নথি যাচাই না করেই কেন ঘাড় ধাক্কা সোনালিদের? কেন্দ্রের কাছে জবাব চায় সুপ্রিম কোর্ট

Pregnant Indian Woman Sunali Khatun: আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যাঁরা ভারতীয় নাগরিক হওয়ার দাবি করছেন, তাঁদের বক্তব্য না শুনে পুশব্যাক করা যায় না। পাশাপাশি, সোনালিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

inscript
৩ মিনিট
নথি যাচাই না করেই কেন ঘাড় ধাক্কা সোনালিদের? কেন্দ্রের কাছে জবাব চায় সুপ্রিম কোর্ট

বাংলাদেশে পুশব্যাক বিতর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া প্রশ্নের মুখে পড়েছে দিল্লি। বীরভূমের পাইকর এলাকার অন্তঃসত্ত্বা তরুণী সোনালি খাতুন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের কোনো শারীরিক যাচাইকরণ ছাড়াই বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ কেন্দ্রকে তীব্র সমালোচনা করে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যাঁরা ভারতীয় নাগরিক হওয়ার দাবি করছেন, তাঁদের বক্তব্য না শুনে পুশব্যাক করা যায় না। পাশাপাশি, সোনালিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ সোনালির নাগরিকত্বের পক্ষে পর্যাপ্ত নথি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। বেঞ্চ জানায়, জন্মশংসাপত্র, পারিবারিক যোগাযোগ বা বসবাসের নথি— এসবই সরকারি প্রমাণের অন্তর্ভুক্ত। আদালতের ভাষায়,

“বাংলাদেশ থেকে বেআইনি ভাবে কেউ ভারতে ঢুকলে পুশব্যাক করা যেতে পারে। কিন্তু যাঁরা ভারতের নাগরিক বলে দাবি করছেন, তাঁরা যেন অন্যায়ভাবে বিদেশে পাঠানো না হন— রাষ্ট্রকে তা নিশ্চিত করতে হবে।”

আদালত আরও নির্দেশ দেয়, আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত নথির পুনঃপরীক্ষা করতে হবে। বেঞ্চের কড়া ভাষায় মন্তব্য,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আটমাসের অন্তঃসত্ত্বা, বীরভূমের সোনালি খাতুনকে যেভাবে বাংলাদেশে ঘাড়ধাক্কা

সোনালির পরিবারের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে সীমান্ত পার করানোর সময় তাঁদের চোখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। বন্দুক তাক করে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ফিরলেই গুলি করা হবে।

“নিরপেক্ষ তদন্ত করুন। পরিবারকে নিজেদের বক্তব্য রাখার পূর্ণ সুযোগ দিতে হবে।”

আদালত আরও নির্দেশ দেয়, আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত নথির পুনঃপরীক্ষা করতে হবে।

গত জুনে দিল্লি থেকে আটক হওয়ার পর সোনালি খাতুন, তাঁর স্বামী দানিশ শেখ এবং আরও কয়েকজনকে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে পুশব্যাক করা হয় বলে অভিযোগ। সীমান্ত পেরোনোর পরই চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ তাঁদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে গ্রেফতার করে। সেই থেকেই সোনালিদের বন্দিজীবন শুরু। বর্তমানে সোনালি ন’মাসের অন্তঃসত্ত্বা, সঙ্গে রয়েছে তাঁর আট বছরের সন্তান। বাংলাদেশে সংশোধনাগারের ভেতরে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের।

পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৮ জুন দিল্লির কে.এন. কাটজু মার্গ থানার পুলিশ ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে সোনালি, তাঁর স্বামী এবং আরও কয়েকজনকে আটক করে। তাঁরা জানান, কোনো তদন্ত বা নথি যাচাই ছাড়াই তাঁদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর হঠাৎই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে তাঁদের পুশব্যাক করা হয় বলে পরিবার অভিযোগ করে। সোনালির পরিবার দীর্ঘদিন দিল্লিতে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ছিলেন। বাবা রিকশাচালক, মা ঘরোয়া কাজে যুক্ত— স্থায়ী বাড়ি বা স্থায়ী চাকরি কোনোটাই ছিল না। প্রশ্ন উঠছে, এই প্রান্তিকতার সুযোগেই তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন বনাম ভারতরাষ্ট্র: পরিযায়ী শ্রমিকের যুদ্ধ চলছেই

