এই ছবির জন্য পুড়ে গিয়েছিল বাড়ির পর বাড়ি! অভিশপ্ত 'ক্রাইং বয়'-র কাহিনি ভয় পাওয়াতে বাধ্য

The Crying Boy Cursed Painting : ‘ক্রাইং বয়’ ছবিটি ঘিরে তৈরি হয়েছে এমনই রোমহর্ষক সব কাহিনি। যার অনেকটাই সত্যি! তাহলে কি… সত্যিই অভিশপ্ত এই ছবি?

inscript
৪ মিনিট
এই ছবির জন্য পুড়ে গিয়েছিল বাড়ির পর বাড়ি! অভিশপ্ত 'ক্রাইং বয়'-র কাহিনি ভয় পাওয়াতে বাধ্য

আপাতদৃষ্টিতে দেখলে, বেশ সুন্দর, সাধারণ একটা ছবি। তেলরং দিয়ে আঁকা একটি ছোট্ট শিশুর মুখ। একটু এলোমেলো চুল, বড় বড় চোখ করে আপনার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সোজা। কিন্তু সেই দৃষ্টিতে কোনও ভয় বা অন্য কিছু নেই, আছে দুঃখ। করুণ মুখে সেই ছোট্ট শিশুটি যেন ছবির ভেতর থেকেই আপনাকে কিছু বলতে চাইছে। গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে কান্না। যেন শত রাজ্যের কষ্ট, ভেঙে পড়া পৃথিবী সেই ছবিটির পাশে এসে বসেছে। সুন্দর, মায়াময়, অথচ খুব সাধারণ এই ছবি। যে কোনও প্রদর্শনীর জায়গায় এমন ছবি দেখা যেতে পারে। কিংবা বাড়ির ড্রয়িংরুমে। সাধারণ হলেও, ছবিটার ভেতর কেমন একটা ঘোর আছে। সবসময় যেন নিজের দিকে টানছে সেই শিশুটি। সেই কান্না যেন মোহাবিষ্ট করে রাখছে আপনাকে।

শিশুর কান্না হয়তো এমনই। কিন্তু গল্পটি এখানেই শেষ নয়। বরং এটা কিঞ্চিৎ গৌরচন্দ্রিকা বলা যায়। আসল ঘটনার এখনও কয়েক অধ্যায় বাকি। ঐতিহাসিকরা বলেন, এই ছবিটি একটা সময় গোটা বিশ্বে ঝড় তুলেছিল। নাম ‘দ্য ক্রাইং বয়’। সামান্য এই ছবি, এই ক্রন্দনরত শিশুর মুখটি নাকি অভিশপ্ত! যাদের বাড়িতেই ঠাই পেয়েছে, তাঁদেরই জীবনে নেমে এসেছে অমঙ্গল। জ্বলে পুড়ে গিয়েছে সমস্ত বাড়ি। কেবল বেঁচে গিয়েছে এই ছবিটি। বিন্দুমাত্র কোনও ক্ষতি হয়নি। হলিউডের কোনও গা ছমছমে, ভৌতিক সিনেমার স্ক্রিপ্ট মনে হচ্ছে? সে হতেই পারে, কিন্তু ‘ক্রাইং বয়’ ছবিটি ঘিরে তৈরি হয়েছে এমনই রোমহর্ষক সব কাহিনি। যার অনেকটাই সত্যি! তাহলে কি… সত্যিই অভিশপ্ত এই ছবি?

১৯৮৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। ইংল্যান্ডের দৈনিক পত্রিকায় একটি খবর প্রকাশিত হয়। রন আর মে হল নামে এক দম্পতির বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েছেন তাঁরা। বাড়ির সমস্ত আসবাব, সামগ্রী সমস্ত কিছু চোখের নিমেষে ছাইয়ে পরিণত হয়। না, এখানে একটা ভুল হল। সমস্ত জিনিস নয়; কারণ ছাই ঘেঁটে দমকলকর্মীরা একটি ছবি উদ্ধার করেন। একটি ছোট্ট শিশুর ক্রন্দররত ছবি, করুণ মুখে সে তাকিয়ে আছে সামনের দিকে। অদ্ভুত ব্যাপার হল, বাড়ির সমস্ত জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও এই ছবিটির গায়ে আগুনের আঁচটুকুও লাগেনি! ব্যস, সেই সময় থেকেই সামনে এল ‘দ্য ব্লেজিং কার্স অফ দ্য ক্রাইং বয় পিকচার’। হল দম্পতির দাবি, এই ছবির জন্যই নাকি তাঁদের এই দুর্দশা! অভিশাপ লেগেছে তাঁদের ওপর!

