কেন মাসুদ আজহার পরিবারের মৃত্যু ভারতের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ?

JeM Chief Masood Azhar: আজহাররা কখনও কথাবার্তা, সমঝোতায় আসতে চায়নি, তারা কোনও আদর্শের পতাকাবাহক নয়, কোনও প্রতিরোধের মসিহা নয়, ভারতরাষ্ট্রের প্রতিটি বাসিন্দাই তাদের টার্গেট

inscript
৫ মিনিট
কেন মাসুদ আজহার পরিবারের মৃত্যু ভারতের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ?

সুপরিকল্পিত সুসম্পাদিত প্রত্যাঘাত। মঙ্গলবার মধ্যরাতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতের অপারেশন সিঁদুরকে এভাবেই বর্ণনা করা চলে। ভোর হতে না হতেই দু'দেশের মানুষের ঘুম ভেঙেছে সেই খবরে আর যুদ্ধের আশঙ্কায়। বেলা গড়াতেই আমরা জানলাম এই হামলায় মাসুদ আজহারের পরিবারের মৃত্যুর খবর। ভারতীয় মিডিয়ায় তো খবরটি করেইছে, এই খবর প্রচারিত হয়েছে বিবিসিতেও। বালাকোট প্রত্যাঘাতকে যেমন 'উড়িয়ে' দেওয়া হয়েছিল, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও প্রমাণ নিয়ে সংশয়ে ছিল, তেমন উড়িয়ে দেওয়া যাবে না এই অপারেশনকে। ইতোমধ্যে সামনে এসে গিয়েছে যে জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস হয়েছে তার ম্যাপ এবং স্ন্যাপ। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, এটা আসলে প্রত্যাঘাত। সংযত প্রত্যাঘাত। ভারত কোনও সামরিক ঘাঁটি আক্রমণ করেনি, কোনও সাধারণ মানুষের জীবন নিতে চায়নি, নিশানা করেছে বহালপুর, মুরিদকে, সিয়ালকোট এবং কোটলি। নিশানা করেছে গুলপুর, ভীমবের চাক, আমরুতে। পহেলগাঁও হামলা যেমন সর্বার্থে ব্যতিক্রম ছিল, এই প্রত্যাঘাতও তাই। নিখুঁত প্রযুক্তি, গোয়েন্দা ইনপুটে বলীয়ান ভারতীয় সেনা সীমান্তে গুলি বিনিময় করেনি, কোনওভাবেই সাধারণ মানুষের প্রাণ নিতে চায়নি। লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসের শিকড়। আর সেই কারণেই বেছে নেওয়া বাহাওয়ালপুরে জৈশের ঘাঁটি, যে হামলায় মাসুদ আজহারের পরিবারের দশজন সদস্য নিহত হয়েছে বলে খবর। সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর, সে যে দেশেরই হোক না কেন, বেদনাদায়ক। কিন্তু আজহার পরিবারের ইন্তেকাল এই সারণিতে ফেলে দেখা যাবে না। তার তাৎপর্য ব্যপক, গভীর। ভারতের তিন দশকের দেনাপাওনা জড়িয়ে আছে আজহার পরিবারের সঙ্গে। সেই তিন দশকের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে, কেন মাসুদ আজহারকে টার্গেট করল ভারত, কে এই মাসুদ আজাহার, কী তার প্রাপ্য?

১৯৬৮ সালে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালপুরে জন্ম মাসুদ আজহারের। ১১ সন্তানের মধ্যে তৃতীয়। আল্লাহ বখশ শব্বির একজন দেওবন্দি মৌলবি এবং স্কুলশিক্ষক। তরুণ বয়সে আজহার করাচির জামিয়া বিনোরিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে, সেখানেই জিহাদি মতাদর্শের তার হাতেঘড়ি। ১৯৯০-এর দশকে মাসুদ আজাহার হরকত-উল-আনসার নামে একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হয় এবং সৌদি আরব, জাম্বিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ব্রিটেনে জেহাদের প্রচার শুরু করে। তার কাজ ছিল মুসলিম যুবকদের জেহাদে হাতেখড়ি দেওয়া এবং ফান্ড কালেকশন।

