দ্য কেরল স্টোরির আগেও হয়েছে বিতর্ক! কে এই বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন?

The Kerala Story Director Sudipto Sen: পরিচালক সুদীপ্ত সেনের সিনেমা ইন দ্য নেম অব লাভ — মেলানকোলি অব গডস ওন কান্ট্রি-ও ছিল লাভ জিহাদের উপর।

Madhurima Dutta
৫ মিনিট
দ্য কেরল স্টোরির আগেও হয়েছে বিতর্ক! কে এই বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন?

কথায় বলে, একই ভুল একবার করলে তা ভুল, একই ভুল বারবার করলে তা অভ্যাস। সিনেমা তো শিল্পমাধ্যম। শিল্পমাধ্যমে আজকাল ভুল কিছু নেই। তবে অভ্যাস আছে, ঘরানা বলে ডাকলে একটু সম্মান পায় সেই অভ্যাস। যেমন কারও কারও অভ্যাস, যৌন সুড়সুড়িমূলক সিনেমা তৈরি করে মুনাফা লোটা। কারও কারও অভ্যাস বিশেষ রাজনৈতিক ছত্রছায়াতে থেকে কর্মসূচিমূলক সিনেমা তৈরি। কারও কারও অভ্যাস বিরোধিতা। সম্প্রতি যে সিনেমাটি নিয়ে এত তর্ক, নিষিদ্ধ করার সমালোচনা- সেই সিনেমাটির পরিচালকেরও একটি বিশেষ অভ্যাস আছে। তা খানিক ওই রাজনৈতিক কর্মসূচির অধীনেই পড়ে। দ্য কেরল স্টোরির নির্মাতা সিনেমাতে পা দিয়েছেন নেহাত কম দিন হলো না। প্রায় ১৭ বছর আগে চলচ্চিত্র জগতে এসেছেন জলপাইগুড়ির বাঙালি ব্যক্তিত্ব সুদীপ্ত সেন। মূলত পরিচালক এবং লেখক হিসেবেই ২০০৬ সালে আত্মপ্রকাশ। এখনও অবধি বেশিরভাগই স্বাধীন প্রযোজনার চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন সুদীপ্ত সেন। দ্য কেরল স্টোরিই এখনও পর্যন্ত তাঁর সবচেয়ে চর্চিত চলচ্চিত্র হয়ে উঠেছে।

দ্য লাস্ট মঙ্ক নামে এক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালনায় হাতেখড়ি সুদীপ্ত সেনের। তবে ধর্ম থেকে বিশেষ নড়েননি চড়েননি সুদীপ্ত। এই লাস্ট মঙ্ক সিনেমাটির বিষয়ও ছিল ধর্ম। সিনেমাটি এমন একজন মহিলার জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যিনি অভিজাত পরিবারের ছায়া থেকে বেরিয়ে অবশেষে বৌদ্ধ ধর্মে যোগ দেন এবং শান্তি ও প্রশান্তির জীবনের সন্ধানে লাদাখে চলে যান। তবে আসল গল্প রয়েছে তাঁর অন্য একটি চলচ্চিত্রে। সুদীপ্ত সেন পরিচালিত অন্যান্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে আসমা, গুরুজি: আহেড অব টাইম, লখনউ টাইমস, গুরুজানা এবং ইন দ্য নেম অব লাভ। তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র এবং তথ্যচিত্রের মধ্যে রয়েছে আখনূর, ইন্ডিয়ান অটাম এবং ব্যাটল অব সরাইঘাট। দ্য কেরল স্টোরিই সুদীপ্ত সেন পরিচালিত প্রথম মূলধারার চলচ্চিত্র, যা সারাদেশে মুক্তি পেয়েছে। আর ঠিক বছর কয়েক আগে তাঁর ইন দ্য নেম অব লাভ সিনেমাটি প্রদর্শিত করতে গিয়ে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে।

পরিচালক সুদীপ্ত সেনের সিনেমা ইন দ্য নেম অব লাভ — মেলানকোলি অব গডস ওন কান্ট্রি-ও ছিল লাভ জিহাদের উপর। জোর করে হিন্দু মহিলাদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার বিষয়টি নিয়েই সিনেমা করেছিলেন তিনি। দিল্লিতে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সিনেমা প্রদর্শনের সময় বিক্ষোভ ওঠে চরমে। পরিচালক অভিযোগ করেছিলেন, হেনস্থা করা হয়েছে তাঁকে। দক্ষিণপন্থী অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সহ বামপন্থী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিক্ষোভ হিংসার পথে যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ঠিক কোন কারণে বাংলায় নিষিদ্ধ দ্য কেরল স্টোরি?