Pregnant Migrant Worker Sunali Khatun: বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সরকারও চায়, সোনালি ও তাঁর পরিবার যেন নিজেদের দেশে ফিরতে পারে।” 

সোনালির বাবা ভদু শেখ ৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস মামলাও দায়ের করেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর মেয়ে ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও বিদেশে পাঠানো হয়েছে। আদালতে আইনজীবীরা জমির দলিল, ভোটার কার্ড, সোনালির সন্তানের জন্মসনদ-সহ একাধিক নথি জমা দেন। সব দিক বিবেচনার পর ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় চার সপ্তাহের মধ্যে সোনালিদের ভারতে ফিরিয়ে আনতে হবে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই, ২২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। কেন্দ্র দাবি করে, দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং FRRO— এদের মূল কার্যালয় দিল্লিতে, তাই মামলার শুনানিও দিল্লিতে হওয়া উচিত।

এই অবস্থাতেই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে ওঠে এবং মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসির তীব্র নিন্দা করে। আদালতের মন্তব্য,

“মানবাধিকার রক্ষা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। বিশেষ করে একজন গর্ভবতী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে উদাসীনতা গ্রহণযোগ্য নয়।”

পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে এই কারণে যে, যদি সোনালির সন্তান বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নেয়, তাহলে নবজাতকের নাগরিকত্ব কোন দেশের হবে? সোনালির নিজের নাগরিকত্ব নিয়েই যখন বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তখন সন্তানের আইনি মর্যাদা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা। আন্তর্জাতিক আইনে নাগরিকত্ব নির্ধারণে প্রতিটি দেশের নিজস্ব নিয়ম থাকে, ফলে দ্বিধা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। মানবাধিকার সংগঠনগুলির বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে সোনালিকে অবিলম্বে ভারতে ফিরিয়ে আনা ছাড়া অন্য কোনো মানবিক সমাধান নেই।

দিল্লিতে কুড়ি বছর ধরে রিকশাচালক ও ঘরোয়া কাজ করে সংসার চালিয়েছেন সোনালির বাবা-মা। দারিদ্র্য ও অস্থায়ী জীবনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে সন্তানদের মানুষ করেছেন। বাংলাদেশ সরকার পরিস্থিতি বুঝলেও, ভারতের প্রতিক্রিয়া নীরব বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতীয় দূতাবাসে বারবার যোগাযোগ করা হলেও, ভারতীয় পক্ষের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সমাজকর্মীরা জানিয়েছেন। বাংলাদেশও চাইছে সোনালিদের যেন দ্রুত ভারতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার দেখছে আইনি লড়াইয়ের দিক। ফলে সোনালির দেশে ফেরার পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে। প্রশ্ন উঠে আসছে, সোনালি কি শুধু একজন পরিযায়ী শ্রমিক হওয়াতেই অবহেলার শিকার? ভদ্রবিত্ত, শিক্ষিত, শহুরে কেউ হলে কি বিষয়টি এত দূর গড়াত? মিডিয়ার প্রাইমটাইমেও সোনালির নাম খুব একটা নেই। রাজনৈতিক দলগুলিও তেমন সক্রিয় নয়।

মানবাধিকার, নাগরিকত্ব এবং পরিযায়ী জীবনের অনিশ্চয়তা— এই তিনের জটিল মিশ্রণে সোনালির গল্প আজ রাষ্ট্রের বিবেককে প্রশ্ন করছে। একজন গর্ভবতী নারী বিদেশের কারাগারে পড়ে আছেন, কোনো নথি পরীক্ষা ছাড়াই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে পুশব্যাক করা হয়েছে এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে তা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক। এখন নজর ১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে। সেখানে হয়ত ঠিক হবে, সোনালি খাতুন কবে ফিরবেন তাঁর নিজের দেশে, নিজের বাড়িতে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘মহাকাব্য যদি কোথাও জন্মে থাকে, তবে তা ফুটপাতে’—কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্তের সঙ্গে 'আড্ডা'য় অত্রি ভট্টাচার্য

