মায়ের সঙ্কটেও দেশে ফিরলেন না তারেক রহমান! বাংলাদেশ ফিরতে বাধা কোথায়?

Tarique Rahman Still Cannot Return to Bangladesh: দলের নীতিগত অবস্থান না বদলালে তারেক ফিরতে পারবেন না, এমন ইঙ্গিত করছেন বিশ্লেষকরা। ফেরার আগে ব্রিটেনের অনুমতি লাগবে, এটিও একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

inscript
৪ মিনিট
মায়ের সঙ্কটেও দেশে ফিরলেন না তারেক রহমান! বাংলাদেশ ফিরতে বাধা কোথায়?

মায়ের জীবন-মৃত্যুর সঙ্কটেও বাংলাদেশে ফিরতে পারছেন না বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অথচ তিনি নিজেই বলেছিলেন,

“দ্রুতই দেশে ফিরব, নির্বাচনে অংশ নেব।”

কিন্তু নভেম্বর শেষ হওয়ার মাত্র এক দিন আগে মায়ের অসুস্থতার মধ্যে ফেসবুকে লিখলেন,

“দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ আমার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”

কেন নিজের দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিতে পারছেন না? সেই সিদ্ধান্তের রিমোট কন্ট্রোল কার হাতে?

সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,

“তারেক রহমানের স্ট্যাটাসেই সব ব্যাখ্যা আছে, আর কিছু বলার নেই।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৬ মাসেই পদত্যাগ! কেন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল শেখ হাসিনাকে?

Seikh Hasina : জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা অন্তত ১,৪০০। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো আন্দোলনে এত কম সময়ে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

দলও কেবল নীরব ইঙ্গিত দিল। এরই কয়েক ঘণ্টা পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ঠিক উল্টো বার্তা দিলেন,

“সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।”

ফলে আরও প্রশ্ন ঘনীভূত হলো, যদি সরকার বাধা না দেয়, আইনি জটিলতা না থাকে, নিরাপত্তার প্রস্তুতিও থাকে তাহলে সমস্যা কোথায়?

অক্টোবরেই বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই বলেছিলেন,

“দ্রুতই দেশে ফিরব, নির্বাচনে অংশ নেব।”

দলের অন্দরে তখন বলা হচ্ছিল, তিনি নভেম্বরেই ফিরছেন। কিন্তু নভেম্বরের শেষে এসেও তিনি জানালেন, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তাঁর নিজের নয়। এমন অবস্থায় জল্পনা আরও তীব্র হওয়াই স্বাভাবিক। তাহলে কি বিদেশি থেকে আপত্তি? নেপথ্যে আসলে কারা?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশ ভোট জালিয়াতি! কীভাবে টিকে ছিল দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন?

Bangladesh Vote Manipulation: বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ যে প্রকাশ্যে ভোটচুরি ও জালিয়াতি করে পার পেয়ে গেল, যাবতীয় বিধিনিষেধকে বুড়ো আঙুল দিয়ে উড়িয়ে দিল, তার অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে, ভারতের সঙ্গে তার ভাল সম্পর্ক।

বিএনপির ঘনিষ্ঠ কিছু জন বলছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরায় প্রভাবশালী কয়েকটি দেশের আপত্তি থাকতে পারে। কিন্তু কোন দেশ? কেনই বা আপত্তি জানানো হচ্ছে? এ নিয়ে দলীয় কেউই মুখ খুলছেন না। তবে বলে রাখা জরুরি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারেক রহমানের সম্পর্কের জট উইকিলিকসের প্রতিবেদনে সামনে এসেছিল। বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বাংলাদেশের রাজনীতি যে বহুলাংশে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল, এটি বলাই বাহুল্য। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নীতির পরিবর্তন ছাড়া তারেকের দেশে ফেরা অসম্ভব।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে গ্রেফতার হন তারেক রহমান। সে সময় তিনি যে কঠোর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ছিলেন তা শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচিত হয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন বই, বিশেষভাবে মওদুদ আহমদের ‘কারাগারে কেমন ছিলাম (২০০৭-০৮)’ স্পষ্টই ইঙ্গিত দিয়েছে, তারেক রহমান হয়ত রাজনীতি থেকে বিরত থাকার মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছিলেন। তিনি লন্ডনে যান ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এবং ঠিক সেই দিনই তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব পদ থেকেও পদত্যাগ করেন। প্রশ্ন উঠছে, এই মুচলেকার মেয়াদ কি এখনও শেষ হয়নি? যদি শেষও হয়, তিনি কি বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সম্মতি পাচ্ছেন না?

