পাকিস্তানের গুপ্তচর! কে এই ভারতীয় ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা?

Jyoti Malhotra Pakistani Spy: ২০২৩ সালে, জ্যোতি মালহোত্রা কমিশন এজেন্টদের মাধ্যমে ভিসা ব্যবহার করে প্রথমবার পাকিস্তান যান। সেই সময়ই এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সংস্পর্শে আসেন তিনি।

inscript
৪ মিনিট
পাকিস্তানের গুপ্তচর! কে এই ভারতীয় ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা?

পেশায় ট্রাভেল ভ্লগার। 'ট্র্যাভেল উইথ জো' নামে চ্যানেল রয়েছে তাঁর। নেটিজেনদের কাছে খুবই পরিচিত মুখ। তবে নেপথ্যে রয়েছে অন্য এক ছবি। অভিযোগ, হরিয়ানার ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা পাকিস্তানের গুপ্তচর। পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের ভারতের নানা সংবেদনশীল তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে জ্যোতিকে। ভারতের গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ভারতের মাটিতে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করার জন্য ‘একজন সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছিল’ জ্যোতিকে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের সময় জ্যোতি এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন ঠিকই কিন্তু ভারতের প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত কোনও তথ্য তাঁর কাছে ছিল না।

জ্যোতির ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল, 'travelwithjo1'-এর ফলোয়ার ১.৩৭ লক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে "নরম্যাডিক লিও গার্ল। ট্র্যাভেলার। হরিয়ানভি + পাঞ্জাবি মডার্ন গার্ল উইথ ওল্ড আইডিয়াস" বলে পরিচয় দেন জ্যোতি। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই জানা যায় বাইক চালানো এবং একা ঘুরতে যাওয়া তাঁর বিশেষ পছন্দের। জ্যোতি মালহোত্রা পাকিস্তান, ভুটান, ইন্দোনেশিয়া এবং চিন সহ বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন।

হিসারের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, জ্যোতি 'স্পন্সরড' সফরে একাধিকবার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। এমনকী পহেলগাঁও হামলার আগেও তিনি পাকিস্তানে গেছিলেন। পুলিশ জানাচ্ছে, ইদানীংকালের যুদ্ধে কেবল আর সীমান্তে লড়াই হয় না। পাকিস্তানের গুপ্তচররা তাদের বক্তব্য প্রচারের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রভাবশালীদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। জ্যোতি তেমনই একজন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জ্যোতি মালহোত্রা একবার চিনেও গেছিলেন। মজার বিষয় হচ্ছে, জ্যোতি যা রোজগার করেন বলে জানা গেছে, তাঁর এই নানা দেশে ভ্রমণের খরচ সেই আয়ের চেয়ে ঢের বেশি। জ্যোতির উপার্জনের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ করছেন ভারতের গোয়েন্দারা। জানা যাচ্ছে, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় তিনি পাকিস্তানের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

পুলিশের অভিযোগ, জ্যোতি মালহোত্রা নিয়মিত পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য ভাগ করে নিতেন। জ্যোতি মালহোত্রার ইউটিউব চ্যানেলে তাঁর পাকিস্তান সফরের অসংখ্য ভিডিও রয়েছে, যার শিরোনাম 'ইন্ডিয়ান গার্ল ইন পাকিস্তান', 'ইন্ডিয়ান গার্ল এক্সপ্লোরিং লাহোর' এবং 'ইন্ডিয়ান গার্ল অ্যাট কাটাস রাজ টেম্পল'। তদন্তকারীরা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের ইতিবাচক ভাবমূর্তি উপস্থাপন করার দায়িত্ব জ্যোতিকে দেওয়া হয়েছিল প্রাথমিকভাবে। সন্দেহ এড়াতে জ্যোতি মালহোত্রা একজন পাক কর্মীর নাম 'জট রানধাওয়া' নামে সেভ করেছিলেন বলে জানা গেছে।

Is it a coincidence that u tuber Jyoti Malhotra who was honey trapped by Danish ,a Pakistani High Commission employee ( most probably ISI person) visited Pahalgam in January 2025? She was reportedly passing on sensitive information to ISI handlers. Our intelligence services…

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যে ১১টি শর্তে পাকিস্তানকে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিল আইএমএফ