The Other Kolkata of krishnapriya Dasgupta: কলকাতার সেই অচেনা ফুটপাতের মানুষরা কীভাবে বেঁচে থাকেন? সাংবাদিকতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় আজকালের প্রাক্তন সাংবাদিক কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত কী দেখেছেন? আর আজকের সংবাদমাধ্যম কেন বদলে গেল তাঁদের দেখার চোখে? তাঁর স্মৃতি, সাংবাদিকতা ও আজকের বদলে যাওয়া শহর নিয়েই তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় অত্রি ভট্টাচার্য।

১৯৭১ থেকে ২০১১: কলকাতার ফুটপাথে থাকা মানুষদের রোজনামচা কেমন ছিল?

Kolkata pavement dwellers survey: ১৯৭১ থেকে ২০১১—এই চার দশকে কলকাতার ফুটপাথবাসীর সংখ্যা ৫০ হাজার থেকে বেড়ে প্রায় ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। ফুটপাথবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো ঠিকানা নেই। কেউ থাকেন উড়ালপুলের নীচে, কেউ রেললাইনের পাশে, আবার কেউ পরিত্যক্ত পাইপের ভিতরে। শহরের অসংগঠিত অর্থনীতিতে ফুটপাথবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের জীবনযাপন, কাজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অতীতে বেশ কিছু গবেষণা ও সমীক্ষাও হয়েছে।

শুধু আমেরিকা বা আফ্রিকাতেই নয়, বাংলাতেও ছিল দাসপ্রথা

International Day for the Remembrance of the Slave Trade and its Abolition: ২৩ আগস্ট আন্তর্জাতিক দাসব্যবসা স্মরণ দিবস। হাইতির দাসবিদ্রোহের পাশাপাশি স্মরণ করতে হবে, বাংলার মাটি থেকে লক্ষাধিক মানুষকে বলপূর্বক নির্বাসিত করার ইতিহাস। চট্টগ্রাম, হুগলি, সুন্দরবন হয়ে আরব, আফ্রিকা, মরিশাসে পৌঁছেছেন বাংলার দাসেরা। শুধু ইতিহাসে নয়, আজও বাঙালির আন্তর্জাতিকতা চর্চায় দাসেদের উল্লেখ প্রাসঙ্গিক।

ঘাড়ধাক্কা খেয়ে ওপারে, বাংলাদেশে যেভাবে বেঁচে আছেন সাইদা ফকির

Saida Fakir Deportation: বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগের পর কী ভাবে দিন কাটছে সাইদা ফকিরের? বাংলাদেশের কোথায় আছেন? কারা আশ্রয় দিল তাঁকে?

সোনালি সুইটির পর এবার সাইদা, 'ঘাড়ধাক্কা'র তালিকায় নতুন নাম যে প্রশ্ন তুলছে

Saida Fakir Case: সাইদা ফকিরকে বাংলাদেশি সন্দেহে সীমান্ত পার করে দেওয়ার অভিযোগ নতুন করে নাগরিকত্ব যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবির ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি। কাউকে দেশছাড়া করার আগে যথাযথ তদন্ত ও সাংবিধানিক সুরক্ষা কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেই বিতর্ক ফের উঠে এসেছে।

ফিরে দেখা: সোনালি-সুইটিদের নরক যাত্রা

Sonali Khatun, Sweety Bibi: দু'দশক দিল্লিতে থাকার পরও কেন সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবিদের ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠানো হলো? নাগরিকত্বের নথি থাকা সত্ত্বেও কেন জেল, পুশব্যাক ও অপমানের শিকার হতে হলো তাঁদের? সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কি প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও মানবাধিকার প্রশ্নকে আরও সামনে এনে দিল?

উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে নবম, তবু ফল প্রকাশের দিন হোটেলে কাজে ব্যস্ত সাগর

Sagar Mondal: উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে নবম। মোট ৪৮৮ নম্বর। কিন্তু ফল প্রকাশের দিন বাড়িতে নয়, গুজরাটের আমেদাবাদের একটি হোটেলে কাজে ব্যস্ত ছিল পূর্ব বর্ধমানের সাগর মণ্ডল। পরিযায়ী শ্রমিকের ছেলে সাগরের স্বপ্ন আইএএস হওয়ার।