বিপদের চরম সীমায় পৃথিবী! নির্বিচারে জঙ্গল কাটার যে মাশুল দিতে হবে আপনার সন্তানকেও...

Amazon Deforestation: Tipping Point-এ পৌঁছে যাওয়া মানে পরিস্থিতি একেবারেই হাতের বাইরে চলে যাওয়া। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, অ্যামাজনের Tipping Point-এ পৌঁছে যাওয়া সময়ের অপেক্ষা।

Satyaki Tat
৩ মিনিট
বিপদের চরম সীমায় পৃথিবী! নির্বিচারে জঙ্গল কাটার যে মাশুল দিতে হবে আপনার সন্তানকেও...

"Climate change carries no passport and knows no national borders. Countries must work toward the common interest, beyond narrow national interests."

আপনি কখনও কোনও মহাকাশচারীর সাক্ষাৎকার শুনেছেন? যদি শুনে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে, তাঁদের সবার একটি বক্তব্যে ভীষণ মিল। তাঁরা মহাকাশে গিয়ে মানুষ হিসেবে পাল্টে গেছেন। পৃথিবী, সমাজ এবং সামগ্রিকভাবে এই সভ্যতা সম্পর্কে তাঁদের মনোভাবে আমূল পরিবর্তন এসেছে। কারণ তাঁরা মহাকাশে গিয়ে এই পৃথিবীকে দেখেছেন। তাঁরা দেখেছেন একটি গ্রহ, শূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছে, প্রদক্ষিণ করছে একটি তারাকে, যেখানে কোনও সীমান্ত নেই, শুধু জল আর স্থল, এবং খুব সূক্ষ্ম এক বায়ুমণ্ডল। এক নিখুঁত ব্যবস্থাপনা যা মহাকাশের নির্মম, ক্ষমাহীন পরিবেশে গড়ে তুলেছে প্রাণের বিরল বাসা। সেই বাসা ২০০ টি দেশে বিভক্ত কুরুক্ষেত্র নয়, একটি প্রাণ, যার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ছড়িয়ে বিভিন্ন প্রান্তে এবং প্রত্যেকটি অংশ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। এই গ্রহ মানুষের কাছে বিশাল হতে পারে, উত্তর গোলার্ধ থেকে দক্ষিণ গোলার্ধের দূরত্ব মানুষের কাছে অনেক হতে পারে, কিন্তু আদপে তা নয়।

সেই বাসা আজ চরমভাবে আক্রান্ত। আক্রান্ত পৃথিবীর বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। তার মধ্যে সবথেকে চিন্তায় রেখেছে পৃথিবীর ফুসফুসের আক্রান্ত হওয়া। যাকে আমরা অ্যামাজন বলে জানি। পৃথিবীর বৃহত্তম রেইনফরেস্ট, যা নয়টি দেশ জুড়ে অবস্থিত, যেখানে পৃথিবীর অন্তত ১০ শতাংশ প্রজাতি এবং ৪ কোটি মানুষের বাস। এই রেইনফরেস্ট এতটাই বৃহৎ যে আমাদের গ্রহের স্বাস্থ্যের সঙ্গে এর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। ঠিক যেভাবে ফুসফুস আক্রান্ত হলে আমাদের শরীরের বাকি অংশেও তীব্র প্রভাব পড়ে, এটিও ঠিক তাই। কেউ যদি মনে করেন যে লাতিন আমেরিকার জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে সাফ করে দিলে আমাদের কী, তাহলে তিনি মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। ইতিমধ্যেই পৃথিবীর অন্যান্য অংশে অ্যামাজনের রুগ্ন স্বাস্থ্যের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়ছে বাস্তুতন্ত্র।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ব্রাজিলের গদি উল্টোনো কতটা বাঁচাবে পৃথিবীর ফুসফুস আমাজনকে

Amazon forest: বিশ্বজুড়ে পরিবেশবিদরা এবং বিজ্ঞানীরা এখন এই আশাতেই বুক বাঁধছেন, যে সুসময় আসবে, আমাজন আবারও স্বমহিমায় পৃথিবীর বুকে রাজত্ব করবে।

সম্প্রতি এক অতি উদ্বেগজনক রিপোর্ট সামনে এসেছে। Nature Climate Change Journal-এর গবেষণা দাবি করছে, অ্যামাজনের গাছ কেটে সাফ করে ফেলার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সুদূর তিব্বতে, যার অ্যামাজন থেকে দূরত্ব ১৫ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। প্রভাব পড়েছে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাদরেও।

এই গবেষণায় জানা যাচ্ছে, তিব্বতের এবং পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে অ্যামাজনের বননিধনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বিগত চার দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছেন যে, অ্যামাজনে যখনই বেশি বৃষ্টি হয়েছে, তখনই এই দুই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বা তুষারপাত কমে গেছে। যত এই রেইনফরেস্টের আয়তন ছোট হচ্ছে, তত দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে তিব্বতে এবং অ্যান্টার্কটিকায়। বরফ গলতে থাকছে, বাড়ছে সমুদ্র পৃষ্ঠের জলস্তর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
উন্নয়নের কোপে পরিবেশ ধ্বংসের মাশুল! কোন ভয়াবহ সংকট আসন্ন

COP-27: উন্নয়নের কর গুনতে গুনতে আস্ত এক-পৃথিবী প্রাকৃতিক শরণার্থী নিয়ে এরপর কার দ্বারস্থ হবে আধুনিক মানুষ?