এখান থেকেই আসল ঘটনার শুরু। এরপরই তৎকালীন দমকল বাহিনীর কর্তা আরেক চমকপ্রদ তথ্য সংবাদমাধ্যমে পেশ করেন। তিনি বলেন, হল দম্পতির বাড়ির অগ্নিকাণ্ড আর এই ছবির ব্যাপারটিই প্রথম ঘটনা নয়। তিনি নাকি এর আগেও এমন ১৫টির বেশি অগ্নিকাণ্ডের সাক্ষী থেকেছেন। অদ্ভুতভাবে, প্রতিটি জায়গায় বাড়িগুলি ছাই হয়ে ধংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কিন্তু সেখানেই বেঁচে গিয়েছে এই ক্রন্দনরত শিশুর ছবিটি। হ্যাঁ, প্রত্যেকের বাড়িতে এই একটি ছবির উপস্থিতিই মিলে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে মিলেছিল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। হ্যাঁ, এই ছবিটিই ‘দ্য ক্রাইং বয়’।

ইংল্যান্ড জুড়ে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল এই খবর। বিলেতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বাইরেও চলে গেল এই ‘ভৌতিক’ ব্যাপার। তাহলে কি সত্যিই কোনও অভিশাপ লুকিয়ে আছে ছবিটির পেছনে? নয়তো যে বাড়িতেই যাচ্ছে, সেটিই পুড়ে যাচ্ছে! কিন্তু ছবিটির কোনও ক্ষতি হচ্ছে না! খবরের কাগজে পরপর বেরতে থাকে বিশেষ প্রতিবেদন। তার ফল? ১৯৮৫-র নভেম্বরে, হ্যালোউইনের সময় গোটা দেশে ‘আগুন’ জ্বলল। হাতের সামনে ‘ক্রাইং বয়’-এর যতগুলো ছবি ছিল, সব জড়ো করা হল এক জায়গায়। তারপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল। কয়েকশো ছবি এভাবে রাতারাতি পুড়ে খাক হয়ে যায়।

কিন্তু আসল কথাটি তো রয়েই গেল। এই ছবির পেছনে রহস্য কী? কে এঁকেছিলেন এই ‘ক্রাইং বয়’? এই ছেলেটিই বা কে? এ নিয়ে অনেক বিতর্ক, বিশ্লেষণ আর অনুসন্ধান করা হয়েছে। ঐতিহাসিকরাও এই কাজে বারবার মাঠে নেমেছেন। কয়েকটি ছবির নিচে বিশেষ একজনের সই দেখা গিয়েছে, নাম 'গিয়াবনি ব্রাগলিন'। তাহলে কি তিনিই এই অভিশপ্ত ছবির চিত্রশিল্পী? তবে এটি তাঁর আসল নাম না ছদ্মনাম সেটা জানা যায়নি। বিস্তর অনুসন্ধানের পর ছবির পেছনের কাহিনি একটু সামনে আসে। ছবিতে যে বাচ্চাটিকে দেখা যায়, সে আসলে ভবঘুরে। নাম - ডন বোনিলো। একেবারে হতদরিদ্র অবস্থা ছিল তার। আর তারই জীবনের সঙ্গে নাকি জড়িয়ে আছে একের পর এক মর্মান্তিক, রহস্যজনক ঘটনা।

