একের পর এক বিএলও অসুস্থ–মৃত! নির্বাচন কমিশনের টনক নড়বে না?

Bengal BLO Crisis: বিএলওরা সবচেয়ে বড় যে-অভিযোগটি করেছেন সেটি হলো এই যে, ট্রেনিংয়ে তাঁদের একবারও বলা হয়নি যে, ডেটা অনলাইনে এন্ট্রি করার কাজটিও তাঁদেরই করতে হবে। এই কাজটির জন্য কোনো ট্রেনিংও তাঁদের দেওয়া হয়নি।

Angshuman Kar
৫ মিনিট
একের পর এক বিএলও অসুস্থ–মৃত! নির্বাচন কমিশনের টনক নড়বে না?

“আমি বাঁচতে চাই, আমার সংসারে কোনো অভাব নেই। কিন্তু এই সামান্য চাকরির জন্য এরা আমাকে এই ভাবে ভরাডুবির মাধ্যমে মরতে বাধ্য করল। আমার এই পরিণতির জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী, আমি কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না। খুবই সাধারণ মানুষ। কিন্তু এই অমানুষিক কাজের চাপ আমি নিতে পারছি না। আমি একজন পার্শ্বশিক্ষিকা। বেতন পরিশ্রমের তুলনায় খুবই কম। কিন্তু এরা আমাকে ছাড় দিল না। অফলাইন কাজ আমি ৯৫% শেষ করে ফেলেছি কিন্তু অনলাইন আমি কিছুই পারি না। বিডিও অফিসে এবং সুপারভাইজারকে জানানো সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা করল না”। এই কথাগুলি লিখে আত্মহত্যা করেছেন রিঙ্কু তরফদার। সম্পূর্ণ সুইসাইড নোটটি পড়লে চোখ জলে ভরে উঠতে বাধ্য। সুইসাইড নোটের শেষের দিকে রিঙ্কু এটিও পরিষ্কার করেছেন যে, তাঁর এই মৃত্যুর জন্য তাঁর পরিবারের কেউই কোনোমতেই দায়ী নয়। প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, এইরকম একটি সুইসাইড নোট প্রকাশ্যে আসার পর কেন কোর্ট নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুয়োমোটো মামলা শুরু করবে না?

এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর আবশ্যিক ছিল। একাধিক ভুয়ো ভোটারের নাম যেমন এ-রাজ্যের ভোটার তালিকায় আছে, তেমনই রয়ে গেছে মৃত ভোটারদের নাম, অনুপ্রবেশকারীদের নাম। এসআইআর চালু হতেই বর্ডার পেরিয়ে দেশ ছাড়ার হিড়িক পড়ে গেছে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের। অনুপ্রবেশের দায় অবশ্যই প্রাথমিকভাবে বিএসএফের। তারপরে এই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত না-করার দায় কিন্তু রাজ্য পুলিশের। তারা যে-দালালচক্রের মাধ্যমে ভোটার কার্ড পেয়েছে, সেই দালালচক্রটিকে বাঁচিয়ে রাখার দায় রাজ্যের শাসক দলের। কাজেই এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, একটি স্বচ্ছ ভোটার তালিকা পাওয়ার জন্য এসআইআর আবশ্যিক। কিন্তু এই কি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন করার পদ্ধতি? ২০০২ সালে এই এসআইআরের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছিল দু-টি বছর ধরে। এই ২৩ বছরে ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। অথচ পরিমাণে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়া কাজই সম্পন্ন করা হচ্ছে দু-মাসেরও কম সময়ে। এর চেয়ে বড়ো অন্যায় আর হয় না। কাজ শুরু হবার সঙ্গে সঙ্গেই এটাও পরিষ্কার বুঝতে পারা যাচ্ছে যে, সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত অবস্থায় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে এই কাজটি শুরু করেছে। ভোটারদের হয়রানি তো হচ্ছেই, কিন্তু সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মনে হচ্ছে বিএলওদের। এঁদের অনেকেই ইতোমধ্যেই চাপ সহ্য না করতে পেরে হয় অসুস্থ হয়েছেন, নাহলে মারা গিয়েছেন। এখনও যদি নির্বাচন কমিশনের টনক না নড়ে, তাহলে আগামী দিনে বিএলওদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এসআইআর: ভোটের আগে 'ব্র‍্যান্ড মমতা'র হাতে চাঁদ?

