পানীয় জল থেকেই ক্যান্সার! রোজ এভাবেই মিশছে ক্ষতিকর চিরস্থায়ী রাসায়নিক

Drinking Water Pollution: বয়নশিল্প থেকে শুরু করে কাগজ শিল্প, কিংবা জল ও তেল প্রতিরোধী পদার্থ থেকে শুরু করে নন-স্টিক রান্নার বাসন, আগুন-রোধী ফোম তৈরি করা, সবেতেই ব্যপকভাবে ব্যবহার করা হয় PFAS।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
পানীয় জল থেকেই ক্যান্সার! রোজ এভাবেই মিশছে ক্ষতিকর চিরস্থায়ী রাসায়নিক

আপনি যদি ভাবতেন প্লাস্টিকই একমাত্র ক্ষতিকর পদার্থ যা পরিবেশে দীর্ঘদিন থেকে থাকে, তাহলে ভুল ভাবতেন। আদতে প্লাস্টিকের সমান বা তার থেকেও ক্ষতিকর একাধিক রাসায়নিক পদার্থ পরিবেশে দীর্ঘ সময় ধরে থেকে যায়, ঠিক প্লাস্টিকের মতোই। পার অ্যান্ড পলিফ্লুরোঅ্যালকাইল সাবস্টেন্স বা PFAS এত দীর্ঘকাল ধরে পরিবেশে থেকে যায়। “এত দীর্ঘ সময় ধরে পরিবেশে টিকে থাকার কারণেই তাদের ‘চিরস্থায়ী রাসায়নিক’ ডাকনাম দেওয়া হয়েছে”, একটি ইমেলে ইন্সক্রিপ্টকে জানিয়েছেন স্টকহোম ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের গবেষক ড: আয়ান কাজি়নস।

কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় PFAS?

PFAS কিন্তু মানুষেরই তৈরি। বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে প্রায় চোদ্দোশো রকমের আলাদা আলাদা PFAS ব্যবহৃত হয়। বয়নশিল্প থেকে শুরু করে কাগজ শিল্প, কিংবা জল ও তেল প্রতিরোধী পদার্থ থেকে শুরু করে নন-স্টিক রান্নার বাসন, আগুন-রোধী ফোম তৈরি করা, সবেতেই ব্যপকভাবে ব্যবহার করা হয় PFAS। আর PFAS সবথেকে বেশি ব্যবহার করা হয় এশিয়াতে, বিশেষ করে চিনে।

কীভাবে PFAS পরিবেশে মেশে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাত হলেই গায়েব হয়ে যায় দুবাইয়ের এই আস্ত গ্রাম! 'ভুতুড়ে' কারণ খুঁজতে গিয়ে মাথায় হাত

Al Madam Ghost Village: এলাকাটির বেশিরভাগ বাড়িরই দরজা খোলা; অনেক বাড়ির দরজাই নেই। তবে বাড়িগুলির মধ্যে অন্যতম সাদৃশ্য হচ্ছে উচ্চমানের মোজাইকের নকশা।

PFAS-এর অন্তর্ভুক্ত চারটি রাসায়নিকের দিকেই নজর দেওয়া হয়েছিল সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিভিউ আর্টিকেলে। এই চারটি রাসায়নিক হল পারফ্ল্যুরোঅক্টেনসালফোনেট, পারফ্ল্যুরোঅক্টানোয়িক অ্যাসিড, পারফ্ল্যুরোহেক্সেনসালফোনিক অ্যাসিড, পারফ্ল্যুরোনোনানোয়িক অ্যাসিড। এই সমস্ত রাসায়নিককে একত্রে PFAS বলে। বিভিন্ন ধরনের পণ্যে বিপুলভাবে ব্যবহার করা হয় এগুলি। আর সেখান থেকেই এই রাসায়নিক পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে। আগে উল্লেখ করা চার প্রকার PFAS-ই উদ্বায়ী, ফলে সহজেই বাতাসে মিশে যেতে পারে তারা। তারপর বৃষ্টি বা বরফপাতের সময় বাতাসে মিশে থাকা বৃষ্টি ও বরফের সঙ্গে মাটি এবং জলভাগে এসে আছড়ে পড়ে PFAS। তারপর সমুদ্রে মিশে থাকা PFAS-ও আবার বাতাসে ফিরে যেতে পারে। কিন্তু কীভাবে?