একবার ভালো করে, মন দিয়ে ডন বোনিলোর জীবনের ঘটনাগুলি খেয়াল করবেন। গত শতাব্দীর ষাটের দশকের শেষের দিকে ইতালির রাস্তায় বাচ্চাটিকে একা একা ঘুরতে দেখেন চিত্রশিল্পী। তার আগে সমস্ত জায়গা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল তাকে। কেন? পাদ্রিদের দাবি, এই বাচ্চাটি নাকি 'পিশাচ'! ডন বোনিলোর মা-বাবার মৃত্যু হয় আগুনে পুড়ে। সেই দৃশ্য নিজের চোখে দেখে ডন। তারপরই অনাথ শিশুটি চলে আসে রাস্তায়। মলিন বেশভূষা, করুণ চোখ, খালি কাঁদছে। চিত্রশিল্পী তাকে নিজের বাড়ি নিয়ে আসেন। আহা, এমন শিশু, এত কম বয়সে মা-বাবাকে হারাল! করুণ মুখখানি শুকিয়ে একটুখানি হয়েগিয়েছে। তাঁর বাড়িতেই খেয়েপরে বড় হতে থাকল ডন বোনিলো।

আর এই ডনই ছিল চিত্রশিল্পীর মডেল। তাঁর করুণ মুখটিকে তেলরংয়ের মাধ্যমে ক্যানভাসে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি। একসময় সেটি পারলেনও। বাজারে আসার পর বিপুল সাড়া ফেলে ছবিটি। অনেকেই কিনে নেন এর কপি। কিন্তু এরপরই নেমে আসে চরম দুর্যোগ। হঠাৎ করে একদিন সেই শিল্পীর স্টুডিওটি আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়। মাথায় হাত পড়ে যায় তাঁর। মনে পড়ে পাদ্রিদের কথা, তাহলে ডন বোনিলো, নিস্পাপ শিশুটিই 'অভিশপ্ত'? সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি থেকে বের করে দেন ছোট্ট বাচ্চাটিকে।

তারপর ডন বোনিলো কোথায় যায়, কী করে, কিচ্ছু জানা যায় না। শুধু এটুকু জানা যায়, ১৯৭৬ সালের আশেপাশে স্পেনে একটি গাড়ি দুর্ঘটনা হয়। সেই দুর্ঘটনায় গাড়িটি জ্বলেপুড়ে শেষ হয়ে যায়। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যায় গাড়ির চালক। ড্রাইভিং লাইসেন্সের অংশবিশেষ থেকে জানা যায়, গাড়ি চালাচ্ছিল যে তরুণ, তাঁর নাম ডন বোনিলো! ব্যস, ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল এই খবরটি। খেয়াল করে দেখুন, প্রতিটা ক্ষেত্রে একটা জিনিসেই মিল। সবাই আগুনে পুড়েই মারা গিয়েছে, যা ক্ষতি হওয়ার আগুন করেছে। তাহলে কি...!

কথায় বলে, বিশ্বাসে মিলায়ে বস্তু তর্কে বহুদূর। 'দ্য ক্রাইং বয়' নিয়ে তর্ক আজও অব্যাহত। গবেষকদের মত, ওই ছবিগুলিতে এমন পদার্থ দিয়ে বার্নিশ করা হয়েছিল, যা অগ্নিনিরোধক। সেজন্য আগুন ধরেনি। দ্বিতীয়ত, মানুষের খামখেয়ালিপনা বা অন্য কোনও কারণেও আগুন লেগে থাকতে পারে। কাকতালীয়ভাবে, সবার বাড়িতেই এই ছবিটাই ছিল। আর 'ক্রাইং বয়' এত বেশি বিক্রি হয়েছিল যে, অনেকের বাড়িতে থাকাটা কোনও আশ্চর্যের নয়। এভাবেই রহস্য, মিথ আর অলৌকিক ঘটনায় মিলেমিশে আছে একটিমাত্র ছবি।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ক্লাইভের মুখে দুগ্গা দুগ্গা, কেমন ছিল শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রথম দুর্গাপুজো

