হাঁটা নয়, উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম মানুষের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটতে হয়েছে। মানুষ সেই ছবি দেখেছে, তাঁর ব্যক্তিগত সততাকে কুর্নিশ জানিয়েছে।

রাহুল গান্ধীর নিজের দলের মধ্যে থেকেই বহু প্রশ্ন উঠেছে, যে সারা ভারত-জুড়ে 'হেঁটে' কী হবে, কিন্তু তাও তিনি হেঁটে গেছেন, সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে ধরেছেন, তাঁদের কাছে টেনে নিয়েছেন, কথা বলেছেন তাঁদের সঙ্গে। তাঁদের সুখ-দুঃখের অংশ যে তিনি হয়ে উঠতে পারেন, তা প্রতিদিন বুঝিয়েছেন। সেই জন্যেই শুধু দেশের বিরোধী সাংসদেরা নন, দেশের প্রতিটি কোণ থেকে সাধারণ মানুষ আজ রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেশ জুড়ে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক নির্যাতন কীভাবে থামাতে পারে সরকার?

Migrant Labours : কর্মসংস্থানের অভাব। কিছু ক্ষেত্রে আবার, প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও কাজের সুযোগ না থাকায় শ্রমিকেরা আবারও বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষ করে, পাট শিল্প নিয়ে কেন্দ্রের উদাসীনতা প্রশ্নের মুখোমুখি, জুট কর্পোরেশন কার্যত বন্ধ।

ভারত জোড়ো আন্দোলনের সময়

কোনও প্রচলিত সংবাদমাধ্যম তাঁকে দেখায়নি, তাঁর কাজ সম্পর্কে কোনও খবর করেনি, তিনিও তাঁদের এড়িয়ে গেছেন। ছোট-ছোট বিকল্প সংবাদমাধ্যম, ছোট ইউটিউবের মধ্যে দিয়ে তাঁর কথাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। মানুষের মধ্যে একটা কথা পৌঁছে দিতে তিনি সক্ষম হয়েছেন যে, এই বিজেপি-কে এবং তাঁদের দোসর সঙ্ঘ পরিবারকে আটকাতে পারলে একমাত্র তিনিই পারবেন। তাঁদের ঘৃণার রাজনীতির বিপরীতে তাঁর ‘ভালোবাসার দোকান’ মানুষের মনে দাগ কেটেছে বলেই আজকে তাঁর ছবি হয়তো দেশের প্রতিটি মানুষের মোবাইলে ঘুরছে। শুধু রাস্তায় নেমে নয়, তিনি এবং তাঁর দলের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে এই ‘ভোট চুরি’-র বিরুদ্ধে মতামত সংগঠিত করার জন্য প্রচার শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি যে মিলেমিশে দেশের নির্বাচন লুট করছে, এ-কথা যাঁরা সমর্থন করছেন, তাঁদের জন্য একটা ‘মিসড কল নম্বর’ দেওয়া হয়েছে। ওই ফোন নম্বরে একদিনে ১৫ লক্ষ মানুষ ‘মিসড কল’ দিয়েছেন। অত্যন্ত দ্রুত হারে এই সমর্থন বাড়ছে।

যত রাহুল গান্ধীর প্রতি সমর্থন বাড়ছে, তত শাসকদল আরও হিংস্র হয়ে উঠছে। বিজেপি-র নেতারা হয়তো বুঝতে পারছেন যে তাঁদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। সংসদ-বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু সরাসরি হুমকি দিচ্ছেন, সংসদ চলতে না দিলে তাঁরা জোর করে বিল পাশ করাবেন। ইতিমধ্যেই বিরোধী সাংসদদের দমন করতে অকল্পনীয়ভাবে সিআরপিএফ বাহিনীকে রাজ্যসভায় নামানো হয়েছে। ভারতে যে আর গণতন্ত্র নেই, তা যে সংসদীয় ফ্যাসিবাদে রূপান্তরিত হয়ে গেছে, তা এখন সবাই স্বীকার করছেন। সেই কারণেই সমস্ত বিরোধী দল ধীরে-ধীরে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তাঁরা হয়তো বুঝতে পারছেন, যে এখনও যদি ছোট-খাটো বিষয়ে মতপার্থক্যকেই প্রধান করে রাখা হয় তাহলে আগামীদিনে আর কিছুই হয়তো অবশিষ্ট থাকবে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেশ জুড়ে ‘বাঙালি খেদাও’, একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্ষেত্রেই কি প্রযোজ্য?

