বাংলাদেশে আশ্রয়শিবিরে যে জীবন বাঁচেন রোহিঙ্গা রিফিউজিরা

Rohingya refugees : ইউনিসেফ-এর সহায়তায় কিছুটা পড়াশোনার সুযোগ থাকলেও এখন তহবিলের অভাবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য একের পর এক শিক্ষাকেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
বাংলাদেশে আশ্রয়শিবিরে যে জীবন বাঁচেন রোহিঙ্গা রিফিউজিরা

সম্প্রতি বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের প্রবেশের ৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশের ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন। তবে কোনো দেশের নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ফলে সৃষ্ট শরণার্থী বা উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেওয়া খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। বলাই বাহুল্য, রোহিঙ্গা সমস্যাটি সমসাময়িক অন্যান্য শরণার্থী সমস্যা থেকে ভিন্ন। আর এই বিষয়ে যে ভারত, চিন ও রাশিয়া নীরব ভূমিকা পালন করেছে তা নতুন করে বলতে হয় না।

বাংলাদেশ প্রথম থেকেই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জায়গা দিয়েছে। মায়ানমারের রাখাইনে সামরিক অভিযান শুরুর পর ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা দেশটিতে ঢুকতে শুরু করে। এখন সেই সংখ্যা লক্ষ লক্ষ। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩ টি আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লক্ষের বেশি। এর মধ্যে ১ লক্ষ ২৪ হাজার এসেছেন গত ১৮ মাসে। যদিও সম্প্রতি ১১টি দেশ যৌথ বিবৃতি দিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ উঠেছেই। যেমন, তারা সব সময়ই চেষ্টা করছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ক্যাম্পের মধ্যেই আবদ্ধ রাখতে। এখন রোহিঙ্গারাও ধীরে ধীরে বুঝতে পেরেছে ক্যাম্পে তাঁদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই, এই সমস্যার সমাধান চাইছেন তাঁরা।

বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে রোহিঙ্গাদের 'শরণার্থী'র স্বীকৃতি দেয়নি কখনই। এতে অনেক অধিকার থেকেই বঞ্চিত থাকতে হয় তাঁদের। যদিও বাংলাদেশ সরকার তাঁদের মৌলিক চাহিদা পূরণে জোর দিচ্ছে, কিন্তু তবুও কিছু সমস্যা থেকেই গেছে। মর্যাদাপূর্ণ এবং নিরাপদ জীবন তো নেই, সামান্য প্রয়োজন মেটাতেও হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগও নেই তাঁদের, ফলে কোনো চাহিদাই পূরণ করা হয় না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রোহিঙ্গা শিশুর কান্নাও 'অবৈধ'?

India deports Rohingyas: রোহিঙ্গাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, যা তাঁদের আইনি কর্মসংস্থান, ধারাবাহিক শিক্ষা এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবার মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলো থেকে বঞ্চিত করে।

শিশুরা বড় হচ্ছে নানা রকম সংকটের মধ্যে দিয়ে। প্রতিবছর রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে প্রায় ৩০ হাজার শিশুর জন্ম হয়। তাঁরা প্রত্যেকেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই বড় হচ্ছে। ইউনিসেফ-এর সহায়তায় কিছুটা পড়াশোনার সুযোগ থাকলেও এখন তহবিলের অভাবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য একের পর এক শিক্ষাকেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তবে ইউনিসেফ বলেছে, অর্থের সংস্থান হলে দ্রুত শিক্ষাকেন্দ্রগুলি আবারও চালু করা হবে। তবে আদৌ তা হবে কিনা সেই নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যদিকে আবার কিছু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। ধীরে ধীরে ওই সন্ত্রাসী দলগুলি রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই সক্রিয় হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ রোহিঙ্গাদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ক্রমেই হত্যা, চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসা, জঙ্গি কার্যকলাপ বেড়ে চলেছে। এর অন্যতম কারণ ত্রাণের পরিমাণ কমে আসা। প্রতিবছর ন্যূনতম ৬০০ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। কিন্তু ত্রাণের পরিমাণ অনেকটাই কমেছে, আট বছরে ত্রাণ সহায়তা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।