IMF Loan for Pakistan: পাকিস্তানকে আট হাজার কোটি টাকার (ভারতীয় মুদ্রায়) বাড়তি ঋণ দিয়েছে আইএমএফ, যার প্রথম দুই কিস্তির টাকা ইতিমধ্যেই পড়শি দেশ পেয়ে গিয়েছে।

— Shesh Paul Vaid (@spvaid)

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি পুলিশকে এই বিষয়ে গোপন তথ্য দেওয়ার পরই, জ্যোতি মালহোত্রাকে গ্রেফতার করা হয়। জ্যোতি যে পাকিস্তানিদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছিলেন বলে জানা গেছে, তাঁদের মধ্যে আছেন এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশও। দানিশ নয়াদিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের একজন কর্মচারী। গত বছর দানিশের সঙ্গে ভারতে পাকিস্তান হাইকমিশনে একটি বিশেষ ইফতার নৈশভোজেও অংশ নিয়েছিলেন জ্যোতি। মাস দুয়েক আগে জ্যোতি পাকিস্তান থেকে একাধিক ভিডিও এবং রিল পোস্ট করেছিলেন। লাহোরের আনারকলি বাজার, কাটাস রাজ মন্দির এবং সারা দেশে বাসে চেপে সফরের নানা দৃশ্য দেখিয়েছিলেন তিনি। ভারতীয় ও পাকিস্তানি সংস্কৃতির তুলনা এবং পাকিস্তানি খাবারের গল্পও করেছেন তিনি।

২০২৩ সালে, জ্যোতি মালহোত্রা কমিশন এজেন্টদের মাধ্যমে ভিসা ব্যবহার করে প্রথমবার পাকিস্তান যান। সেই সময়ই এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সংস্পর্শে আসেন তিনি। দানিশই তাঁকে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। গত ১৩ মে, ভারত গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দানিশকে বহিষ্কার করে। সাম্প্রতিক পাক সফর শেষে জ্যোতি ভারতে ফিরে এসেও পাক গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। হরিয়ানা ও পঞ্জাব জুড়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংবেদনশীল গতিবিধি এবং অবস্থানের তথ্য তিনি পাকিস্তানকে জানিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাকিস্তানে তিনি যে দু'বার গেছেন, সেখানে এহসান-উর-রহিমের সহযোগী আলি আহওয়ানের আতিথেয়তায় তিনি ছিলেন বলে জানা গেছে। আলির মাধ্যমেই শাকির এবং রানা শাহবাজ সহ পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার অনেকের সঙ্গে জ্যোতির পরিচয় বলে জানা গেছে। এমনকী জ্যোতি মালহোত্রার কাছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ফোন নম্বরও ছিল গোপনে রক্ষিত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পাকিস্তানের ড্রোন হামলায় অগ্নিদগ্ধ! পঞ্জাবের প্রৌঢ়ার মৃত্যুতে উঠছে যে প্রশ্ন

Pakistan Drone Attack: পাকিস্তানের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখনও পর্যন্ত পঞ্জাবে দুইজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন।

জানা যাচ্ছে, এই বছরই, পহেলগাঁও হামলার ৩ মাস আগে, জ্যোতি কাশ্মীরও যান। ডাল লেক এবং শ্রীনগর-বানিহাল রেলপথ থেকে ভিডিও আপলোড করেছিলেন। পাকিস্তানের কোনও একজন কর্তার (সম্ভবত দানিশই) সঙ্গে জ্যোতির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল এবং জ্যোতি তাঁর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার বালিতেও গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

জ্যোতি ও দানিশ

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রাকে গ্রেফতার করার অনেক আগেই একজন সাধারণ সচেতন নাগরিক জ্যোতির সন্দেহজনক কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এক বছর আগেই, ভারতের একজন সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী জ্যোতির সন্দেহজনক আচরণের বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। ২০২৪ সালের মে মাসে, কপিল জৈন নামে এক ব্যক্তি এক্স-এ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জ্যোতি মালহোত্রার উপর নজরদারি করার জন্য সতর্ক করেন। পাকিস্তান এবং কাশ্মীর ভ্রমণকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন তিনি।

please keep close watch on this lady..she first visited and attained pakistani embassy function then visited pakistan for 10 days now she is heading for kashmir... may be some link behind all these

— kapil Jain (@chupchaplo)

জ্যোতির বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ভারতের গোয়েন্দাদের বিশ্বাস, এই মামলায় আরও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইতিমধ্যেই জ্যোতিসহ ছয়জন অভিযুক্তের কথা জানা গেছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।