The Kerala Story Banned: বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে, একের পর এক সিনেমায় দেশাত্মবোধের বাড়াবাড়ি, হিন্দুদের উপর অত্যাচার এবং মুসলিমদের সন্ত্রাস প্রকল ও প্রবল।

আসলে সুদীপ্ত সেন তাঁর এই সিনেমাতেও নিশানায় রেখেছিলেন কেরলকেই। তাঁর অভিযোগ, কেরলে জোর করে গণ ধর্মান্তর করা হয় মহিলাদের। মুসলিম পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরিত করার নাকি 'ইসলামি ষড়যন্ত্র' এটি। সেই সময়, দ্য প্রিন্টকে সুদীপ্ত সেন জানিয়েছিলেন, ২০১০ সালে কেরলে সিপিআই(এম)-এর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি.এস. অচ্যুতানন্দন বলেছেন যে ভারতের র‍্যাডিক্যাল পপুলার ফ্রন্টের লক্ষ্য "কেরলকে আগামী ২০ বছরে একটি মুসলিম দেশে পরিণত করা।" তাই সুদীপ্ত সেন নাকি তাঁর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন যে মহিলাদের কেন জোর করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে।

ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের ঠিক কতটা কাছের মানুষ সুদীপ্ত সেন? কোনও সম্পর্কই নেই বলে দাবি করেছিলেন সুদীপ্ত। এই সিনেমাটিও নাকি 'লাভ জিহাদ' নিয়ে নয় মোটেও। উল্টে সুদীপ্ত সেন বলেছিলেন, “প্রথমত, আমি স্পষ্ট করে দিই যে আমি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) বা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্তর্গত নই। আমি একটি কমিউনিস্ট পরিবার থেকে এসেছি এবং 'লাভ জিহাদ'-এ বিশ্বাস করি না, এটি এমন একটি ধারণা যা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রচার করছেন এবং এটিই আমি আমার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছিলাম। আমার ছবিতে, আমি শুধুমাত্র কেরলে মুসলিম মহিলাদের জোর করে ধর্মান্তরিত করার কথা বলছি, যা বিপুল সংখ্যায় ঘটছে।"

"আমি সিনেমাতে যা দেখিয়েছি তা প্রমাণ করার জন্য আমার কাছে সমস্ত নথি এবং প্রমাণ রয়েছে। আসলে, আমি ৫০০ জনেরও বেশি মেয়ের সাক্ষাৎকার নিয়েছি যারা কেরলে ধর্মান্তরিত হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই কালিকট, মল্লাপুরম, কাসাগরের বাসিন্দা,” দ্য প্রিন্টকে জানিয়েছিলেন সুদীপ্ত সেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অশান্তির আতঙ্কে বাংলায় নিষিদ্ধ! মাত্র ৪ দিনে দেশজুড়ে 'দ্য কেরল স্টোরি'র আয় কত?

The Kerala Story Box Office Collection: পশ্চিমবঙ্গে কেন আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সিনেমা দেখলে মানুষ হিংসায় জড়িয়ে পড়বেন, অশান্তি বাড়বে?

নিজের সপক্ষে একাধিক যুক্তি সাজিয়ে সুদীপ্ত বলেছিলেন, “এই এলাকার প্রতিটি থানায় মেয়েদের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে হিন্দু মেয়েদের তুলে নিয়ে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। এটাই আমি আমার ছবিতে দেখিয়েছি। লাভ জিহাদ বলে কিছু নেই… যদি কোনও মেয়ে যে কোনও ধর্মের পুরুষকে বিয়ে করতে চায়, সে তা করতে স্বাধীন, ধর্মান্তরের তো কোনও প্রয়োজন নেই। তারা বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে বিয়ে করতে পারে। সমস্যা হলো জোর করে ধর্মান্তরিত করা নিয়েই।”