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৫ মাস কেটে গিয়েছে। এ সময়ে তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান সব মামলা থেকে আইনি অব্যাহতি পেয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনা এবং অস্ত্র লাইসেন্সের আবেদন সবই প্রকাশ্যে এসেছে। কাগজে-কলমে ফেরার বাধা নেই কিন্তু বাস্তবে আছে অদৃশ্য কিছু শর্ত যেন এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন,

“দুই দলের নেতৃত্ব পরিবর্তনে বিদেশ থেকে খেলা চলছে”

এই বক্তব্য আবারও আলোচনায় এনেছে মাইনাস টু ফর্মুলাকে। বাংলাদেশে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আওয়ামী লীগের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়াকে সরিয়ে দেওয়ার যে উদ্যোগের কথা শোনা গিয়েছিল, সেটিই রাজনৈতিক পরিসরে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ নামে পরিচিত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাস্তবে লক্ষ্য ছিল আরও বড় ‘মাইনাস ফোর’। তাঁদের ব্যাখ্যায়, দুই রাজনৈতিক পরিবারের দীর্ঘদিনের আধিপত্য ভাঙতেই মূল পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর মধ্যে এক পরিবারের (শেখ হাসিনা পরিবার) নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই বাদ গিয়েছে; অপরদিকে খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ থাকায় কার্যত সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারছেন না। ফলে ফোকাস এখন পড়ে তারেক রহমানের উপর। তিনি দেশে ফিরতে পারবেন কি না এবং সেই অনিশ্চয়তা শেষ পর্যন্ত ‘মাইনাস ফোর’ পরিস্থিতিতে পৌঁছাবে কি না— তা সময়ই নির্ধারণ করবে। তারেকের দেশে ফেরার দেরি কি শেষ পর্যন্ত ‘মাইনাস ফোর’-এরই ধারাবাহিকতা?

স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করে বিবিসি-কে বলেছেন, “দলের বিষয় আছে, আরও অনেক বিষয় আছে, সব মিলিয়েই দেরি।” অন্যদিকে কয়েকজন নেতারা আবার জানিয়েছেন, “তফসিল হলে পরিস্থিতি যেমনই হোক তিনি ফিরবেন।” অর্থাৎ দলেরও কোনো স্পষ্ট রোডম্যাপ নেই। যেন সবাই অপেক্ষা করছে দেশ-বিদেশের সমীকরণ ঠিক হওয়ার।

২০০১-২০০৬ সালে ‘হাওয়া ভবন’ ক্ষমতার কেন্দ্র হয়ে ওঠা, সেই সময়ের নানা বিতর্ক, ওয়ান-ইলেভেনের পর গ্রেফতার এই সমস্ত কিছু আন্তর্জাতিক স্তরে তারেক রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত ভাবমূর্তি তৈরি হয়। উইকিলিকস ফাঁস হওয়া মার্কিন কূটনৈতিক প্রতিবেদনে তাঁকে 'অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত' বলে বর্ণনা করা হয়, যা যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও কঠোর করে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে লন্ডনে তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি। আশ্রয় পাওয়ার অর্থই হলো ব্রিটিশ সরকারের সামনে কিছু নির্দিষ্ট শর্তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা, বিশেষত দেশে ফেরার ব্যাপারে। এখন প্রশ্ন হলো, সেই শর্তগুলি এখনও বলবৎ আছে কি না, নাকি বর্তমানে সেগুলোর পুনর্বিবেচনা চলছে?

বিএনপি বলেছে, মায়ের স্নেহস্পর্শ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তাঁরও আছে। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা তাঁর হাতে নেই— এর থেকেই বোঝা যায় বিষয়টি জটিল আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। মায়ের গুরুতর পরিস্থিতিতেও দেশে ফিরতে না পারা আসলে ইঙ্গিত দেয়, শেষ সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রণ সম্ভবত তাঁর নিজের হাতে নেই।

দলের নীতিগত অবস্থান না বদলালে তারেক ফিরতে পারবেন না, এমন ইঙ্গিত করছেন বিশ্লেষকরা। ফেরার আগে ব্রিটেনের অনুমতি লাগবে, এটিও একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যদিকে, ১/১১ সময়কার রাজনৈতিক চুক্তি এখনও প্রভাব ফেলতে পারে। দলও সব কার্ড একসঙ্গে খেলতে চাইছে না। বিশেষত নির্বাচন ঘিরে তাদের কৌশল বদলাচ্ছে।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা এখন বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে জটিল ধাঁধাগুলোর একটি। বাংলাদেশের রাজনীতি বহুবার প্রমাণ করেছে যাঁর নিয়ন্ত্রণ দেখা যায় না, তাঁর প্রভাবই সবচেয়ে বেশি। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে এখন ঠিক সেই অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণই আলোচনার কেন্দ্রে। তবে প্রশ্ন থাকছেই, লন্ডন, ওয়াশিংটন, দিল্লি— কাদের সম্মতিতে তাঁর দেশে ফেরা নির্ভর করছে? নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও কি সেই ‘সবুজ সংকেত’ মিলবে?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।