Shobhabazar Rajbari Durgapuja: শোভাবাজারের গর্ব সাবেকী এক চালার প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পী, মোদক, ঢাকি বংশ পরম্পরায় জড়িয়ে আছেন এই পুজোর সঙ্গে। দশমীর পুজোর অন্যতম নিয়ম ‘কনকাঞ্জলি প্রথা’। লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর।

জিতাষ্টমী থেকে শুরু দেবীর আরাধনা, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ির পুজো চলে পনেরো দিন

Jhargram Rajbari Durga Puja: রাজপুতানার ফতেহপুর সিক্রি থেকে আসা চৌহান বংশের ক্ষত্রিয় বীর সর্বেশ্বর সিংহ চৌহান। মুঘল সেনাপতি মানসিংহের বাংলা অভিযানের সময় তিনি জঙ্গলখণ্ডে আসেন। স্থানীয় জংলি মাল রাজাকে দ্বন্দ্বযুদ্ধে পরাজিত করে তিনি এই জঙ্গলমহলে নিজের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। নামের সঙ্গে জুড়ে নেন 'মল্লদেব' উপাধি। আর ঘন জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গার নাম দেন ঝাড়গ্রাম।

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

থিম নেই, জাঁকজমক নেই: মানুষের ভালবাসায় গড়া আমার গ্রাম কেশাতড়ার দুর্গাপুজো

Keshatara village Durga Puja: পুজোর সম্পূর্ণ খরচ বহন করেন গ্রামের মানুষই। ইদানীং সরকারি অনুদান মেলে ঠিকই, কিন্তু পুজোর ভোগের চালটা আজও আসে গ্রামের মানুষের দেওয়া টাকা থেকেই।

দুর্গা মুখ তুলে তাকাবেন হকারদের দিকে?

Durga Puja Economy in Bengal: কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব, অসংগঠিত অর্থনীতির সংকট, হকার উচ্ছেদ এবং ধর্মীয় বিধিনিষেধের আবহে কতটা সুরক্ষিত থাকবে শারদোৎসবের নিজস্ব চরিত্র? পুজোর জৌলুস বাড়লেও নাগরিক স্বাধীনতা, শিল্পের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং সাধারণ মানুষের জীবিকার জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হবে?

দুর্গাপুজোর উৎসব, অসুরের শোক: বাংলার ইতিহাসে কার জয়, কার পরাজয়?

Mahishasur Puja: ২০১১-র পুরুলিয়া পার করে ২০১৪-র মালদার গাজল। নিত্যানন্দ হেমব্রমরা শুরু করলেন অসুর আন্দোলন। ততদিনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে অসুর পুজোর সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়েছে। কেউ মূর্তি বানিয়ে মহিষাসুর স্মরণ করেন, কেউ ফ্লেক্স বানিয়ে আলোচনা সভা।

প্রতিদিন বদলায় মেনু, বদলায় খাবারের দাম: তবু স্বাদে অটুট কলকাতার সিদ্ধেশ্বরী আশ্রম

Hotel Siddheswari Ashram: সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে চোখ পড়বে সুবিশাল মেনু বোর্ডে, যাতে মুদ্রিত আছে হোটেলটির সামগ্রিক খাদ্য সমাহার। বোর্ডটিতে সেই দিনের প্রাপ্ত পদের পাশে চকখড়িতে হাতে লেখা সেই দিনের দাম। আর অতি অবশ্যই বাংলা ও ইংরাজিতে লেখা থাকে তারিখ।

যে দুর্গাবাড়ির পঞ্চমুণ্ডির আসনে আজও বসেন দেবী, সেখানেই একদিন শপথ নিতেন বিপ্লবীরা

Gangarampur Durgabari,: তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, পঞ্চমুণ্ডি আসন সাধারণ কোনো বেদি নয়। পাঁচটি নির্দিষ্ট খুলি বা করোটি—যেমন চণ্ডাল বা ডোমের, শিয়ালের, বেজি বা নেউলের, বিষধর সাপের এবং হনুমানের খুলি মাটির নিচে নির্দিষ্ট নিয়মে পুঁতে এই আসন তৈরি করা হয়।