তাহলে হঠাৎ চলচ্চিত্রের প্রথম প্রদর্শনীর জন্য JNU-কে বেছে নিয়েছিলেন সুদীপ্ত সেন? “JNU হচ্ছে বুদ্ধিজীবীদের কেন্দ্রস্থল। আমি ভেবেছিলাম, আমি যদি এমন সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করতে চাই তবে এটিই প্রথম স্থান হওয়া উচিত যেখানে আমি আমার চলচ্চিত্র প্রদর্শন করব,” বলেছিলেন সুদীপ্ত। তাহলে তাঁর ছবির প্রদর্শনের আয়োজক কেন আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা বিবেকানন্দ চিন্তা মঞ্চ?” সুদীপ্তর দাবি ছিল, আরএসএসের সংস্থা যে এই সিনেমার প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে তা জানতেনই না তিনি। চলচ্চিত্র নির্মাতাও আরএসএস বা বিজেপির সঙ্গে যুক্ত এমন ধারণা মানতে চাননি তিনি।

এখন, এই ২০২৩ সালে এসে সুদীপ্ত সেন তৈরি করলেন দ্য কেরলা স্টোরি। ফের সেই কেরল, ফের সেই ধর্মান্তরকরণ এবং জঙ্গি তৈরি। সুদীপ্ত তাঁর সিনেমা মুক্তির আগেই ট্রেলারে দাবি করে বসেন, কেরলের ৩২,০০০ মহিলা ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ISIS-এ যোগ দিয়েছেন৷ বিতর্ক হয়, আদালত তথ্য প্রমাণ চাইলে দুম করে ৩২ হাজার থেকে নেমে ৩-এ চলে আসেন সুদীপ্ত! কিন্তু তাঁর কাছে নাকি প্রমাণ রয়েছে, যে প্রমাণ তিনি এখনও কাউকে দেখাননি৷

তবে গল্প বলছে অন্য কথা। আট বছর আগে, ২০১৫ সালে দিল্লিতে আরএসএসের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন 'কমিউনিস্ট পরিবারের ছেলে' সুদীপ্ত সেন। ২০১৫-২০১৬ এই সময়ের মধ্যে, কেরলে আইএসআইএসের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারির একাধিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সুদীপ্ত সেন আরএসএস সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পরে ওই নেতারাই কেরলের 'উগ্রবাদ' সম্পর্কে সুদীপ্তর জ্ঞানচক্ষু উন্মোচন করেন।

আরএসএসের তরফে জানা গিয়েছে, কেরলে আরএসএস-সমর্থিত স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠন আছে, আরশা বিদ্যা সমাজান। এই সংস্থায় যান সুদীপ্ত সেন। এই এনজিও ইসলামে ধর্মান্তরিত কিছু মহিলাকে উদ্ধার করেছে এবং নিজেদের ধর্মে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। সুদীপ্ত সেন নাকি এই মহিলাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। সেই গল্প শুনেই সুদীপ্ত তাঁর গবেষণা শুরু করেন। ইউটিউব চ্যানেল 'ফেস্টিভ্যাল অব ভারত'-এ একটি সাক্ষাত্কারে, পরিচালক দাবি করেছেন, ২০১০ সালে, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ওমেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় একটি রিপোর্ট পেশ করেছিলেন যাতে বলা হয়েছিল, "প্রতি বছর প্রায় ২৮০০-৩২০০ মেয়েকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে।" সুদীপ্ত সেন সাক্ষাত্কারে বলেছেন, "দশ বছরের জন্য এই সংখ্যাটি গণনা করলে তা ৩২,০০০-৩৩,০০০-এই দাঁড়ায়। বাস্তবে, এই পরিসংখ্যান উল্লিখিত রয়েছে ২০১০ সালের এমন কোনও নথিই মেলেনি। "কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম ২০২০: ইন্ডিয়া" শীর্ষক মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিবেদন অনুসারে, "নভেম্বর পর্যন্ত ৬৬ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আইএসআইএসের সঙ্গে যুক্ত ছিল (২০২০)।” সিনেমাটির দাবি, যে চারজন মহিলার গল্পের উপর ভিত্তি করে সিনেমাটি নির্মিত, যারা ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ISIS-এ যোগ দিতে তাদের স্বামীদের সঙ্গে আফগানিস্তানে গেছিল, তারা বর্তমানে একটি আফগান কারাগারে বন্দি রয়েছে।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।