সমুদ্রে যখন ঘন ঘন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়, সেই ঢেউয়ের সঙ্গে অসংখ্য ফেনা তৈরি হয়। আর সেই ফেনা যখন বাতাস বা মাটির ধাক্কায় ফেটে যায়, তখন সেখান থেকে ‘সি স্প্রে এরোসল’ তৈরি হয়। সমুদ্রের কাছাকাছি গেলে যখন সেই অঞ্চলের বাতাস সামান্য ঝাপসা হয়ে থাকে, তখনই বোঝা যায় ‘সি স্প্রে এরোসলের’ অস্তিত্ব।

আর সেই এরোসলে মিশে থাকে সমুদ্র থেকে আসা PFAS। এই এরোসল ভেসে যেতে পারে অনেক দূর অবধি, আর তারপরে অভিকর্ষজ বলের কারণে আবার মাটিতে পড়ে যায়। তখন দূষিত হয় মাটি, এবং তার নিকটস্থ জল। সে জল পানীয়ও হতে পারে, থাকতে পারে মাটির উপরিতলে; বা ভূগর্ভস্থও হতে পারে।

কী ভাবে ক্ষতি করছে এই চিরস্থায়ী রাসায়নিক?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সাজতেন অনুব্রতর ৫৭০ ভরি সোনায়, কেষ্টর গরু পাচারের দুর্নাম ঘোচাবেন কালীই!

Anubrata Mondal: বীরভূম জেলা তৃণমূলের মুখ্য কার্যালয়ে কালীপুজোয় কালীমূর্তিকে সাজানো হত ৩৫০ ভরি সোনার গয়নায়। গত বছর তা বেড়ে হয় ৫৪০ ভরি! আর এখন সেই সোনার পরিমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭০ ভরি!

কেবল বাতাসেই নয়, সমুদ্রের জল থেকে শুরু করে বৃষ্টির জল, এবং মাটির উপরিভাগের জল সবেতেই পাওয়া গেছে ক্ষতিকর চিরস্থায়ী রাসায়নিকগুলিকে। সাম্প্রতিক একটি রিভিউ আর্টিকেলে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। সেই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে “আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি” নামের জার্নালের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে।

এই শ্রেণির রাসায়নিক সারা পৃথিবীর ক্ষতিসাধন করছে তো বটেই, যে ক্ষতিটা হচ্ছে তাও কিন্তু অপরিবর্তনীয়। “PFAS-এর প্রভাবে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ (পানীয় জল, মাটির উপরে ও নীচে থাকা জল) এত ব্যপক হারে দূষিত হয়েছে যে আমরা পৃথিবীকে বেঁচে থাকার জন্যে অত্যন্ত অনুপযোগী একটি গ্রহে পরিণত করেছি”, ইন্সক্রিপ্টকে জানান ড. কাজি়নস। এই রাসায়নিকগুলি মানুষ তো বটেই গাছপালা থেকে শুরু করে পশু-পাখিদের শরীরেরও চরম ক্ষতি করে। একটি নির্দিষ্ট সীমা অবধি এর সংস্পর্শে এলে উল্লেখযোগ্য ভাবে আমাদের শারীরিক ক্ষতি হয় না। কিন্তু বাতাসে যে পরিমাণ PFAS রয়েছে, তা ইতিমধ্যেই আমাদের দেহে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, বিষক্রিয়া, সন্তানধারণে অক্ষমতা, উচ্চ কোলেস্টেরল, আলসারেটিভ কোলাইটিস, লিভার এনলার্জমেন্ট, থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত করা ছাড়াও একাধিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।

তাই প্রকৃতিতেও ঠিক কী PFAS পরিমাণ থাকলে তা আমাদের বা পরিবেশের ক্ষতি হবে না, তা অনেক আগে থেকেই জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা। কিন্তু খুব দ্রুত হারে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ায়, PFAS-এর সীমা সম্পর্কে সচেতন করেছেন পরিবেশবিদরা।

PFAS থেকে বাঁচার উপায় কী?

বর্তমানে পানীয় জল এবং মাটিকে PFAS-মুক্ত করার জন্যে একাধিক পদ্ধতি এবং উপকরণ অবলম্বন করা হয়; যাদের মধ্যে অন্যতম সক্রিয় কার্বনের ব্যবহার, অ্যানায়ন এক্সচেঞ্জ রেসিনস, ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল অক্সিডেশন, রিভার্স অসমোসিস, সোনোলাইসি, প্রভৃতি।

তাহলে কি আমরা পৃথিবীকেও PFAS-মুক্ত করতে পারি? ড. কাজি়নস জানাচ্ছেন, “পানীয় জল কিংবা মাটিকে PFAS-মুক্ত করা সম্ভব হলেও, সারা বিশ্ব যা আজ চিরস্থায়ী রাসায়নিকের দূষিত, তাকে আমরা মুক্ত করতে পারবো না। PFAS নষ্ট হবে না সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।”