Mamata Banerjee and the SIR Issue: একদম তৃণমূল স্তরে বার্তা দেওয়ার, সংগঠিত করার সুযোগ পাচ্ছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। একসময় মমতা বন্দোপাধ্যায়ই ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মুখ— 'দিদি মানে প্রতিবাদের প্রতীক।'

কী কী সমস্যায় পড়েছেন বিএলওরা? কথা ছিল, ৪ নভেম্বর ২০২৫-এ সমস্ত ভোটারের ফর্ম একসঙ্গে তুলে দেওয়া হবে বিএলওদের হাতে। কিন্তু, তা দেওয়া হয়নি। প্রথম দফায় কিছু ফর্ম এবং কিছুদিন পরে আর এক দফায় বাকি ফর্ম দেওয়া হয়। যেহেতু একটি পরিবারের একাধিক ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় বিভিন্ন ক্রমিক নম্বরে থাকে, তাই দু-দফায় ফর্মগুলি পাওয়ার জন্য একই পরিবারে একজন বিএলওকে বারেবারে যেতে হয়েছে। এজন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএলওদের কাউকে কাউকে ১৬ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে, এমন খবর পেয়েছি।

বিএলওদের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সমাজমাধ্যমে এক ধরনের প্রচার করা হয়েছে আর তাদের ট্রেনিংয়ে দেওয়া হয়েছে আরেক ধরনের নির্দেশ। যেমন, ফর্মে একজন ভোটারের ছবি যুক্ত করার কথাটিই ধরা যাক। বিএলওদের অভিযোগ, কখনও বলা হয়েছে ছবি দেওয়া বাধ্যতামূলক, কখনও বলা হয়েছে ছবি না দিলেও চলবে। এ প্রসঙ্গে কোনো পরিষ্কার নির্দেশিকা নেই। যে-এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া হয়েছে, সেটি যথাযথভাবে পূরণের একটা নির্দেশিকা ফর্মের উলটো পিঠে দেওয়াই যেত। কিন্তু, তা করা হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে আমিও এই ফর্মটি ফিল-আপ করতে গিয়ে দেখেছি একটি দু-টি জায়গায় যে ঠিক কী তথ্য চাওয়া হচ্ছে, তা ফর্মে ব্যবহৃত বাংলা ভাষাটির মাধ্যমে পরিষ্কার করে বোঝানো যায়নি। ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে আমাকে আমার এলাকার বিএলওকে ফোন করতে হয়েছে দু-বার। আমারই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ ভোটারদের অবস্থা কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। কার্যত প্রচুর ভোটার সঠিকভাবে ফর্ম ফিলাপ করতে পারেননি। এই সমস্ত ভোটারদের হিয়ারিং অতি অল্প সময়ের মধ্যে সংগঠিত করে কীভাবে তাঁদের সুবিচার দেওয়া যাবে, সেটি একটি বড় প্রশ্ন বটেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এসআইআর | যেভাবে নাভিশ্বাস উঠছে বিএলওদের

BLO's problems:বিএলওরা সবচেয়ে বেশি বিপন্নতার শিকার হচ্ছেন। প্রতি বুথ পিছু একজন আধিকারিক।

