ভোটে হারার ভয়েই কর সন্ত্রাস? ভয়াবহ অভিযোগ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে

Modi Tax Terrorism: বাম দলগুলোর মধ্যে সিপিআইএম এবং সিপিআই-য়ের নামেও আয়কর দফতরের চিঠি এবং শাস্তি ধার্য হয়েছে।

suman sengupta
৪ মিনিট
ভোটে হারার ভয়েই কর সন্ত্রাস? ভয়াবহ অভিযোগ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে

লোকসভা নির্বাচনের প্রথম ভোট পড়তে আর বেশিদিন নেই। প্রায় সমস্ত জনমত সমীক্ষা, প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে বলছে, এবার ৫৪৩

আসনের লোকসভায় তাঁরা একাই ৪০০ আসন পাবেন। অনেকেই হতোদ্যম হয়ে পড়ছেন, তবে কি বিজেপিকে কোনওভাবেই পরাজিত করা সম্ভব নয়? কিছু প্রশ্ন থেকে যায় এরপরেও। বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী যদি এতটাই নিশ্চিত হন বিজেপির তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা নিয়ে, তাহলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনে, নির্বাচনে বিরোধীদের হারানোর কথা না বলে, সমস্ত বিরোধী দলগুলোকে এইভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে কেন? তাহলে কি মোদিও হেরে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন?

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির তৎপরতা বেড়ে গেছে। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পরে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে। ইডি এবং সিবিআই এতটা তৎপরতা কখনই কি দেখিয়েছে এর আগে? সাধারণত নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গেলে, এই ধরনের যাবতীয় বিষয় স্থগিত রাখা হয়, কিন্তু এবার উল্টো। নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরে, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম দু’জন শরিক আম আদমি পার্টি এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রথম সারির নেতৃত্ব এবং সেই রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতারের পরে, বিশ্বের নানা দেশ থেকে সমালোচনা শুরু হয়েছে শাসকদলের। তবু নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের থামানো যাচ্ছে না। এমনকী উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, যিনি একটি সাংবিধানিক পদে বহাল, যাঁর দলীয় রাজনীতিতে মন্তব্য করাই সমীচীন নয়, তিনি অবধি বলেছেন, বিদেশের উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন তাঁদের নেই। একদিকে গ্রেফতারি চলছে, পাশাপাশি বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলে বেড়াচ্ছেন, তিনি দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করবেন না। যে কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে। অনেকেই আবারও বিশ্বাস করছেন, এইরকম কঠোরতাই দরকার, দুর্নীতি রুখতে এইরকম শক্ত লোকই দরকার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভোট-বাজারে ইলেক্টোরাল বন্ডকেই পাল্টা অস্ত্র করছে বিজেপি! যে ভয়াবহ ইঙ্গিত দিলেন মোদি

Electoral Bonds: ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতি নিয়ে যারা মোদি সরকারকে বিঁধছে, তাঁদেরই নাকি এবার অনুশোচনায় ভুগতে হবে। এবার তেমনটাই দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

২০১৪ সালের আগে, দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের দুর্নীতি নিয়ে যখন রোজ খবর হচ্ছিল, তখন 'যুগপুরুষ' হিসেবে নরেন্দ্র মোদিকে খুব সচেতনভাবেই তুলে ধরা

হয়েছিল। স্লোগান উঠেছিল, ‘বহুত হুয়া ভ্রষ্টাচার, আব কি বার মোদি সরকার’। ক্ষমতায় আসার পরে গঙ্গা, যমুনা, নর্মদা দিয়ে বহু জল যাওয়ার পরে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা, যাঁদের বিরুদ্ধে এতদিন তদন্ত চলছিল, তাঁদের বিজেপিতে অন্তর্ভুক্তি হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছিল, সেই তদন্তও বন্ধ করা হচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে, সকাল থেকে রাত অবধি নরেন্দ্র মোদি আঙুল তুলতেন, সেই হিমন্ত বিশ্বশর্মা, শুভেন্দু অধিকারী, প্রফুল্ল প্যাটেল, ছগন ভুজওয়াল কিংবা অজিত পাওয়ারদের আজকাল প্রধানমন্ত্রীর পাশেই দেখা যাচ্ছে। এমনকী, নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী, নির্মলা সীতারমণ একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাঁদের দলের দরজা সকলের জন্য খোলা। অর্থাৎ, যে কোনও মানুষ দুর্নীতিগ্রস্ত হোন, কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে যদি তদন্তও চলে, তাতেও সেই নেতাকে দলে নিতে তাঁদের আপত্তি নেই।