তবে আশার বিষয় হল, এই রাসায়নিকগুলি ধীরে ধীরে সমুদ্রে মিশতে থাকবে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে যদি আমরা PFAS-এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি, তাহলে হয়তো একদিন সারা বিশ্ব জুড়ে এদের পরিমাণ হ্রাস পাবে। তবে তা নিকট ভবিষ্যতে ঘটছে না। এর জন্যে সময় লাগবে দশকের পর দশক। তবে সমুদ্রে মিশলেও, সমুদ্রের বাষ্পীভূত জলের সঙ্গে PFAS আবার বায়ুমণ্ডলে মিশবে এবং বায়ুমণ্ডলে মিশে থাকা PFAS আবার বৃষ্টির সঙ্গে ঝরে পড়তে পারে পৃথিবীর বুকে; যা ফের দূষিত করতে পারে মাটি এবং পানীয় জলকে। সেই আশঙ্কের কথাও ইন্সক্রিপ্টকে জানিয়েছেন ড: কাজি়নস। কারণ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল, ভূভাগ এবং জলরাশি সবই দৃশ্যমান কিংবা আপাত অদৃশ্য কিন্তু নিরবিচ্ছিন্ন সূত্রে বাঁধা। একটির ক্ষতি হলে আরেকটির ক্ষতি আটকানো এত সোজা নয়।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।

নেপাল বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

Climate Justice for nepal: ২৬ অগাস্ট লাংটাং লিরুং-এর হিমবাহ ধসে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়—নিহত ১,৩৪৪, নিখোঁজ ৪,৮৮৭। পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪-৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডে আছে মাত্র ৮২২ মিলিয়ন ডলার।নেপালের দাবি, চিন-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায় আছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কাঠগড়ায়।

নেপালের হড়পা বান থেকে বেঁচে ফিরলেন যাঁরা, তাঁদের চোখে ২৬ অগাস্ট

Nepal flash floods 2026: ২৬ অগাস্ট, ২০২৬-এ নেপালের হড়পা বানে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু মানুষ বেঁচে ফিরেছেন। কেউ এক কাপ চায়ের বিরতির জন্য, কেউ গাড়ির একটা রিভার্স গিয়ারের কারণে, কেউ ডালপালা ছড়ানো একটা আমগাছ আঁকড়ে ধরে, আবার কেউ কেবল ১৫ সেকেন্ডের দৌড়ে ছিনিয়ে এনেছেন নিজের শ্বাস। মৃত্যু খুব কাছ থেকে অনুভব করে ফেরা সেই মানুষগুলির অভিজ্ঞতায় রইল রাসুয়া আর নুয়াকোটের সেই সকালের কথা।

হিমালয়ের বরফ গলছে দ্বিগুণ হারে, নেপালের বিপর্যয়ের বিজ্ঞান কী বলছে?

Nepal Flood 2026: বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, ৪৫০০ থেকে ৬০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে থাকা হিমবাহ অঞ্চলের অন্তত ৭৮ শতাংশ উচ্চতা-নির্ভর উষ্ণায়নের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাঁচ মাস পর সেই সতর্কবাণীই যেন সত্যি হয়ে উঠল নেপালের উপত্যকায়।

ছয় দশকে কতটা সফল ভারত-নেপাল গান্ডাকচুক্তি?

Gandak dam history: নেপালের হিমবাহ থেকে পাথর ধসের পর জল নেমেছে ত্রিশূলী-কালীগণ্ডক হয়ে বিহারে। বাল্মীকিনগর বাঁধের ৩৬টি গেট খুলে প্রাণ বাঁচল বহু মানুষের। কিন্তু, ১৯৫৯ সালের গান্ডাক চুক্তি কি সত্যিই নেপাল ভারত দুই দেশের ‘সমন্বিত স্বার্থ’ রক্ষা করল? নেপালের তরাইয়ে জল মেলে না, ক্ষতিপূরণ মেলে না কৃষকদের। ৬০ বছরের পুরনো বাঁধ প্রকল্পকে নিয়েও নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মহিলারাই, ঝুঁকিতে ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন

Nepal Flash Floods: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন ঝুঁকিতে। বন্যার পর তাঁদের সামনে কী কী স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, খাদ্য ও জীবিকার সংকট তৈরি হয়েছে? রাষ্ট্রপুঞ্জের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, নারীদের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ জরুরি?