Citizenship under suspicion : লক্ষ্য করা উচিত, বাঙালি ছাত্রদের, বাঙালি ডাক্তারদের, বাঙালি ইঞ্জিনিয়ারদের, বাঙালি শিক্ষকদের ওপর কিংবা অন্যান্য জীবিকার সঙ্গে সংযুক্ত বাঙালিদের ওপর  কিন্তু এই আক্রমণ ঘটছে না।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ‘গোলি মারো শালো কো’ বলে বিখ্যাত হওয়া অনুরাগ ঠাকুর রাহুল গান্ধীর কায়দাতেই একটা সাংবাদিক সম্মেলন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন, বিরোধীরাও কারচুপি করেই ভোটে জিতে এখন সাংসদ হয়েছেন। এই বক্তব্য সামনে আসার পরে সাধারণ মানুষ কিন্তু বলছেন যে, তাহলে তো রাহুল গান্ধীর কথাই ঠিক!

বৃষ্টির মধ্যেই বক্তব্য রাখছেন রাহুল গান্ধী

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদীর একটি ‘ছবি’ তৈরি করা হয়েছিল, যে-ছবিতে গুজরাট গণহত্যাকারীর পরিচয় পালটে, তাঁকে একজন বিকাশপুরুষ, উন্নয়নের কান্ডারী হিসেবে তুলে ধরা হয়। তাঁকে তাঁর পার্টি বলে দিয়েছিল, যদি কোনও সাংবাদিক তাঁর অতীত সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, সেই প্রশ্নকে যেন তিনি এড়িয়ে গিয়ে ভবিষ্যতের কথা বলেন। সেইমতোই ঠিক স্ক্রিপ্ট মেনে তিনি কাজ করেছিলেন। মানুষের কাছে একটা বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন যে দুর্নীতির পাঁকে জর্জরিত কংগ্রেসের থেকে তিনিই মুক্তি দিতে পারেন। মহিলাদের রক্ষা করতে পারেন একমাত্র তিনিই। সেই ছবি থেকে শ্লোগান তৈরি হয়েছিল ‘আব কী বার মোদী সরকার’ বা ‘বহুত হুয়া নারী পর অত্যাচার, আব কী বার মোদী সরকার’। মানুষের মনে একটা স্বপ্নকে বুনে দেওয়া হয়েছিল যে, ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারলে একমাত্র তিনিই পারবেন। তখন এমনও বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছিল যে, ডলারের প্রেক্ষিতে ক্রমবর্ধমান টাকার দাম তিনিই কমাতে পারেন, পেট্রল-ডিজেলের দাম তিনিই কমাতে পারেন, বেকারদের তিনিই চাকরি দিতে পারেন।

বহু মানুষ তখন মোদী-র ওই বানিয়ে তোলা ছবি দেখে আশান্বিত হয়েছিলেন, কিন্তু সেই ছবির পিছনে যে-মুখটা লুকিয়ে ছিল তা প্রকাশ্যে আসার পরে বহু মানুষের মোহভঙ্গ হয়েছে। এগারো বছর পরে সেই ছবি আজ মলিন হয়ে গেছে, ওই ছবি আর কথা বলছে না। ওই ছবিকে আর কেউ বিশ্বাস করছেন না। সেই ছবির বিপরীতে এখন এক অন্য ছবিতে মানুষ ভরসা করতে চাইছেন। সেই ছবি, রাহুল গান্ধীর। সারা দেশেই তাঁর প্রভাব বাড়ছে। প্রদেশ কংগ্রেসের বহু মাথারা এখনও হয়তো এই কথাটা বিশ্বাস করতে পারছেন না, কিন্তু এটাই সত্যি যে আজ রাহুল গান্ধীর এই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ছবি কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে থেকে যাবে। মানুষ এই ছবিকে লালন করবে।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?