১৯৯৪ সালে আজহার একটি জাল পর্তুগিজ পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতারও করা হয়। তবে, ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ইন্ডিয়ান এয়ারলায়েন্সের আইসি-৮১৪ বিমান অপহরণ করে তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য করা হয় ভারত সরকারকে। ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, বিকাল ৪টে নাগাদ ১৭৯ জন যাত্রী, ১১ জন বিমান ক্রু নিয়ে কাঠমান্ডু থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে আইসি ৮১৪। বিমান ভারতীয় আকাশসীমায় প্রবেশ করলে যাত্রীদের জলখাবার দেওয়া শুরু করেন বিমানকর্মীরা। ৫টা নাগাদ হঠাৎ যাত্রীদের পাঁচজন আসন থেকে উঠে রিভলভার এবং গ্রেনেড হাতে নিয়ে চিৎকার শুরু করে। ঢুকে পড়ে ককপিটে। ক্যাপ্টেনের আসনের সামনে থেকেই ঘোষণা করে যে, বিমানটিকে ছিনতাই করা হয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, পাঁচ জঙ্গিকেই পাকিস্তানি নাগরিক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাঁরা ছিলেন— ইব্রাহিম আতহার, আখতার সঈদ, সানি আহমেদ কাজি, জহুর মিস্ত্রি এবং শাকির। আর এই অপহরণের পিছনে ছিল আজহারের ভাই ইব্রাহিম আথার এবং ভাই আব্দুল রউফ আসগর। ভারতীয় নাগরিকদের প্রাণ বাঁচাতে সেদিন ছেড়ে দিতে হয় আজহারকে। মুক্তির পর আজহার পাকিস্তানে ফিরে জৈশ-ই-মহম্মদ প্রতিষ্ঠা করে যে জঙ্গিগোষ্ঠী দিনের পর দিন ভারতকে রক্তাক্ত করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সিঁদুরে ধ্বংস জৈশ প্রতিষ্ঠাতার পরিবার! মুছে গেল মাসুদ আজাহারের নামও?

Operation Sindoor: ১৯৯৪ সালে ভারতে গ্রেফতার হয় মাসুদ। ১৯৯৯ সালে আইসি-৮১৪ বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় ভারত।

জৈশ পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে একটি বিশাল কমপ্লেক্স থেকে পরিচালিত হয়, এই কমপ্লেক্সের ভিতর উম্ম-উল-কুরা মসজিদ এবং মাদ্রাসা রয়েছে। আজহারের পরিবার এই সংগঠনটিকে পরিচালনা করে। তার ভাই আব্দুল রউফ আসগর প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করে এবং অন্যান্য আত্মীয়রাও বিভিন্ন ভূমিকায় জড়িত। জৈশ-আল-কায়েদা এবং তালিবানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই জৈশকে সময়ে সময়ে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে এসছে। রাষ্ট্রীয় মদত ছাড়া সুশৃঙ্খলিতভাবে প্রশিক্ষণ, তহবিল সংগ্রহ এবং হামলার পরিকল্পনা করা সম্ভব নয়। সম্ভব নয় একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াই করার জন্য মেশিনগান, অ্যাসল্ট রাইফেল, মর্টার, গ্রেনেড এবং ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরক ডিভাইস জোগাড় করা। লড়াইটা যে আসলে যে জৈশ বা লস্করের মতো সংগঠনের সঙ্গে, কাশ্মীরে হামলা চালানো টিআরএফ যে এই সংগঠনগুলিরই ছায়া তা বোঝা দুঃসাধ্য নয়। ভারত চাইছিল এই সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর ভেঙে দিতে কারণ গত দু'দশক এই এপিসেন্টার থেকেই থেকেই পরিচালিত হয়েছে ভারতবিরোধী নাশকতা। নাশকতার একটা তালিকা তুলে ধরা যাক:

১ অক্টোবর, ২০০১, জৈশের একজন সন্ত্রাসী শ্রীনগরে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সামনে একটি বিস্ফোরক-ভর্তি গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটায়। এই হামলায় ৩৮ জন নিহত এবং ৮০ জনের বেশি আহত হন। এটি ছিল জৈশের প্রথম বড় হামলা।

১৩ ডিসেম্বর, ২০০১, জৈশ এবং লস্কর-ই-তৈবার সন্ত্রাসীরা নয়াদিল্লিতে ভারতীয় সংসদে হামলা চালায়। পাঁচজন সন্ত্রাসী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ট্যাগ লাগানো গাড়ি নিয়ে সংসদে প্রবেশ করে এবং এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এই হামলায় পাঁচজন সন্ত্রাসী নিহত হয়, ছ'জন দিল্লি পুলিশ কর্মী, দুইজন সংসদ নিরাপত্তা কর্মী এবং একজন মালি নিহত হন।

২ জানুয়ারি, ২০১৬, চারজন জৈশ সন্ত্রাসী পঞ্জাবের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায় কালাশনিকভ রাইফেল এবং গ্রেনেড নিয়ে ঘাঁটিতে প্রবেশ করে এবং সাতজন ভারতীয় নিরাপত্তা কর্মীকে হত্যা করে। জৈশ এই হামলার দায় স্বীকার করে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিশ্বাসঘাতকতার সাত দশক! কেন বালুচিস্তান পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায়?

Balochistan: অশান্তির নেপথ্যে থাকা বালুচ লিবারেশন আর্মি এখন আর শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন নয়, লেখাপড়া শেখা তরুণ-তরুণীরা এতে জড়িয়েছে। কেন?

