মোদির রামরাজ্যে ঠিক কেমন আছেন সাধারণ মানুষ?

Ramrajya of Modi: দীর্ঘদিন ধরে ধুলোপড়া ইস্তেহারের গায়ে লিখে রাখা শব্দগুলো স্পষ্ট হচ্ছে। যে ইস্তেহারে, গেরুয়া রঙে, লেখা আছে এক নতুন দেশের নাম─'রামরাজ্য'।

Panchanon Podder
৪ মিনিট
মোদির রামরাজ্যে ঠিক কেমন আছেন সাধারণ মানুষ?

রেডক্লিফ লাইন সেলিম এবং সুমনকে ভাগ করে দেওয়ার পর, রুপাই এবং সাজুর ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর, আজ বহু বছর কেটে গিয়েছে। সাম্প্রদায়িকতার ছেঁড়া ক্যানভাসে ঝুলছে গোপাল পাঁঠার ছবি। 'অমর-আকবর-এন্টনি'তে দুপুর মাতাত যে বাঙালি, 'শুধুমাত্র রবিবার' খাসির মাংস কিনতে গিয়ে হিন্দিতে কথা বলত, তাদেরই মধ্যে কেউ কেউ বলতে শুরু করেছে হিন্দি নাকি দেশের রাষ্ট্রভাষা!

দীর্ঘদিন ধরে ধুলোপড়া ইস্তেহারের গায়ে লিখে রাখা শব্দগুলো স্পষ্ট হচ্ছে। যে ইস্তেহারে, গেরুয়া রঙে, লেখা আছে এক নতুন দেশের নাম─'রামরাজ্য'।

আমাদের মফস্‌সলে 'রাম' নামের একটা ছেলে ভালো লেগ স্পিন করত বলে বেশ কদর ছিল তার। আর 'লালা' নামের একটা ছেলেও মাঝেমধ্যে আসত মাঠে। তাকে আমরা মজা করে 'ল্যালা' বলতাম। কিন্তু এই 'রাম' এবং 'লালা' একসঙ্গে মিশে গিয়ে যে টিভি চ্যানেলের প্রাইমটাইম হতে পারে, তা সে'যুগে আমরা যদি জানতুম!

যাই হোক, দেখে এলাম সেই রামরাজ্য। লখনৌ থেকে ঝাঁ চকচকে রাস্তা দিয়ে বাস ছুটছে। দামি স্পিকারে বাজছে রাম-সংকীর্তন। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা আর কুয়াশামাখা রামপথে যখন গিয়ে থামলাম, তখন আমাদের সামনে একটি মেইনস্ট্রিম টিভি চ্যানেলের বাস দাঁড়িয়ে। যাতে লেখা, 'রাম ফির লৌট আয়ে'।

কেমন সেই রাজ্য? খায় না মাথায় দেয়?

হ্যাঁ, খায়। তবে পুরোদস্তুর নিরামিষ। আমিষ খাওয়ার বা বিক্রি করবার অনুমতি দেয়নি যোগী প্রশাসন। আর মাথায়? মাথায় শুধুই মোদি, যোগী আদিত্যনাথ। থুড়ি, রাম! যে'দিকে তাকাবেন, হোডিং-ব্যানার থেকে আপনার দিকে নজর রাখছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। গোটা রামরাজ্যে রামের কোনও ছবি আমার অন্তত চোখে পড়েনি। বিহার থেকে রামরাজ্য দেখতে আসা এক সাইকেল আরোহীর সাইকেলের সামনে অবশ্য দেখেছিলাম রাম–সীতার একখানি ছবি, তবে সেই ছবি দূরদর্শনের বিখ্যাত অভিনেতা অরুণ গোভিল-দীপিকা চিখিলার। আশ্চর্যজনক ভাবে অমিত শাহ থেকে লালকৃষ্ণ আডবানি, সকলের ছবিই মিসিং গোটা রামরাজ্যে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদির রামরাজ্য এক অন্ধকারাচ্ছন্ন ভারতবর্ষের কথাই বলে

