আরজি করে মাদক, যৌনচক্র, মানব অঙ্গ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ! কেন চুপ মুখ্যমন্ত্রী?

RG Kar Rape and Murder: প্রাক্তন আমলারা এই চিঠিতে আরজি করে দুর্নীতির চক্র সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

inscript
৪ মিনিট
আরজি করে মাদক, যৌনচক্র, মানব অঙ্গ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ! কেন চুপ মুখ্যমন্ত্রী?

আরজি করের ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে যে একাধিক প্রশ্নের কোনও উত্তরই নেই তা এতদিনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম আরজি করের হত্যা ও ধর্ষণ নিয়ে এমন বেশ কিছু 'অপ্রিয়' প্রশ্ন তুলেছে যার উত্তর প্রশাসন দিতে অপারগ। এবার এই উত্তরহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোলা চিঠি লিখলেন সাংবিধানিক আচরণ গোষ্ঠীর (সিসিজি) অধীনে ১০০ জনেরও বেশি শীর্ষ প্রাক্তন আমলাদের একটি দল।

আরজি করের এই ধর্ষণ ও হত্যা মামলাটি সারা দেশেই ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। সিবিআই এই ঘটনার তদন্ত করছে ঠিকই তবে এই ঘটনার ছায়াতেই দুর্নীতির এক বড় অভিযোগও লুকিয়ে রয়েছে। আরজি করের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা এসব দুর্নীতির তদন্ত করতে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে রাজ্য সরকার। প্রাক্তন আমলারা এই চিঠিতে আরজি করে দুর্নীতির চক্র সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আরজি কর হাসপাতালে যৌনচক্র, ওষুধ, মানব অঙ্গ ও চিকিৎসার বর্জ্য নিয়ে দুর্নীতির ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসক এই দুর্নীতি নিয়ে সওয়াল তুলেছিলেন। তাতেই কি এমন মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হতে হলো? মৃত মেয়ের বাবা-মাকে কেন আসল ঘটনা জানাতে এত দেরি হলো? কলেজের অধ্যক্ষের বদলি ও ‘প্রমোশন’ কেন ঘটল এত কিছুর পরেও? কেন অপরাধের ঘটনাস্থল অরক্ষিত রাখা হলো? প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওই চিঠিতে।

“আমরা সচেতন যে অন্যান্য রাজনৈতিক দল শাসিত অন্যান্য রাজ্যে মহিলাদের বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু এগুলো কোনওভাবেই বর্তমান ঘটনার গুরুত্ব কমাতে পারে না। পশ্চিমবাংলার মতো একটি রাজ্যে, যেখানে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, যিনি জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণকে উত্সাহিত করেন বলে জানা যায়, সেই রাজ্যে এমনটা মোটেও উচিত ছিল না। কীভাবে এবং কেন পরপর এতগুলি ভুল পদক্ষেপ করা হলো?” ২১ অগাস্ট প্রাক্তন আমলাদের লেখা চিঠিতে এই প্রশ্নই তোলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রাক্তন আমলাদের মধ্যে কেউ কেউ তাঁদের কাজের মেয়াদে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গেও কাজ করেছেন।

আর কী লেখা হয়েছে ওই চিঠিতে? প্রাক্তন আমলারা স্পষ্ট করেছেন, তাঁদের কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই কিন্তু ভারতের সংবিধানে নিহিত আদর্শের প্রতি তারা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই সিবিআইয়ের তদন্তের পাশাপাশিই সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের তোলা প্রশ্ন নিয়ে তারা চিন্তিত। তারা বলছেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
১৩ ঘণ্টা ধরে ক্রাইম সিন খোলা! আরজি করে পুলিশের কর্তব্যে গাফিলতি, নাকি অভিসন্ধি?

RG Kar Rape Kolkata Police: রাজ্য আদালতে জানায় ক্রাইম সিন সিল করা, প্রাথমিক তদন্ত, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের সবই হয়েছে ১১টার আগে।

১. আরজি কর হাসপাতালে কান পাতলেই শোনা যায় যে, এখানে যৌন, মাদক, মানব অঙ্গ এবং চিকিৎসা বর্জ্যের সঙ্গে জড়িত একটি র‌্যাকেট চালানো হচ্ছে। ধর্ষিতা ও মৃতা তাঁর সিনিয়রদের কাছে এই তথ্যগুলি জানিয়েছিলেন কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদি এই অভিযোগ ভুয়ো হয় তাহলে সরকার এই নিয়ে স্পষ্ট করে কেন কিছু বলছে না?

২. কেন তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটি ধাপে ধাপে, প্রথমে অসুস্থতা, তারপর মৃত্যু, তারপর আত্মহত্যা এবং শেষে ধর্ষণ ও হত্যা হিসেবে তাঁর বাবা-মাকে জানানো হয়েছিল? কলকাতা পুলিশ অস্বীকার করেছে যে, তারা মেয়ের বাবা-মাকে আত্মহত্যার ঘটনা বলেনি। তাহলে কে বলল?