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, জৈশের চারজন সন্ত্রাসী জম্মু ও কাশ্মীরের উড়িতে ভারতীয় সেনা ব্রিগেডের সদর দপ্তরে হামলা চালায়। তারা তিন মিনিটে ১৭টি গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ১৭ জন সেনা সদস্যকে হত্যা করে। এই হামলার জবাবে ভারত পাকিস্তানে সার্জিকাল স্ট্রাইক চালায়।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় একজন জৈশ আত্মঘাতী বোমারু ৭৮টি গাড়ির একটি সিআরপিএফ কনভয়ে বিস্ফোরক-ভর্তি গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটায়। এই হামলায় ৪৪ জন সিআরপিএফ কর্মী এবং হামলাকারী নিহত হন। জৈশ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই হামলার দায় স্বীকার করে এবং হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করে। এই ঘটনার পর ভারত পাকিস্তানের খাইবার-পাখতুনখোয়ায় বালাকোটে বিমান হামলা চালায়।

এছাড়া, জৈশ ২০১৪-১৫ সালে কাঠুয়া, সাম্বা, হান্দওয়ারা এবং পুলওয়ামায় পুলিশ স্টেশন এবং সেনা শিবিরে হামলা চালিয়েছে। ২০১৬ সালে নাগরোটায় সেনা ঘাঁটিতে হামলায় চারজন সেনা সদস্য নিহত হন।

কিন্তু এবারের পহলগাঁওতে আক্রমণের ধরনধারণ ছিল একদম আলাদা। সন্ত্রাসীরা চাইছিল ভারতের সেকুলার স্পিরিটকে ভেঙে দিতে। চাইছিল সরকারের প্রতি জনতার তীব্র বীতস্পৃহা তৈরি করতে। মানুষে মানুষে অবিশ্বাস আর সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি করতে। সবচেয়ে বড় কথা কাশ্মীরকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে, ১০০ কোটি মানুষের সঙ্গে কাশ্মীরের দূরত্ব তৈরি করতে। ফলে ভারতীয় সেনা গোয়েন্দাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল প্রত্যাঘাতের কৌশল স্থির করা। ২৫ জন ভারতীয় এবং একজন নেপালি নাগরিকের মৃত্যুর জবাবে আরও কিছু নাগরিকের প্রাণ নেওয়া নৈতিকভাবে খুব সদর্থক কাজ হতো না। প্রয়োজন ছিল যেখানে সন্ত্রাসের জন্ম সেই শিকড়টাকে উপড়ে ফেলা, অন্তত শিকড় ধরে টান মারা।

জৈশ বিবৃতি বলে যে উর্দু ভাষায় লেখা কাগজটি প্রচারিত হচ্ছে তা বলছে, এই হামলায় মাসুদ আজহারের দিদি, জামাইবাবু, ভাইপো-সহ পরিবারের দশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। জৈশের চারজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীও মারা গিয়েছে। পাশাপাশি, মনে রাখব আজহারের এক আত্মীয় এজাজ আবিদ গত এপ্রিলে পেশোয়ারে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হাতে খুন হয়। ২০২৩ সালে পাকিস্তানের শিয়ালকোটে কিছু অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী গুলি করে খুন করে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদের সদস্য শাহিদ লতিফকে। দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় নাম ছিল লতিফের।

আজাহার কি জীবিত? আমরা এখনও জানি না। আমরা জানি, এই অপারেশন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ। আজহাররা কখনও কথাবার্তা, সমঝোতায় আসতে চায়নি, তারা কোনও আদর্শের পতাকাবাহক নয়, কোনও প্রতিরোধের মসিহা নয়, ভারতরাষ্ট্রের প্রতিটি বাসিন্দাই তাদের টার্গেট, এই রাষ্ট্রের বয়ন-বুনিয়াদ ভাঙাই তাদের প্রতিজ্ঞা। এবং মনে রাখতে হবে এ কাজে জড়িয়েছিল গোটা আজহার পরিবার। তারা সাধারণ নিরীহ নিরাপরাধ পাকিস্তানি নয়। তিন দশক তারা ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে, স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। আর পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই জৈশকে আর্থিক এবং সামরিক সহায়তা প্রদান করে এসছে। অপারেশন সিঁদুর আইসিস-কেও বার্তা। বার্তা এই যে যে কোনও মুহূর্তে উড়তে পারে আইএসআই-ঘাঁটিও। সেই সামর্থ্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর আছে।

সাধারণ ভারতীয়রা যুদ্ধ চায় না। বুদ্ধিমান মাত্রই জানেন, যুদ্ধ বিপদে ঠেলে দেয় গরিব মানুষকে, সীমান্তবর্তী বহু অসহায়কে। কিন্তু ভারত সন্ত্রাসদমন চায় আত্মরক্ষার্থে। মাসুদ আজাহারকে চাই জীবিত অথবা মৃত। আজাহারদের উস্কানি আর অর্থ দেয় যে আসীম মুনিররা, চাই তাদেরও।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।