Hey Ram : গান্ধির কাছে সীতার ভূমিকাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল কিন্তু আজকের বিজেপি এই সীতারামের সীতা অংশটি ছেঁটে ফেলে শুধু ম্যাচো এক পুরুষতান্ত্রিক রামকেই হাজির করেছে।

লতা মঙ্গেশকর চক থেকে হজরতগঞ্জ (যার মধ্যিখানে পড়বে বাবরি মসজিদ! থুড়ি! রাম জন্মভূমি)─এই ১৩ কিলোমিটার বিস্তৃত রাস্তার দু'ধারে গেরুয়া রং করে দেওয়া হয়েছে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মুসলমানের বাড়ি, হিন্দুবাড়ি─সবকিছুর রঙ গেরুয়া। দোকানের শাটারে এই ১৩ কিলোমিটার জুড়েই করা হয়েছে খয়েরী রং। তাতে আঁকা হয়েছে হনুমানের গদা, রামের তির-ধনুকের ছবি। লাইটপোস্ট থেকে চন্দননগরের স্টাইলে আলো ঠিকরে বেরোচ্ছে হনুমানের গা থেকে। রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্বয়ং হনুমান, মুহুর্মুহু তিনি দিয়ে ফেলছেন প্রেস বাইট। খয়েরী-সবুজ-নীলচে-হলুদ-কমলা-কালো সমস্ত টিভি চ্যানেলেই রাম ফিরছেন, সে'টাই খবর। দামি ক্যামেরা, ভ্যানিটি ভ্যান তৈরি হচ্ছে সেই রাম ফিরে আসার খবর করতে। কিন্তু তিনি কোথা থেকে ফিরছেন, সে'টাই অজানা। জানতে বয়ে গেছে। তিনি ফিরে আসছেন সে'টাই অনেক!

তার জন্যই এত হাঁকডাক। তৈরি হয়েছে ফোর লেন রাস্তা। ১৮০০০ কোটি টাকা দিয়ে রামরাজ্য তৈরি করতে ভেঙে ফেলা হয়েছে একের পর এক মন্দির এবং মসজিদ। শুধুমাত্র একটি মন্দির তৈরি করতে কত মন্দিরকেও ওরা হত্যা করেছে তার খবর কেউ নেয়নি।

কিন্তু এই রাজ্য তৈরির আসল যারা কারিগর, সেই শ্রমিকদের খবর কী?

তারা বারো ঘণ্টা কাজ করে পাচ্ছেন মাত্র চারশ টাকা। তারপর আবার সেই কাজের কোনও নিশ্চয়তা নেই ২২ তারিখের পর। সকাল থেকে বিকেল শুধুমাত্র রামপথ ঝাঁট দেয়ার জন্য গুজরাট থেকে বিনয়, গোরখপুর থেকে স্বাতীরা এসেছেন চারশ টাকার টানে। মন্দিরগামী রাস্তা ধরে হাঁটলেই আপনার চোখে পড়বে হাজারো বুভুক্ষ মানুষ। বারো-পনেরো বছরের ছেলেমেয়েরা রাস্তার ধারে বসে ধূপ, ধুনো, হনুমানের পতাকা বিক্রি করছে। লাইন পড়ছে বিনে পয়সায় খিচুড়ি খাওয়ার। ইতিউতি খোঁজ নিলে জানবেন এই বিরাট রামরাজ্য তৈরি করতে যে'সব মানুষকে বেঘর করে দেওয়া হয়েছে, তাদের বেশিরভাগেরই এখনও ঘর জোটেনি। যাদের চলে গিয়েছে চাষের জমি, যে জমিতে শোভা পাচ্ছে রাম-মোদি-যোগীর ছবি, তারা আজকাল চাষবাস ছেড়ে রামপথে গাছ পোঁতার কাজ করছেন।