৩. কলেজের অধ্যক্ষের উচিত ছিল পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং এফআইআর দায়ের করা। তিনি এসব তো করলেনই না উলটে রাতে ডিউটিতে থাকা চিকিৎসকদের বিশ্রামের কোনও জায়গা নেই জানা সত্ত্বেও মন্তব্য করলেন কর্তব্যরত চিকিৎসক একা মেয়ে হয়েও কেন সেমিনার রুমে ঘুমাতে গেলেন!

৪. কেন আরজি কর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে বদলি করা হলো কলকাতারই অন্য একটি নামী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
স্বর্ণপদক জয়, সেরা হাসপাতালের তালিকা, আরজি করের মৃতার ডায়রিতে যা যা লেখা...

RG Kar Rape and Murder: গোয়েন্দাদের একটি সূত্র জানাচ্ছে, ওই ডায়েরির কয়েকটি পাতা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। যে পাতাগুলি অবশিষ্ট আছে তাতে মৃতার স্বপ্ন, পছন্দ-অপছন্দই লেখা আছে।

৫. খুন হওয়া চিকিৎসকের বাবা-মা জানিয়েছেন, অন্য জুনিয়র ডাক্তাররা এই ধর্ষণ-হত্যায় জড়িত ছিল। যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি অত্যন্ত মারাত্মক ও গুরুতর বিষয়। তাহলে এই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

৬. জুনিয়র ডাক্তাররা বিশেষভাবে প্রাক্তন অধ্যক্ষ, মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট, ছাত্র বিষয়ক ডিন এবং চেস্ট মেডিসিন বিভাগের এইচওডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছে। কেন বেছে বেছে এদের কথাই বলা হচ্ছে?

৭. আরজি কর হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ একশো বছরেরও বেশি পুরনো। কেন এটির পরিকাঠামো এবং পরিষেবা দিন দিন খারাপ হয়ে চলেছে? রাজ্য সরকার এই হাসপাতালের পরিকাঠামো বজায় রাখতে এবং এই হাসপাতালকে আরও আধুনিক করতে বা সুরক্ষা মজবুত করতে কেন্দ্রীয় তহবিল পাওয়ার জন্য কী পদক্ষেপ করেছে?

৮. কেন ক্রাইমসিন হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ ওই স্থান অরক্ষিত রেখে দিয়েছিল? ঘটনার কয়েকদিন পরে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়ে অনেক কিছুই ধ্বংস করে দিয়েছিল? অপরাধের ঘটনাস্থলসহ যা কিছু প্রমাণ ছিল তাও ধ্বংস করা যেত। তা যে হয়নি এই বড় বাঁচোয়া।

ওই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন আমলারা লিখেছেন, "আমরা লক্ষ্য করছি যে আপনি নির্যাতিতার বাবা মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাদের ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশা করি, আপনি এমনটা নিশ্চিত করার জন্য সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থাই গ্রহণ করবেন। কোনও ব্যক্তি, সে যতই উচ্চ পদে থাকুক না কেন, তাঁকে সুরক্ষা জোগাবেন না। আপনি বাংলার রাজ্য সরকারের প্রধানের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের মন্ত্রী। অতএব, অপরাধ রোধ করার জন্য পদক্ষেপ করা বা সিবিআই এই তদন্তের ভার নেওয়ার আগেই এর দ্রুত সমাধান করা আপনার এবং আপনার আধিকারিকদেরই কাজ ছিল। তাহলে, আপনার প্রতিবাদ মিছিলের কী লাভ? কার বা কীসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন আপনি?”

প্রাক্তন আমলারা লিখছেন, "আপনার কথায় আমরা বিস্মিত হয়েছি যে সিবিআইয়ের তদন্ত রবিবার ১৮ অগাস্টের মধ্যে শেষ হওয়া উচিত এবং দোষীদের ফাঁসি দেওয়া উচিত। বিষয়টা কানে লাগছে কারণ আপনি এবং আরও অন্যরা জানেন যে, এই ধরনের গুরুতর অপরাধের তদন্ত কয়েক দিনের মধ্যে শেষ করা যায় না। সমস্ত অপরাধের বিচার আদালতে করতে হয় এবং দোষী সাব্যস্ত আদালতই করতে পারে। আপনার দোষীদের ফাঁসি দেওয়ার দাবি আদালতের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে না। এই দেশের অন্যান্য উদ্বিগ্ন নাগরিকদের মতো, আমরাও এই মামলার ফলাফল এবং দোষীদের শাস্তির জন্য অপেক্ষা করছি। ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ করার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। সত্যের জয় হোক!"

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।