বিরোধী দলের নেতামন্ত্রীদের হেনস্থা এবং গ্রেফতারিতেই কিন্তু বিষয়টা থেমে নেই। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের অভিযোগ, তাঁদের সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে। বলা হয়েছে, যেহেতু কংগ্রেসের তরফ থেকে ২০১৭-১৮ সাল থেকে পরপর পাঁচ বছর, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া হয়নি, তাই এই পথ নিতে বাধ্য হয়েছে আয়কর দফতর। রাহুল গান্ধির অভিযোগ, ৩০ বছর আগের অভিযোগ সহ আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তুলে আয়কর দফতর শতাব্দী প্রাচীন এই দলটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেই ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করেছে ১৩৫ কোটি, যা আইনত করা যায় না। শুধু তাই নয়, কংগ্রেসের কাছে আয়কর দফতরের তরফ থেকে প্রাথমিকভাবে ১৮২৩ কোটি টাকা জরিমানা ধার্য করে চিঠি অবধি পৌঁছে গেছে। স্থাবর, অস্থাবর মিলিয়ে কংগ্রেসের মোট সম্পত্তি ১৪৩০ কোটি টাকা। শোনা যাচ্ছে, গত কয়েকদিনে আয়কর দফতর কংগ্রেসকে মোট ৩৫৩৬ কোটি টাকার নোটিশ ধরিয়েছে। অর্থাৎ দল দেউলিয়া হয়ে গেলেও অত টাকা দেওয়ার সাধ্য থাকবে না। আর ভোটের মুখে দলটির টাকা খরচ করার সাধ্যকে শূন্যে নামিয়ে আনাই লক্ষ্য। বিষয়টিকে কি কর সন্ত্রাস বললে ভুল হবে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শ্রীলঙ্কাকে দ্বীপ দান! ৫০ বছর আগে ইন্দিরা গান্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটের আগে কেন সরব বিজেপি?

Katchatheevu Island Issue: ১৯৭৪ সালে ভারত সরকার দ্বিপাক্ষিক আইনের মাধ্যমে দ্বীপটি শ্রীলঙ্কাকে দিয়ে দেয়।

ইলেক্টোরাল বন্ডের থেকে যে টাকা বিজেপির ঘরে আসার ছিল তা সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বানচাল হয়ে যেতেই বিপক্ষকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করার এই বিজেপীয় চাল দেশের ইতিহাসে কদর্য এক অধ্যায়ে লেখা থাকবে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচনের আগে এই কর সন্ত্রাস নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গেছে। অনেকে বলছেন, কংগ্রেস নিজের দোষেই এই বিপদে পড়েছে। শুধু কংগ্রেস নয়, বাম দলগুলোর মধ্যে সিপিআইএম এবং সিপিআই-য়ের নামেও আয়কর দফতরের চিঠি এবং শাস্তি ধার্য হয়েছে। বলা হয়েছে, তাঁরা যেহেতু পুরনো প্যানকার্ড ব্যবহার করে কর জমা করেছেন, সেই কারণে তাঁদেরও জরিমানা দিতে হবে। সিপিআইকে বলা হয়েছে ১১ কোটি টাকা জরিমানা দিতে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, নির্বাচনী বন্ডে একমাত্র বাম দলগুলোই টাকা নেয়নি। এই অভূতপূর্ব কর সন্ত্রাসের মুখে দাঁড়িয়ে বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দল প্রশ্ন তুলেছে, যে দল নির্বাচনী বন্ডে সবচেয়ে বেশি

লাভবান হয়েছে তাদের তো কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা হেনস্থা করছে না! কেন তাদের আয়কর দফতরের চিঠি পেতে হচ্ছে না? শুধু বিরোধী দলের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম? না কি তারা বিজেপির চাপের কাছে মাথা নোয়ায়নি বলেই হেনস্থা?

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আয়কর দফতর দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে জানিয়েছে, আপাতত নির্বাচন চলে আসার কারণে, তাঁরা কংগ্রেসের কাছ থেকে জরিমানার টাকা আদায় করবে না, কিন্তু ভবিষ্যতে যে আদায় হবে না, তা বলা হয়নি। অর্থাৎ পরিষ্কার বোঝানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির বিরুদ্ধে বেশি কথা বললেই হেনস্থার সম্মুখীন হতে হবে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি মোদি হেরে যাওয়ার ভয় পাচ্ছেন? সেই ভয় থেকেই, বিরোধী নেতাদের গ্রেফতার কিংবা কর সন্ত্রাস?

৪০০ আসনের ফানুস তো বহুলাংশেই পোষা গণমাধ্যমের তৈরি। ক্ষমতা বদলালে পোষ্য মিডিয়াও পাল্টে যাবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে একটু দূরে থাকলেই, যে সঙ্ঘ পরিবার এখন মোদির ছায়ায় আছে, তারাও অন্য মুখ খোঁজার চেষ্টা করবে। নতুন সমীকরণ তৈরি হবে এবং যেহেতু মোদির সঙ্গে অন্য নেতাদের দূরত্ব বেড়েছে, অনেকেই তখন তাঁর পাশে নাও থাকতে পারেন। তাই কোনও সুযোগ তিনি রাখতে চাইছেন না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে সারা বিশ্ব যা ইচ্ছে বলুক, মোদি অনড় নিজের লক্ষ্যে। এমন স্বৈরতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা ভাবেন, সারাজীবন ক্ষমতায় থাকতে পারবেন তারা কিন্তু ইতিহাস তা বলে না। সাম্প্রতিক, তুরস্কের বা ব্রাজিলের উদাহরণও তাই বলে না। ব্রাজিলের বোলসেনারোও ভেবেছিলেন এমনই। বিরোধী লুলাকে জেলেও ঢুকিয়েছিলেন, তাও পরাজিত হয়েছেন। তুরস্কের ২১ বছরের প্রধানমন্ত্রী এর্দোগানও কিন্তু তৃতীয়বার জেতার পরে ইস্তানবুল সহ বেশ কিছু শহরের সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দেশের হিসেব উল্টে যাবেই যাবে।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?