কথা হচ্ছিল একবাল আনসারির সাথে। কে এই একবাল? ইনি হলেন প্রয়াত হাসিম আনসারির ছেলে। যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাবরি মসজিদের হয়ে মামলা চালিয়ে গেছেন এতগুলো বছর। বাবা মারা যাওয়ার পর, একবাল আনসারী নিজেও মামলা চালিয়েছেন শেষের দিকে। আজ যখন প্রশ্ন করলাম, কেমন লাগছে? সামনের ২২ তারিখ তো রাম মন্দির উদ্বোধন। হেসে জানালেন, তিনিও যাবেন সেই মন্দির উদ্বোধনে। তাঁকে ট্রাস্টের তরফে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে। কোনও ক্ষোভ নেই সরকার এবং প্রশাসনকে নিয়ে। দারুণ কাজ হচ্ছে অযোধ্যায়। সর্বত্র বড় বড় রাস্তাঘাট। হাসপাতালের প্রসঙ্গ টানতেই খানিক মুখ ফসকে বলে ফেললেন 'শ্রীরাম হাসপাতালে' কোনও সার্জন নেই। রোগীকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লখনৌ নিয়ে যেতে হয়।

"মেয়েদের পড়াশুনো?”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রামরাজ্যই সুখরাজ্য? বঙ্কিম থেকে আম্বেদকর, কী বলছেন ওঁরা?

Hey Ram : এই যে হিন্দুত্ববাদীরা ইদানীং বারবার সনাতনের পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলছেন, হিন্দু ধর্মকে সনাতন হিসাবে উল্লেখ করছেন, তা কিসের ইঙ্গিতবাহী?

"এ'খানে মেয়েরা খুব বেশি পড়ে না।"

সোজা উত্তর।

"মাছ-মাংস খান? নাকি আপনাদেরও নিরামিষ?”

"না না। খাই। ৪-৫ কিলোমিটার দূর থেকে নিয়ে আসতে হয়।"

ক্যামেরা বন্ধ হলে একটু সাহস পান, কিন্তু তবু কিছু বলেন না।

রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম রাম জন্মভুমি থেকে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার দূরে। মেনু চাইতেই নিরামিষ খাবারের ফর্দ। তারপর ডেকে বলতে, সম্পূর্ণ অন্য একটি মেনুকার্ড দেওয়া হল আমাদের। চারপাশে চেয়ে দেখলাম, আমরা বাদ দিয়ে প্রায় সকলেই ছানা, পনির, আলুরদমেই মধ্যাহ্নভোজ সারছেন। মাছ-মাংস খাওয়াটা একপ্রকার অপরাধ যেন রামরাজ্যে!

আরও কী দেখলাম?

দেখলাম হাইকোর্ট নির্বাচিত রাম মন্দিরের পুরোহিত 'মাহান্ত লাল দাসে'র খুন হয়ে যাওয়ার গল্প। যাতে প্রত্যক্ষ মদত দিয়েছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। শুধুমাত্র সত্যি কথা ক্যামেরার সামনে বলার অপরাধে সে'দিন খুন হতে হয় "কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য" লাল দাসকে। কথা বলতে গিয়ে চোখ ভিজে ওঠে লাল দাসের পুত্রের। কোনও দিন ছায়া মাড়াতে চান না নবনির্মিত মন্দিরের, যে মন্দির আসলে গড়বার ইতিহাস রচনা করে না। বরং ঢেকে দেয় একটা বহমান ইতিহাসকে। যে ইতিহাস ভাঙবার। সে'টা মসজিদ কিংবা সেলিম-সুমনার। গণতন্ত্রের মাঝে এক অবাধ হীরক রাজার নাচন শুরু হয়েছে। বিরোধী-শূন্য একটা দেশ। রামের দেশ। যে দেশ তৈরি হচ্ছে সংবাদমাধ্যমের গ্রাফিক্স আর প্রাইমটাইমে আর মন্দিরের উঁচু মিনারে। যে'খানে আর রোটি-কাপড়া-মাকানের খোঁজ করে না কেউ।

কে রাম?

রাম আসলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তাঁর রামরাজ্যে তিনি যা চাইবেন সে'টাই হবে। সাফ কথা।

লিখেছেন
Panchanon Podder
Panchanon Podder
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।