বিজ্ঞানীরা এই বিপদকে বোঝাতে একটি শব্দের ব্যবহার করেন, 'Tipping Point'। এই কথাটির অর্থ হলো, এমন একটি দশা যেখান থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে আর সীমিত করা যাবে না বা রোখা যাবে না। Tipping Point-এ পৌঁছে যাওয়া মানে পরিস্থিতি একেবারেই হাতের বাইরে চলে যাওয়া। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, অ্যামাজনের Tipping Point-এ পৌঁছে যাওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। অ্যামাজন যদি সেই টিপিং পয়েন্টে পৌঁছে যায় যেখান থেকে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হবে না, তাহলে খুব কম সময়ের মধ্যেই সেই প্রভাব পৌঁছে যাবে তিব্বতে এবং অ্যান্টার্কটিকায়।

মনে রাখা প্রয়োজন, তিব্বত উপত্যকায় হিমালয়ের তথা পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গগুলি অবস্থিত। তিব্বতের বরফের চাদরের উপর নির্ভরশীল ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ। কিন্তু ২০০৮ সাল থেকেই এই অঞ্চলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য স্থানের তুলনায় তিব্বত বা অ্যান্টার্কটিকার তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে নির্বিচারে বননিধন।

সম্প্রতি ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লুলা ডি সিলভা। যিনি অ্যামাজনকে রক্ষা করার জন্য অতীতে সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, সেই সঙ্গে তাঁর পূর্বসূরি এবং অ্যামাজনের ঘোষিত শত্রু বোলসোনারোর সমস্ত অ্যামাজন ধ্বংসকারী কার্যকলাপ বন্ধ করে তাকে বাঁচিয়ে রাখার অঙ্গীকার করেছেন। জার্মানি, নরওয়ের মতো দেশ আর্থিক সাহায্য করেছে, সাহায্য আসছে পৃথিবীর বাকি প্রান্ত থেকেও। কিন্তু তা কি যথেষ্ট? একেবারেই নয়। আজও প্রতিনিয়ত একটি ফুটবল মাঠের সমান জঙ্গল উধাও হয়ে যাচ্ছে, তা আটকানো যাচ্ছেনা। এইভাবে চলতে থাকলে আর সর্বাধিক দশ বছর আমাদের হাতে আছে। তার মধ্যেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ের সূচনা হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা।

এখন রাষ্ট্রপ্রধানরাই ঠিক করুন, নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতেই শুধু অর্থ বৃদ্ধি করে যাবেন নাকি পরিবেশের জন্যও সামান্য অর্থ বরাদ্দ করবেন?

লিখেছেন
Satyaki Tat
Satyaki Tat
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জলবায়ু বদলেছে, নদীর প্রবাহ বদলেছে: ৩০ বছরের পুরনো ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তিতে কোন কোন পরিবর্তন দরকার?

A Flawed Pact of Farakka: ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ। বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞ মনজুর এ চৌধুরীর মতে, চুক্তিটি 'ত্রুটিপূর্ণ', এতে নেই গ্যারান্টি ক্লজ, নেই পরিবেশগত প্রবাহের হিসাব, নেই জলবায়ু পরিবর্তনের বিধান। তাঁর প্রস্তাব, তিন বছরের নতুন অন্তর্বর্তী চুক্তি হোক, তারপর নেপালকে যুক্ত করে তৈরি করা হোক ত্রিপাক্ষিক কাঠামো।

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

তেলের বদলে বিদ্যুৎ! আরব সাগরের তলায় ভারত-সৌদির ৯ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প

India Saudi Arabia submarine power link: আরব সাগরের তলদেশ দিয়ে ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত ২১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন বিদ্যুৎ সংযোগের একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ক্ষমতা থাকবে ৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের। প্রযুক্তি হিসাবে ব্যবহৃত হবে HVDC, এর ফলে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। আজ, ৫ অক্টোবর, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে প্রকল্পটির ব্যয় কমানো, অর্থায়ন মডেল ও ঝুঁকি ভাগাভাগি নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড প্রকল্প ও জি-২০ তে প্রস্তাবিত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই প্রকল্পটিকে চিনের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে।

কয়লার দেশ হয়েও কেন বিদ্যুৎ সংকটে ভারত?

India's energy crisis 2026: হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ায়, ভারতের ৮০ শতাংশের বেশি জ্বালানি আমদানি ধাক্কা খেয়েছে। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এক সময় জ্বালানিক্ষেত্রে ‘ঘাটতি নেই’ বললেও সেপ্টেম্বরে স্বীকার করলেন, জ্বালানির পরিস্থিতি বর্তমানে ‘টানটান’। ৭৬টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংকটজনক ভাবে মজুত করা কয়লায় চলছে। চলছে এলপিজির কালোবাজারি। ডিসকমগুলির বকেয়া জমে রয়েছে প্রায়, ৩,৩৩০ কোটি টাকা।

প্রকৃতির কোলে পিকনিক, শেষে প্লাস্টিকের পাহাড়: মানুষ কি সত্যিই প্রকৃতিকে ভালোবাসে?

Environmental Pollution: প্রশাসনের তরফে অতিরিক্ত দূষণ ছড়ানো কলকারখানা সিল করে দেওয়ার মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয়তো নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতেই কি সমস্যার সমাধান মিলবে? কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহনের দাপট এবং বৈদ্যুতিন বর্জ্য। শ্রমবিমুখ হয়ে সবকিছু প্রস্তুত পাওয়ার মানসিকতা এবং দেশে সংস্কারের লড়াই না করে সহজে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার প্রবণতাও স্পষ্ট। এই দায় এড়িয়ে কি সার্বিক সমাধান সম্ভব?

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।