বিওএলওরা অভিযোগ করছেন যে, প্রথমে নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছিল কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য অ্যাডিশনাল বিএলও দেওয়া হবে কিন্তু সেটাও দেওয়া হয়নি। বিএলওরা ডেপুটেশন দেওয়ার পর অ্যাডিশনাল বিএলও দেওয়া হয়, তাও তাঁদের, যাঁদের পার্টে ১২০০র ওপর ভোটার আছে। তবে বিএলওরা সবচেয়ে বড় যে-অভিযোগটি করেছেন সেটি হলো এই যে, ট্রেনিংয়ে তাঁদের একবারও বলা হয়নি যে, ডেটা অনলাইনে এন্ট্রি করার কাজটিও তাঁদেরই করতে হবে। এই কাজটির জন্য কোনো ট্রেনিংও তাঁদের দেওয়া হয়নি। এমন অনেক বরিষ্ঠ শিক্ষক আছেন যাঁরা স্মার্ট ফোন বা কমপিউটার ব্যবহার করতে একেবারেই দক্ষ নন। তাঁদের পক্ষে এই কাজ কী করে করা সম্ভব? এরই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সময়ে কাজ শেষ করার জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে প্রচ্ছন্ন হুমকি। রিঙ্কু তরফদার যে আত্মহত্যা করেছেন, তাও তিনি করেছেন এই আতঙ্ক থেকেই যে, কিছুতেই তাঁর পক্ষে অনলাইনে ডেটা এন্ট্রি করা সম্ভব হবে না।

আজ তাই কেন বিএলওদের ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের সাহায্য দেবে না নির্বাচন কমিশন– এই প্রশ্ন উঠবেই। প্রশ্ন উঠবেই যে, অ্যাপটির মাধ্যমে ডেটা এন্ট্রি করা হচ্ছে তার কার্যকারিতা নিয়েও। অ্যাপটি অত্যন্ত ধীর গতির। মাঝে মাঝেই লগ আউট হয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী বিএলওদের অনেকেই এই লেখককে জানিয়েছেন যে, অ্যাপটি সকাল ৬টা থেকে ১১টা এবং রাত ৮টা থেকে ১১টা–এইটুকু সময়ই মোটামুটি কাজ করছে, তাও সবদিন নয়। অ্যাপটি থেকে এটিও তাঁরা দেখতে পারছেন না যে, কত সংখ্যক ফর্ম জমা হয়েছে। ডেটা এন্ট্রি করতে গিয়ে কোনো ভুল হয়ে গেলে এডিট অপশনও পাওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এই প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে যে, তথ্য সম্পাদনার সুযোগ পরে দেওয়া হবে। প্রশ্ন উঠবেই, এই ধরনের ভয়ংকর একটি অ্যাপ দিয়ে কীভাবে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পাদন করা সম্ভব? এই কি ডিজিটাল ইন্ডিয়ার নমুনা? বিএলওদের অনেকেই এই লেখককে এটিও জানিয়েছেন যে, ২০০২-এর ভোটার তালিকার অনলাইন ম্যাপিংয়েও কিছু সমস্যা আছে। অনেক ক্ষেত্রেই তালিকায় নাম থাকা একজন ভোটারের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। দেখাচ্ছে ‘নো রেকর্ড ফাউন্ড’।

এসআইআর-এর কাজ বন্ধ করে দেওয়া নিশ্চয়ই এই সমস্যাগুলি সমাধানের পথ নয়। কিন্তু অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের উচিত এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার সময়সীমা বাড়ানো। এত তাড়া কীসের? নির্বাচন কমিশন কি একটি রাজনৈতিক দলের তল্পিবাহক হিসেবে কাজ করতে পারে? এসআইআরের সময়সীমা বাড়ানো না হলে তো এই প্রশ্ন উঠবেই। অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের উচিত অ্যাপটিকেও যথার্থভাবে কার্যকরী করে তোলা এবং বিএলওদের সাহায্য করার জন্য ডেটা এন্ট্রি অপারেটরদের নিয়োগ করা। এগুলি না করা হলে কিন্তু এমনটা মনে হবেই যে, বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার জন্যই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।

লিখেছেন
Angshuman Kar
Angshuman Kar
4 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।