আল জাজিরার-র কক্সবাজারের প্রতিনিধি টনি চেং বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ২০২৫ সাল থেকে রেশন কমিয়ে ১২ থেকে ৮ ডলার করা হয়। এখন তা ৬ ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা সহায়তা বাড়িয়েছে ঠিকই, তবে এই অর্থ সহায়তা কেবল সেপ্টেম্বর পর্যন্তই দেওয়া হবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রোহিঙ্গা সমস্যার মধ্যেই উপ্ত ছিল বাঙালি নিপীড়নের বীজ

Bangladeshis : এর আগেও বাঙালিকে তাড়ানোর রব উঠেছে অসমে। ১৯৬০ সালে তা চরমে পৌঁছয়। অসমে 'বংগাল খেদা' নামে বাঙালি তাড়াও হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বহু চেষ্টা করেও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফেরানো যায়নি। দু-বার প্রত্যাবর্তনের কথা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। যেহেতু প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া সফল হয়নি এবং রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিরোধীতা দেশের অন্দরে ছিলই, তাই বাংলাদেশের কয়েক হাজার রোহিঙ্গা পরিবারকে নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে (বঙ্গোপসাগরের এক দ্বীপ) স্থানান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু এই স্থানান্তর জোরপূর্বক ছিল নাকি স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যেতে রাজি হয়েছিলেন, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

মায়ানমার সেনাবাহিনী হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যা করেছিল। তাঁদের গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অনেকেই পালাতে গিয়েও গুলি খেয়ে মারা যান। উইলিয়াম ড্যানিয়েলস ন্যাশনাল জিওগ্রাফি-তে তাঁর সামনে থেকে দেখা মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের জীবন নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছেন। সদ্য মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবিরে গিয়েছিলেন তিনি। দেখেন শরণার্থীরা বাঁশ এবং ত্রিপল দিয়ে নিজেরাই নিজেদের থাকার তাবু বানাচ্ছিলেন। সবাই অসুস্থ না হয় আহত। ড্যানিয়েলস বলেছেন, তিনি এমন ১০,০০০ জনকে দেখেছিলেন যাঁরা সাহায্য ছাড়া হাঁটতে পারেন না। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মায়ানমারে সংগঠিত অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা হয়েছে। আইসিসির শুরু করা এই তদন্ত এখনও বিচার-পূর্ব অবস্থা বা প্রি-ট্রায়াল পর্যায়ে রয়েছে।

উইলিয়াম ড্যানিয়েলস আরও বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে শতকরা ৬৭ শতাংশই ছিল মহিলা। তাঁদের মধ্যে ১৩ শতাংশ গর্ভবতী বা স্তন্যপান করানো মহিলা। এমনও অনেকেই ছিলেন যাঁরা নিজের চোখের সামনে পরিবারের প্রিয়জনদের হত্যা দেখেছেন। সামরিক বাহিনীগুলিতে পঙ্গু হয়ে শত শত রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে এসে উঠেছিলেন বলেও জানান তিনি। এখন এই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত আশ্রয়, পানীয় জল, স্যানিটেশনের অভাব দেখা দিচ্ছে। ভাত ছাড়া প্রায় কিছুই খাবার জোটে না তাঁদের।

তবে সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। প্রথমটি হয় ২৫ অগাস্ট বাংলাদেশের কক্সবাজারে। অন্য দুই সম্মেলনের একটি হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। অন্যটি হবে ৬ ডিসেম্বর কাতারে। এই দিন বাংলাদেশের কক্সবাজারের সম্মেলনে পশ্চিমা বিশ্বের ১১টি দেশ বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

একধিকবার আন্তর্জাতিক উদ্যোগে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফেরানোর কথা হয়েছে। আট বছর তাঁরা দেশ ছাড়া। ২৫ অগাস্ট ফের তাঁরা নিরাপদে মায়ানমারে ফেরার দাবি তুলেছিলেন। আমেরিকার সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ লিখেছিল, কক্সবাজারের কুটুপালং শরণার্থী শিবিরের সামনে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা জমায়েত করে প্রতিবাদ করেন। রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। তবু আরও বিস্তর আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। প্রশ্ন থাকছেই, কবে নিজ ভূমিতে সম্মানের সঙ্গে ফিরতে পারবেন রোহিঙ্গারা?

(লেখকের মতামত ব্যক্তিগত)

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।